News IHO

News IHO We Cover All of Things

25/09/2026

Kolkata diary.

বাংলাদেশ থেকে ভারত যাওয়ার সময় যে কয়টি স্থল বন্দর  চলমান। #স্থলবন্দর  #ভারতবাংলাদেশ  #সীমান্ত  #বেনাপোল  #হরিদাসপুর  #...
21/09/2026

বাংলাদেশ থেকে ভারত যাওয়ার সময় যে কয়টি স্থল বন্দর চলমান।

#স্থলবন্দর #ভারতবাংলাদেশ #সীমান্ত #বেনাপোল #হরিদাসপুর #পেট্রাপোল #গেদে #হিলি

🇧🇩🇧🇩 প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নতুন সার্কুলার।  🇧🇩🇧🇩
14/09/2026

🇧🇩🇧🇩 প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নতুন সার্কুলার।
🇧🇩🇧🇩

14/09/2026

Job circular

08/09/2026

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর বলেছে, শুল্কের হিসাব রাখার ডিজিটাল মাধ্যম অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্ট...
08/09/2026

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর বলেছে, শুল্কের হিসাব রাখার ডিজিটাল মাধ্যম অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে রপ্তানি কনসাইনমেন্ট যাচাইকালে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভ্যালমন্ট ফ্যাশনসের পাঁচটি রপ্তানি চালান শুল্ক গোয়েন্দাদের নজরে আসে। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার ১২১ টন পণ্য রপ্তানির কথা বলা ছিল সেখানে।

ভ্যালমন্ট ফ্যাশনস লিমিটেড নামের এক কোম্পানির রপ্তানি চালান ‘সন্দেহজনক’ মনে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোতে খোঁজ নেন শুল্ক গোয়েন্দারা। কিন্তু সেখানে পণ্যের কোনো অস্তিত্ব মেলেনি।

প্রাথমিক বিশ্লেষণেই রপ্তানির গন্তব্য দেশ, পণ্যের প্রকৃতি ও ঘোষিত মোট ওজনের মধ্যে অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হওয়ায় চালানগুলো আটকে অধিকতর যাচাই শুরু করা হয়।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি বাজার মূলত ইউরোপের দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয় জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও ডেনমার্কে। এছাড়া যুক্তরাজ্যও তৈরি পোশোক রপ্তানির বড় বাজার।

জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, তুরস্ক ও রাশিয়াতেও বড় আকারে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। কিন্তু ভ্যালমন্ট ফ্যাশনসের পাঁচটি চালানের গন্তব্য দেখানো হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিপিন্স। তাতে সন্দেহ হওয়ায় অধিকতর যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

07/09/2026

টাঙ্গাইলের শতবর্ষী মিষ্টি শিল্পকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে প্রথম ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল’

পড়াশোনা করে আপনি লিখত তে পেলেন ৪০। আর ভাইভাতে পেলেন ১০ মোট ৫০।অন্য দিকে দলের চাটা লোক লিখিততে পেলো ২০ আর ভাইবা তে পেলো ৪...
07/09/2026

পড়াশোনা করে আপনি লিখত তে পেলেন ৪০। আর ভাইভাতে পেলেন ১০ মোট ৫০।

অন্য দিকে দলের চাটা লোক লিখিততে পেলো ২০ আর ভাইবা তে পেলো ৪৫ মোট ৬৫!

চাকরি কার হবে ৫০ নাকি ৬৫?

06/09/2026

Rainy day🕛

পশ্চিমের দিকে আমরা কেন ছুটছি?​আমরা প্রায়ই দেখি, ইউরোপ-আমেরিকার দিকে মানুষের স্রোত ছুটছে। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্...
06/09/2026

