Nazmul Haque

Website

Nazmul Haque হারাম থেকে দুরে থাকি।হালাল কে ধরে রাখি।নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনা কারী ☝️।।
(2)

😁🤣🤣🤣🤣.  🫵😬🤝
21/09/2026

😁🤣🤣🤣🤣. 🫵😬🤝

🫵🙆‍♂️👇
20/09/2026

🫵🙆‍♂️👇

১০ পিছ দরজা নিলে হোম ডেলিভারি দেওয়া যাবে।। 🌹
20/09/2026

১০ পিছ দরজা নিলে হোম ডেলিভারি দেওয়া যাবে।। 🌹

20/09/2026

নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।।

ইয়া জুজ মা জুজের প্রথম দল এই হ্রদটির পানি চোখের পলকে নিঃশেষ করে ফেলবে। এটি হলো তাবারিয়া হ্রদ। এটির দৈর্ঘ্য ২১ কিমি, প্র...
20/09/2026

ইয়া জুজ মা জুজের প্রথম দল এই হ্রদটির পানি চোখের পলকে নিঃশেষ করে ফেলবে। এটি হলো তাবারিয়া হ্রদ। এটির দৈর্ঘ্য ২১ কিমি, প্রস্থ ১৩ কিমি এবং এটির গড় গভীরতা ৮৪ ফুট। এই হ্রদটির আয়তন ১৬৬ বর্গকিলোমিটার।

এই হ্রদটি পূর্বে ফি লি স্তি ন অর্থাৎ বর্তমান ই স রা ই লে অবস্থিত। জর্দান নদী থেকে প্রবাহিত পানি এসে এই হ্রদটিতে জমা হয়। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে স্বচ্ছ পানির একটি হ্রদ।

ইসলামী বিশ্বাস এবং হাদিস অনুযায়ী, কেয়ামতের পূর্বে ইয়া জুজ-মা জুজ সম্প্রদায়ের প্রথম দলটি ফিলিস্তিনে অবস্থিত এই তাবারিয়া হ্রদ বা তিবিরিয়া হ্রদ (Lake of Tiberias) যার বর্তমান নাম (Sea of Galilee) এর সমস্ত পানি পান করে নিঃশেষ করে ফেলবে।

পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে কেয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন হিসেবে ইয়া জুজ মা জুজের আত্মপ্রকাশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সুরা আল-কাহফে বর্ণিত হয়েছে যে মহান ন্যায়নিষ্ঠ শাসক ও বিজেতা যুলকারনাইন দুটি পাহাড়ের মাঝখানে লোহা ও তামা দিয়ে একটি শক্ত প্রাচীর নির্মাণ করে এই ব র্বর জাতিকে আটকে দিয়েছিলেন।

কুরআনের বর্ণনা ও বিভিন্ন তাফসীরের ইঙ্গিতে তাদের অবস্থান পৃথিবীর উত্তরাঞ্চল বা উত্তর-পূর্ব দিকে বলে ধারণা করা হয়। তবে এর সঠিক স্থান আজও মানুষের অজানা।

হাদিস অনুযায়ী, তাদের সংখ্যা পৃথিবীর মানুষের চেয়ে কয়েকগুণ বেশী হবে এবং আল্লাহর হুকুমে তারা এক জায়গায় আবদ্ধ আছে। কেয়ামত ঘনিয়ে এলে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটবে।

তারা বেরিয়ে আসার জন‍্য দলবদ্ধ হয়ে প্রতিদিন একটি প্রাচীর কা টার চেষ্টা করে এবং বলে আগামীকাল বাকিটা কাটব। কিন্তু আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন তা আগের মতো মজবুত করে দেন। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে আল্লাহর নির্দেশে প্রাচীরটি ভেঙে যাবে এবং তারা পৃথিবীতে বেরিয়ে আসবে।

তাদের প্রথম দলটি এই তাবারিয়া হ্রদ অতিক্রম করার সময় এর সমস্ত পানি পান করে ফেলবে। এরপর তাদের শেষ দলটি যখন সেখানে পৌঁছাবে, তখন তারা বলবে, 'একসময় এখানে হয়তো পানি ছিল।'

ভৌগোলিক দিক থেকে এটি জর্দান, ই স রা ই ল, লেবানন এবং সিরিয়ার মধ‍্যবর্তী স্থানে গোলান উপত্যকায় অবস্থিত। এটি মূলত একটি মিষ্টি পানির হ্রদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে 'সি অব গ্যালিলি' (Sea of Galilee) নামে পরিচিত।

