TanMon

TanMon ❣️আল্লাহুমা ইন্নী আস আলুকা মিন ফাদলিক❣️
(7)

যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে তানিয়া ছিল বাথরুমে বন্দি!মাত্র ১১ বছরের একটি শিশুর শরীরে এত ক্ষ/*ত কীভাবে তৈরি হতে প...
16/09/2026

যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে তানিয়া ছিল বাথরুমে বন্দি!

মাত্র ১১ বছরের একটি শিশুর শরীরে এত ক্ষ/*ত কীভাবে তৈরি হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সত্যিই বুক কেঁ*পে ওঠে।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শুয়ে আছে ছোট্ট তানিয়া। শরীরজুড়ে পো**ড়া ও আ**ঘা*তের চি*হ্ন, মাথায় একাধিক সে**লাই, পি**ঠে গভীর ক্ষ**ত। দীর্ঘদিনের নি**র্যা**তনে পায়ের ক্ষ/তেও প/চ/ন ধরেছে। অপুষ্টিতে এতটাই দু**র্বল হয়ে পড়েছে যে ঠিকমতো দাঁ*ড়াতেও পারছে না। চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং জরুরি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।

মাত্র ৯-১০ বছর বয়সে অভাবের সংসারে তাকে গৃহকর্মীর কাজে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। মা মা*রা গেছেন প্রায় পাঁচ বছর আগে। বাবা বেলাল হোসেন দিনমজুর। সংসারের অভাব আর মেয়েকে একটু ভালো রাখার আশায় প্রতিবেশীর মাধ্যমে ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন তানিয়াকে।

কিন্তু সেখানে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে ভ*য়া**বহ অন্ধকার।

তানিয়ার অভিযোগ, ঢাকার মিরপুরের একটি বাড়িতে তাকে রাখা হয়েছিল এবং দিনের বেশিরভাগ সময় বা**থরু**মে আ*টকে রাখা হতো। ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গর**ম খু**ন্তি দিয়ে ছ্যাঁ*/কা দেওয়া হতো এবং নিয়মিত নি*র্যা**5তন করা হতো।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাড়িতে রাসেল নামের একজন ল্যাপটপ ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রী ছোটন থাকতেন বলে শিশুটি জানিয়েছে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী বলা যায় না—নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে হবে।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়—দেড় বছর ধরে বাবার সঙ্গে মেয়ের কোনো যোগাযোগ ছিল না।

একজন বাবা অভাবের কারণে মেয়েকে অন্যের বাড়িতে কাজে পাঠিয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছিলেন, মেয়েটা অন্তত দুবেলা খাবার পাবে, কিছু আয় করবে। কিন্তু আজ সেই মেয়েটিই হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃ/ত্যু/র সঙ্গে লড়ছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে—ঘটনাটি ঢাকায় সংঘটিত হয়েছে বলে খাগড়াছড়িতে মামলা গ্রহণ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের যেকোনো স্থানে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় থানায় এজাহার গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করার সুযোগ রয়েছে।

তাহলে প্রশ্ন একটাই—
তানিয়ার বিচার পেতে আর কত অপেক্ষা করতে হবে?
প্রথমেই তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
এরপর অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।

অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

একটি শিশু গৃহকর্মী হওয়ার আগে একজন শিশু।
তারও স্কুলে যাওয়ার অধিকার আছে।

বন্ধুদের সঙ্গে খেলার অধিকার আছে।
নিরাপদে বেড়ে ওঠার অধিকার আছে।

কিন্তু তানিয়ার শৈশব কেটেছে একটি বা**7থরুমের ব-*ন্দিত্ব, ক্ষত আর নি*র্যা*তনের মধ্যে।

আজ তার শরীzরের প্রতিটি ক্ষ**ত যেন আমাদের সমাজের বিবেককে প্রশ্ন করছে—

“গরিবের সন্তান বলে কি তার জীবন, শরীর আর শৈশ্যের কোনো মূল্য নেই?”

