Islamer Poth

Islamer Poth Islamer Poth Foundation

আপনার মতামত কি?
19/11/2024

আপনার মতামত কি?

16/11/2024
03/11/2024

প্রসঙ্গঃ "ইসলাম" ও "নারী স্বাধীনতা"

বিশ্বমানবতার কল্যাণের অনন্য জীবন ব্যবস্থার নাম "ইসলাম"। নারী ও পুরুষসহ কোনো সৃষ্টির অধিকার ও স্বাধীনতা ইসলাম খর্ব করেনি। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় আলোচিত সামাজিক মহামারী "নারী নির্যাতন"। এই নারী নির্যাতন রোধে করে নারীকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও অধিকার দিয়েছে ইসলাম। শুধু ইসলামী জীবনদর্শনই নারীর স্বাধীনতা ও অধিকার অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম।

নারী হবে পারস্পরিক সাহায্যকারী বন্ধু, সৎকাজের প্রতি উৎসাহ দানকারী, অসৎকাজে বাধা প্রদানকারী, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে আহ্বানকারী, হজ, যাকাত, ইবাদত-বন্দেগী পালনকারী এবং সামাজিক প্রায় সব কাজেই পুরুষের মতো নারীদের অংশগ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনাকারী। ইসলাম এর কোনোটিতেই বাধা দেয় না বরং এসব কাজে অংশগ্রহণে নারীকে ইসলাম উৎসাহ দেয় কিন্তু এতে নারীকে সম্পূর্ণ পর্দা বজায় রাখতে হবে ও পর-পুরুষ এড়াতে হবে এবং বেহায়াপনা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পবিত্র কুরআনুল করিমে এসেছেঃ হে নবি! ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবি করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু। (সুরা মুমতাহিনা : আয়াত ১২)

ইসলাম পূর্ব যুগে যখন নারীর অবস্থান ছিল অমানবিক; তখন থেকেই ইসলাম নারীর অধিকার ও মর্যাদা উন্নয়নের জন্য নজীরবিহীন সব ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলাম দিয়েছে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনাঃ
নারীকে মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিয়েছে ইসলাম। বিধান পালনে নারী-পুরুষের প্রতি সমান নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। তুলে ধরেছেন নারীর নিরাপত্তার বিধানও।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ ‘আর নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানদেরকে সম্মানিত করেছি।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ৭০)

ইসলামের দৃষ্টিতে ঈমান-আমল ও ইবাদতে নারী-পুরুষের মর্যাদাগত কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য আছে বলে মনে করাও অজ্ঞতা। ইসলাম সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছে যে, মর্যাদা-লাঞ্ছনা এবং মহত্ত্ব-নীচতার মাপকাঠি হচ্ছে- তাকওয়া তথা পরহেজগারী এবং নৈতিক চরিত্র। তাকওয়া ও চরিত্রের মাপকাঠীতে যে যতটা খাঁটি প্রমাণিত হবে আল্লাহর কাছে সে ততটাই সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ‘যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমানদার পুরুষ হোক কিংবা নারী হোক; আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব; যা তারা করত।’ (সুরা নাহল : আয়াত ৯৭)

বর্তমানে নারীর অধিকারের নামে যা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ "ইসলাম বিরোধী" নারীদের পোশাকের অধিকার, বিভিন্ন ধরনের নারীদের অযৌক্তিক অধিকার এতে করে সমাজে অশ্লীলতা ছড়াচ্ছে বর্তমানে নারীরা যেভাবে বেহায়াপানাতে শামিল হচ্ছে তা অবশ্যই ইসলাম সমর্থন করে না। আল্লাহ তায়ালা দুনিয়ার সব মানুষকে নারীর দায়িত্ববোধ, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তায় যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে ইসলামের বিধান মেনে চলার তাওফিক দান করুন। সব কল্যাণের বিষয়ে নারীর ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে ইসলামের সৌন্দর্য ও দিকগুলো বাস্তবায়নের তাওফিক দান করুন। আমিন।

র্সোস : "jagonews24"

আপনাদের কাছে প্রশ্ন 🫵
01/11/2024

আপনাদের কাছে প্রশ্ন 🫵

17/10/2024

কিভাবে একজন মুসলিম খ্রিস্টানের বন্ধু হলেন

30/09/2024

আসসালামু আলাইকুম

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamer Poth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share