Elma's Diary

Elma's Diary বইয়ের পাতায়, গল্পের ভাঁজে আর অনুভূতির রঙে খুঁজে ফিরি জীবনের অর্থ।

একজন নারী বাসচালক ফ্লাইওভারে উঠতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। সাহায্য নিলেন একজন পুরুষ চালকের। ব্যস! ঘটনা এতটুকুই।কিন্তু গল্পটা ...
19/08/2026

একজন নারী বাসচালক ফ্লাইওভারে উঠতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। সাহায্য নিলেন একজন পুরুষ চালকের।
ব্যস! ঘটনা এতটুকুই।
কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়।কারণ ঘটনাস্থলে থাকা এক রিপোর্টার পুরো বিষয়টি ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

এমনকি ওই নারী চালক স্পষ্ট করে বলেছেন,
“ক্লিপটা নিয়েন না। পুরুষ ড্রাইভার যে বসছে, এটা নিয়েন না।”
তারপরও ক্লিপ নেওয়া হয়েছে। শুধু নেওয়াই হয়নি, তিনি যে ক্লিপটি প্রকাশ না করতে অনুরোধ করেছিলেন, সেই কথোপকথনটাও প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে!

অসাধারণ! একজন নারী নতুন একটি পেশায় কাজ শুরু করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিকে কোনো পরিস্থিতিতে সহায়তা লাগতেই পারে। একজন দক্ষ পুরুষ চালক সাহায্য করেছেন এটা তো সহযোগিতার গল্প হতে পারত।

কিন্তু সেটাকে বানিয়ে দেওয়া হলো, “দেখুন, নারী বাসচালক বিপদে!”

এখানেই প্রশ্নটা সাংবাদিকতার। কেউ যদি স্পষ্টভাবে বলে, “এই অংশটা রেকর্ড করবেন না” তাহলে সেই অনুরোধেরও কি কোনো মূল্য নেই?সবকিছু ক্যামেরায় তুলে ফেলাই সাংবাদিকতা নয়।সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়াও সাংবাদিকতার সাফল্য নয়।
কখন কোন দৃশ্য সংবাদ, আর কোন দৃশ্য একজন মানুষের বিব্রতকর মুহূর্ত, এই পার্থক্যটা বোঝাই তো পেশাদারিত্ব।

আজ ওই নারী চালক যদি ভুল করেন, সমালোচনা হতেই পারে।বাস চালাতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে প্রশ্ন উঠতেই পারে।কিন্তু একজন মানুষকে তার দুর্বল মুহূর্তে সাহায্য নেওয়ার কারণে জনসমক্ষে হেয় করার মতো কনটেন্ট বানানো এটা কেমন সাংবাদিকতা?

আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়, নারী চালকদের নিয়ে আগে থেকেই যাদের নানা রকম সন্দেহ-বিদ্রূপ আছে, এমন ভিডিও তাদের হাতে আরও মশলা তুলে দেয়।

একজন নারীকে দক্ষ হতে সময় দিন। ভুল শেখার সুযোগ দিন।প্রয়োজনে সাহায্য নেওয়ার অধিকারটুকুও দিন।
কারণ প্রথম দিনেই কেউ নিখুঁত হয় না,পুরুষও না, নারীও না।🙂

#পিংকবাস #মহিলাবাস

কর্মজীবী নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে আবারও পৃথক গোলাপি রঙের ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু করেছে বাংল...
18/08/2026

কর্মজীবী নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে আবারও পৃথক গোলাপি রঙের ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস চালু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। এসব বাসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নারীরা। ছবি রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে তোলা।

ছবি: মেহেদী হাসান

18/08/2026

ভ্রমণ করি চলেন😍

এখন পর্যন্ত যতজন নারী ড্রাইভারের সাক্ষাৎকার দেখলাম, সবাইকে বেশ শিক্ষিত, মার্জিত ও ট্যালেন্টেড মনে হলো। কথাবার্তা বলা এবং...
18/08/2026