তানিয়ার দ্রুত উন্নত চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।

পোস্টটি শেয়ার করুন। তানিয়ার কণ্ঠ যেন হারিয়ে না যায়।
মেয়েটির নিশ্চিত ও সুন্দর জীবনের কামনা করছি ❤️

দেশে কতজন ভু*য়া ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছেন—জানলে অবাক হবেন! যমুনা টিভির এক অনুসন্ধানে দেশে হাজার হাজার ভু*য়া এমবিবিএস চিকিৎ...
15/09/2026

দেশে কতজন ভু*য়া ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছেন—জানলে অবাক হবেন! যমুনা টিভির এক অনুসন্ধানে দেশে হাজার হাজার ভু*য়া এমবিবিএস চিকিৎসকের অস্তিত্বের অ*ভি*যো*গ উঠে এসেছে। কেউ বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করছেন, আবার কারও বি*রু*দ্ধে জাল সনদ ও ভু*য়া ডিগ্রি ব্যবহারের অ*ভি*যো*গ রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়—অ*ভি*যো*গ থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখছেন। এতে সাধারণ মানুষের জীবন ও চিকিৎসা নিরাপত্তা বড় ঝুঁ*কি*র মধ্যে পড়তে পারে!
প্রশ্ন হলো—তারা কীভাবে এতদিন প্রকাশ্যে চিকিৎসা করছেন?
সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাই আমরা 🙏🙏

ভ্যান ছি*নতাইকারীদের হা**মলায় হাত ভে**ঙে টুকরো টুকরো, টাকার অভাবে হচ্ছে না অপারেশন 💔ভ্যান ছি*ন*তাইকারীদের হা**মলায় গুরুত...
15/09/2026

ভ্যান ছি*নতাইকারীদের হা**মলায় হাত ভে**ঙে টুকরো টুকরো, টাকার অভাবে হচ্ছে না অপারেশন 💔

ভ্যান ছি*ন*তাইকারীদের হা**মলায় গুরুতর আ*হত হয়েছেন এক এতিম ভ্যানচালক। তার হাতের হাড় ভে**ঙে গুরুতর অবস্থায় প্রায় দেড় মাস ধরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

চিকিৎসক অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে দুইবার অপারেশনের তারিখ দেওয়া হলেও প্রায় ১০ হাজার টাকার প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে অপারেশন করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

চিকিৎসার জন্য—
🔹 হাতে একটি প্লেট বসাতে প্রয়োজন প্রায় ৫ হাজার টাকা
🔹 অপারেশনের ওষুধ ও আনুষঙ্গিক খরচসহ আরও প্রায় ৬–৭ হাজার টাকা প্রয়োজন।

অসহায় এই ভাইটির দেখাশোনা করার মতো আপনজনও নেই। বর্তমানে হাসপাতালের ৩য় তলার বারান্দায় পড়ে আছেন তিনি। অর্থের ব্যবস্থা না হলে চিকিৎসা শেষ না করেই তাকে বাড়ি ফিরে যেতে হতে পারে বলে জানা গেছে।

🙏 মানবিক হৃদয়ের কেউ যদি তার অপারেশনের দায়িত্ব নিতে বা চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে চান, অনুগ্রহ করে আগে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে রোগী ও চিকিৎসার বিষয়টি যাচাই করে নিন।

📍 স্থান: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ৩য় তলার বারান্দা
📞 যোগাযোগ/সহায়তার তথ্য: 01957332108

একজন অসহায় মানুষের চিকিৎসা সম্পন্ন করতে আপনার সামান্য সহযোগিতাও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। পোস্টটি শেয়ার করে বিষয়টি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করুন।

যারা আর্থিক সহায়তা করতে পারবে না। দয়া করে

পোস্ট টি শেয়ার করুন প্লিজ। এবং দোয়া করবেন 🙏

হবিগঞ্জের হরষপুর রেলস্টেশনে একা ঘুরছে শিশু, পরিবারের সন্ধান চান স্থানীয়রা 💔গত কয়েক দিন ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরষ...
15/09/2026

হবিগঞ্জের হরষপুর রেলস্টেশনে একা ঘুরছে শিশু, পরিবারের সন্ধান চান স্থানীয়রা 💔

গত কয়েক দিন ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরষপুর রেলস্টেশন এলাকায় একটি শিশুকে একা একা ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ আজ রাত ১১টার দিকে শিশুটিকে প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে একা শুয়ে থাকতে দেখা যায়।

