06/03/2026
পৃথিবীতে সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্কগুলোর একটি হলো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। কিন্তু সেই বিশ্বাসের ঘরে যখন এমন নির্মম আ/ঘা/ত আসে, তখন মানুষের আর যাওয়ার জায়গা কোথায় থাকে? সম্প্রতি বরগুনার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা শুনলে যে কারও গা শিউরে উঠবে।
ফাহিমা, এলাকাবাসীর মতে যিনি অত্যন্ত ভদ্র এবং স্বামীকে পাগলের মতো ভালোবাসতেন। তাদের সংসারে রয়েছে ৮ বছরের একটি ফুটফুটে সন্তান। ফাহিমা ছিলেন সোহাগের দ্বিতীয় স্ত্রী। কিন্তু ভালোবাসার প্রতিদান সোহাগ কীভাবে দিল?
পা/ষ/ণ্ড স্বামী সোহাগ জড়িয়ে পড়ে ফাহিমারই আপন চাচির (চাচি শাশুড়ি) সঙ্গে এক জ/ঘ/ন্য/ প/র/কী/য়া সম্পর্কে! শুধু তাই নয়, গোপনে সেই চাচি শাশুড়িকে বিয়ে করে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকতে শুরু করে তারা। এটি সোহাগের তৃতীয় বিয়ে।
বিশ্বাস/ঘা/ত/ক/তার গন্ধ পেয়ে ফাহিমা যখন ঢাকায় গিয়ে স্বামী ও আপন চাচিকে হাতেনাতে ধরেন, তখন নিজের ভুল স্বীকার করার বদলে সোহাগ উল্টো তার স্ত্রী ফাহিমাকে প্রাণে মে/রে ফে/লা/র হু/ম/কি দেয়। অবলীলায় বলে, "তোকে আমি মা/ই/রা ফা/লা/মু, তোরে বাঁচতে দিমুনা!"
এতো সুন্দর, এতো ভালো একজন স্ত্রীকে রেখে মানুষ কীভাবে এমন কাজ করতে পারে? মেয়েটির আর তার অবুঝ সন্তানের জন্য সত্যিই বুকটা ফে/টে যাচ্ছে।
**তবে এখানে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো— আপন চাচি হয়ে তিনি কীভাবে নিজের ভাতিজির জীবনটা এভাবে ধ্বংস করলেন?** সোহাগ চরিত্রহীন, সেটা প্রমাণিত। পুরুষ হিসেবে সে হয়তো গোপনে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ে করেছে (যা নৈতিকভাবে চরম অন্যায় হলেও আইনিভাবে হয়তো সে পার পাওয়ার চেষ্টা করবে)। কিন্তু একজন বিবাহিত নারী, যিনি তার আগের স্বামীকে ডি/ভো/র্সই দেননি, তিনি কীভাবে আরেকজনকে বিয়ে করলেন?
**ইসলাম এই বিষয়ে কী বলে?**
ইসলামি শরিয়ত ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, এই বিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং বাতিল!
একজন নারী তার স্বামীকে তা/লা/ক বা ডি/ভো/র্স না দিয়ে এবং ইদ্দত (অপেক্ষার সময়) পালন না করে কোনোভাবেই অন্য কোনো পুরুষকে বিয়ে করতে পারেন না। পূর্বের স্বামীকে তা/লা/ক না দিয়ে যদি কোনো নারী অন্য কাউকে বিয়ে করেন, তবে ইসলামি আইনে সেই বিয়ে কখনোই বৈধ হবে না। এটি সরাসরি ব্যভিচার বা 'জি/না' হিসেবে গণ্য হবে। এই তথাকথিত সংসার সম্পূর্ণ হা/রা/ম এবং জ/ঘ/ন্য পা/প।
আজ আমাদের সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? নিজের আপন র/ক্তের সম্পর্কের মানুষগুলোই যখন এমন বিশ্বাস/ঘা/ত/ক/তা করে, তখন মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে?
ফাহিমার এই অসহায়ত্বের বিচার কার কাছে? আমরা চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষীরা তাদের উপযুক্ত শাস্তি পাক। ফাহিমা ও তার অবুঝ সন্তানটির জন্য অনেক অনেক দোয়া। আল্লাহ তাদের এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ধৈর্য দিন।
📍 ঘটনা: পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন, বরগুনা।
✍️Adiba Sultana ema✨
#পরকীয়া