RI Sayem Hawlader

RI Sayem Hawlader a simple man

18/09/2026

৩০০ মিলিয়ন ডলারের ডিল শেষে কেন সব সিদ্ধান্ত বদলে দিলেন এলন মাস্ক?

18/09/2026
প্রথম বড় সাফল্যটা যখন এসেছিল, মনে হয়েছিল এখন থেকে সব কিছু আমার হাতের মুঠোয়।একটা ক্যাম্পেইন দারুণ চলেছিল, প্রত্যাশার চ...
18/09/2026

প্রথম বড় সাফল্যটা যখন এসেছিল, মনে হয়েছিল এখন থেকে সব কিছু আমার হাতের মুঠোয়।

একটা ক্যাম্পেইন দারুণ চলেছিল, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রেজাল্ট এসেছিল, চারপাশের মানুষ প্রশংসা করছিল। সেই মুহূর্তে মাথায় একটা বিশ্বাস ঢুকে গিয়েছিল— "আমি এখন বুঝে গেছি কীভাবে কাজ করতে হয়, পরের সিদ্ধান্তগুলো আরও বড় করে নেওয়া যায়।" রিসার্চ কম করেছি, ডেটা কম দেখেছি, কারণ মনে হচ্ছিল অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট। পরের প্রজেক্টে বাজেট অনেক বড় করে দিয়েছিলাম, একই স্ট্র্যাটেজি একই রকম চলবে ভেবে।

ফলাফলটা প্রত্যাশার সম্পূর্ণ উল্টো হয়েছিল। যা কাজ করেছিল প্রথমবার, দ্বিতীয়বার সেটাই কাজ করেনি, কারণ পরিস্থিতি একই ছিল না, শুধু আমার বিশ্বাসটা একই ছিল। তখন বুঝেছিলাম, প্রথম সাফল্যের একটা অংশ পরিশ্রম আর বুদ্ধির হলেও, আরেকটা বড় অংশ পরিস্থিতি আর সময়ের অনুকূল থাকা।

এখন যখনই কোনো কাজ ভালো যায়, নিজেকে সাবধান করি — এই ফলাফলটা কি সত্যিই আমার সিদ্ধান্তের কারণে, নাকি পরিস্থিতি অনুকূল ছিল বলে? এই প্রশ্নটা করলে মাটিতে পা রাখা সহজ হয়, আর পরের সিদ্ধান্তটা আরও হিসাব করে নেওয়া যায়।

সাফল্য একটা ভালো শিক্ষক, কিন্তু নিজেকে অজেয় মনে করা শুরু হলেই সেই শিক্ষকই সবচেয়ে বড় শিক্ষাটা কঠিন উপায়ে দিয়ে দেয়।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#বিজনেসমোটিভেশন

রাহেলা একটা হ্যান্ডমেড জুয়েলারির বিজনেস করেন।একটা নেকলেস বানাতে উপকরণ লাগে ৩০০ টাকার। তিনি ৫০০ টাকায় বেচেন। মনে মনে হি...
18/09/2026

রাহেলা একটা হ্যান্ডমেড জুয়েলারির বিজনেস করেন।

একটা নেকলেস বানাতে উপকরণ লাগে ৩০০ টাকার। তিনি ৫০০ টাকায় বেচেন। মনে মনে হিসাব করেন— ২০০ টাকা লাভ। কিন্তু মাস শেষে দেখেন হাতে কিছু নেই। বরং লোকসান।

এর পিছনের কারণটা কী?

তিনি শুধু উপকরণের খরচ হিসাব করেছেন। কিন্তু বাড়ির যে ঘরে কাজ করেন সেটার ভাড়ার হিস্যা হিসাব করেননি। ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, ফোন বিল— এগুলো হিসাবে নেই। প্যাকেজিং খরচ আলাদা। ডেলিভারি চার্জ আলাদা। Facebook বুস্টের টাকা আলাদা। আর তার নিজের সময়ের কোনো দাম ধরেননি।

এটাই fixed cost আর variable cost না বোঝার পরিণতি।

Fixed cost হলো সেই খরচ যেটা বিক্রি হোক বা না হোক দিতেই হয়। অফিস ভাড়া, বেতন, ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ— এগুলো প্রতি মাসে আসে। একটা নেকলেস বিক্রি হলেও, একশোটা বিক্রি হলেও এই খরচ প্রায় একই থাকে।