এখন পর্যন্ত যতজন নারী ড্রাইভারের সাক্ষাৎকার দেখলাম, সবাইকে বেশ শিক্ষিত, মার্জিত ও ট্যালেন্টেড মনে হলো। কথাবার্তা বলা এবং মিডিয়া ফেস করার সক্ষমতাও অনেক টকশো বক্তার চেয়ে কোনো অংশে কম মনে হয়নি।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো৷ তারা শখের বশে হঠাৎ করে বড় বাসের স্টিয়ারিংয়ে বসেননি। তাদের অনেকেই আগে থেকেই বিভিন্ন ড্রাইভিং স্কুলে ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রাস্তায়ও ড্রাইভিং শিখিয়েছেন বহুদিন। এর ওপর গত এক মাস ধরে বড় গাড়ি রুটে চালানোর বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

অর্থাৎ, যথেষ্ট প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি নিয়েই তাদের মাঠে নামানো হয়েছে। এরপরও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে সেটা স্বাভাবিক। কারণ রাস্তায় দুর্ঘটনা শুধু চালকের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না, অন্য গাড়ি, পথচারী, রাস্তার অবস্থা অনেক কিছুই এর সঙ্গে জড়িত।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, নারী ড্রাইভার নামার আগেই এক শ্রেণির মানুষ তাদের বিরোধিতায় নানা কথা ও ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়ে গেছে। হোক। তাদের কথায় তো আর দুনিয়া থেমে থাকবে না।

তাদের কথা মেনে চললে হয়তো দেশে এখনো টিকা দেওয়া, এলোপ্যাথি চিকিৎসা নেওয়া, মোবাইল-টেলিভিশন-ইন্টারনেট ব্যবহার—সবকিছু নিয়েই আপত্তি থাকত। সময়ের সঙ্গে পৃথিবী বদলায়, সমাজও বদলায়।

যাইহোক, এক সাংবাদিক ওই নারী ড্রাইভারকে প্রশ্ন করেছিলেন ড্রাইভিং নিয়ে মানুষের কটু কথা শুনে ভয় পান কি না?

তার উত্তরটা বেশ আত্মবিশ্বাসী লেগেছে।

তিনি essentially বলেছেন, “মানুষের কথা শুনলে কি আর এতদিন ড্রাইভিং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতে পারতাম? আজ কি আর দুতলা বাসের মতো বড় গাড়ি চালানোর সাহস করতে পারতাম?”

এই আত্মবিশ্বাসটাই দরকার। ❤️

নারী বলে কাউকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার দরকার নেই, আবার নারী বলে কাউকে ছোট করারও দরকার নেই। যোগ্যতা থাকলে সুযোগ দিন, প্রশিক্ষণ দিন, কাজ করতে দিন তারপর পারফরম্যান্স দিয়েই বিচার হোক।

15/08/2026

প্রিয় তোমায় বড্ড ভালোবাসি🥰

15/08/2026

দুইটি রিদয় এক হয়ে গেছে 😜😱

৭ কিলোমিটার আসলাম। 😑রাস্তার পাশে ৩৪০ টা গাছ, ৩২১ টা খাম্বা আর ৩ টা ব্রিজ ছিলো গুনে শেষ করেছি  😃যদিও একটু ঘার বেথা করতেছে...
15/08/2026

৭ কিলোমিটার আসলাম। 😑
রাস্তার পাশে ৩৪০ টা গাছ, ৩২১ টা খাম্বা আর ৩ টা ব্রিজ ছিলো গুনে শেষ করেছি 😃

যদিও একটু ঘার বেথা করতেছে🤕
©

15/08/2026

এক কবুলে দুইটি বিয়ে 😱

সাজেক যেতে মন চাচ্ছে 😍
12/08/2026

সাজেক যেতে মন চাচ্ছে 😍

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elma's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share