13/04/2026
এক ড্রেস এর পেইজের ownar তার হাজব্যান্ড মারা যাওয়ার চার/পাঁচ দিন পর আমার টাইমলাইনে আসে কিছু ছোটো ছোটো রিলস। সে কান্না করছিল খুব ন্যাকামি করে কারণ কান্না করাটা তে অনেক ঢং ছিলো ( ব্যক্তিগত মতামত) আর তার চোখে লেন্স ফুল মেকআপ করা, হেয়ার স্টাইল করা। কাজল বা আইলাইনার চোখের পানির সাথে গড়িয়ে পরছিল। আমার তার জন্য ১ ফোঁটাও মায়া কাজ করে নাই, একফোঁটাও আফসোস হয়নি। মায়া লাগছিল ছোটো ২ টা ফুলের মতো বাচ্চার জন্যে।এরপর সে রেগুলার লাইভ করছে ঘুরে ফিরে শ্বশুরবাড়ির বিষয়ে কথা বলছিলো ভিউ বাড়ানোর জন্য।। এগুলো নিয়ে কয়দিন পর অনেকেই পোস্ট দেয়া শুরু করলো, বলল আগে আপনার জন্যে মায়া লেগেছিল এখন মনে হয় ভিউ বাণিজ্য। নিজের সদ্য মরে যাওয়া জীবন সঙ্গীকে নিয়েও ভিউ বাণিজ্য করা যায় ফেসবুক না থাকলে জানতাম ই না। নিজের পরিচিতি বৃদ্ধির একটি কৌশল সে ভালো ভাবে ইউজ করেছিল এটা আমি তার স্বামীর মৃত্যুর পর প্রথম লাইভের সাজ দেখেই বুঝেছি। নিজের ও স্বামীর পরিবার যথেষ্ট সম্পত্তির মালিক থাকা সত্ত্বেও এই অবস্থায় সেজেগুজে কিভাবে লাইভ করে । আমার মতে এই অবস্থায় মানুষ কয়েকমাস বাকরুদ্ধ হয়ে থাকার কথা। আমি sure যাদের হাজব্যান্ড আছে তারাও আমার সাথে একমত হবেন। স্বাভাবিক জীবনে আপনি যেতেই পারেন কারণ একটাই তো জীবন আর আপনার বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা ভেবে আপনার ভালো আপনি বুঝতেই পারেন। নতুন জীবনের জন্য শুভ কামনা। পরিশেষে আমি এটাই উপলব্ধি করলাম আপনি আপনার প্রথম স্বামীকে ভালবাসেন নি। তাহলে ৪/৫ দিন পরই সদ্য বিধবা নারী এভাবে সাজতে পারে না কিছুতেই। এখন আপনি যা করছেন হয়তো এটাই আপনার বাচ্চাদের জন্য ভালো।