Variable cost হলো বিক্রির সাথে যেটা বাড়ে। উপকরণ, প্যাকেজিং, ডেলিভারি— যত বেশি বিক্রি, তত বেশি এই খরচ।

Pricing ঠিক করতে হলে দুটোই জানতে হবে।

সহজ হিসাব হলো এটা— এই মাসে আমার মোট fixed cost কত? সেটাকে ভাগ করুন আপনি যত unit বিক্রি করতে পারবেন তা দিয়ে। তাহলে প্রতি unit এ fixed cost কত পড়ছে সেটা বের হবে। তারপর variable cost যোগ করুন। তারপর আপনার কাঙ্ক্ষিত profit margin যোগ করুন।

এটাই হওয়া উচিত আপনার minimum selling price।

এই হিসাব না করে শুধু "competitor দেয় ৫০০, আমিও ৫০০ রাখব"— এটা অন্ধকারে ঢিল ছোড়া। আপনি হয়তো প্রতিটা বিক্রিতে লোকসান করছেন— কিন্তু জানতেই পারছেন না।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#ফিক্সডকস্ট #প্রাইসিংস্ট্র্যাটেজি
#মার্জিনগ্রোথ #বিজনেসফিনান্স

17/09/2026

বুলিংয়ের শিকার এক সাধারণ ছেলে কীভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলো? জানুন এলন মাস্কের ছোটবেলার অজানা গল্প!

দুটো বিজনেসের হিসাব দেখুন।বিজনেস A— মাসে ১০ লাখ টাকার বিক্রি। সবাই বাহবা দেয়। মালিক নিজেও গর্বিত। কিন্তু প্রতিটা প্রোডা...
17/09/2026

দুটো বিজনেসের হিসাব দেখুন।

বিজনেস A— মাসে ১০ লাখ টাকার বিক্রি। সবাই বাহবা দেয়। মালিক নিজেও গর্বিত। কিন্তু প্রতিটা প্রোডাক্টের margin মাত্র ৮%। মোট খরচ বাদ দিলে হাতে থাকে ৮০ হাজার টাকা।

বিজনেস B— মাসে ৩ লাখ টাকার বিক্রি। দেখতে ছোট। কিন্তু margin ৩৫%। হাতে থাকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।

কোন বিজনেসটা বেশি সফল?

Revenue দেখলে A আর Margin দেখলে B। আর মাস শেষে পকেটে বেশি টাকা B মালিকের।

এই পার্থক্যটা অনেক উদ্যোক্তা বোঝেন না। বেশি বিক্রি হচ্ছে মানেই ভাবেন ভালো চলছে। কিন্তু সেই বিক্রির জন্য যদি বেশি মার্কেটিং খরচ করতে হয়, বেশি ছাড় দিতে হয়, বেশি কর্মী লাগে, তাহলে revenue বাড়লেও margin বাড়ে না।

Revenue হলো কতটুকু বিক্রি করলেন। Margin হলো সেই বিক্রির পরে কতটুকু আপনার রইল।

একটা বিজনেস তখনই সত্যিকার অর্থে healthy যখন margin শক্ত থাকে। কারণ margin শক্ত থাকলে খারাপ মাসেও টিকে থাকা যায়। নতুন বিনিয়োগ করা যায়। টিমকে ভালো রাখা যায়।

Revenue দিয়ে বিজনেসের গল্প বলা যায়। Margin দিয়ে বিজনেস চালানো যায়।

তাহলে কীভাবে margin বাড়াবেন?

প্রথমত, প্রতিটা product বা service এর আসল cost বের করুন। সব মিলিয়ে। তারপর দেখুন margin কত।
দ্বিতীয়ত, কোন product এ margin সবচেয়ে বেশি সেটা খুঁজে বের করুন। সেটার দিকে বেশি মনোযোগ দিন।
তৃতীয়ত, যে channel বা customer থেকে বেশি discount দিতে হয় বা বেশি খরচ হয়, সেটা reconsider করুন।

বেশি বিক্রি নয়— বেশি margin ই আসল লক্ষ্য।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#মার্জিনগ্রোথ #বিজনেসফিনান্স

ফুটবলে একটা কথা আছে — শুধু defend করতে থাকলে কখনো জেতা যায় না।গোল আটকানো যায়। হার এড়ানো যায়। কিন্তু জিততে হলে এগিয়ে...
17/09/2026

