Clicky

অহি-র বিধান tv

অহি-র বিধান tv Visit :
Youtube Chanel :
https://www.youtube.com/c/ohirbidhantv/

https://Instagram.com/ohirbidhantv/ Assalamualaikum Wa Rohmatullahi Wa Barakatuh !!

Dear Brother & Sister How Are You ? Please Subscribe & See All Video - Like Share Comment Our -
Youtube Channel :

https://www.youtube.com/c/ohirbidhantv/

Like Comment Share & Follow. Our page :

https://www.facebook.com/ohirbidhantv/

& Join Our
Facebook Group :

https://www.facebook.com/groups/ohirbidhan/

Twitter :
https://twitter.com/ohirbidhantv

Instagram :
https://Instagram.

Dear Brother & Sister How Are You ? Please Subscribe & See All Video - Like Share Comment Our -
Youtube Channel :

https://www.youtube.com/c/ohirbidhantv/

Like Comment Share & Follow. Our page :

https://www.facebook.com/ohirbidhantv/

& Join Our
Facebook Group :

https://www.facebook.com/groups/ohirbidhan/

Twitter :
https://twitter.com/ohirbidhantv

Instagram :
https://Instagram.

Operating as usual

19/05/2022

নেকী বাড়ানোর দোয়া
.
আপনি 'সুরা ইখলাস' ১০ বার পড়ে জান্নাতের একটি
বাড়ির মালিক হয়ে যান। তারপর 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা
ইল্লা বিল্লাহ' পড়ে সেই বাড়িকে রত্ন ভান্ডার দিয়ে
পরিপূর্ণ করে দেন।
.
তারপর, 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম' পড়ে জান্নাতে খেজুর গাছ রোপণ করতে থাকেন। ভাবতে থাকেন সেই খেজুরগুলো দিয়ে আপনি জান্নাতিদের মেহমানদারী করছেন।
.
এইভাব সারা দিন পড়তে পারেন আর জান্নাতের জন্য নেকী কামাতে থাকেন।
.
.
রেফারেন্স __

★★নবীজী (সাঃ)বলেছেন,

"যে ব্যক্তি সূরা
ইখলাস ১০ বার পাঠ করবে,জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর বানানো হবে।"

(সহিহ জামে আস-সাগীরঃ৬৪৭২)

রাসুল (সঃ) বলেনঃ

‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন।

[সহীহ বুখারী -১১/২১৩, সহীহ
মুসলিম-৪/২০৭৬]

যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা হবে।

[তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১]

দুর্বল ঈমানের লক্ষণসমূহ !!
16/05/2022

দুর্বল ঈমানের লক্ষণসমূহ !!

15/05/2022

যার প্রতি পূর্ন বিশ্বাস রাখবে যে, সে যে কোনো পরিস্থিতিতেই হোক কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবে না,সেই মানুষটা সবার আগে তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে।যাকে নিজের জীবনের সুখের চাবাকাঠি মনে করবে, সেই তোমার জীবনে দুঃখের সবচেয়ে বড় কারণ হবে। যাকে বেশি ভালোবাসবে, সে তোমাকে ততবেশি কষ্ট দিবে ।

তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো ।কারণ তুমি ছাড়া তোমাকে তোমার মত আর কেউ বুঝবে না। যার কাছে বেশি আশা করবে। সেই মানুষটা তোমার চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিবে, এ পৃথিবীতে নিজের পথ নিজের খুঁজতে হয়, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে কখনো সামনে আগানো যায় না, সামনে আগাতে হলে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়।

যার কাছে বেশি আশা করবে সে তোমার চোখে আঙুল দিয়ে তোমাকে বুঝিয়ে দিবে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে কেউ এসে উঠিয়ে দেয় না বরং নিজেকেই উঠে দাঁড়াতে হয়। ভালো থাকার কারণ কেউ কেউ এসে দিয়ে যায় না। নিজেকেই নিজের ভালো থাকার কারণ খুঁজে নিতে হয়।