পশ্চিমের দিকে আমরা কেন ছুটছি?
​আমরা প্রায়ই দেখি, ইউরোপ-আমেরিকার দিকে মানুষের স্রোত ছুটছে। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট থেকে মানুষ এই অঞ্চলগুলোকে কেন এতো প্রাধান্য দেয়? উত্তরটা খুঁজতে গিয়ে কিছু কারণ সামনে এসেছে—
​১. নিরাপত্তা ও শান্তি: তুলনামূলকভাবে সেখানকার পরিবেশ নিরাপদ, যেখানে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। ট্রাফিক জ্যাম, হর্ন বা কোলাহলের যন্ত্রণা সেখানে নেই বললেই চলে। চালকরা নিয়ম মেনে চলে এবং পথচারীরাও নিরাপদবোধ করে।
​২. কঠোর আইন ও সিভিক সেন্স: ট্রাফিক রুলস হোক বা পরিচ্ছন্নতা—সব ক্ষেত্রে আইন অত্যন্ত কঠোর। নির্দিষ্ট গতিসীমা এবং পথচারী পারাপারের নিয়ম মেনে চলা সেখানকার সংস্কৃতির অংশ। রাস্তায় ময়লা ফেলা সেখানে চিন্তাই করা যায় না। মানুষের মাঝে 'নিজের কাজে মতলব রাখা'র অভ্যাসও লক্ষণীয়—কে কী করল, পরনিন্দা বা 'গীবত'-এর মতো বিষয়গুলো খুব একটা নেই।
​৩. কাজকে সম্মান ও জীবনযাত্রা: সেখানে কোনো কাজকে ছোট করে দেখা হয় না। পেট্রোল পাম্প, গ্রোসারি সুপারশপ বা ম্যাকডোনাল্ডসের মতো জায়গায় পার্ট-টাইম জব করা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই নিজের খরচ নিজে চালানো সেখানকার সংস্কৃতির অংশ। এছাড়া, যদিও খরচ বেশি, কিন্তু মানুষের আয়ও বেশি এবং জীবনযাত্রার মানও ভালো।
​তাহলে প্রশ্ন হলো: আমরা কি কেবল ইউরোপ-আমেরিকার গুণ গাইছি? অবশ্যই না। তাদেরও সমস্যা আছে—অপরাধ, বৈষম্য, একাকিত্ব, মানসিক চাপ। তবুও কিছু সামাজিক শৃঙ্খলা ও নাগরিক আচরণের কারণে এই অঞ্চলগুলো আকর্ষণীয় হয়েছে—তা অস্বীকার করা যায় না।
​কিন্তু এর পেছনে আমাদের শিক্ষার কী সম্পর্ক?
​একসময় মুসলমানরা ছিল জ্ঞান, সভ্যতা ও ইনসাফের আদর্শ। স্পেনের কর্ডোভা বা গ্রানাডা ছিল জ্ঞানের আখড়া। কঠোর নিয়ম ও ইনসাফ কায়েম করে শান্তির সমাজ গড়ে তুলেছিল মুসলমানরা। জ্ঞানচর্চা ও মানবিক আচরণে মুসলিম বিশ্ব এগিয়ে ছিল। আমরা আল-বিরুনি, ইবনে সিনা বা আল-খাওয়ারিজমির নাম জানি, কিন্তু তাদের অনুসন্ধিৎসু মানসিকতা বা কঠোর জ্ঞানচর্চাকে গ্রহণ করিনি।
​আজকের এই চিত্র বদলে গেছে কারণ আমরা ইসলামের শিক্ষাগুলোকে আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারিনি। নিরাপত্তা, শান্তি, কঠোর আইন, পরিচ্ছন্নতা—এগুলো কি ইসলামে বলা নেই? অবশ্যই আছে! ইসলাম মানুষের জান, মাল, সম্মান ও নিরাপত্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নজরের হেফাজত ও হুদুদের নির্দেশ দিয়েছে।
​সমস্যা হলো—আমরা মূল্যবোধগুলো শুধু মুখে বলি, কিন্তু কাজে রূপ দিতে পারি না।
​আমাদের সংকট কোথায়?
​আমরা ন্যায়বিচারের কথা বলি, কিন্তু নিজের স্বার্থে অন্যায় মেনে নিই।
​সততার কথা বলি, কিন্তু সুযোগ পেলেই প্রতারণা করি।
​পরিচ্ছন্নতার কথা বলি, কিন্তু রাস্তায় ময়লা ফেলি।
​সময়ানুবর্তিতার কথা বলি, কিন্তু অন্যের সময়কে মূল্য দিই না।
​আমাদের লক্ষ্য কী হওয়া উচিত?
​আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি সমাজ তৈরি করা যেখানে মানুষ নিরাপদ থাকবে, আইন সবার জন্য সমান হবে, দুর্নীতি থাকবে না, এবং প্রতিটি কাজ সম্মান পাবে। জ্ঞানচর্চা ও গবেষণা অগ্রগতির হাতিয়ার হবে। ধর্ম কেবল মসজিদে সীমাবদ্ধ থাকবে না; মানুষের চরিত্রে, পরিবারে, বাজারে, এবং নাগরিক আচরণে তার প্রতিফলন ঘটবে।
​তখন মানুষ আমাদের কাছে আসবে—পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য নয়, বরং আমাদের চরিত্র, গবেষণা ও ন্যায়বিচারের জন্য। কোনো মুসলিমকে তখন বক্তৃতা দিয়ে ইসলাম বোঝাতে হবে না; তার আচরণই হয়ে উঠবে তার দাওয়াহ।
​

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News IHO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share