Voice Of Saidur

Voice Of Saidur নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে সুখ রয়েছে। কোনো পোস্ট যদি একটুও ভালো লাগে তবে ফলো দিয়ে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ রইলো।

যিনি মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস আর আনলেমিটেড ভাত খাইয়ে হাজারো মানুষের মন জয় করেছিলেন, সেই পরিচিত মুখ 'ভাইরাল মিজান' আজ খা...
10/08/2026

যিনি মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস আর আনলেমিটেড ভাত খাইয়ে হাজারো মানুষের মন জয় করেছিলেন, সেই পরিচিত মুখ 'ভাইরাল মিজান' আজ খাঁচার ওপারে। হ্যাঁ, রাজধানী আগারগাঁওয়ের সেই জনপ্রিয় 'গরিবের বুফে'র পরিচালক মিজানুর রহমান এখন পুলিশি হেফাজতে।
৯ আগস্ট ২০২৬, রবিবার দুপুরে ডিএমপির কাফরুল থানা-পুলিশ তাকে আটক করে। বিদ্যুৎ বিভাগের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ অভিযানের সময় এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সাথে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আইনি দৃষ্টিতে হয়তো সরকারি কাজে বাধা দেওয়া অপরাধ, কিন্তু এই খবরের পেছনে লুকিয়ে আছে এক বুক হাহাকার।
দোকানের সেই চিরচেনা স্লোগান—"নিজের হাতে লইয়া খাইবেন, ১৪ বার নিয়ে খাইবেন"—হয়তো আগামী কয়েকদিন আর আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে প্রতিধ্বনিত হবে না। যেখানে সাধারণ রিকশাচালক, শিক্ষার্থী কিংবা নিম্নআয়ের মানুষ পেট পুরে দুই মুঠো শান্তিতে খেত, সেই চুলা আজ নিভে গেছে।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেও সাধারণ মানুষের মনে আজ একটাই প্রশ্ন—যে মানুষটি ক্ষুধার্তের মুখে অল্প টাকায় খাবার তুলে দিতেন, তার এই পরিণতি কি এড়ানো যেত না? আবেগের বশে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত আজ তাকে বন্দি করল চার দেয়ালে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুতই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব সংকটের সমাধান হবে এবং মিজান আবার তার চেনা হাসিমুখে মানুষের সেবায় ফিরে আসবেন।

জগৎ-সংসারের সব কোলাহল আর টানাপোড়েন পেছনে ফেলে একসাথেই পাড়ি জমালেন ওপারে। গাজীপুরের শ্রীপুরের রাজাবাড়ী ইজ্জতপুর রেল স্টেশ...
09/08/2026

জগৎ-সংসারের সব কোলাহল আর টানাপোড়েন পেছনে ফেলে একসাথেই পাড়ি জমালেন ওপারে। গাজীপুরের শ্রীপুরের রাজাবাড়ী ইজ্জতপুর রেল স্টেশন এলাকা এখন এক বুক চাপা কান্নায় ভারী হয়ে আছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেললাইনের পাশে দীর্ঘ সময় বসে গল্প করছিলেন মোছা. রিনা আক্তার (২৫) এবং আল আমিন (২৮)। কেউ হয়তো ভাবতেও পারেনি, এই গল্পই হতে যাচ্ছে তাদের জীবনের শে'ষ কথোপকথন। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে যখন ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী কমিউটার ট্রেনটি আসছিল, তখন আর নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি তারা। মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ...।
রিনা কাজ করতেন আরবেলা ফ্যাশনে এবং আল আমিন ছিলেন হ্যামস গার্মেন্টসের কর্মী। সাধারণ দুটি খেটে খাওয়া মানুষ, যাদের বুকে হয়তো জমা ছিল অনেক স্বপ্ন আর অপ্রকাশিত কষ্ট। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রিনা তার আগের সংসার ছেড়ে এসে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আল আমিনকে। কিন্তু নিয়তির কী নি'ষ্ঠু'র খেলা, সেই ভালোবাসার পরিণতি মিলল রেললাইনের ট্র্যাজিক এক শেষ দৃশ্যে।
রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্ত চলছে। তবে এই ঘটনা আমাদের সমাজকে আবারও এক গভীর ভাবনায় ফেলে দিল।

