08/07/2026
দুটো ঘটনার ক্লিয়ার ভিডিয়ো ফুটেজ দেখুন, এরপরেও যদি অহেতুক সমালোচনা কেউ করে থাকেন, তার ফুটবল জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়!
মিশরের বাতিল হওয়া গোলের আগে খেয়াল করেন তাদের ডিফেন্ডার ট্যাকেল করার আগে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়ের পায়ে বুট লাগিয়েছে। যা স্পষ্টত ফাউল। মাঠে রেফারি সেটি ধরতে পারেননি। ভিএআরে চেক করতে গিয়ে ধরা পড়বার পরে সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার পক্ষে যায়।
আবার আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের সমালোচনা করা হচ্ছে সালাহ’কে ফাউল করা হয়েছে, বাট রেফারি ভিএআর চেক করেননি।
কিন্তু ভিডিয়োতেই দেখেন, আর্জেন্টিনার প্লেয়ার আগে বল ট্যাকেল করেছেন, পরে সে মুভ করতে গিয়ে তার বুট লাগে সালাহ-র পায়ে। এটা কোনভাবেই ফাউল হয় না।
আর ভিএআর চেক করার জন্য ২ এসিস্ট্যান্ট থাকেন, তারা প্রতিটি ডিসিশনই চেক করে থাকেন। কেবল মাঠে রেফারির কোনো ডিসিশন পুনর্বিবেচনা করবার মতো হলেই সিগন্যাল পাঠান, তখন রেফারি বক্সে গিয়ে পুনরায় দেখেন ক্লিপটি।
সালাহ-র এই ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিএআরে থাকা টিম এটিকে ফাউল হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে নাই যে মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে সিগন্যাল দিবে।
এরপরও কেউ যদি অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা করেন, কিছু বলার থাকে না।
নকআউট পর্বে শেষ মিনিটে পর্তুগালের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার গোল বাতিল করা হয়েছে, সেটা বাতিল না হলে হয়তো সেই ম্যাচ ক্রোয়েশিয়াই জিতে যেতো। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি পেয়েছে পর্তুগাল।
কিন্তু কেউ তখন বলে নাই ফিফা পর্তুগালকে জেতাতে চুরি করছে। রোনালদো ফিফা বয়!
নকআউটে এক ম্যাচে ২টা পেনাল্টি পাওয়ার পরেও ম্যাচ জিততে পারে নাই ব্রাজিল, কিন্তু তখন বলে নাই ফিফা ব্রাজিলের পক্ষে। কিন্তু ডিসিশন আর্জেন্টিনার পক্ষে গেলেই ফিফা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে।