26/05/2026
জামায়াতের নেতাকর্মীরা কই?!?!? হাসিনা, খালেদা, খালেদার পোলার পিছনে লেগে আছে, দেশের নারী শিশুদের প্রতি অত্যাচার বন্ধ করার জন্য আন্দলোন করতে তো একটারেও দেখলাম না, তাদের ঘরে কি মেয়ে নাই!? নাকি তারা মা ছাড়াই পৃথিবীতে চলে আসছে!??! মুসলাম হিসেবে তাদেরকে কি আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবেনা?! নাকি তারা তো বেহেশতের টিটেক কাউন্টারের মালিক, তাই তারা এমনিতেই চ্যালচ্যালাইয়া বেহেশতে চলে যাবে, দেশে কি হইলো না হইলো সেটা দেখার চাইতে ক্ষমতার সর্বোচ্চ চেয়ারে বসা জরুরি বেশি!?!?ভাবছিলাম জামাত অন্তত কুরআনের আইন কায়েম এর জন্য চেষ্টা করবে, সেই জন্য তারা আন্দলোন করবে। গত কয়েকদিনের শিশু নির্যাতন, খুনের পর একটা জামাত, এন.সি.পি কারও কোনো কর্মসূচি দেখলাম না, সব ক্ষমতা লোভী জানোয়ার একেকটা। এন.সি.পির ফেরেস্তারা কোথায় যারা হা.সি.না শয়.তান.কে তারানোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলো, তারপর একেকজন নেতা হয়ে চেয়ারে বসলো!! সেই চেয়ারে বসে পেটের ক্ষুধা আরও বেড়ে গেলো এবার বড় চেয়ার অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার চাই তাই না!?!? আর দেশের আবাল জনতারা সব এক হয়ে রাস্তায় নেমে পড়লো, এটা না বুঝেই যে এক হাসিনা গেলে আরেক হাসিনা আসবে কারণ বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসা মানেই মানুষ অমানুষ হয়ে যাওয়া, ক্ষমতা আর টাকার লোভে প্রশাসন পা চাটা কু..ত্তা হয়ে যায়, আর নিজের মতো কেউ হাতে পেলে তাদের নিজের লোক মনে করে জামাই আদর করে। এদেশের উন্নতি হবে কেমনে?? এক জানোয়ার কি আরেক জানোয়ারের বিচার চাইবে কখনও!!? কয়টা পুলিশ দেখেছেন চরিত্রবান?! নিজেদের মতো লুইচ্চা থানায় ধরে এনে তাই তারা জামাই আদর করে।
মানুষ লাগবে জানোয়ারের বিচার করতে হলে। সেই মানুষ তো দেখিনা। জনগণের ভীড়ের মানুষরা এবার এগিয়ে আসুন। নিজের হাতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। হাজার হাজার জনতা মিলে যখন দেশের জানোয়ার নিধন শুরু করবেন, দেখবেন পৈশাচিকতা কমে গেছে। আপনার মা/বোন/কন্যারা তখন নিরাপদে বাঁচতে পারবে। নিজের পরিবারের নারী সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য হলেও দেশের জঞ্জাল পরিষ্কারে একসাথে হয়ে কাজ করুন। যখন যেখানে খুনী, ধর্ষক ধরা পড়বে তখন সেখানেই সেগুলোকে সবাই মিলে পিষে মেরে ফেলুন, পুলিশে খবর দেয়ার দরকার নাই। পরে লাশ পুলিশে নিয়ে যাবে না হয় চিল/শকুন, কুকুর খাবে। তারপরও এদেরকে ছেড়ে দিয়েন না কিংবা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েন না। নিজেরাই বিচার করুন। আর না হয় আমার মতো যারা রাজনীতি বুঝিনা, কোনো দল করিনা, পেটনীতি করতে করতেই দিন চলে যায়, তারা সবাই রাজনীতির কাছে হেরে যাবেন। নিজের সন্তানরা টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে থাকবে, চেয়ে চেয়ে দেখবেন, এই দুনিয়ায় বিচার চাইবেন কার কাছে!? নিজেরাই বিচারের দায়িত্ব নিন। আমরাই ক্ষমতাবানদের ক্ষমতায় বসাই। সুতরাং আমরা তাদের থেকেও ক্ষমতাধর। আসুন সারা বিশ্বকে আবারও দেখিয়ে দেই আমাদের মা/বোন/কন্যাদের জন্য এদেশটা নিরাপদ আশ্রয় করে দিতে আমরাই যথেষ্ট। সুতরাং ঈদের পর যদি সরকার আইন সংস্কার না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধ..র্ষ..ক ও খু.নী..দের মৃ.ত্যু..দণ্ড কার্যকর না করে তবে আরেকটাবার সারা বাংলাদেশ এক হয়ে রাস্তায় নামেন। তবেই একমাত্র এই দেশটা নারীদের জন্য নির্যাতন মুক্ত দেশ হতে পারবে।