29/05/2026
জানেন,
পৃথিবীতে অনেক ধরনের প্রিভিলেজ আছে। সুন্দর চেহারা নিয়ে জন্মানো প্রিভিলেজ , ধনীর ঘরে জন্ম নেওয়া প্রিভিলেজ, উন্নত বিশ্বে জন্ম নেওয়া প্রিভিলেজ।
এরকম অনেক প্রিভিলেজ এর মাঝে একটা প্রিভিলেজ হল সাপোর্টিভ এনভায়রনমেন্ট পাওয়া। যে এনভায়ারনমেন্ট আপনাকে আপনার কমফোর্ট জোন আরো সোজা বাংলায় বললে আপনি যেরকম সেভাবে রেখেই আপনাকে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেয়।
আপনার বার বার নিজেকে এক্সপ্লেইন করে শক্তিক্ষয় করতে হয় না, নিজের না পাওয়া -পাওয়া কিংবা ভাবনা গুলো শেয়ার করবার আগে ভাবতে হয় না, না চাইতেও মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয় না। আপনার স্বপ্ন গুলো, মনের খোরাকগুলো কেউ হেসে উড়িয়ে দেয় না, আপনার এক্সিস্টেন্স কে জাস্টিফাই করতে হয় না, কথা গিলে খেতে হয় না, মন:কষ্ট শেয়ার করলে পরবর্তীতে আপনার বিরুদ্ধেই সেটা ব্যবহার করা হবে - এই ভয় পেতে হবে না। এরকম সাপোর্টিভ মানুষ, পরিবার পাওয়া শত জনমের ব্যাপার। কারণ, অধিকার আদায় করে নেওয়া যায়, হয়তো ভালোবাসাও যায় কিন্তু আপনাকে কেউ আপনার মত করেই ভালোবাসবে এই জিনিস ভাগ্যে থাকতে হয়।
এবং এইটা বিশাল একটা ফ্লেক্স এর বিষয়।
যারা এইটা জীবনে পায় নাই তারা জানে যে কত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অধিকার, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জিনিস এর জন্য তাদের পাহাড় ঠেলতে হইছে। এই প্রসেস টা মানুষকে অমানুষ বানিয়ে দেয়, তার ভিতরকার ইনোসেন্স কেড়ে নেয়, আত্মবিশ্বাস এ ফাটল ধরায়, পৃথিবী তথা পুরো মানবজাতির উপর নেগেটিভ ইম্প্রেশন সৃষ্টি করে। জীবনে কেউ নেই এটা একরকম কষ্ট, আবার সবাই থেকেও নিজের মত কেউ এটা আরো বেশি কষ্ট।
আর যারা এটা পায় তাদের কে দেখলেই বোঝা যায়। তাদের মাঝে একটা আভা থাকে, থাকে আলাদা স্বতঃস্ফূর্ততা। যেটা চাইলেও নকল করতে পারবেন না।
এই মানুষগুলোকে দেখলে অজান্তেই মুখ থেকে একটা কথাই বের হবে -
"ইশশ! আমার ও যদি--- "