Abul Kalam

Abul Kalam "লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ"
" REAL ESTATE PROFESSIONAL"

ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে!!! মামু ঠিক বলছেন!!
25/09/2026

ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে!!!
মামু ঠিক বলছেন!!

বিষয় টা কেমন জানি চু**দ**লিং পং হয়ে গেলোনা 😜না এর চেয়ে বাংলাদেশ কে কর।                                                 ...
24/09/2026

বিষয় টা কেমন জানি চু**দ**লিং পং হয়ে গেলোনা 😜
না এর চেয়ে বাংলাদেশ কে কর।
fans





.




..
,,,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,,,
Thank you for all Facebook company and my family love...........,
International live video... 💔😍😍🐝
,.,... ?😘 ? # Love ❤🌱🌿 nurse with doctors live nurse ke sath nurse live today , girls live nurse memes doctor nurse k saath live Doctor and nurse doctor k saath nurse in live Doctor and nurse nurse and doctor ke sath today in watch nurse and doctor ke new film 2023 Neymar Jr Amazing video romentice vedio Hd video new movie 2023 full hindi netflix recommendations netflix movies
NewYork Love U ?? Miss U ???? girl live today live today live machh
Hd video new movie 2023 full hindi netflix recommendations netflix movies romantic Mumbai Nurse with Doctor ke sath NewYork Nurse with Doctor ke sath Love U ?? Miss U ???? girl live today live today live machh


♥️


















২৮ কোটি টাকার স্বর্ণ (১৪ কেজি) নিয়ে ধরা পড়েছে এই তরুণ। নাম সজিব। বাংলাদেশ বিমানের টেকনিক্যাল সহকারী। পে-স্কেল এদের কোনোভ...
24/09/2026

২৮ কোটি টাকার স্বর্ণ (১৪ কেজি) নিয়ে ধরা পড়েছে এই তরুণ। নাম সজিব। বাংলাদেশ বিমানের টেকনিক্যাল সহকারী। পে-স্কেল এদের কোনোভাবেই দুর্নীতি, অনিয়মের পথ থেকে সরাতে পারবে না।

24/09/2026

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আজ কিছুক্ষণ আগে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে বলেছেন

- Iran: A Victim of Terrorism ( ইরান সন্ত্রাসবাদের শিকার একটি দেশ।)

অর্থাৎ তিনি ভদ্র ভাষায় অ্যামেরিকাকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলেছেন। এরপর কী বলেছেন জানেন? সিএনএন -এর এই মুহূর্তের ব্রেকিং নিউজ পড়লেই বুঝতে পারবেন। তিনি বলেছেন

- We will never bow our head (আমরা কখনো মাথা নত করব না)

আপনাদের স্রেফ একটা হিসাব দেই। ২০২৫ সালে সৌদি আরবের সামরিক ব্যয় কত ছিল জানেন?

সৌদি আরবের সামরিক ব্যায় ছিল ৮২ বিলিয়ন। আর ইরানের কত? ৭.৪ বিলিয়ন। পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল । সৌদি আরব তাঁদের মোট জিডিপির সাড়ে ছয় ভাগ ব্যয় করে সামরিক খাতে। আর ইরান? মাত্র দুই ভাগ।

এমনকি কুয়েতের ২০২৫ সালের সামরিক ব্যয় ছিল ৮ বিলিয়ন। অর্থাৎ ইরানের চাইতেও অনেক বেশি। কেন এদের এত বেশি খরচ করতে হচ্ছে?

কারন এরা সবাই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার কাছ থেকে অস্ত্র কেনে। অর্থাৎ ওই টাকাগুলো অ্যামেরিকাকেই দেয়। বুঝলাম অ্যামেরিকার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার কারনে ওদের সামরিক ব্যয় অনেক বেশি হচ্ছে। কিন্তু সেই অস্ত্র কি ওদেরকে রক্ষা করতে পেরেছে?

ইরানের সাথে তো দূরে থাক। সৌদি আরব তো ইয়েমেনে হুতিদের সাথেই পারছে না। ওদের পোর্ট বন্ধ হয়েছে। পাইপ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আছে। এখন তো সৌদি আরব অ্যামেরিকার কাছে সাহায্য ভিক্ষা চাইছে। অন্যান্য দেশের কাছেও চাইছে। তাহলে কী লাভ হলো এই সব অস্ত্র কিনে?

