Uttor Kothay

Uttor Kothay ঘটনা সত্য, উপস্থাপনায় মজা!

রাজনীতি • সমাজ • সমসাময়িক বিষয়
প্রশ্ন আছে, উত্তর কোথায়?

ফলো করুন, পাশে থাকুন।

অবশেষে ফ্লাই করেছে বাংলাদেশ বিমানের ভুতুরে সেই ফ্লাইট সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আর ঘন্টাখানেক পর বাংলাদেশ সময় ১১টার দিকে ঢাকায়...
12/08/2026

অবশেষে ফ্লাই করেছে বাংলাদেশ বিমানের ভুতুরে সেই ফ্লাইট

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আর ঘন্টাখানেক পর বাংলাদেশ সময় ১১টার দিকে ঢাকায় অবতরণ করার কথা।

এই ফ্লাইটটিকে ভুতুরে বলা হচ্ছে কারণ, সরাসরি দেশে আসার পরিকল্পনা নিয়ে এই ফ্লাইটের টিকিট কেটে ৩দিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে বেশ কিছু বাংলাদেশি, এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

ঘটনা হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টরন্টো–ঢাকা ফ্লাইটে ছিলেন প্রায় ২৫৬ যাত্রী। তাদের মধ্যে প্রায় ১৭০ জন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী।

রিফুয়েলিংয়ের জন্য ইতালির রোমে অবতরণের পর ধরা পড়ে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি। প্রথমে বলা হয়েছিল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু অপেক্ষা গড়ায় ৯ ঘণ্টায়। অভিযোগ, এর মধ্যে কয়েক ঘণ্টা বিমানের এসিও বন্ধ ছিল। এসি বন্ধ থাকলে যাত্রীদের অবস্থা কেমন হয়ে যায় সবাই জানেন।

৫/৬ ঘন্টা পরে জানা গেল এই ত্রুটি সারাতে সময় লাগবে

যাত্রীদের বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় যে, ফ্লাইটের সকলকে খাবার ও হোটেল দেয়া হবে।

কিন্তু সমস্যা বাধে বাংলাদেশ পাসপোর্টে।

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ইতালির ইমিগ্রেশন পার হয়ে বিমানবন্দরের বাইরে যেতে পারেননি। মুল ওয়েটিং লাউঞ্জেও যেতে পারেন নি।

অন্যদিকে কানাডিয়ান ও আমেরিকান পাসপোর্টধারীরা নিয়ম অনুযায়ী বাইরে হোটেলে যেতে পেরেছেন।

বাংলাদেশি পাসপোর্ট হোল্ডারদের ইমিগ্রেশন ক্রস করতে দেয়নি ইটালিয়ান ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

এখন উপায়?

টার্মিনালে প্রবেশের পর থেকে ইমিগ্রেশনের পূর্ব পর্যন্ত যাত্রীদের আসা যাওয়ার যেই জায়গা থাকে সেখানেই অবস্থান করতে দেয়া হয়।

এখানেই অপেক্ষা করতে থাকেন তারা

এভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে করতে দিন পাড় হয়ে যায়, রাত পাড় হয়ে যায।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, এই যাত্রীদের বড় একটি অংশ বৃদ্ধ বাবা-মা ও শিশু। ডিরেক্ট দেশের ফ্লাইট হওয়ায় এখানে ছিল অনেক বৃদ্ধ বাবা মা যারা একা ভ্রমণ করছেন। তাদের ঔষধ খেতে হয়, হাত ধরে টয়লেটে নিতে হয়, এমন মানুষও।

এই ১৭০ জনকে দীর্ঘ ৩৫ ঘন্টা এই স্থানে অবস্থান করতে হয়।

যারা বিদেশ যাতায়াত করেন তারা জানেন, এটা কোন লাউঞ্জ নয়, ফলে এখানে শোয়া ও বসার ভালো কোন ব‍্যবস্থা নাই।

অনেকে চাদর টাওয়াল যা সাথে ছিল তাই ফ্লোরে বিছিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করেছে। কেউ বাথরুমের আশেপাশে শুয়ে পড়েছে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ থেকে ইঞ্জিনিয়ার এ প্রয়োজনিয় টুলস নিয়ে গিয়ে সেই বিমানের ত্রুটি মেরামত করে তারপর ৩৫ ঘন্টা পর বিমানটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

বিমানটি এখন আকাশে আছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কিছুক্ষণ পর অবতরণ করবে।

আরেকটি বিষয়, যেহেতু এই ফ্লাইটটি টরেন্টো থেকে সরাসরি ঢাকায় আসার কথা ছিল সেহেতু কানাডার অন‍্যান‍্য শহর থেকেও কিছু যাত্রীরা অন‍্য ফ্লাইট ধরে টরেন্টো এসে অপেক্ষা করেছিল, তারপর এই ফ্লাইট ধরেছিল। তাদের অবস্থা ছিল বেশি গুরুতর কারণ তাদের প্রায় ৩দিন এভাবে উদ্বাস্তুর মত থাকতে হয়েছে।