মেঘের মত অসংখ্য মানুষ তোমার জীবনে আসবে যাবে। কেউ থাকবে স্বপ্ন দেখাবে কেউ স্বপ্ন ভেঙে চলে যাবে। শুধু তুমিই থেকে যাবে স্থির হয়ে আকাশের মত।তোমার যাবার কোনো জায়গা নেই কারণ তুমি আকাশের মত।তুমিই তোমার অস্তিত্ব।

দিনশেষে তোমার একান্ত আপন, বিশ্বস্ত ও ভরসা করার মতো মানুষ তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো । মনে রাখবে পায়ের তলার মাটি শক্ত হলে শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব হয় না।

23/04/2022
🔰 জীবন এক নিরন্তর পরীক্ষা🖋️ ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব | """"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""দুনিয়াবী জ...
22/04/2022

🔰 জীবন এক নিরন্তর পরীক্ষা
🖋️ ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব |
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
দুনিয়াবী জীবনের রূঢ় বাস্তবতা, দৈনন্দিন জীবন-জীবিকার অবিশ্রান্ত মহড়া আমাদের এতটাই আত্মভোলা করে রাখে যে, প্রায়শঃই আমরা বিস্মৃত হই যে, দুনিয়াবী জীবন আমাদের জন্য পরীক্ষা ক্ষেত্র। আমাদের প্রাত্যহিক যাপিত জীবন, আমাদের উপর আপতিত বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট, সুখ-আনন্দ সবকিছুই এই পরীক্ষার নিত্য অনুষঙ্গ। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি আচরণের অন্তরালে চলে চুলচেরা হিসাব-নিকাশ (যিলযাল ৯৯/৭-৮)। সবকিছুর মধ্যেই নিহিত মহান স্রষ্টার এক নিখুঁত কর্মকৌশল, যার পশ্চাতে লুকিয়ে থাকে বইয়ের পৃষ্ঠার মত ধারাবাহিক একের পর এক এলাহী নিদর্শন আর কার্যকারণ। কখনও এই পরীক্ষা এতই সূক্ষ্ম যে, তার বাস্তবতা অনুভব করতে আমাদের সীমিত জ্ঞান ও বিবেক অক্ষম। কখনও পরীক্ষার ধরনগুলোও এমন বিস্তৃত শাখা-প্রশাখাময় যে, বাস্তবিকপক্ষে তা যে কোন পরীক্ষার অংশ, তা আমাদের ধারণারও অতীত হয়।

কখনও মহান রব সুনিশ্চিত বিপদ কিংবা মৃত্যুর হাত থেকে আমাদের বাঁচিয়ে পরীক্ষা নেন- আমরা কতটুকু রবের প্রতি শোকরগুযার; আবার কখনও কঠিন বিপদ চাপিয়ে পরীক্ষা নেন- কতটুকু আমরা রবের সিদ্ধান্তে সন্তোষভাজন। কখনও আমাদের মধ্যে বিভেদের প্রাচীর তুলে দিয়ে পরীক্ষা নেন- কে আমাদের মধ্যে রবের বিধানের প্রতি আনুগত্যশীল আর কে সীমালংঘনকারী। কখনও মানুষকে দলে দলে বিভক্ত করে পরীক্ষা নেন- কে সঠিক পথের উপর অবিচল থাকতে চায় আর কে পথভ্রষ্ট। কখনও দুনিয়াবী প্রলোভনের বস্ত্তগুলো সামনে হাযির করে পরীক্ষা নেন- কে রবকে বেশী অগ্রাধিকার দেয় আর কে নিজের নফসকে। কার নিয়ত শুদ্ধ আর কার নিয়ত অশুদ্ধ। কখনও পারস্পরিক দুনিয়াবী স্বার্থ সামনে এনে পরীক্ষা নেন- দুনিয়ার মোহ আমাদের কাছে বড়, নাকি পরকালীন মুক্তি। অন্যের হক রক্ষা করা যরূরী, নাকি নিজের অন্যায় স্বার্থসিদ্ধি।