ইসলামী ধর্মীয় ইতিহাস ও পরকালতত্ত্ব অনুযায়ী ইয়া জুজ ও মাজু জ (ইংরেজি ভাষায় Gog and Magog) হলো হযরত আদম (আঃ) কিংবা নূহ (আঃ)-এর বংশধর থেকে সৃষ্টি মানবজাতির অন্তর্ভুক্ত দুটি শক্তি শা লী ও ধ্বং সাত্মক গোত্র। পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে এদের সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

এরা সাধারণ মানুষের মতো র ক্ত-মাং সের মানুষ হলেও আকারে ছোট চোখ, চ্যাপ্টা মুখ এবং প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক স্বভাবের।

ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সূত্র মতে, এরা হযরত নূহ (আঃ)-এর পুত্র ইয়াফিসের বংশধর।

পবিত্র কুরআনের সুরা আল-কাহফে বাদশাহ যুলকারনাইনের ঘটনায় ইয়া জুজ-মাজু জের কথা উল্লেখ রয়েছে। একসময় এই উপদ্রবকারী জাতি চারপাশের মানুষদের ওপর ব্যাপক অ ত্যাচার ও ফা সাদ সৃষ্টি করত।

তখন স্থানীয় জনগণের অনুরোধে ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ যুলকারনাইন দুটি বিশাল পাহাড়ের মাঝখানে লোহা ও তামা গলিয়ে এক মজবুত ও বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করেন। এই প্রাচীরের আড়ালেই তারা বর্তমানে অন্তরীণ বা আবদ্ধ রয়েছে।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইয়া জুজ-মা জুজ প্রতিদিন সেই প্রাচীর কে টে বের হওয়ার চেষ্টা করে। সারাদিন খনন করার পর যখন তারা প্রাচীর ভাঙার কাছাকাছি পৌঁছে, তখন তাদের সর্দার বলে—"আজ যাও, আগামীকাল এসে বাকি অংশ কাটবে।" এরপর আল্লাহ তাআলা রাতের মধ্যে সেই প্রাচীর আগের চেয়েও মজবুত ও পুরু করে দেন।

এই প্রক্রিয়া প্রতিদিন চলতে থাকে এবং আল্লাহর নির্ধারিত সময় না আসা পর্যন্ত তারা সেখান থেকে বের হতে পারবে না।

কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে বা ঈসা (আঃ)-এর আগমনের পর আল্লাহর হুকুমে এই প্রাচীর ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে এবং তারা মানবজাতির ওপর প্লাবনের মতো ছড়িয়ে পড়বে।

তাদের সংখ্যা এত বেশি হবে যে, তারা পৃথিবীর সমস্ত পানি বা নদী যেমন টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস বা ফুরাত নদীর পানি পান করে শেষ করে ফেলবে এবং পৃথিবীতে চরম ধ্বং সযজ্ঞ চালাবে।

আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে ইয়া জূজ ও মা জূজের গোত্রগুলো যখন মুক্ত হবে তখন তারা দলে দলে পৃথিবীতে বেরিয়ে আসবে। তারা উঁচু স্থান থেকে পঙ্গপালের মত দ্রুত পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং মুসলিমরা তাদের নিকট হতে পালাবে।

অবশেষে মুসলিমরা বিভিন্ন দুর্গে আশ্রয় নিবে এবং নিজেদের সবকিছু সঙ্গে নিয়ে যাবে। ইয়া জুজ মা জুজ একপর্যায়ে পৃথিবীর সবকিছু ধ্বং স করে দিবে। এরপর তাদের নেতা বলবে, ‘এরা হলো পৃথিবীর অধিবাসী এবং আমরা তাদেরকে শেষ করে দিয়েছি। এবার চলো, আমরা আকাশের অধিবাসীদের বিরুদ্ধে যু দ্ধ করি!’

তখন তাদেরই একজন তার বর্শা আকাশের দিকে নিক্ষেপ করবে এবং সেটি রক্তমাখা অবস্থায় ফিরে আসবে। এরপর তারা বলবে, ‘আমরা এখন আকাশের অধিবাসীদেরও হ ত্যা করেছি।’

মানুষের ওপর তাদের আক্রমণ যখন চরম আকার ধারণ করবে, তখন নবী ঈসা (আঃ) ও মুমিনগণ আল্লাহর কাছে এদের ধ্বং স প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা বা কীট প্রেরণ করবেন, যার কা মড়ে এক রাতেই এই পুরো জাতি একসঙ্গে ধ্বং স হয়ে মা রা যাবে।

Mohammed Shaikul Islam
মন্ট্রিল, কানাডা 🇨🇦

যশোরের এই টাইপের কোথায় পাওয়া যাবে? কেউ জানলে জানাবেন দয়া করে।।
19/09/2026

যশোরের এই টাইপের কোথায় পাওয়া যাবে?
কেউ জানলে জানাবেন দয়া করে।।

19/09/2026

19/09/2026

#শীতকাল

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazmul Haque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category