এত ছোট একটি শিশুর এভাবে একা ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রেলস্টেশনে থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এখনো শিশুটির নাম-পরিচয় কিংবা পরিবারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শিশুটির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আপাতত তাকে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

📢 জরুরি আবেদন:
ছবির শিশুটিকে চিনতে পারলে অথবা তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন কিংবা ঠিকানা সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

📞 যোগাযোগ: [BM LIVE]

আপনার একটি শেয়ার হয়তো শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারে।
পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করে শিশুটির পরিবারের সন্ধান পেতে সহযোগিতা করুন।
আর সবাই অবশ্যই তার জন্য দোয়া /আশীর্বাদ করবেন 🙏

স্বামী মা*রা গেছে কয়েক বছর আগে। একাকী অভাব অনটনে কাটছে জীবন। তাই শেষ বয়সে  বৃদ্ধা মহিলা বিয়ে করেছেন। এটাই মেনে নিতে পারছ...
15/09/2026

স্বামী মা*রা গেছে কয়েক বছর আগে। একাকী অভাব অনটনে কাটছে জীবন। তাই শেষ বয়সে বৃদ্ধা মহিলা বিয়ে করেছেন।

এটাই মেনে নিতে পারছেনা গ্রামের সহজ সরল প্রতিবেশীরা। ২য় বিয়ে করায় মহিলার বাড়ির চারিদিকের রাস্তায় বাশ ও বড়ই গাছের ডালা দিয়ে রাস্তা ব/ন্ধ করে দিয়েছে।

৬ দিন ধরে নিজের বাড়ি থেকে বের হতে পারছেনা। গ্রামের সহজ সরল মেম্বার ৩০ হাজার টাকা চেয়েছে রাস্তার বেড়া তুলে দেওয়ার জন্য।

ঠিকই তো, বৃদ্ধ বয়সে আপনি ভি/ক্ষা করবেন, প্রতিবেশীদের কাজ করে দিবেন বিনিময়ে তারা কিছু দিবে, অসু/স্থ হয়ে একা বাসায় পরে থাকবেন। এসব না করে কেন আপনি একটু ভালো থাকতে চাইবেন?

এদেশের গ্রামের মানুষকে যারা সহজ সরল বলেন তারা এখনো বাচ্চা! ঘটনা দিনাজপুরের হিলিতে।
অন্যের ভালো সহ্য করা হবে কেনো??হুমমম😀

😢 পিআইসিইউতে চিকিৎসক নেই, ৯ মাসের শিশুর মৃ*/ত্যু—স্বজনদের অবহেলার অভিযোগ, হসপিটালের বিল ২ লক্ষ টাকার বেশি 🥲রাজধানীর কারও...
15/09/2026

😢 পিআইসিইউতে চিকিৎসক নেই, ৯ মাসের শিশুর মৃ*/ত্যু—স্বজনদের অবহেলার অভিযোগ, হসপিটালের বিল ২ লক্ষ টাকার বেশি 🥲

রাজধানীর কারওয়ান বাজার সংলগ্ন পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী আয়ান আব্দুল্লাহ নামে এক শিশুর মৃ/**ত্যুকে ঘিরে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।

স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে পিআইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হলেও সেখানে দীর্ঘ সময় কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। পরে স্বজনরা পিআইসিইউতে গিয়ে শিশুটিকে মৃ**/ত অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেছেন।

এদিকে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগের মধ্যেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি বিল করা হয়েছে বলে স্বজনদের দাবি।

ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ ও কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির স্বজনরা।

📍 স্থান: পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল, কারওয়ান বাজার, ঢাকা
চিকিৎসক কিভাবে এতটা দায়িত্বহীন হতে পারে??

💔 আহত বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ডাক্তারদের কাছে ছুটছেন মা—চিকিৎসা তো দূরের কথা, ফিরেও তাকাচ্ছেন না কেউ!আহত সন্তানকে কোলে নিয়ে ঢ...
15/09/2026

💔 আহত বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ডাক্তারদের কাছে ছুটছেন মা—চিকিৎসা তো দূরের কথা, ফিরেও তাকাচ্ছেন না কেউ!