আর ইরান? এত কম টাকা সামরিক খাতে ব্যয় করেও এখন পৃথিবীতে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কীভাবে ? কারন ওরা নিজেদের প্রযুক্তি কাজে লাগিয়েছে। কোন সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রের কাছ থেকে ওদের অস্ত্র কিনতে হয় না।

এই যে আজকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বলতে পারছে

- We will never bow our head (আমরা কখনো মাথা নত করব না)

কেন পারছে? কেন অ্যামেরিকা ওদের মেরে ফেলছে না? ধরে রাখছে না কিংবা যেতে দিল সেখানে? কারন ইরান সেই Deterrence (প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা) তৈরি করেছে। অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শাইমার বলেছেন

- নিশ্চিত ভাবে ইরানের এমন কিছু Leverage ( প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা) আছে। যার কারনে ট্রাম্প বাধ্য হয়েছে।

চিন্তা করে দেখেন ব্যাপারটা- যেই দেশের সাথে যুদ্ধ চলছে। সেই দেশে গিয়ে জাতিসংঘে মাথা উঁচু করে বলতে পারছে

- অ্যামেরিকা একটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র।

ইরান পুরো পৃথিবীকে দেখিয়ে দিচ্ছে - মাথা উঁচু করে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয়।
বিশ্লেষক :
Aminul Islam

এক পরিচিত ছোট ভাইয়ের অনুরোধে একটা বিশেষ ধরনের পারিবারিক মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। ছোট ভাইয়ের ভাতিজী রাগ করে শ্বশুর বাড়ি হতে বাব...
23/09/2026

এক পরিচিত ছোট ভাইয়ের অনুরোধে একটা বিশেষ ধরনের পারিবারিক মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। ছোট ভাইয়ের ভাতিজী রাগ করে শ্বশুর বাড়ি হতে বাবার বাড়ি চলে এসেছে এবং আর যেতে চাইছে না।

আজ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন মুরুব্বী আসবেন এবং বউকে আবার উনাদের হাতে তুলে দেয়া হবে। আমি যখন পৌঁছেছি তখনো ছেলেপক্ষ আসেনি। ওদের আসতে শুনলাম আরো ৪০-৪৫ মিনিট মত লাগবে। আমাকে মেয়েপক্ষের মুরুব্বিদের একজন হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। ছেলেপক্ষের সাথে ছেলের ভুল ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করে ঝগড়া-ঝাটি মিটিয়ে দিয়ে মেয়েকে আবার ওদের হাতে তুলে দিতে হবে।

মেয়েটা শ্বশুরবাড়ি আবার ফিরে যেতে চাইছে না, তাই মেয়ের বাবা অনেক রেগে আছেন। উনি আগের দিন রাতে মেয়েকে মারধরও করেছেন যাতে শ্বশুরবাড়ি ফিরে যায়। উনার সাফ কথা হল, শ্বশুরবাড়িই হল মেয়েদের আসল বাড়ি। বাবার বাড়ি বেড়াতে আসতে পারে কিন্তু স্থায়ীভাবে আসলে সেটা আসবে ওর মৃত্যুর পর।

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, মেয়ের বয়স মাত্র ১৮ পেরিয়েছে। বছর দুই আগে ওর বয়স যখন ১৬ পেরিয়েছে, তখন ছোট ভাইটা ওর ভাতিজীর বিয়ের ব্যাপারে মতামত চেয়েছিল। ছেলের বয়স মাত্র ২১ আর নিজে তেমন কিছু করত না। বড় ৩ ভাইয়ের পারিবারিক ব্যবসায় টুকটাক সাহায্য করত আর ভাইরা ওকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিত, এতটুকুই। ওদের ভাল পারিবারিক সম্পত্তি আছে যার একটা অংশ ছেলেটাও পাবে, পজিটিভ দিক বলতে এতটুকুই। কিন্তু আমার মানা করায় তখন লাভ হয়নি, ওরা শুনেনি। মেয়ে সচ্ছল আর নিরাপদ থাকবে মনে করে বিয়েটা হয়ে গিয়েছিল।

ড্রইংরুমে মেয়েপক্ষের ৩-৪ জন মুরুব্বী বসা। ওদের সাথে আলাপ আলোচনা শুরু হল। জিজ্ঞেস করলাম,
- মেয়ে কি কি ইস্যুতে অভিযোগ করেছে?
- ছেলে অন্য একটা মেয়ের সাথে মেলামেশা করে, জুয়া খেলে আর মাঝেমধ্যে চোখ লাল লাল করে নাকি বাসায় আসে। ছেলের কাছে বেশী কিছু জানতে চাইলে খুব রেগে যায়।

