01/04/2024
বাস্তব ঘটনা আমি তখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মাঝরাত্রিতে ঘুম ভেঙে গেছে। পাশ ফিরে দেখি বর বিছানায় নেই। ড্রিম লাইটের আলোতে বুঝলাম সে রুমেও নেই। বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেলাম, সেখানেও নেই। বাথরুমে চাপ সইতে না পেরে বাথরুম শেষ করে, বাহিরে গিয়ে দেখি বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে হাস্যচ্ছলে ফোনে কথা বলছে। ওকে বিরক্ত করলাম না, কিন্তু আমার আর সহ্য হল না, দম বের হয়ে আসছিলো। চুপচাপ বিছানায় এসে বালিশ আকড়িয়ে কান্না করতে লাগলাম। মনকে বুঝ দিচ্ছিলাম, আমার কপালটাই পোড়া। স্বামীর ভালবাসা আমার কপালে নেই। ধর্মে তো, পুরুষ মানুষের চার বিয়ের পারমিশন আছেই। কান্না করতে করতে কখন ঘুমিয়ে গেছি খেয়াল নেই। বরের চিৎকারে ঘুম ভাঙল। শালী, ফকিন্নির বাচ্চা, আর কত ঘুমাবি? নাস্তা বানাবে কে? ঘরের কাজ করবে কে?? এই শরীর নিয়ে উঠলাম। ঠিকমত হাটতে পারছিলাম না। চুপচাপ রান্না ঘরে গিয়ে নাস্তা
বানাতে মন দিলাম। নাস্তা বানিয়ে টেবিলে রেডি করেবানাতে মন দিলাম। নাস্তা বানিয়ে টেবিলে রেডি করে আবার দুপুরের জন্য রান্না চুলায় বসিয়ে দিলাম। কি রান্না করবো, আর কত বাজে রান্নার অপবাদ শুনবো, মনে মনে এসব হজম করার প্লান করছি। ওদিকে শ্বাশুড়ী আম্মা আর বর মিলে নাস্তা করছে। আমার মেয়ে দুটোর রুমে যাবার সময় পাই নি, হয়ত উঠেছে কি না। মার খাবার ভয়ে তারা বাবার ধারে কাছে ভিড়তে চাই না। আর ঐদিকে আমার একমাত্র ননদ তখনও ঘুমে। শ্বাশুড়ী আম্মা চিৎকার করে ডাকছে, মৌ এদিকে আয়, বেলা হয়ে গেল, নাস্তা করে যা। আর কত ঘুমাবি? বুকটা ফেটে যায় যখন আমার মেয়ে দুটোকে রেখে ওরা নাস্তা করে। মৌ মাঝেমাঝে ডেকে নিয়ে যায় কিন্তু শ্বাশুড়ী চোখে দেখতে পারে না। হঠাৎ একটা কথা কানে ভেসে আসলো, শ্বাশুড়ী আম্মা বলতেছে, "লক্ষণ তো এবারও ভাল না, আবার মেয়ে হবে।' বাপ, তুই এক কাজ কর, আরেকটা বিয়ে কর। একে ছেড়ে দে।' হাজব্যান্ড কিছু না বলে উঠে গেল। শ্বাশুড়ী নাস্তার
প্লেট নিয়ে ননদের রুমে ডুকলো। আর আমি রান্নাঘরে চোখের পানি ফেলছিলাম.... মনি আর মুক্তা হওয়ার পর আমি আর বাচ্চা নিতে চাই নি। ইচ্ছে ছিল মেয়ে দুটোকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করবো। নিজের মনে লালিত অধরা স্বপ্নগুলো মেয়েরা যেন পূরণ করতে পারে সেভাবেই মানুষ করবো। কিন্তু বরের কথা তার ছেলে চায়ই চাই। এজন্য তাকে প্রয়োজনে যতবার দরকার ততবার বেবি নিতে হবে। আমার শরীর খুব একটা ভাল না, কিন্তু মনের বিরুদ্ধে জোর করে বেবি নিতে বাধ্য করল। মায়া দয়াহীন আচরণ করতো। নিজ স্বামী দ