কখনও সফলতা দিয়ে পরীক্ষা নেন-আমরা অহংকারী, নাকি রবের রহমতের ভিখারী। কখনও বিফলতা দিয়ে পরীক্ষা নেন- আমরা অনুযোগকারী, নাকি কল্যাণের প্রত্যাশায় ধৈর্যধারণকারী। কখনও দারিদ্র্য চাপিয়ে দিয়ে পরীক্ষা নেন- আমরা হালাল উপার্জন প্রত্যাশী, না হারাম উপার্জন। কখনও ধনাঢ্য করে পরীক্ষা নেন- আমরা হালাল পথে ও নেকীর কাজে ব্যয়ের অভিলাষী, নাকি হারাম বিলাস-ব্যাসনে সম্পদ অপচয়কারী। কখনও পাপের কাজের সম্মুখীন করে পরীক্ষা নেন- কতটা আমরা রবের প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল ও তওবাকারী আর কতটা অবাধ্য ও স্বেচ্ছাচারী। কখনও নেকীর কাজ করিয়ে পরীক্ষা নেন- কতটা তা আল্লাহর জন্য ইখলাছপূর্ণ আর কতটা ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা দুনিয়াবী প্রাপ্তির জন্য। কখনও দ্বীনদারীর পরীক্ষা নেন- কতটা আমরা আল্লাহর ভয়ে দ্বীন পালন করি, আর কতটা অন্ধ ভালবাসা, অধিকাংশের ভয় কিংবা ব্যক্তিগত গোঁড়ামী থেকে পালন করি। এরূপ হাযারো মাধ্যমে, হাযারো পদ্ধতিতে প্রতিনিয়ত আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা নেন এবং নিচ্ছেন, সফলতা-ব্যর্থতার হিসাব রাখছেন- আমাদের অগোচরে।

বর্তমান যুগে আমাদের আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়বস্ত্ত দারিদ্র্য, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, সম্পদহানি। অথচ এসব বিষয় মানবজীবনের একান্ত অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, যা থেকে চাইলেই বের হওয়া সম্ভব নয়। বরং কারা আল্লাহর উপর প্রকৃত ভরসাকারী, কারা উত্তম ধৈর্যশীলতা অবলম্বনকারী, তা বাছাই করে নিতে আল্লাহ এটা আমাদের জন্য অবধারিত করে রেখেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কিছু ভয় ও ক্ষুধা দ্বারা এবং কিছু ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব। (এমতাবস্থায়) আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন’ (বাক্বারাহ ২/১৫৫)। কখনও আল্লাহ উপদেশ গ্রহণ করার জন্য বান্দার পরীক্ষা নেন। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘আর তারা কি লক্ষ্য করে না যে, তারা প্রতি বছর একবার বা দু’বার কোন না কোন বিপদে পতিত হয়ে থাকে? তবুও তারা তওবা করে না এবং উপদেশ গ্রহণও করে না’ (তওবা ৯/১২৬)।

কখনও ঈমানদারদের দল-উপদলে বিভক্ত হতে দেখে আমরা হতাশা বোধ করি আবার কেউ নিজেকে দায়মুক্ত ভেবে সঙ্গোপনে এক প্রকার আত্মতুষ্টিও লালন করি। অথচ এই দলবিভক্তি যে আল্লাহর পরীক্ষারই অংশ এবং এর মাধ্যমে যে তিনি অধিকতর ভাল মানুষ বাছাই করে নেন, তা আমরা কয়জনই বা অবগত? আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ চাইলে তিনি তোমাদের (ঐক্যবদ্ধ) এক জাতিতে পরিণত করতে পারতেন। তবে তিনি চান তোমাদেরকে যা কিছু প্রদান করেছেন, তা দিয়ে পরীক্ষা করতে। অতএব তোমরা কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতা কর’ (মায়েদাহ ৫/৪৮)। অন্য আয়াতে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ চাইলে তোমাদেরকে এক জাতিতে পরিণত করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। আর তোমরা যা করছ, সে বিষয়ে তোমাদের অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে (নাহল ১৬/৯৩)। সুতরাং মুসলিমদের মধ্যে একতা কাম্য হলেও তা হবার নয়। কেননা এই বিভক্তির মধ্য দিয়েই আল্লাহ সত্যিকারের মুমিন কারা তাদেরকে বাছাই করে নেন।