বললাম, মেয়েকে একটু ডাকেন। মেয়েটা সামনে এলো। সবার সামনেই একটা সোফায় বসিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
- অন্য মেয়েটার সাথে সম্পর্ক কবে হতে?
- বিয়ের আগে হতে। এই দুই বছরেও ছুটে নাই।

- চোখ লাল করে ফিরে মানে কি নেশা করে? মদ, গাঁজা, ইয়াবা, চরস, কোকেন....?
- জি নেশা করে, কিন্তু কি খেয়ে আসছে জিজ্ঞেস করলে মারধর করে।

- কি দিয়ে মারে?
- হাতে মারে, কখনো কখনো লাঠি বা অন্য কিছু দিয়েও মারে। হাতের কাছে যা পায়....

- জুয়া খেলে বলতেছ, টাকা পায় কই?
- ভাইয়েরা যা দেয়, সব উড়ায়। আমার হাতে কিছু দেয় না। আর টাকা না পেলে চুরি করে।

- কি চুরি করে?
- আমার বাবা-মায়ের দেয়া সব স্বর্ণ চুরি করে জুয়া খেলে সর্বস্বান্ত হইছে। দামী যা কিছু পায় বেচে দেয়...

- ওই মেয়েটার সাথে কি দেখাও করে?
- জি, মেয়ের বাড়িতে ধরাও খাইছে দুইবার। মোবাইলে দুজনেই খারাপ খারাপ ছবি পাডায়। আমি দেখছি, ছবি নিয়ে জিজ্ঞেস করছি বলেও মারছে। অনেক চেষ্টা করেও ছুটাইতে পারি নাই।

- তুমি এগুলো তোমার বাবা-মায়ের কাছে জানাইছ?
- জি কিছু কিছু জানাইছি, লাভ হয় নাই। উনারা কিছুই শুনতে চায় না। খালি বলে, সব ঠিক হই যাবে। এর আগেও ৩ বার বাবার বাড়ি আসছি রাগ কইরা। আমারে বুঝাইয়া-সুঝাইয়া খালি ফেরত পাডায়। কিন্তু কোন কিছু বদলায় নাই।
- তুমি আর যেতে চাও না?
- জি না।
- তোমার এইসব ঘটনার প্রমাণ আছে?
- জি কিছু কিছু আছে, সাক্ষীও আছে।

মেয়ের বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করলাম,
- ছেলে মাদকাসক্ত, জুয়া খেলে, পরকিয়া করে, চুরি করে আর বউকে মারধরও করে। নিজের কোন উপার্জনও নাই। অল্পস্বল্প খাটে, ভাইরা কিছু টাকা দেয়, সেগুলাও উড়ায়। আপনারা কেন মেয়েকে ফেরত পাঠাতে চান? এর আগেও ৩ বার সুযোগ দেয়া হয়েছে, ছেলের কোন পরিবর্তন তো হয় নাই। ছেলের কি অভাব ছিল, মেয়ের জন্য এত গুণবান ছেলে কই পেলেন?

আমি লিখে দিব ভবিষ্যতেও এই ছেলের মধ্যে কোন পরিবর্তন আসবে না। ছেলেটা বিয়ের আগেও প্রায় এরকমই ছিল। ওরা ভেবেছিল, বিয়ে করালেই এই ছেলের স্বভাব ঠিক হয়ে যাবে। এজন্য ওরা একটা মেয়ের জীবনও ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।

মেয়ের বাবা-মা আমতা আমতা করতে লাগলেন দেখে বললাম,
- আপনারা কি চান, আপনাদের মেয়ের লাশ কদিন পর ঘরে আসুক? একটা মাদকাসক্ত জুয়াড়ি যার বউ পিটানোর অভ্যাস আছে তার হাতে কি আপনাদের মেয়ে নিরাপদ? মেয়ের অভিযোগগুলো আপনারা আগে শুনেন নাই কেন? অনেক আগেই তো ফিরিয়ে আনার দরকার ছিল৷। আমার মেয়ে হলে শুরুতেই নিয়ে আসতাম।

