Ma R Shishu

Ma R Shishu Learning is fun so we are trying to share some motivational and funny contains with you ❤️
(2)

18/07/2026

খোলা চিঠি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
পত্রের প্রথমেই জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।
সারা বিশ্ব এখন ফুটবল উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। চারদিকে চলছে ফুটবল নিয়ে আলোচনা, উত্তেজনা এবং আনন্দের অপেক্ষা। আগামী ২০ জুলাই রাত ১:০০ টায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ, যেখানে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা এবং স্পেন।

চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্বকাপ ফুটবল শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং একসাথে উদযাপনের একটি মহোৎসব। এই একটি ম্যাচকে ঘিরে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ একই সময়ে একই অনুভূতিতে একত্রিত হয়—দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির পার্থক্য ভুলে সবাই মেতে ওঠে ফুটবলের এই বৈশ্বিক উৎসবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশের ফুটবলপ্রেমীরাও এই আনন্দের অংশ হতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ম্যাচটি গভীর রাতে শুরু হয়ে ভোর পর্যন্ত চলবে। ভোর ৪টা পর্যন্ত খেলা উপভোগ করার পর আবার ২০ জুলাই সকালেই অফিস, কর্মস্থল বা নিজ নিজ দায়িত্বে যোগ দেওয়া অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এই আনন্দের মুহূর্তটি যদি মানুষ একটু স্বস্তির সাথে উপভোগ করতে পারে, পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে ভাগাভাগি করতে পারে, তাহলে বিষয়টি নিঃসন্দেহে আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে।
তাই সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে, ফাইনালের পরের দিন অর্থাৎ ২০ জুলাই বাংলাদেশে একটি ছুটি ঘোষণা করা হলে দেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মানুষের জন্য এটি একটি বিশেষ আনন্দের স্মৃতি হয়ে থাকবে। এটি শুধু একটি ছুটি নয়, বরং মানুষের আবেগ, আনন্দ এবং একটি বৈশ্বিক উৎসবের প্রতি সম্মান জানানোর একটি সুন্দর উদ্যোগ হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানুষের এই আনন্দ ও আবেগের বিষয়টি সদয় বিবেচনা করার জন্য আপনার প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
ইতি,
একজন ফুটবলপ্রেমী নাগরিক

08/11/2025

10/09/2025

💜💮বর্তমানে আমাদের পরিবারে এখনো অনেক জায়গায় দেখা যায়—শিশুরা মা–বাবার সঙ্গে একই ঘরে বা একই বিছানায় ঘুমায়। প্রথম দিকে এটা প্রয়োজনীয় হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশুকে আলাদা ঘরে দেওয়া কেন জরুরি, তা অনেকেই জানেন না।

👶 ০–৬ মাস:

নবজাতককে মায়ের খুব কাছেই রাখতে হয়।
বুকের দুধ খাওয়ানো, ডায়াপার বদলানো, সারাক্ষণ যত্ন—সবকিছু মায়ের হাতের নাগালে থাকতে হবে।
👉 তাই এই সময়ে শিশুকে আলাদা করা একেবারেই উচিত নয়।
---

👶 ৬ মাস – ২ বছর:
এই বয়সে শিশু ধীরে ধীরে রুটিন তৈরি করে।
তবে এখনো মা–বাবার কাছাকাছি থাকাটা নিরাপদ।
👉 আলাদা কট বা ছোট বিছানা ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু মায়ের ঘরের ভেতরেই রাখা ভালো।

---

👦 ২–৩ বছর:

শিশু কথা বলা, হাঁটা, খেলা—এসব শিখে যায়।
ধীরে ধীরে স্বাধীনতা ও নিজের জায়গার প্রয়োজন অনুভব করে।
👉 এসময় থেকে আলাদা ছোট বিছানা দেওয়া শুরু করা যায়।
---

👦 ৪–৬ বছর:

শিশু মানসিক ও সামাজিকভাবে অনেকটা পরিপক্ক হয়।

সে বুঝতে শেখে—“এটা আমার ঘর, এটা আমার জিনিস।”
👉 এই বয়সে আলাদা রুমে ঘুমানোর অভ্যাস করানো সবচেয়ে ভালো।
---

👦 ৭ বছর বা তার বেশি:

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৭ বছর বয়স পার হলে শিশুকে অবশ্যই আলাদা ঘরে রাখা উচিত।
কারণ, এসময় থেকে শিশু তার গোপনীয়তা (privacy) ও ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে।
👉 একই ঘরে মা–বাবার ব্যক্তিগত জীবনেও তখন অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।
---

🌿 কেন শিশুকে আলাদা করতে হবে?

1. স্বাধীনতা তৈরি হয় – শিশুর নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে।
2. আত্মবিশ্বাস বাড়ে – আলাদা ঘরে ঘুমালে সাহসী হয়।
3. গোপনীয়তা শেখে – বড় হওয়ার সাথে সাথে privacy বোঝা জরুরি।
4. শৃঙ্খলা তৈরি হয় – নিজের ঘর গুছানো ও নিজের জিনিসপত্র সামলানো শেখে।
5. মা–বাবার সম্পর্ক সুস্থ থাকে – দাম্পত্য জীবনে ব্যক্তিগত পরিসর (personal space) বজায় থাকে।
---

🚨 দেরি করলে কী ক্ষতি?

শিশু অতি নির্ভরশীল হয়ে যায়।
আত্মবিশ্বাস কমে যায়।
বাবা–মায়ের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়।
ভবিষ্যতে decision making-এ দুর্বল হয়ে পড়ে।
---

✅ শেষ কথা:

👉 জন্মের পর প্রথম কয়েক বছর মা–বাবার কাছে থাকাটা জরুরি।
👉 তবে ৪–৬ বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে আলাদা রুমে অভ্যস্ত করানো সবচেয়ে ভালো সময়।
👉 এতে শিশুর স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ ও ব্যক্তিত্ব—সবকিছু ইতিবাচকভাবে গড়ে ওঠে।

06/09/2025

Address

Dholaikhal
Dhaka
1100

Telephone

+8801911912453

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ma R Shishu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ma R Shishu:

Shortcuts

Share