ফুটবলে একটা কথা আছে — শুধু defend করতে থাকলে কখনো জেতা যায় না।

গোল আটকানো যায়। হার এড়ানো যায়। কিন্তু জিততে হলে এগিয়ে যেতে হয়। আর এগিয়ে যেতে হলে ভয়কে পেছনে রেখে আক্রমণে নামতে হয়।

বিজনেসেও ঠিক এই কথাটা সত্যি।

ভয় থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় defensive হয়। "এই বিনিয়োগ না করি, লোকসান হতে পারে।" "দাম না বাড়াই, কাস্টমার চলে যাবে।" "নতুন product না আনি, ব্যর্থ হলে কী হবে?" "এখন expand না করি, পরিস্থিতি ভালো না।" এই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়তো সাময়িকভাবে নিরাপদ রাখে। কিন্তু বিজনেসকে এগিয়ে নেয় না।

ভয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় মানুষ শুধু দেখে কী হারাতে পারে। কী পেতে পারে সেটা চোখের আড়ালে চলে যায়। ফলে সুযোগ থাকলেও দেখা যায় না— কারণ ভয়ের চশমা পরে সুযোগ খোঁজা হচ্ছে না, শুধু বিপদ এড়ানো হচ্ছে।

এই মানসিকতায় বিজনেস হয়তো টিকে থাকে। কিন্তু বড় হয় না।

যারা বড় হয়েছেন, তারা ভয়হীন ছিলেন না। তারাও ভয় পেয়েছেন। পার্থক্য হলো — তারা ভয় নিয়েও সামনে এগিয়েছেন। ভয়ের চশমা সরিয়ে দেখেছেন — এই সুযোগটা নিলে সবচেয়ে ভালো কী হতে পারে? সবচেয়ে খারাপ কী হতে পারে? আর বাস্তবে কোনটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?

এই তিনটা প্রশ্নের উত্তর ভয় কমিয়ে দেয়। কারণ বেশিরভাগ সময় দেখা যায় — সবচেয়ে খারাপটা আসলে সামলানোর মতো। আর সবচেয়ে ভালোটা অনেক বড় যেটা এতদিন দেখাই যাচ্ছিল না।

Defensive খেলা আপনাকে ক্লান্ত করে। সুযোগ চলে যায় যে দল আক্রমণে নামে তার কাছে।

ভয়কে জয় করা মানে ভয় না পাওয়া না। ভয়কে জয় করা মানে ভয় থাকার পরেও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#ভয়জয়করো #উদ্যোক্তামানসিকতা

16/09/2026

যাকে একদিন সবাই পাগল বলছিল, আজ সে কীভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলো? জানুন এলন মাস্কের পেছনের গল্প!

বেশি অপশন দিলে বেশি সেল হবে, অনেক সময় এই ধারণাটাই সবচেয়ে বেশি সেল কমায়।শুনতে উল্টো লাগলেও, ই-কমার্সে এটাই সবচেয়ে কমন ...
16/09/2026

বেশি অপশন দিলে বেশি সেল হবে, অনেক সময় এই ধারণাটাই সবচেয়ে বেশি সেল কমায়।

শুনতে উল্টো লাগলেও, ই-কমার্সে এটাই সবচেয়ে কমন একটা ভুল, যা বেশিরভাগ উদ্যোক্তা টেরই পান না।

কীভাবে হয় এটা?

ধরুন আপনার স্টোরে একই শার্টের দশটা রং, পাঁচটা সাইজ, তিন রকম ফেব্রিক অপশন আছে। আপনি ভাবছেন, "যত বেশি অপশন থাকবে, কাস্টমার তার পছন্দের জিনিস পেয়ে যাবে।" কিন্তু বাস্তবে কাস্টমার যখন স্ক্রিনে এতগুলো অপশন দেখে, তখন সে তুলনা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যায়। কোনটা নিলে ভুল হবে না, এই দুশ্চিন্তায় সিদ্ধান্তই নিতে পারে না। শেষমেশ কিছুই না কিনে পেজ থেকে বেরিয়ে যায়।

এটাকে বলে Paradox of Choice— যত বেশি অপশন, তত বেশি সিদ্ধান্তহীনতা। মানুষের মন সীমিত অপশনে সিদ্ধান্ত নিতে যতটা সহজ পায়, অসীম অপশনে ঠিক তার বিপরীত অনুভব করে।

তাহলে কী করবেন?