"আসরের নামাজ শেষে মোনা/জাতের হাত নামাতেই বদলে গেল ভা/গ্য: ২০ টাকার টিকিটে ৩০ লাখ টাকা জিতলেন কৃষক হানিফ!"জীবনটা যার কেটে...
09/08/2026

"আসরের নামাজ শেষে মোনা/জাতের হাত নামাতেই বদলে গেল ভা/গ্য: ২০ টাকার টিকিটে ৩০ লাখ টাকা জিতলেন কৃষক হানিফ!"
জীবনটা যার কেটেছে মাঠের রোদে পুড়ে আর হাড়ভাঙা খাটুনিতে, সেই মানুষটার ভাগ্যের চাকা যে এভাবে ঘুরবে, তা হয়তো স্বয়ং বি/ধা/তা ছাড়া কেউ জানত না। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের সাধারণ এক কৃষক হানিফ মিয়া। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। অভাবের সংসারে একটু বাড়তি আয়ের আশায় মহেশপুর বাজারের একটি ওষুধের দোকানেও কাজ করেন তিনি।
কদিন আগে পকেটের শেষ ৪০ টাকা খরচ করে দুটি লটারির টিকিট কিনেছিলেন। চারপাশের চরম অভাবের মাঝে এই সামান্য টাকা খরচ করায় স্ত্রী নীলা আক্তার তাকে ভীষণ বকাঝকাও করেছিলেন। মনে মনে হয়তো কষ্ট পেয়েছিলেন হানিফ, কিন্তু আশা হারাননি।
আজ আসরের নামাজ শেষ করে যখন তিনি মোনাজাতের হাত নামালেন, মনটা হয়তো এক অদ্ভুত শান্তিতে ভরে ছিল। সেই অবস্থাতেই অনলাইনে ‘বিপিকেএস জাতীয় লটারি-২০২৬’ এর ড্রর ফলাফল মেলাতে শুরু করেন। আর ঠিক তখনই ঘটল সেই অবিশ্বাস্য অলৌকিক ঘটনা! তার হাতের 'গ-০১৬৪/৩৬৪' নম্বর টিকিটটিতেই লেখা রয়েছে প্রথম পুরস্কার—পুরো ৩০ লাখ টাকা!
যে স্ত্রী একটু আগেও রাগ করেছিলেন, লটারির ফলাফল মেলাতেই দুজনের চোখ অশ্রু/সজল হয়ে ওঠে। এটি কেবল ৩০ লাখ টাকা নয়, এটি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বপ্ন পূরণের চাবি/কাঠি। এই অর্থ দিয়ে হানিফ এখন নিজের একটি ফার্মেসি দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, বড় করতে চান তার ছোট্ট হাঁসের খামারটি।
সত্যিই, সততা আর বিশ্বাস থাকলে ভাগ্য কখন কার দরজায় কড়া নাড়বে, তা কেউ বলতে পারে না। কৃষক হানিফ মিয়ার এই নতুন পথচলার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
আপনারা কি বিশ্বাস করেন, সততা আর সঠিক সময়ের প্রার্থনা মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে এই অনুপ্রেরণার গল্পটি সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন। ❤️

😭 কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাড়ির মালিককে হ/ত্যা, ৯ প্যাকেটে খণ্ডিত ম/র/দেহ উদ্ধারকুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নাম...
09/08/2026

😭 কুমিল্লার দেবিদ্বারে বাড়ির মালিককে হ/ত্যা, ৯ প্যাকেটে খণ্ডিত ম/র/দেহ উদ্ধার
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামের এক বাড়ির মালিককে হত্যার পর ম/র/দেহ টুকরো করে পলিথিনে ভরে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত ম/র/দেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে। তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার হয়নি।
এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামে এক ভাড়াটিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আরও চারজনের জড়িত থাকার কথা বলেছেন। তাদের মধ্যে তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদ এবং রবিউল, সোহেল ও ইমন নামে আরও তিনজনের নাম রয়েছে।
তবে হ/ত্যা/কাণ্ডের পেছনের কারণ এবং কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ
#কুমিল্লা #দেবিদ্বার #হত্যাকাণ্ড #ফরিদা_ইয়াসমিন #বাংলাদেশ #ব্রেকিং_নিউজ