ভাইরে ভাই!!  তারেক রহমান দেখিয়ে দিলো বাংলাদেশের রাজনীতির সৌন্দর্যটা কতটা সুন্দর হতে পারে....🖤ঘটনা কি হইছে শুনেন...আজকে  ...
11/08/2026

ভাইরে ভাই!! তারেক রহমান দেখিয়ে দিলো বাংলাদেশের রাজনীতির সৌন্দর্যটা কতটা সুন্দর হতে পারে....🖤

ঘটনা কি হইছে শুনেন...
আজকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী সফরে গিয়েছেন। তো তারেক রহমান মঞ্চে।আর পাশে নিজের দলের মন্ত্রী-এমপিরা। আর ঠিক তাদের পাশেই বিরোধী দল জামায়াতের দুই এমপি শাহজাহান চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম।
রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা, দল আলাদা কিন্তু রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে....এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে?? 🥹

এর মধ্যেই জামায়াতের এমপি জহিরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জনগণের সাতটি দাবি সংবলিত ডিও লেটার। প্রধানমন্ত্রী সেটি পড়লেন, তাকে ধন্যবাদ দিলেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি কর্মকর্তাদের দেখতে দিলেন।
আর জহিরুল ইসলামের ফেসবুকে পোস্ট করা একটি বাক্য যেন পুরো দৃশ্যটার সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিলো। তিনি লিখেছেন,
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনে বাঁশখালীর মাটি ও মানুষ আজ ধন্য।”

এটাই তো আমরা চাই। রাজনীতি থাকবে, বিরোধিতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে কিন্তু শত্রুতা কেন থাকবে?

রাজনীতির সবচেয়ে সুন্দর সংস্করণ হলো, মতাদর্শে লড়াই হবে, কিন্তু মানুষে মানুষে বিভাজন হবে না।
সংসদে তর্ক হবে, মাঠে সমালোচনা হবে, নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান থাকবে কিন্তু দেশের প্রয়োজনে সবাই একই টেবিলে বসবে।

বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দল দেখা হবে না।উন্নয়নের সময় ভোটের হিসাব হবে না।
জনগণের দাবি নিয়ে একজন বিরোধী দলের এমপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলে তাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবেই দেখা হবে।

এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
এটাই রাজনৈতিক সভ্যতা।
এটাই পারস্পরিক সম্মানের বাংলাদেশ।

আমরা এমন রাজনীতিই দেখতে চাই, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে, শত্রু নয়।বিরোধিতা থাকবে, বিদ্বেষ নয়।
ক্ষমতার লড়াই থাকবে, কিন্তু দেশের স্বার্থ সবার ওপরে থাকবে।🖤

রাজনীতির সংস্কৃতি বদলানোই আসলেই একটা বিপ্লব।
কি বলেন আপনারা??

Dainik Prothom Sangbad

#তারেক_রহমান #বাংলাদেশ

ভাইরে ভাই! আমাদের প্রধানমন্ত্রী আসলেই একটা জিনিস! ভারতকে এবার না’ও বললেন না, হ্যাঁ’ও বললেন না....উল্টো শর্ত দিয়ে রাখলেন!...
11/08/2026

ভাইরে ভাই! আমাদের প্রধানমন্ত্রী আসলেই একটা জিনিস! ভারতকে এবার না’ও বললেন না, হ্যাঁ’ও বললেন না....
উল্টো শর্ত দিয়ে রাখলেন! 😑
মানে, এতদিন ভারত শর্ত দিতো, এবার বাংলাদেশও বলছে, ভাই, আমাদেরও কিছু কথা আছে!

BRICS সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেয়েও ভারতকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি হ্যাঁ বা না কিছুই বলেন নাই বরং বার্তা দিয়েছেন সম্পর্ক উন্নয়ন চাইলে আগে কিছু অমীমাংসিত বিষয় পরিষ্কার করতে হবে।

BRICS-এর দাওয়াত ঝুলিয়ে রেখে বুঝিয়ে দিলেন,আগে কিছু হিসাব মিটুক, তারপর ভারতে যাওয়ার কথা!
এটাই তো কূটনৈতিক চাল!
হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভারতের মাটি ব্যবহার বন্ধ, তাকে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ, সীমান্ত হ** ও পুশইন বন্ধ, গঙ্গার পানি চুক্তি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান এবং শহীদ ওসমান হাদীর হ**কাণ্ডের আসামিকে দ্রুত হস্তান্তর এসব বিষয় এখন আলোচনার টেবিলে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাংলাদেশ এবার শুধু ভারতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেই; বাংলাদেশও নিজের শর্ত সামনে রাখছে।

দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু সেটা হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে।
এটাই তো কূটনীতির আসল সৌন্দর্য। কোনো ধরনের নতজানু নয়,যা হব্বে এক্কেবারে সমানে-সমানে।

বাংলাদেশের স্বার্থ আগে তারপর হইলো বন্ধুত্ব
Dainik Prothom Sangbad

ভিডিও লিংক কমেন্টে 👇
11/08/2026

ভিডিও লিংক কমেন্টে 👇

ছবির মেয়েটার নাম অনামিকা জুঁই। এখন বর্তমান বয়স ১৩। ওর মা সৌদি আরবে চাকরি করে  আর বাবা অটোরিকশা চালক।এই যে অনামিকার কোলে ...
30/07/2026

ছবির মেয়েটার নাম অনামিকা জুঁই। এখন বর্তমান বয়স ১৩।
ওর মা সৌদি আরবে চাকরি করে আর বাবা অটোরিকশা চালক।
এই যে অনামিকার কোলে যেই বাচ্চাটাকে দেখতে পাচ্ছেন এটা ওর বাচ্চা। হ্যাঁ, এই মেয়েটার নিজের বাচ্চা। এই বাচ্চার বয়স ৭ মাস।

অনামিকার বয়স যখন ১২ তখন ফেসবুকের মাধ্যমে ২২ বছরের শাকিল নামের একটা ছেলের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর প্রেম, এরপর বাসা থাকা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে৷ তারপর হয় এই বাচ্চাটা।

তো বাচ্চা হওয়ার পর অনামিকার শাশুড়ি আর জামাই বাসা থেকে বের করে দেয়। বাচ্চাটাকে তাদের কাছে রেখে।
এমনকি বাচ্চা যেন কোনোদিন মায়ের কাছে ফিরতে না পারে, সেজন্য আদালতে গার্ডিয়ানশিপ-এর মামলাও ঠুকে দেয় ওই পরিবার!

উপায় না দেখে মেয়েটি যায় লিগ্যাল এইডে।
ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার নিজেই প্রথম দেখে বিশ্বাস করতে পারেননি যে, এই বাচ্চা মেয়েটারও একটি বাচ্চা আছে!🙂
অবশেষে লিগ্যাল এইড ও চকবাজার থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে আড়াই মাস পর ৭ মাসের বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে দেয়া হয়।

এখন কথা হইলো, মা-বাপরা ঘরে বসে করেটা কী?!

১১ বছরের বাচ্চা মাইয়া পলাইয়া গেলো, ১ সপ্তাহ গায়েব থাকলো তারা নাকি "মান-সম্মানের ভয়ে" পুলিশে যান নাই! এই ফালতু মান-সম্মানের চক্করে পইড়া দুইটা বাচ্চার জীবন বরবাদ হইতে দিলেন?

পেটের দায়ে মা বিদেশে, বাপ গাড়ি চালায় বুঝলাম। কিন্তু মেয়ে মোবাইলে কার সাথে প্রেম পারতাছে, কার সাথে ভাগতাছে এই খেয়ালটা কে রাখবে? প্রতিবেশী?

সন্তান জন্ম দেওয়া আর তাকে সুসন্তান হিসেবে বড় করে তোলার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। শুধু মুখের ভাত আর হাতে একটা স্মার্টফোন তুলে দিলেই মা-বাবার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে নিজের বাচ্চার ওপর নজর না রাখলে এমন নরকই দেখতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman, এই বিদেশি নাগরিক এর দিকে একটু নজর দিন! উনার ছেলেকে উনার কাছে ফিরিয়ে দিন! এই ভদ্রলোক এতো বছ...
28/07/2026

প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman, এই বিদেশি নাগরিক এর দিকে একটু নজর দিন! উনার ছেলেকে উনার কাছে ফিরিয়ে দিন! এই ভদ্রলোক এতো বছর বাংলাদেশে পড়ে আছে শুধুই উনার ছেলের জন্য! এই বাবার আকুতি আপনার কাছে পৌঁছায় না??