আবার ঈমানদার ও দ্বীনদার হলেই যে আমরা আল্লাহর পরীক্ষা থেকে বেঁচে যাব, এমনটি ভাবার কোন সুযোগ নেই। বরং তাদের জন্য পরীক্ষাটা আরো বড়। আল্লাহ বলেন, ‘মানুষ কি মনে করে যে, আমরা ঈমান এনেছি-এ কথা বললেই তাদেরকে পরীক্ষা না করে ছেড়ে দেয়া হবে’? (আনকাবূত ২৯/২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা নেয়া হয় নবীদের। তারপর বান্দার দ্বীনদারীর মাত্রার উপর পরীক্ষা করা হয়। যে যত দ্বীনদারীতে অবিচল, সে তত কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়’ (তিরমিযী হা/২৩৯৮; ইবনু মাজাহ হা/৪০২৩)। কেন আল্লাহ ঈমানদারদের পরীক্ষা নেন?

ক. ঈমানের দাবীর সত্যতা ও নিয়তের ভালো-মন্দ যাচাই করা। আল্লাহ বলেন, ‘আমি অবশ্যই তাদের পূর্ববর্তীদেরকেও পরীক্ষা করেছিলাম। সুতরাং আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন কারা সত্যবাদী এবং কারা মিথ্যাবাদী’ (আনকাবূত ২৯/৩)।

খ. ইখলাছ ও তাক্বওয়াশীলতা যাচাই করা। কারা আল্লাহর প্রকৃত মুখলিছ বান্দা আর কারা প্রকৃত আল্লাহভীরু, তার পরীক্ষা আল্লাহ নিয়ে থাকেন নানা রূপে। আমলের পরীক্ষায় অনেকে বিপুল সমৃদ্ধ হলেও ইখলাছ ও তাক্বওয়ার ঘাটতিতে হারিয়ে যায় আমলের সুফল (মায়েদাহ ৫/২৭; কাহাফ ১৮/১০৩; মুসলিম হা/২৫৮১)।

গ. দ্বীনের ব্যাপারে অধিক অগ্রগামিতা যাচাই : দ্বীন পালনে সবাই সমান নয়। সবাই একই মর্যাদার অধিকারীও নয়। দ্বীনের প্রতি অগ্রগামিতার প্রতিযোগিতায় অগ্রসরদের নির্বাচন করা এই পরীক্ষার অংশ (নিসা ৪/৯৫; ফাত্বির ৩২)।

ঘ. হককে দৃঢ়ভাবে ধারণকারী নির্বাচন করা : ঈমানদারীর দাবী সত্ত্বেও বান্দা সত্যিই হকের অনুসরণকারী কি-না কিংবা কতটুকু অনুসন্ধানী তা যাচাই করা এই পরীক্ষার অংশ (আলে ইমরান ৩/১০৫)।

ঙ. জান্নাতে উচ্চতর স্থান নির্ধারণ : জান্নাতীরা সবাই সমান স্তরের হবে না। তাদের আমলের শুদ্ধতা ও পরীক্ষায় সফল হওয়ার মাপকাঠিতে আল্লাহ তাদের জন্য জান্নাতের বিভিন্ন স্তর নির্ধারণ করে রাখবেন (আন‘আম ৬/১৩২)।

চ. পরিশুদ্ধ করা : আল্লাহ যাদের কল্যাণ চান, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করার জন্যও তাদেরকে বিপদগ্রস্থ রেখে পরীক্ষা নেন, যাতে একসময় সে গুনাহমুক্ত হয়ে যায় (তিরমিযী হা/২৩৯৮; ইবনু মাজাহ হা/৪০২৩)।

সুতরাং দুনিয়ায় আমাদের যাপিত জীবনের সবটুকু অংশই যে এক মহা পরীক্ষার অংশ এবং এতে সফল হওয়াই আমাদের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য, তা যতই আমরা অনুধাবন করব এবং তার প্রভাব যত বেশী আমাদের জীবনাচরণে পরিলক্ষিত হবে, ততই আমরা সফলতার উচ্চ সোপানে আরোহণ করতে পারব। আল্লাহ রববুল আলামীন আমাদের তাওফীক দান করুন।- আমীন!

