Voice of Mahbub

Voice of Mahbub "সত্যের সন্ধানে বলীয়ান"

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
31/03/2025

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক

29/03/2025

লীগের আমলে ডঃ ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম...
১। উনি সুদ খায়।
২। উনি আ্যমেরিকার দালাল।

বিএনপি ডঃ ইউনুসকে নিয়ে যা জানাচ্ছে...
১। উনি মুক্তিযুদ্ধ করে নাই।
২। উনি জিয়ার নাম না নিয়ে ভুল করসে।
৩। উনি নির্বাচন দিতে চায় না।

আমি ফেসবুকে গত দুইদিন যা জানলাম....

১। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। সেখানে জন্মভূমির স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে নেমে পড়েন তিনি।মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের খবর পৌঁছে দিতে সেখানকার স্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনের সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজটি নিয়মিত করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন জোগাতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

২। চীনের হাইনানে প্রাদেশিক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।

৩। মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।

৪। নোবেল, অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড, মার্কিন কংগ্রেশনাল অ্যাওয়ার্ড- পৃথিবীর ইতিহাসে ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ মাত্র ১২ জন! সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস

৫। 'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

৬। ২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো।
২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা উনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। পুরা অলিম্পিকের মডেলই ছিল থ্রি-জিরো।

৭। সারা পৃথিবীর ১০৭ টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাকে এবং তার গ্রামীন ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিলো।

৮। ড. ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার। কখনো আরো বেশী।

৯। বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ড. ইউনূস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনূসের বিকল্প খুঁজে পাওয়াটা খুবই কঠিন, কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনূস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ।

১০। কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাসে তাকে যখনই হাজিরা দিতে হতো সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হতো। ৮২ বছরের অশীতিপর এই বৃদ্ধকে প্রতিবারই হেটে হেটে ৮ তলায় যেতে হতো। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।

বিএনপির ফজলু একদম উচিত কথা বলসে।আমরা উনাকে যত বড় মাপের ভাবি উনি তত বড় মাপের না।উনাকে আল্লাহ এত বড় মাপের মানুষ বানাইসেন যে বাংলাদেশের নোংরা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে সেটা মাপা কোনদিন সম্ভব না।

মূল লেখা: আশিক

অসংখ্য গুম-খুনের সাথে জড়িত বরখাস্তকৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, তার মুখ খুলতে শুরু করেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ...
16/12/2024

অসংখ্য গুম-খুনের সাথে জড়িত বরখাস্তকৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, তার মুখ খুলতে শুরু করেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আট দিনের রিমান্ডের প্রথম দিন ভোররাত থেকে মুখ খোলা শুরু করেছে খুনি জিয়া। রিমান্ডে তিনি প্রকাশ করেছেন,

১। খুন ও গুমের আদেশ কিভাবে ও কার মাধ্যমে আসতো — কিভাবে গুম করা হতো, কোথায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাখা হতো এবং তাদের হত্যা করা হতো ও হত্যা পরবর্তী কিভাবে নদীতে, রেল লাইনে, এসিডে/রাসায়নিকে গুলিয়ে লাশ ডিসপোজ করা হতো। এছাড়াও, তিনি বিভিন্ন সেনা অফিসার, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং টার্গেটেড ব্যক্তিবর্গের মোবাইল কথোপকথন রেকর্ড করে তা বিকৃতভাবে বিভিন্ন জায়গায় উপস্থাপন করতেন বলে স্বীকার করেছেন।

২। রিমান্ডে এখন পর্যন্ত যে সকল নাম এসেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামসমূহ হলো, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিকী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: মুজিবুর রহমান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: আকবর হোসেন, কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, ফারকী হাসান (ব্যবসায়ী/কানাডা প্রবাসী রাজনীতিবিদ)।

এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করে...
16/12/2024

এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছে, এটি শুধু ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত।

যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, এবং অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি।

ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।

16/12/2024

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

যদিও ভারতীয় বাহিনী এ যুদ্ধে সম্পৃক্ত হয়েছিলো একেবারে শেষের দিকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
মাত্র ১১/১২ দিন যুদ্ধে অংশগ্রহণ এখন আইছে, বড় বড় ক্রেডিট নিতে।

অথচ ভারতে এখন অনেকেই ১৯৭১ সালের এ যুদ্ধকে নিতান্তই ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করতে পছন্দ করেন।
😁

এখন আর ইন্ডিয়ান পছন্দ অনুযায়ী কোন কিছু হচ্ছে না দেখে, তারা পাগল হয়ে যাচ্ছে।😄

02/12/2024
02/12/2024

০১ ডিসেম্বর ২০২৪
প্রেস ব্রিফিং
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব-বিএনপি