প্রথমত — প্রতিটা প্রোডাক্টের সেরা তিন থেকে চারটা ভ্যারিয়েশন সামনে রাখুন, বাকিগুলো পেছনে রাখুন বা বাদ দিন। দ্বিতীয়ত — "বেস্ট সেলার" বা "মোস্ট পপুলার" ট্যাগ দিয়ে কাস্টমারকে একটা দিক নির্দেশনা দিন, যাতে সে নিজে থেকে বেছে নেওয়ার চাপ কম অনুভব করে। তৃতীয়ত — প্রোডাক্ট পেজে অপশন দেখানোর ধরনটা সহজ ও পরিষ্কার রাখুন, একসাথে সবকিছু না দেখিয়ে ধাপে ধাপে দেখান।

এই তিনটা অভ্যাস থাকলে কাস্টমার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, আর আপনার কনভার্শন রেটও বাড়ে।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#ইকমার্সটিপস

নতুন মার্কেটে ঢোকার আগে পুরনো মার্কেটে লাভজনক হওয়া জরুরি — নাহলে সমস্যাগুলো শুধু বড় হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।নিজের বর্তমান ব্যবসা ব...
16/09/2026

নতুন মার্কেটে ঢোকার আগে পুরনো মার্কেটে লাভজনক হওয়া জরুরি — নাহলে সমস্যাগুলো শুধু বড় হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।

নিজের বর্তমান ব্যবসা বা প্রজেক্টটিকে পুরোপুরি লাভজনক বা স্টেবল না করেই কি নতুন কোনো নিশ, প্রোডাক্ট বা মার্কেটে এক্সপান্ড করার তাড়া অনুভব করছেন? অনেক উদ্যোক্তা বেসিক বিজনেস খুঁটি শক্ত করার আগেই তাড়াহুড়ো করে নতুন মার্কেটে হাত বাড়াতে চান, যার ফলে পুরনো ভুলের বোঝা নতুন জায়গায় গিয়ে আরও বড় বিপর্যয় ডেকে আনে।

আপনি যদি আপনার বর্তমান বা পুরনো মার্কেটে নিজেকে সফল ও প্রফিটেবল প্রমাণ করতে না পারেন, তবে নতুন মার্কেটে গিয়েও সফল হওয়ার কোনো গ্যারান্টি নেই। বরং অগোছালো বিজনেস মডেল নিয়ে বড় পরিসরে নামলে লোকসানের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

আপনার বিজনেসের এই অপরিপক্ব সম্প্রসারণ রোধ করতে এবং সঠিক ফাউন্ডেশন গড়তে এই সিস্টেমটা মেনে চলতে পারেন:

(নতুন কোনো মার্কেটে পা বাড়ানোর আগে বর্তমান মার্কেটে নিজের অবস্থান পাকা করুন এবং বিজনেসকে পুরোপুরি প্রফিটেবল ও স্টেবল করুন।)

আর এই সলিড গ্রোথ স্ট্র্যাটেজি নিশ্চিত করতে এই বিষয়গুলোতে ফোকাস করুন:-

ভিত মজবুত করুন: বর্তমান প্রোডাক্ট বা সার্ভিস দিয়ে আগে পুরনো মার্কেটে নিজের প্রফিট মার্জিন নিশ্চিত করুন।
সমস্যা সমাধান করুন: বিদ্যমান অপারেশনাল বা ফিনান্সিয়াল লিকগুলো আগে বন্ধ করুন, তারপর এক্সপেনশনের চিন্তা করুন।
তাড়াহুড়ো ছাড়ুন: বড় হওয়ার নেশায় না বুঝে নতুন মার্কেটে ঝাঁপ না দিয়ে স্টেপ-বাই-স্টেপ এগোয়ান।

সবশেষে, ভিত্তি দুর্বল রেখে ওপরের তলা বাড়াতে গেলে পুরো ইমারত ধসে পড়া স্বাভাবিক; তাই আগে নিজ জায়গায় শক্ত হোন, তারপর সাম্রাজ্য বাড়ান।

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা জীবনের এমন বাস্তব আলোচনা পেতে আমার এই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

#বিজনেসস্ট্র্যাটেজি #বিজনেসপ্রোডাক্টিভিটি

Address

Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RI Sayem Hawlader posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share