একটু চুপ থেকে আবার যোগ করলাম,
- আপনাদের ভাগ্য ভাল, ওদের এখনো সন্তান হয়নি। মেয়ে আপাতত পড়ালেখা করুক। এসএসসির আগেই বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন, একটা অপরাধ করেছেন। তখন কারো কথা শুনেননি। এখন নিজ পায়ে দাঁড়াতে দেন, ওর পড়ালেখার জন্য আমরাও সাহায্য সহযোগিতা লাগলে করব ইনশাআল্লাহ। মেয়েকে বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করুন। পরিবারের সাপোর্ট পেলে মেয়ে আর ছেলের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। ইদানিং মেয়েদের বরং বাবা-মায়ের জন্য ছেলেদের চাইতেও বেশী সাপোর্ট দিতে দেখি।

বাকি মুরুব্বিরা এতক্ষণ চুপচাপ আমাদের কথা শুনছিলেন। সব শোনার পর সবাই একমত হয়ে বললেন, এই বিয়ের সম্পর্ক আর কন্টিনিউ করার কোন প্রয়োজন নাই। ওদের আসতে নিষেধ করে দাও। মেয়ে আপাতত পড়বে আর পরে নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে সময়-সুযোগ বুঝে আবার বিয়ে করতে পারবে।

ফোন করে ওদের আর না আসতে জানিয়ে দেয়া হল। বলে দেয়া হল, মেয়ে আর কখনোই যাবে না।

মেয়ে তুলে দেয়ার জন্য বিশাল আয়োজন ছিল, প্রায় ১৫-১৬ পদের নাস্তা। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, মেয়েপক্ষের লোকজন ছাড়া আপাতত আমি একাই মেহমান।

তাই পুরো ডাইনিং টেবিল সাজিয়ে আমাকে বলা হল,
- ভাইজান, আসেন...না খেলে কিন্তু নাস্তাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে!! তারপর আমাকে টেবিলে বসিয়ে সবাই মিলে নাস্তা খাওয়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

কদিন পর আপডেট পেলাম, মেয়েপক্ষ ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছে। আফসোস হল না। একটা সংসার ভাঙ্গল কিন্তু একটা কিশোরীর জীবন তো রক্ষা পেল।

সেদিন মিটিং শেষে ফিরে আসার সময় কিশোরীর অশ্রুসজল চোখে যে কৃতজ্ঞতা আর স্বস্তির ছাপ দেখেছিলাম, সেটা বহুদিন মনে থাকবে।

# ডিভোর্স
সত্য ঘটনা

# আপডেট - অঙ্গীকারের কন্ট্রিবিউশানে মেয়েকে আবার বিয়ে দেয়া হয়েছে। একটা সন্তান হয়েছে সম্প্রতি। সুখে আছে আলহামদুলিল্লাহ।

Atique UA Khan

শুধু বাংলাদেশ নয় এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক দৃষ্টিনন্দন সড়ক পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে।
21/09/2026

শুধু বাংলাদেশ নয় এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক দৃষ্টিনন্দন সড়ক পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে।

আলহামদুলিল্লাহ্ ২
21/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ্ ২

দেখে মনে হচ্ছে সিঙ্গাপুরের কোন সড়ক দৃশ্যমান ব্যান্ড নিউ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে।
21/09/2026

দেখে মনে হচ্ছে সিঙ্গাপুরের কোন সড়ক
দৃশ্যমান ব্যান্ড নিউ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে।

কেউ একটু বলবেন এক প্লেট ভাতের দাম আসলে কত? ভাতের দাম বেশি নাকি একটি জীবনের মূল্য বেশি??? মাত্র এক প্লেট ভাতের জন্য একজন ...
21/09/2026

কেউ একটু বলবেন এক প্লেট ভাতের দাম আসলে কত? ভাতের দাম বেশি নাকি একটি জীবনের মূল্য বেশি???

মাত্র এক প্লেট ভাতের জন্য একজন মানুষকে এভাবে মে*রে ফেলতে পারে কেউ? তাও নিজেরই মেস মেম্বাররা?

খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমল হোসেন (২২)। মেসে নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো বেলায় খাবার খাওয়ার ঘণ্টা দুয়েক আগে খাবারের বিষয়টি জানাতে হয়।

শুক্রবার রাতে আজমল খাবার খাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত না করেই অন্য একজনের জন্য রাখা ভাত খেয়ে ফেলেন এমন অভিযোগের পর মেসের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তার কথা কা*"টা'কা*"টি হয়।

এরপর তাকে পাঁচতলা ভবনের ছাদে নিয়ে মা*র*ধর করা হয়। এমনকি তার মা**থার চু*ল ও কেটে দেওয়া হয়।

আর তারপর?

একপর্যায়ে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয় আজমলকে।

গুরুতর আ*হত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা%রা যান ২২ বছরের এই তরুণ।

সামান্য এক প্লেট ভাতের জন্য কাউকে মে*রে ফেলা যায়?

কয় গামলা ভাত লাগতো তোদের?
একজন মানুষের জীবনের দাম কি এক প্লেট ভাতের চেয়েও কম?

এই দেশটাকে মাঝে মাঝে সত্যিই চিনতে পারি না।

কোথাও সামান্য কিছু টাকা বা এক প্লেট ভাতের জন্য মানুষ পিটিয়ে মা*রা যাচ্ছে৷ একটা দেশের মানুষের জীবনের মূল্য এত সস্তা হয়ে যাবে এটা মেনে নেওয়া যায় না.....😞 সেই যুগে বসবাস করতেছি যে মরবে সেই ও বলতে পারবে না সেই কেন মারা গেলো,, ও যে মারবে সেই ও বলতে পারবেনা সে কেন মারলো 😞😞

সুশীলতা দিয়ে যে অধিকার আদায় সম্ভব নয় সেটা সালাউদ্দিন আম্মার ভালোভাবে বুঝে গেছে।রগ চটা ছেলেটা সবসময় শিক্ষার্থীদের অধিকারে...
21/09/2026

সুশীলতা দিয়ে যে অধিকার আদায় সম্ভব নয় সেটা সালাউদ্দিন আম্মার ভালোভাবে বুঝে গেছে।
রগ চটা ছেলেটা সবসময় শিক্ষার্থীদের অধিকারের প্রতি সোচ্চার। তাই অধিকার আদায়ে মবের ও বেয়াদবির প্রয়োগ কোথায় কীভাবে করতে হয় তা ভালোভাবেই জানে ও।

পুরো বাংলাদেশ ওর বিপক্ষে থাকলেও আমি সবসময় পক্ষপাত করবো!

ঘটনার সূত্রপাত হয়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী তার চাচা ও চাচিকে এগিয়ে নিতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে যান।

স্টেশনে গিয়ে দেখেন রাবির দুই শিক্ষার্থীর স্টেশন স্টফের সাথে ক্যাচাল করছে। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কথা বলার সময়, স্টেশনে স্টাফরা তাকে বেধড়ক মারধর করে স্টেশনে ফেলে রাখে।

স্টেশনের গেটে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের এই দৃশ্য দেখে রায়হান আলী নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার বিবরণ ও শিক্ষার্থীর ছবি ফেসবুকে ছাড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে উত্তাল হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস সংলগ্ন স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইনে টায়ার ও কাঠে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভ চলাকালীন (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আলটিমেটাম দেন যে, রাত ১১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত রেল কর্মচারীদের আটক করে ক্ষমা না চাইলে তারা স্টেশন অভিমুখে মার্চ করবেন এবং প্রয়োজনে প্রতিটি ট্রেন থামিয়ে স্টাফদের তুলে নেবেন।

অনুভূতি উত্তর না পেয়ে মধ্যরাতের পর (রাত ১২টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে) উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চিফ কমান্ড্যান্ট মোহা. আশাবুল ইসলাম একটি জরুরি দপ্তর আদেশ জারি করেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) চার সদস্যকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মধ্যরাতের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, পুলিশ প্রশাসন এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্টেশনে আসেন। তারা শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন যে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে এবং প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে রাত ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা স্টেশন ত্যাগ করেন এবং ক্যাম্পাসে ফিরে যান।

আম্মারের তেরামির কারণেই শিক্ষার্থী গুলো ন্যায্যতা পেয়েছে! রাবির শিক্ষার্থীদের এরকম শক্ত মেরুদন্ড দেখে সালাম জানাচ্ছি!

লেখা ~ খলিদ বিন মিয়াজ ভাই

Address

Dhaka Cantonment Pallabi
Dhaka
1206

Telephone

+8801511267453

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abul Kalam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abul Kalam:

Shortcuts

Share