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

দুনিয়া কাঁপানো ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের মুখে কুখ্যাত গণতন্ত্রের ঘাতক শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের স্বস্তি-শান্তির অভাবনীয় স্বর্ণদ্বার উন্মোচিত হয়েছে। দেশের চতুর্দিকে গণতন্ত্রে উত্তরণের সম্ভাবনায় জন উচ্ছাস দেখা দিয়েছে। দেড় দশকের জগদ্দল পাথর অপসারণ হয়েছে মানুষের স্কন্ধ হতে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই যখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন তখন বাংলাদেশের দেড় দশকের সন্ত্রাসী মাফিয়ালীগের রক্তাক্ত তান্ডবে সুষুপ্তিতে থাকা ভারত সরকার সর্বস্ব হারানোর বেদনাবিদ্ধ অস্থিরতা আর অস্বস্তি বিস্ময়কর রকমের প্রকট হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার পতন হজম করতে পারছে না ভারত সরকার। শেখ হাসিনার পতনে তাদের অন্তরে ভয়ংকর অনল দহন। এর কারণ অতিমাত্রায় দাদাগিরি করার ফলে ভারতের সঙ্গে তার প্রত্যেক প্রতিবেশীর সম্পর্ক তলানিতে। শুধু হাসিনার ঘাড়ে সওয়ার হয়ে একচ্ছত্র কর্তৃত্ব স্থাপন করেছিল বাংলাদেশের ওপর। ভারত বাংলাদেশকে আশ্রিত রাজ্যের মতো বিবেচনা করতো। সেই আশ্রিত রাজ্য হাত ফসকে গেছে। বিগত ১৫ বছর হাসিনাকে সামনে রেখে ভারত বাংলাদেশকে কার্যত: দখল করে নেয়ার চেষ্টা করেছিল। এখন বাংলাদেশকে আবার কীভাবে তাদের করতলে নেয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই তারা নীলনকশা করছে। ভারতের সরকার মনে করে, বাংলাদেশকে অষ্টম সিস্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে তাদের সেভেন সিস্টার্স নিরাপদ থাকবে। চানক্য ভারতের বশংবদ ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন ও পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়ার পর থেকেই মোদি ও তার গদি মিডিয়া বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র এবং-অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা চরম হতাশা-আহাজারিতে নিমজ্জিত। তাদের আচরণ ক্রমশ: স্পষ্টত: অসুপ্রতিবেশীসুলভ, অস্বাভাবিক এবং একদেশদর্শী। একজন স্বৈরাচারের পতন নিয়ে কোনো দেশের এমন আহাজারি বিশ্বে বিরল। ভারতের কতিপয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বানোয়াট গল্প প্রচার ও প্রোপাগান্ডা চালিয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে চলেছে। ভারতীয় সাম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠী ও হাসিনার যৌথ ইন্ধনে ভারতীয় কিছু উগ্র হিন্দত্ববাদী গণমাধ্যম এমন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে।
বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের বর্তমান বয়ান মিথ্যার ধোঁয়াজাল দিয়ে ঘেরা। ভারত অন্তর্গত দিক থেকেই বাংলাদেশ বিদ্বেষী। এদের মধ্যে মানবিক নৈতিকতার ছিটেফোটাও নেই। এই কারণে বাংলাদেশের মানুষের নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্বাভাবিক বিকাশে বিশ্বাসী দেশের জনগণ ও জাতীয় নেতাদের প্রতি বিরুপ ধারণা পোষণ করে।
আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, দুই/তিন দশকে পূর্বে এদেশের এক মহান জাতীয়তাবাদী নেতা ও স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা- জঅড’ একটি ফাইল ইনিশিয়েট করে। এর কিছুদিন পরে সরকার পরিবর্তিত হয়ে শ্রী মোরার্জী দেশাই এর নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে তিনি ফাইলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। পরে আবার শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতাসীন হলে ফাইলটির কার্যক্রম চালু হয়ে এবং এর কিছুদিন পরে ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হন। ভারতেরই একটি পত্রিকা সানডে-তে এর ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সাংবাদিক সুব্রামনিয়ম প্রতিবেদনটি রচনা করে। সুতরাং আওয়ামী লীগ ব্যতিরেকে বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলকেই ভাল চোখে দেখে না।