এই আমেরিকান ভদ্রলোকের নাম গ্যারিসন লুটেল। তিনি ফারহানা করিম নামের একজন কে ২০১৮ সালে বিয়ে করেন। ফারহানা করিম আমেরিকায় বসবাস করেন। তিন বছর আগে তাদের প্রথম একটি সন্তান হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ফারহানা ও গ্যারিসনের নিজস্ব বাসা ছিল। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে ফারহানা আবার অন্তঃসত্ত্বা হন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জুন মাসে ফারহানা করিম বাংলাদেশে চলে আসেন। অন্তঃসত্ত্বা সময় তার বোন-মায়ের সঙ্গে থাকা জরুরি এই অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশে আসেন। আসার পর তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। সন্তানদের কথা চিন্তা করে গ্যারিসন ফারহানাকে নিয়মিত টাকা দিয়ে আসছিলেন।

কিন্তু পরে দেখলেন, অনেকদিন হয়ে গেছে যোগাযোগ করছে না। কোনো আপডেট দিচ্ছে না। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তিনি চেষ্টা করেছেন যোগাযোগ করতে, কিন্তু পারেননি। যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে অক্টোবর মাসে তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। বাংলাদেশে আসার পর গ্যারিসন যোগাযোগ করেছেন; কিন্তু ফারহানা দেখা করতে চান না, বাচ্চাদেরও দেখাতে চান না।

একপর্যায়ে উত্তরা থানার পুলিশ ও গ্যারিসন যে হোটেলে থাকতেন তাদের সহযোগিতা নিয়ে ফারহানার বাসায় যান। বাসায় গিয়ে জানতে পারেন, ফারহানা করিম কানাডিয়ান একজন ব্যক্তির সঙ্গে বসবাস করছেন। তিনি কানাডিয়ান ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন। এদিকে এক মাস আগে আরেকটি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ফারহানা।

বাংলাদেশের আদালত আর আইন এই ভদ্রলোক কে শুধুই অসহায় এর মতো ঘুরাচ্ছে! শেষে উনি আজকে এইভাবে গলায় ব্যানার ঝুলিয়ে প্রধানমন্ত্রী'র সাহায্য চেয়েছেন!

আসলেই আর কতো এইভাবে অসহায় এর মতো ঘুরবে উনি?
প্রধানমন্ত্রী'র দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই ভদ্রলোকের কাছে তার ছেলে সন্তান কে ফিরিয়ে দেওয়া হোক ❤️

ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,পরীক্...
25/07/2026

ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন,
পরীক্ষার খাতায় শুধু নম্বর নয়, ভবিষ্যৎও লেখা থাকে। আর সেই ভবিষ্যৎ যদি প্রশ্নফাঁসের মতো প্রতারণার কাছে হার মানে, তাহলে হারায় পুরো একটি প্রজন্ম।
ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়। জীবনে কখনো শর্টকাটের পথ বেছে নেবে না।
শচীন জানান, ছোটবেলা থেকেই তাঁর অধ্যাপক বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন, সফলতার চেয়ে সততা অনেক বড়। কারণ কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প কখনোই প্রতারণা হতে পারে না।
তিনি মনে করেন, শুধু ফলাফলকে গুরুত্ব দিলে সমাজে শর্টকাটের সংস্কৃতি তৈরি হয়। অথচ একজন শিক্ষার্থীর নিরলস পরিশ্রম, সততা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হওয়াই সবচেয়ে জরুরি।🖤
যখন একজন পরিশ্রমী শিক্ষার্থী দেখে তার কষ্টের মূল্য প্রশ্নফাঁস বা অসাধু উপায়ে পাওয়া নম্বরের কাছে হার মানছে, তখন তার হতাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এমন অন্যায় যেন আর কখনো না ঘটে, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
শচীনের ভাষায়, দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তাদের স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।
আসুন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে পরিশ্রমের সম্মান থাকবে।যেখানে সততাই হবে সবচেয়ে বড় পরিচয়।যেখানে শর্টকাট নয়, মেধা ও যোগ্যতার জয় হবে।
মনে রাখবেন,প্রতারণা হয়তো সাময়িক সাফল্য এনে দিতে পারে, কিন্তু সততা ও পরিশ্রমই মানুষকে সত্যিকারের বিজয়ী করে।🖤
#পরিশ্রম #শিক্ষা

চরমোনাই পীরই রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং তিনি ‘এ গ্রেড’ তালিকার শীর্ষে থাকার যোগ্য!
25/07/2026

চরমোনাই পীরই রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং তিনি ‘এ গ্রেড’ তালিকার শীর্ষে থাকার যোগ্য!

অবিলম্বে ফ্যা/সিবাদের দোসর মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রে/প্তার করতে হবে।
24/07/2026

অবিলম্বে ফ্যা/সিবাদের দোসর মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রে/প্তার করতে হবে।

Finally...... পদত্যাগ করেছেন শাহাবুদ্দিন চুপ্পু! এখন আর সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নয়। নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ো...
24/07/2026

Finally...... পদত্যাগ করেছেন শাহাবুদ্দিন চুপ্পু!
এখন আর সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নয়। নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।

তবে একটা বিষয়, আর যাই হোক, কোনো কাঠের পুতুলকে আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে চাই না!
আপনার মতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে সবচেয়ে ভালো হবে??

Address

Mirpur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttor Kothay posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share