03/08/2026
কি একটা অবস্থা!
এনসিপির পোলাপানকে জেলায় জেলায় মানুষ ধরে ধরে কুত্তার মত পিটাচ্ছে। এদিকে নেত্রকোনা, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ এবং নরসিংদীতে এনসিপিকে সার্বজনীন বয়কট ঘোষণা করেছে এবং এনসিপিকে গণশত্রুতে আখ্যায়িত করেছে।
আমি গত বছর বলেছিলাম, এনসিপি নিজে নিজেই এক বছর সারভাইভ করতে পারবে না। এখন এনসিপি ঠিকে আছে শুধুমাত্র জামাত আর বিএনপির কারণেই। জামাত-বিএনপি যদি তাদেরকে লোকজন না দেয়, তাহলে তাদের বক্তব্য শোনার জন্য একটা কুত্তাও যাবে না।
এই হচ্ছে তথাকথিত জুলাই ভেলপাপিদের অবস্থা।
এখন আপনি বলবেন, তারা তো বিএনপিকে সারাক্ষণ গালি দেয়। আরে মিয়া, এটাই তো সাজানো নাটক। আপনার মাথায় এখনো ঢুকেই নাই। বিএনপির দরকার একটা লোক দেখানো বিরোধী দল, যারা তাদের বিরোধিতা করবে, তাদেরকে গালাগালি দেবে। তার মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে এবং বিশ্বকে দেখাতে পারবে যে একটা বিরোধী দল আছে।
আবার বিএনপি ছাড়া এনসিপি-জামাতের কোনো মূল্য নাই। কারণ আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে তারা কোথাও জায়গা পাবে না। এই যে জামায়াতে ইসলামী প্রায় ৮০টা সিট পেয়েছে, আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে এটা জিরো হয়ে যাবে।
এজন্য এনসিপি বিএনপিকে কী বলে গালি দেবে, সেটাও বিএনপি আগের রাত থেকেই জানে। শুধু জানে না বিএনপির কতিপয় মূর্খ লোকজন। একইভাবে বিএনপির লোকজন জামাতকে কখন, কীভাবে রাজাকার বলবে, কখন কীভাবে গালাগালি দেবে, তাদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেবে—আমিও জানি, তুমিও জানি। "জামাত মানে পাকিস্তানি"—এগুলো হচ্ছে এমন বিষয়, যেগুলো জামাতের উপরের লোকজনও আগে থেকেই জানে যে বলা হবে। লক্ষ করেন না, জামাতের বড় বড় নেতা এগুলো নিয়ে কোনো কথা বলে না। কারণ তারা জানে, এভাবেই স্ক্রিপ্ট বানানো হয়েছে।
যাই হোক, ভোরবেলা থেকে আবারও কারেন্ট নাই। তবে ভোরবেলায় গ্যাস আসছিল আধা ঘণ্টার মতো। কিন্তু এত ভোরে উঠে রান্না করতে পারি নাই।
শুভ সকাল।
✍️_____বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৫৯৭)