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক কাল ধরে বিভিন্ন সম্প্রদায় প্রীতি ও শুভেচ্ছার বন্ধনে আবদ্ধ। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভঙ্গের কোন কারণের অভ্যুদয় হয়নি। কিন্তু পাশর্^বর্তী দেশ থেকে হাইপার প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের। বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচকভাবে চিত্রিত করার জন্য ভারত উঠেপড়ে লেগেছে। বাংলাদেশ থেকে দুঃশাসনের অবসান হওয়া, হাসিনার পালিয়ে যাওয়া ইত্যাদি তাদের মনে ভীষণ পীড়া দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশকে লাঞ্ছিত করতে, দুর্দশায় ফেলতে, অবমাননা করতে চলছে অতিকথন আর অপপ্রচারের বিরতিহীন ধারাভাষ্য। তথাপিও যাবতীয় ভয়, হুমকি ও দুর্বিপাকের মধ্যেও বাংলাদেশীরা মৃত্যুঞ্জয়ী সংকল্পে সকল চক্রান্তকে প্রতিহত করবে।
সচেতন বন্ধুরা,
প্রতিদিন বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ভারত সরকার এবং উগ্রবাদী বিজেপির নেতারা বক্তব্য-বিবৃতি হুংকার এবং বায়বীয় অভিযোগ করেই চলেছে। কলকাতায় আমাদের উপ হাইকমিশনে উগ্রবাদী হিন্দুরা আক্রমণ চালিয়েছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাতে ভারতীয় গোয়েন্দারা আওয়ামী লীগ ও বিশেষ একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠিকে কিভাবে ব্যবহার করছে সেই পরিকল্পনার ছক প্রকাশ্যে এসেছে। তাদের যে কোনো ভিত্তি নেই, তার প্রমাণ মিলেছে সম্প্রতি ভয়েস অফ আমেরিকার (ভিওএ) করা একটি জরিপে। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৪.১ শতাংশ মনে করেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের চেয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বেশি নিরাপত্তা দিচ্ছে। এই জরিপ বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান করেনি। বিদেশি প্রতিষ্ঠান করেছে। ফলে এ নিয়ে প্রশ্ন থাকার কোনো অবকাশ নেই। বরং ভারতে কীভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে, তা নিয়ে স্পষ্টভাবে প্রশ্ন তোলা যায়। ভারতে প্রতিনিয়ত মুসলমানরা নিপীড়ণ-নির্যাতন, এমনকি খুনের শিকার হচ্ছে। বাড়ী-ঘর-স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু মুসলমানই নয়, দেশটির খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও আক্রমণের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছে। আসামে খ্রিস্টিয়ান ফোরাম বলেছে, আসামে কয়েক বছর ধরে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছে। ভারত সরকার তার প্রতিবাদ বা প্রতিকার করে না। মণিপুরে হিন্দু ও খ্রিস্টানদের উপাসনালয় ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৫০টিরও বেশি গির্জা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ৬০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ভারতের অহিন্দু জনগোষ্ঠী মুসলিম, খৃস্টান ও শিখ সম্প্রদায় যৌথভাবে সাম্প্রদায়িকতার হুমকির সম্মুখীন। বিজেপি’র সাম্প্রদায়িকতার নীতি হলো সহিংসতা, বৈষম্য, সংখ্যালুঘুদের উপর ধর্মীয় নিপীড়ণের মাধ্যমে ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা। বিজেপি ও আরএসএস-এর পৃষ্ঠপোষকতায় এই নীতিগুলোর চর্চা করা হচ্ছে। একেবারে খোলাখুলিভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভিন্নমতকে জায়গা দেয়ার মতো বিষয়কে খারিজ করে দেয়া হচ্ছে। বলা বাহুল্য, যার নিজের জামা ছেঁড়া, সে যদি অন্যের জামা ছেঁড়া নিয়ে কথা বলে, তখন একে দ্বিচারিতা বলা ছাড়া কি বলা যেতে পারে ? হিসাব করলে দেখা যাবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের শিকার হচ্ছে ভারতে। তারাই আবার বড় গলায় বলছে বাংলাদেশে নাকি সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। প্রবাদে আছে-"আপনি আচরি ধর্ম শিখাও অপরে"। এই শাশ^ত সত্যটি মর্মে মর্মে ভারতের অনুধাবন করা উচিৎ। ভারত তার নিজের দেশের যেখানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেখানে বাংলাদেশ নিয়ে এতো মাথা ব্যথা কেন ভারতের ? বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিয়ে অনবরত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।