[সম্পাদকীয়, তাওহীদের ডাক, মার্চ-এপ্রিল'২২]

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ !!সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহর প্রসংশা আলহামদুলিল্লাহ !! তবে আল্লাহ আমার দীর্ঘদিন যাবত বিভি...
21/04/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ !!

সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহর প্রসংশা আলহামদুলিল্লাহ !! তবে আল্লাহ আমার দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিচ্ছেন !!

আল্লাহ বর্তমানে আমার এমন এক কঠিন পরিক্ষা নিচ্ছেন এ পরিক্ষায় ধৈর্য্য রাখা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে,

আমার জন্য আল্লাহর দরবারে খাস করে দু'আ-র দরখাস্ত রইল,
আল্লাহ আমাকে সহ সকল দ্বীনি মুসলিম ভাই ও বোনকে সকল ধরনের ঈমানী পরিক্ষায় সফলতা দান করুন - আমিন।

19/04/2022

যখন কেউ নিজের ভুল স্বীকার না করে তর্ক করেন, তখন কী করা উচিত?

একটা গল্প বলি তাহলে…
একদিন গাধা বাঘকে বলল — ঘাসের রং নীল।

বাঘ উত্তর দিল — না, ঘাসের রং সবুজ।

কিছুক্ষনের মধ্যেই দু'জনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হলে,
তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে বিচারের জন্য উপস্থিত হল।

রাজ দরবারে সিংহের কাছে পৌঁছানোর আগেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল —
মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কি না ?

সিংহ উত্তর দিল -- হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।"

গাধা তাড়াতাড়ি সিংহের কাছে পৌঁছালো এবং বলতে থাকল —বাঘ আমার কথা মানছে না, তর্ক করছে এবং আমাকে বিরক্ত করছে। ওকে শাস্তি দিন।

সিংহ তখন ঘোষণা করল -- বাঘকে ৫ বছরের জন্য মৌন থাকার শাস্তি দেওয়া হল।

গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল — ঘাসের রং নীল, ঘাসের রং নীল।

বাঘ শাস্তি মেনে নিল, কিন্তু সিংহকে জিজ্ঞাসা করল — মহারাজ, আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।

সিংহ বলল — ঠিক, ঘাসের রং সবুজ।

বাঘ জিজ্ঞাসা করল —তাহলে আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন ?

সিংহ উত্তর দিল — তোমাকে শাস্তি দেওয়ার সাথে ঘাসের রং সবুজ না নীল, সেই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক নেই।
তোমাকে শাস্তি দিয়েছি কারণ তোমার মত সাহসী, বুদ্ধিমান প্রাণী একটা গাধার সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করেছো এবং এইরকম একটা বাজে কারণে আমার কাছে এসে আমার সময় নষ্ট করেছো।

উপদেশ:
মূর্খের সাথে তর্ক করে সময় ও শক্তির অপচয় করা উচিত না।

Sajedur Biswas

18/04/2022

কখনো কখনো খারাপ সময়
জীবনের সেরা সময়ের পথ তৈরি করে দেয় !!

জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে সময় !!

18/04/2022

কখনো কখনো খারাপ সময়
জীবনের সেরা সময়ের পথ তৈরি করে দেয় !!

জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে সময় !!