মানুষ কত স্বপ্ন নিয়ে বুক বাঁধে, কত কষ্ট করে একেকটি টাকা জমায়! কিন্তু নিয়তির এক নির্মম পরিহাসে মুহূর্তেই ছাই হয়ে গেল এক অ...
09/08/2026

মানুষ কত স্বপ্ন নিয়ে বুক বাঁধে, কত কষ্ট করে একেকটি টাকা জমায়! কিন্তু নিয়তির এক নির্মম পরিহাসে মুহূর্তেই ছাই হয়ে গেল এক অসহায় বাবার জীবনের সব স্বপ্ন। 😢
ঘটনাটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের। তোফাজ্জল হোসেন নামের একজন সাধারণ কৃষক, যার দিন চলত হাড়ভাঙা খাটুনিতে। নিজের সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে, খেয়ে না-খেয়ে দীর্ঘ দিন ধরে কাঠের আলমারিতে জমিয়েছিলেন ২ লাখ টাকা। উদ্দেশ্য ছিল খুব পবিত্র— আদরের মেয়ের বিয়ে দেবেন আর সংসারের একটা স্থায়ী গতি করবেন।
কিন্তু তিনি ভাবতেও পারেননি, তার এই অতি কষ্টের জমানো টাকাগুলোর ওপর নজর পড়েছে ঘরের ভেতরের এক নীরব শত্রুর। আলমারির অন্ধকার কোণে ইঁদুর আর উইপোকা মিলে কুটি কুটি করে কেটে ফেলেছে বাবার স্বপ্নের সেই নোটগুলো। যখন তিনি আলমারিটি খোলেন, তখন টাকার বদলে সেখানে পড়ে ছিল কেবল কাগজের গুঁড়ো আর কুচি।
মেয়ের বিয়ের স্বপ্নগুলো চোখের সামনে এভাবে চুরমার হয়ে যেতে দেখে ওই অসহায় বাবা এখন স্তব্ধ, নির্বাক। তার এই বুকফাটা কান্না আর শূন্য চাউনি যেকোনো পাথরের মনকেও গলিয়ে দেবে।
আমরা কি পারি না এই বিপদের দিনে অসহায় তোফাজ্জল হোসেনের পাশে দাঁড়াতে? আমাদের ছোট একটা সহানুভূতি বা প্রশাসনের সামান্য সহযোগিতা হয়তো এই বাবার মুখে আবার হাসি ফোটাতে পারে। উপরওয়ালা যেন কাউকে এমন নিষ্ঠুর পরিস্থিতির মুখোমুখি না করেন। 🙏
StillAlive

বিয়ে ভাঙার গল্পে চারপাশ যখন শুধু কলহ আর তিক্ততায় ভরে ওঠে, ঠিক তখনই সমাজকে এক অদ্ভুত ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প দেখাল উত...
09/08/2026

বিয়ে ভাঙার গল্পে চারপাশ যখন শুধু কলহ আর তিক্ততায় ভরে ওঠে, ঠিক তখনই সমাজকে এক অদ্ভুত ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প দেখাল উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবির নগর জেলার দেবরি গ্রাম। দীর্ঘ ২১ বছরের সংসার এবং ৫টি সন্তান থাকার পরও, স্ত্রীর খুশির জন্য তাকে নিজের হাতে প্রেমিকের সাথে বিয়ে দিয়ে বিদায় জানালেন এক স্বামী।
ফেসবুকের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আবেগঘন এই বাস্তব কাহিনীটি নিচে তুলে ধরা হলো:

২১ বছরের মায়া বনাম মনের টান
পেশায় দিনমজুর ৪৫ বছর বয়সী বুদ্ধিরাম নিষাদ এবং ৩৭ বছর বয়সী ফুলমতি ভালোবেসে সংসার শুরু করেছিলেন ২১ বছর আগে। তাদের কোল আলো করে আসে ৫টি সন্তান। বড় সন্তানের বয়স এখন ১৮ বছর। ঠিকঠাকই চলছিল সব। কিন্তু জীবনের এক মোড়ে এসে ফুলমতির পরিচয় হয় ২৬ বছর বয়সী অবধেশ নামের এক যুবকের সাথে। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়।

ভালোবাসা যখন ছেড়ে দেওয়ার নাম
পরিবারে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শুরু হয় মানসিক টানাপোড়েন। একবার বাড়ি ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন ফুলমতি, কিন্তু সন্তানদের টানে আবার ফিরে আসেন। তবে মনের মানুষটিকে ফুলমতি কোনোভাবেই ভুলতে পারছিলেন না। প্রতিদিনের এই নীরব কষ্ট ও অশান্তি দেখে স্বামী বুদ্ধিরাম এক কঠিন কিন্তু নিঃস্বার্থ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বুঝতে পারেন, জোর করে শরীর আটকে রাখা যায়, কিন্তু মন নয়। স্ত্রীর প্রতি রাগ বা ক্ষোভ থেকে নয়, বরং তার প্রকৃত খুশির কথা চিন্তা করে তিনি স্ত্রীকে তার প্রেমিকের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

হাসিমুখে অশ্রুসজল বিদায়
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয় আশরাফপুর গ্রামের একটি শিবমন্দিরে বুদ্ধিরাম নিজে উপস্থিত থেকে বিয়ের সব আয়োজন করেন। গ্রামীণ রীতি মেনে, গ্রামবাসীদের সাক্ষী রেখে তিনি নিজেই ফুলমতি ও অবধেশের বিয়ে সম্পন্ন করান। বিয়ের পর এক আবেগঘন মুহূর্তে, নিজের সব মায়া আর ২১ বছরের স্মৃতি পেছনে ফেলে, হাসিমুখে তিনি ফুলমতিকে তার নতুন জীবনের উদ্দেশ্যে বিদায় জানান।
গণমাধ্যমের সামনে বুদ্ধিরাম বলেন, "আমি প্রতিদিনের অশান্তি আর ওর চোখের জল দেখতে চাইনি। ও যাকে ভালোবাসে, তার সাথেই ভালো থাকুক। ওর খুশিতেই আমার শান্তি।" এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক ও পারস্পরিক সম্মতিতে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত, তাই কোনো পক্ষ থেকেই কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

মাত্র ৫০০ টাকার ঘরভাড়ার জন্য কেটে নেওয়া হলো এক মায়ের মাথার শেষ সম্বল—তার চুল! কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, চুল বিক্র...
09/08/2026

মাত্র ৫০০ টাকার ঘরভাড়ার জন্য কেটে নেওয়া হলো এক মায়ের মাথার শেষ সম্বল—তার চুল! কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, চুল বিক্রি করেও মাথা গোঁজার সেই শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা করতে পারলেন না তিনি। দুই নিষ্পাপ সন্তানকে নিয়ে আজ তিনি খোলা আকাশের নিচে, প্লাস্টিকের ছাউনিতে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের রেহানা খাতুনের এই বুকফাটা কান্নার গল্পটি নিচে তুলে ধরা হলো, যা প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়কে নাড়িয়ে দেবে:

এক মায়ের চরম আত্মত্যাগ ও নিয়তির নিষ্ঠুর খেলা
সম্মানের শেষ সম্বল বিসর্জন: মাস শেষে বাড়িওয়ালার তাগাদা আর কড়া কথার সামনে দাঁড়িয়ে অসহায় মা রেহানা খাতুনের কাছে আর কোনো পথ খোলা ছিল না। মাত্র ৫০০ টাকার জন্য তিনি নিজের মাথার চুল বিক্রি করতে বাধ্য হন।
টাকা দিয়েও রক্ষা হলো না আশ্রয়: আমরা ভাবি মায়ের ত্যাগের বুঝি বড় পুরস্কার হয়! কিন্তু এই নিষ্ঠুর সমাজে চুল বিক্রির ৫০০ টাকা বাড়িওয়ালার হাতে তুলে দেওয়ার পরও মেলেনি রেহাই। দুই সন্তানসহ তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়।
আজকের ঠিকানা রেললাইনের ধার: বর্তমানে খুলনা-মোংলা রেললাইনের পাশে সরকারি খাস জমিতে বাঁশের একটি ভাঙাচোরা কাঠামোর ওপর পলিথিন টাঙিয়ে দুই সন্তান নিয়ে দিন পার করছেন এই মা। ঝড়-বৃষ্টি আর অন্ধকারের সাথে লড়ছে এক অসহায় পরিবার।

নেটিজেনদের প্রতি মানবিক আহ্বান
বিবেকের কাছে প্রশ্ন: যেখানে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা অপচয় হয়, সেখানে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য একজন মাকে তার চুল বিসর্জন দিতে হয়—এই সমাজ কি সত্যিই মানুষের?
শেয়ার করে পাশে দাঁড়ান: এই খবরটি শুধু পড়ার জন্য নয়, রেহানা খাতুনের এই অসহায়ত্বের কথা চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার। যাতে কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা সংস্থা তার এই মাথা গোঁজার ঠাঁই এবং সন্তানদের মুখের আহারের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেন।

❤️‍🩹❤️‍🩹 শুভ রাত্রি ❤️‍🩹❤️‍🩹
08/08/2026

❤️‍🩹❤️‍🩹 শুভ রাত্রি ❤️‍🩹❤️‍🩹

❤️‍🩹❤️‍🩹শুভ বিকেল❤️‍🩹❤️‍🩹 ৪ স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক।
08/08/2026

❤️‍🩹❤️‍🩹শুভ বিকেল❤️‍🩹❤️‍🩹
৪ স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক।

🚨 স্কুলে যাওয়ার পথে একজন ছাত্রী যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে প্রশ্নটা শুধু তার নয়—আমাদের সবার!জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্...
08/08/2026

🚨 স্কুলে যাওয়ার পথে একজন ছাত্রী যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে প্রশ্নটা শুধু তার নয়—আমাদের সবার!
জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। অভিযোগটি যদি সত্য হয়ে থাকে এবং কোনো ব্যক্তি তাকে বা অন্য শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করে থাকে, তাহলে বিষয়টি কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটি নিন্দনীয় এবং আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো গুরুতর বিষয়।
একজন শিক্ষার্থী প্রতিদিন স্বপ্ন নিয়ে স্কুলে যায়—শিক্ষা নিতে, ভবিষ্যৎ গড়তে। সেখানে যদি তাকে পথ চলতে ভয় পেতে হয়, তাহলে আমাদের সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
💔 মনে রাখবেন—সে শুধু একজন ছাত্রী নয়। সে কারও বোন, কারও মেয়ে, কারও প্রিয় সন্তান।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে যাচাই-বাছাই ছাড়া অপরাধী হিসেবে প্রচার না করে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারও কাছে ভিডিও, ছবি বা নির্ভরযোগ্য তথ্য থাকলে তা দ্রুত পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই দায়িত্বশীল নাগরিকের কাজ।
👉 স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ—ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন করুন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।
আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে একজন ছাত্রী নির্ভয়ে স্কুলে যাবে, একজন বাবা-মা নিশ্চিন্তে সন্তানকে বাইরে পাঠাবেন এবং কোনো বখাটে কারও নিরাপত্তা ও সম্মান নিয়ে খেলতে সাহস পাবে না।
একজন শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা মানেই আমাদের সবার দায়িত্ব।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন—তবে সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে। 🤝
#শিক্ষার্থীর_নিরাপত্তা #নারীর_নিরাপত্তা #অন্যায়ের_বিরুদ্ধে #সচেতন_হোন #আইনের_শাসন #সোনারগাঁও #নারায়ণগঞ্জ #বাংলাদেশ

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Saidur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share