আহত সন্তানকে কোলে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছুটছেন এক অসহায় মা।

অভিযোগ, চিকিৎসার আশায় ডাক্তারদের কাছে গেলেও দীর্ঘ সময় ধরে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। একপর্যায়ে আহত সন্তানকে কোলে নিয়েই জরুরি বিভাগের মেঝেতে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে।

একজন অসহায় মা যখন আ*হত সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, তখন এমন দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।

📍 স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জরুরি বিভাগ
এ কেমন জাতি!এ কেমন মানুষ আমরা🙂

কিছুদিন আগে আছিয়া… তারপর রামিসা… আর এখন মরিয়ম। 💔একটার পর একটা নিষ্পাপ শিশুর নি*থ*র দে*হ আমাদের সামনে আসছে। প্রতিবারই আমর...
14/09/2026

কিছুদিন আগে আছিয়া… তারপর রামিসা… আর এখন মরিয়ম। 💔
একটার পর একটা নিষ্পাপ শিশুর নি*থ*র দে*হ আমাদের সামনে আসছে। প্রতিবারই আমরা কাঁ*দছি, প্রতিবাদ করছি, দু’দিন পর আবার সবকিছু ভুলে যাচ্ছি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—আর কত?
আর কত মায়ের বুক খালি হলে আমাদের বিবেক জাগবে?
আর কত শিশুর লা***শ দেখতে হবে আমাদের?
আর কত নিষ্পাপ প্রা**ণ অকালে ঝ**রে গেলে আমরা বুঝব—একটি শিশুর জীবন কোনোভাবেই তুচ্ছ নয়?

একজন মা যখন সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ঘুম পাড়ান, তখন তিনি কখনো ভাবেন না—একদিন সেই সন্তানকে নি**থর অবস্থায় কোলে তুলে নিতে হবে।

একটি শিশুর হাসি, ছোট্ট হাত, মায়ের ডাক শুনে ছুটে আসা—এসবই তো একটি পরিবারের পৃথিবী। অথচ সেই পৃথিবী মুহূর্তেই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। 😢

আছিয়া, রামিসা, মরিয়ম—তারা শুধু কয়েকটি নাম নয়। তারা আমাদের সমাজের আয়না। তাদের কান্না আমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে যায়—

“আমরা কি সত্যিই মানুষ হিসেবে জেগে আছি?”
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল হয়তো এমন কোনো নিষ্পাপ মুখ আমাদের ঘরেও ফিরে আসবে না।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়—এটি আমাদের সবার দায়িত্ব।

অপরাধীর কঠোর শাস্তি চাই, শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ চাই, আর চাই এমন একটি সমাজ—যেখানে কোনো মাকে সন্তানের নিথর দেহ বুকে নিয়ে কাঁদতে না হয়। 🤲

আর কোনো আছিয়া নয়।
আর কোনো রামিসা নয়।
আর কোনো মরিয়ম নয়।
আর কোনো মায়ের বু*ক খালি দেখতে চাই না।
এবার আমাদের বিবেক জাগুক। এখনই। 💔
বন্ধ হোক এমন ঘটনা 😔

সন্তান হা*রা*নো*র পরও ২ লাখ টাকার বিল? অ*ভি*যো*গ ঘিরে তীব্র প্রশ্ন! সকাল সকাল একটি লাইভ দেখে সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে গেল। ...
14/09/2026

সন্তান হা*রা*নো*র পরও ২ লাখ টাকার বিল? অ*ভি*যো*গ ঘিরে তীব্র প্রশ্ন! সকাল সকাল একটি লাইভ দেখে সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে গেল। আসিফ নামের এক ব্যক্তি অ*ভি*যো*গ করেছেন, তাঁর এক আত্মীয়ের মৃ*ত সন্তানকে কারওয়ান বাজারের একটি হাসপাতালের NICU-তে রাখা হয়েছিল। তাঁর দাবি, শিশুটি আগেই মা*রা গেলেও সেখানে রাখা হয় এবং প্রায় ২ লাখ টাকার বিল তৈরি করা হয়। সন্তান হা*রা*নো*র শো*কে*র মধ্যেও যদি কোনো পরিবারকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে অ*ভি*যো*গের সত্যতা নিরপেক্ষ ত*দ*ন্তে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। গা*ফি*ল*তি প্রমাণিত হলে দা*য়ী*দের বি*রু*দ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
মানুষ হাসপাতালে যায় জীবন ও সন্তানের নিরাপত্তার ভরসায়—সেই ভরসা যেন কোনোভাবেই প্র*শ্ন*বি*দ্ধ না হয়।
যার যায়,,সেই বুঝে!
হারানোর কি বেদনা 😔