04/04/2022

عن أبي هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ اللهُ كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ لَهُ إِلاَّ الصِّيَامَ فَإِنَّهُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ وَالصِّيَامُ جُنَّةٌ وَإِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَصْخَبْ فَإِنْ سَابَّهُ أَحَدٌ أَوْ قَاتَلَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي امْرُؤٌ صَائِمٌ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ لِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ يَفْرَحُهُمَا إِذَا أَفْطَرَ فَرِحَ وَإِذَا لَقِيَ رَبَّهُ فَرِحَ بِصَوْمِهِ

আবূ হুরায়রা (রায‌িআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেছেন, সওম ব্যতীত আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তাঁর নিজের জন্য, কিন্তু সিয়াম আমার জন্য। তাই আমি এর প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ। তোমাদের কেউ যেন সিয়াম পালনের দিন অশ্লীলতায় লিপ্ত না হয় এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে। যদি কেউ তাঁকে গালি দেয় অথবা তাঁর সঙ্গে ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, আমি একজন সায়িম। যার হাত‌ে মুহাম্মাদের প্রাণ, তাঁর শপথ! অবশ্যই সায়িমের মুখের গন্ধ আল্লাহ্‌র নিকট মিস্‌কের গন্ধের চাইতেও সুগন্ধি। সায়িমের জন্য রয়েছে দু’টি খুশী যা তাঁকে খুশী করে। যখন সে ইফতার করে, সে খুশী হয় এবং যখন সে তাঁর রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন সওমের বিনিময়ে আনন্দিত হবে।
সহঅহ বুখারী, হাদীস নং ১৯০৪

Address

Dhaka Cantonment Area, Mirpur -14.
Dhaka
1206

Telephone

+13156669991

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অহি-র বিধান tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অহি-র বিধান tv:

Videos

Nearby media companies


Other Dhaka media companies

Show All

Comments

মুনাফেক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই 🌷🏵️ সহীহ হাদীসের আলোকে 🏵️🏵️🏵️
🥀🥀🥀🥀🥀এই হাদীসটি বিদাতীদের চোখে কবে পড়বে🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀 আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, তিন জনের একটি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ‘ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রীদের বাড়িতে আসল। যখন তাঁদেরকে এ সম্পর্কে জানানো হলো, তখন তারা ‘ইবাদাতের পরিমাণ কম মনে করল এবং বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে আমাদের তুলনা হতে পারে না। কারণ, তাঁর আগের ও পরের সকল গুনাহ্‌ ক্ষমা ক’রে দেয়া হয়েছে। এমন সময় তাদের মধ্য হতে একজন বলল, আমি সারা জীবন রাতভর সলাত আদায় করতে দেখা থাকব। অপর একজন বলল, আমি সবসময় সওম পালন করব এবং কক্ষনো বাদ দিব না। অপরজন বলল, আমি নারী সংসর্গ ত্যাগ করব, কখনও বিয়ে করব না। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট এলেন এবং বললেন, “তোমরা কি ঐ সব লোক যারা এমন এমন কথাবার্তা বলেছ? আল্লাহ্‌র কসম! আমি আল্লাহ্‌কে তোমাদের চেয়ে বেশি ভয় করি এবং তোমাদের চেয়ে তাঁর প্রতি বেশি অনুগত; অথচ আমি সাওম পালন করি, আবার তা থেকে বিরতও থাকি। সালাত আদায় করি এবং নিদ্রা যাই ও মেয়েদেরকে বিয়েও করি। সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগ পোষণ করবে, তারা আমার দলভুক্ত নয়। [ সহিহ বুখারী -৫০৬৩, মুসলিম ১৬/১, হাঃ ১৪০১, আহমাদ ১৩৫৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৯৩)। বিদাতি ও বিবাহ করতে অনিহা কারীদের জন্য ফুটনোটঃ যে কোন ‘ইবাদাতের ক্ষেত্রে ‘ইবাদাতের সময়, পরিমাণ, স্থান, অবস্থা ইত্যাদির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আবেগ তাড়িত হয়ে ফারযের মধ্যে যেমন কম বেশি করা যাবে না; তেমনি সুন্নাতের ক্ষেত্রেও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ বা তার ‘আমালের পরিবর্তন করা যাবে না। নফল ‘ইবাদাতেও কারো সময় থাকলে বা নিজের খেয়াল খুশি মত করা ইসলাম সমর্থিত নয়। ইসলামে সলাত, সওমের পাশাপাশি ঘুমানো, বিয়ে করা, বাণিজ্য করা ইত্যাদিও ‘ইবাদাতের মধ্যে গণ্য যদি তা সাওয়াবের আশায় এবং সঠিক নিয়মানুসারে পালন করা হয়। কিন্তু যদি কেউ সার্বিক দিক থেকে সমর্থ হওয়া সত্ত্বেও রসূলের সুন্নাতের প্রতি অনীহা ও অবিশ্বাসের কারণে বিয়ে পরিত্যাগ করে, বা কোন ইবাদাত রাসূল সাঃ এর সুন্নাহ অনুযায়ী না করে বেশী সওয়াবের আশায় নিজের ইচ্ছামত করে তাহলে সে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর তরীকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আল্লাহ তা’আলা মানুষকে যে প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও চাহিদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন সেগুলোকে উপেক্ষা করে আল্লাহর প্রিয়পাত্র হওয়া তো দূরের কথা, মানুষ মানুষের স্তরেই থাকতে পারবে না। মানুষ অতিরিক্ত খাদ্য খেলে বা একেবারেই খাদ্য পরিত্যাগ করলে তার বেঁচে থাকা নিয়েই আশঙ্কা দেখা দিবে। একাধারে সওম পালন করলেও একই অবস্থা দেখা দিবে। তাই আল্লাহর রসূল আমাদেরকে এমন শিক্ষা দিয়েছেন যাতে আমরা মানুষ হিসেবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। জীবনের যে কোন ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক পন্থা অবলম্বন করলে দুর্ভোগ ও বিপর্যয় আসবে। খ্রীস্টান পাদ্রীদের অনুসৃত বৈরাগ্যবাদ ও দাম্পত্য জীবনের প্রতি লোক-দেখানো অনীহা তাদের অনেককেই যৌনাচারের ক্ষেত্রে পশুর স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের একমাত্র বৈধ পন্থা হল বিবাহ। পরিবার গঠন, সংরক্ষণ ও বংশ-বিস্তারের জন্যই বিয়ে ছাড়া আর কোন বিধি সম্মত পথ নেই। এর মাধ্যমেই ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবন পবিত্র ও কলুষমুক্ত হয়ে নৈতিকতার সর্বোচ্চ শিখরে উন্নীত হতে পারে। এ জন্যই ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করলে আল্লাহ্‌র চিরাচরিত বিধান এবং নবী - এর সুন্নাত হিসেবে বিয়ে করা ফরয আর এ অবস্থায় অর্থনৈতিক দিক থেকে সমর্থ না হলে সওম পালন করার বিধান দেয়া হয়েছে। আবার শারীরিক দিক থেকে সমর্থ হলে আর ব্যভিচারে লিপ্ত হবার আশঙ্কা না থাকলে বিয়ে করা মুসতাহাব। আর জৈবিক চাহিদা শূন্য হলে বিয়ে করা মুবাহ্‌। আবার এ অবস্থায় যদি মহিলার পক্ষ থেকে তার বিয়ের উদ্দেশ্যই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে এরূপ স্বামীর শারীরিকভাবে সমর্থ নারীকে বিয়ে করা মাকরূহ। কিন্তু যদি কেউ সার্বিক দিক থেকে সমর্থ হওয়া সত্ত্বেও রসূলের সুন্নাতের প্রতি অনীহা ও অবিশ্বাসের কারণে বিয়ে পরিত্যাগ করে, তাহলে সে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর তরীকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সহিহ বুখারীঃ হাদিস নং ৫০৬৩ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀
মুনাফেক সম্পর্কে জানতে চাই। সহীহ হাদীস অনুযায়ী।