অপপ্রচারে মেতেছে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও তার সহযোগীরাও। ভারতের এই আচরণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হুমকি। অপরদিকে বাংলাদেশে বিতর্কিত এক ধর্মীয় নেতা চন্দন কুমার ধর ওরফে চিম্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মাচারীর অনুসারী হিন্দু জঙ্গীরা তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে আইন অমান্য করেছে, আদালত অবমাননা করেছে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। ভারত সরকার এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করেনি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ণ-নির্যাতন ও মন্দিরে হামলা-ভাঙচুর, জমিজমা দখল হয়েছে, তা নিয়ে ভারতকে তো কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। এমনকি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বিএনপির যে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের ওপর স্টিম রোলার চালিয়ে, গুম, খুন, অপহরণ, জেলজুলুম করেছে, অরাজনৈতিক বিরোধী মতকে দমন করেছে, তা নিয়েও টু শব্দ করেনি। পিলখানায় হত্যাযজ্ঞ, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে গণহত্যা, হত্যাকান্ড, তিনটি ভোটারবিহীন সংসদ নির্বাচনসহ কোনো অপকর্মের প্রতিবাদ ভারত করেনি। বরং এসবের বৈধতা ও সমর্থন দিয়েছে ভারত।
বন্ধুরা,
বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও এদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু বসবাস করে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এবং চাকমা, মারমা, গারো, মুরংসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠি আবহমানকাল ধরে একটা দৃঢ় ও নিবিড় যোগসূত্র বয়ে এনেছে। তারা এক সাথে মিলে মিশে পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহমর্মী হয়েই শান্তিতে বসবাস করছে। এখানে এক দেশ, এক জাতি, আমরা সবাই বাংলাদেশি। অথচ, ভারত সকল বাংলাদেশীদের স্বার্থে কথা না বলে, সব সময় শুধুমাত্র একটি সম্প্রদায়ের স্বার্থে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কথা বলে। ভারতের এই আচরণ ভারতকে সার্বজনীন না করে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের পক্ষাবলম্বী করেছে। ভারতের এসব আচরণ এদেশের সাধারণ মানুষ মেনে নেয়নি। এদেশের মানুষ কঠিন সময়ে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে জানে। প্রতিরোধের দূর্ভেদ্য দেয়ালও প্রতিষ্ঠা গড়ে তুলতে পারে। এদেশের হিন্দুদেরও বৃহদাংশ ভারতের এই নীতি সমর্থন করে না। আজ এই বাস্তবতা ভারতকে বুঝতে হবে। অসূয়া শক্তির কখনো জয় হতে পারে না।
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ কেউ তাদের বক্তব্য-বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে বিএনপি প্রতিবন্ধক বলে প্রচার করছেন যা সঠিক নয়। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সরকারের। বিএনপি'র ওপর দায় চাপানো দুঃখজনক। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার যখন জামায়াত নিষিদ্ধ করেছিল তখন আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমরা আশা করবো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টাদের এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত হবে না যাতে গণতন্ত্রিক শক্তি দুর্বল হয় বা আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিন। জনগণকে আস্থায় রাখুন। জনগণের আস্থায় থাকুন। হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর স্বৈরাচার বিরোধী জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে। সরকারের কোনো কাজ কিংবা কথা যেন ছাত্র-জনতার ঐক্যে ফাটল ধরার কারণ না হয়, সেই বিষয়ে সরকারকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আল্লাহ হাফেজ।

22/10/2024

দেশের অবস্থা ভোলাটাইল। অনেক কিছুই ঘটছে, যার উপরে কারোই দৃশ্যত কোন নিয়ন্ত্রণ নাই। যা যা ঘটছে আর ঘটতেছে তা খেয়াল রাখতেছি। কিন্তু শেয়ার করতেছি না। তাও কয়েকটা কথা বলি।

ছাত্ররা যেই দাবীই করুক তার পক্ষে জনতাকে র‍্যালি করাতে পারবেনা। এটার ভবিষ্যৎবাণী আমি আগেই করেছিলাম। ছাত্ররা যদি জামায়াত আর বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোন দাবী নিয়ে মাঠে নামে সেই দাবী স্বপ্নই থেকে যাবে। আজকে পাচই আগষ্ট না। পাচই আগষ্টে যেটা মুফতে করা যেতো ঠিক সেই একই কাজ আজ করতে গেলে ঘাম ছুটে যাবে।

আমি মনে করি মতিউর রহমান চৌধুরীর নেয়া চুন্নুর সাক্ষাৎকার একটা খুব ক্যালকুলেটিভ মুভ। প্রজ্ঞার সাথে ডিল করতে হবে এই সিচুয়েশন।

দুর্ভাগ্য হচ্ছে, এই সিচুয়েশন ডিল করার মতো দম আর মেধা এই সরকারের আছে এইটা নিজেকেই বিশ্বাস করাইতে পারতেছি না।

এমন অবস্থায় জামায়াত আর বিএনপির কোন দৃশ্যমান পজিশন নাই। খুবই হতাশাজনক।

দেখা যাক পরিস্থিতি আসিফ নজরুল কেমন সামাল দেয়।

22/10/2024

পালিয়ে যাওয়া বিবির ডিভোর্স লেটার- আর পালিয়ে যাওয়া স্বৈরচারের পদত্যাগ পত্র দুটোই অপ্রয়োজনীয়।

22/10/2024

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলে ঠিক করা হবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন: হাসনাত

Address

Dhaka
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Mahbub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share