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটে গেল একনে/ক্কা/রজনক ঘটনা। মা/মলার ভয়ে স্বামী ও পুরুষ সদস্যরা যখন বাড়ি ছাড়া,...
14/09/2026

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটে গেল এক
নে/ক্কা/রজনক ঘটনা। মা/মলার ভয়ে স্বামী ও পুরুষ সদস্যরা যখন বাড়ি ছাড়া, তখন স/ন্তানদের আঁকড়ে ধরে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন এক মা। ভেবেছিলেন নিজের ভিটেটুকু যাতে অন্তত সুরক্ষিত। কিন্তু আঁধার চিরে ঘরে প্রবেশ করে চার ন/র প/শু। মায়ের হাত-পা শক্ত করে বেঁ/ধে ফে/লে,
স/ন্তানদের টেনে দূরে ছু*ড়ে ফে/লে দেয়। রাতের নীরবতা চিরে ওঠা আ/র্তনাদকে পি/ষে দিয়ে ওই নারীর ওপর চালানো হয় না/র/কীয় সং/ঘ/বদ্ধ ব/র্ব/রতা।

জানা গেছে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বি/রোধ ও মা/মলা চলমান থাকায় গ্রে/প্তার আ/ত/ঙ্কে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ফলে স/ন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধ/র্ষ/* করে। এ সময় তার স/ন্তান দেরও দূরে ছু/রে ফে/লে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভু/ক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সময় তিনি দুজনকে চিনতে পেরেছেন। তাদের একজন আকবর এবং অপরজন সোহাগ কাজী। তার দাবি, সোহাগ কাজী পাটগাতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এবং স্থানীয় সাদেক আলী কাজীর ছেলে। এ ছাড়া আরও দুজন এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন।

জানা যায় ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগী নারীকে অ/চেতন অবস্থায় দেখতে পান।জানা গেছে, মা/র/ধরের চো/টে ভে/ঙে যায় তার ৩টি দাঁত, র*ক্তে ভেসে যায় প/রিধেয় বস্ত্র। একপর্যায়ে অ/চেতন হয়ে পড়া ওই মা-কে র/ক্তা/ক্ত অবস্থায় উ/দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা। গোপনাথ**গে ৪ টা সে/লা/ই করা হয়। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসকদের আকুল চেষ্টায় তিনি বেঁ/চে থাকলেও, যে মানসিক ও শা/রীরিক ক্ষ/ত তৈরি হয়েছে—তা মোছার নয়।

ঘটনার বিবরণ থেকে উঠে এসেছে অ/ভিযুক্তদের নাম।
ঘটনার পর আকবর ও রহিম কাজীকে ডেকে জি/জ্ঞাসাবাদ করা হয়, এতে তারা ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। পুলিশ ইতোমধ্যেই দুজনকে গ্রে/প্তার করে আদালতের মাধ্যমে কা/রাগারে পাঠিয়েছে।

​এক একজন মা যখন নিজের ঘরেই সু/রক্ষিত নন, যখন অ/বুঝ স/ন্তানদের সামনে মা-কে এমন নি/র্ম/মতার শি/কার হতে হয়, তখন মানবতার আর কী বাকি থাকে?

অপ/রাধীর পরিচয় চাই সে যে দলের বা যে মতেরই হোক না কেন—আইনের চোখ অন্ধ হওয়া চলবে না। তদন্ত যেন কোনো প্রভাবে থ/মকে না যায়, বিচার যেন শুধু কাগজে কলমে আ/টকে না থাকে। এই পৈ/শা/চিকতার চড়া মা/শুল অ/ভিযুক্তদের গুণতেই হবে। দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোরতম শা/স্তিই এনে দিতে পারে এই ক্ষ/তো বি/ক্ষত মায়ের কিছুটা বি*চার।

এমন নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি 😔

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TanMon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share