08/02/2026
এমন মৃ’ত্যু পৃথিবীতে আর কারো না হোক!
সোহানা তালুকদার তানহা।বয়স ১২।ক্লাস সিক্সের শিক্ষার্থী তানহা মা-বাবার তৃতীয় সন্তানের মধ্যে সবার বড়। ওর জন্মের পর থেকে প্রায় দশ বছর আমরা ওদের বিল্ডিংয়ে পাশাপাশি ফ্ল্যাটে ছিলাম। ওদের পরিবারের সাথে আত্মীয়তার চেয়েও গভীর সম্পর্ক।দীর্ঘদিনের ব্যাবসায়ী পার্টনারও। তানহা গত শুক্রবার স্কুল পিকনিকে বন্ধুদের সাথে নরসিংদির ড্রীম হলিডে পার্কে গিয়েছিলো।বাবা বলেছিলো বাসে কষ্ট করে না গিয়ে প্রাইভেটকারে যেতে পারো,যাতে আরামে যাওয়া যায়। কিন্তু তানহা বন্ধুদের সাথে একত্রে আনন্দ করে যাওয়ার জন্য সবার সাথে বাসেই গিয়েছিলো। আবার সন্ধ্যায় হৈ-হুল্লোড় করে সবাই একত্রেই বাসায় ফিরেছিলো।কিন্তু কে জানে বাসাতেই ওর জন্য মৃ’ত্যু’দূত অপেক্ষা করছিলো!
রাত নটার দিকে কোনো একটা ফেভারিট খাবার গরম করার জন্য তানহা রান্নাঘরে গিয়েছিলো।মাঝেসাজে টুকটাক খাবার তৈরি করা ছিলো ওর ভিষণ পছন্দের।কিন্তু এটাই ওর জন্য কাল হলো। রান্নাঘরে তানহার আগে কেউ চুলা জ্বালিয়ে রেখেছিলো কিন্তু তখন গ্যা’সের প্রেসার কম থাকায় আ’গুন নিভে গিয়েছিলো বাট অসাবধানতাবসত চুলা অন করাইছিলো।এর পর ধীরে ধীরে গ্যাসের প্রেসার বেড়ে পুরো রান্নাঘর গ্যাসে ভর্তি হয়েছিলো।তানহা যেই দিয়াশলাই এর কাঠি জ্বা’লিয়েছে অমনি মুহূর্তের মধ্যে আ’গুন গ্রে’নেডের মতো বি’স্ফোরিত হয়েছে।নিমিষেই তানহার পুরো শরীর আ’গুনে ঝলসে গিয়েছে।৩য় তলার পুরো চার ইউনিট নিয়ে ওদের বিশাল ফ্ল্যাট।এমনভাবে বি’স্ফোরিত হয়েছে যে রান্নাঘর ছাপিয়ে পুরো ফ্ল্যাট জুড়েই আগুনের চিহ্ন রয়ে গেছে।
আশেপাশের সবাই এসে তানহাকে সাথে সাথে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যায়।পরদিন সকালে আইসিউতে নেয়া হয়।আইসিউতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই কথা বলে গেছে। বাবাকে বারবার বলছিলো- বাবা এখানের ডাক্তাররা একটুও ভালোনা, ওনারা তোমাদেরকে আমার ক