A R Esha Morshad

Website

A R Esha Morshad "Welcome! I am A R Esha Morshed. This is my official page. Follow along and stay connected."

বড় পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী মোবারক:-১ রমজান ৪৭১ হিজরীতে ইরানের অন্তর্গত জিলান জেলার কাসপিয়ান...
23/09/2026

বড় পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী মোবারক:-

১ রমজান ৪৭১ হিজরীতে ইরানের অন্তর্গত জিলান জেলার কাসপিয়ান সমুদ্র উপকূলের নাইদ নামক স্থানে বড় পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হযরত আবু সালেহ মুছা জঙ্গি (রাহ.) ও মাতার নাম সৈয়দা উম্মুল খায়ের ফাতিমা (রাহ.)। স্রষ্টার চূড়ান্ত দীদার লাভের উদ্দেশ্যে ১১ রবিউস সানী ৫৬১ হিজরী রোজ সোমবার ইহজগত ত্যাগ করেন। বর্তমানে ইরাকের বাগদাদ শহরে তাঁর মাজার শরীফ রয়েছে। গাউসূল আজম বড় পীর হিসেবে তিনি সকলের নিকট পরিচিত।
বাল্যশিক্ষা : হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ)-এর বাল্যশিক্ষা মক্তবে শুরু হয়। প্রথম দিন মক্তবে গিয়ে দেখেন অন্যান্য ছাত্রদের ভিড়ে বসার কোনো জায়গা নেই। হঠাৎ করে উপর হতে গায়বী আওয়াজ আসল, হে মক্তবের ছাত্ররা! আল্লাহর অলির বসার স্থান প্রসস্ত করে দাও। গায়বী আওয়াজ আসার সাথে সাথে সকল ছাত্ররা চেপে বসলেন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) এর বসার ব্যবস্থা হয়ে গেল। প্রথম দিনেই অবাক কা-! মক্তবের শিক্ষক হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)কে আউযু বিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সবক দানের সাথে সাথে হযরত বড় পীর কোরআন মজিদের প্রথম ১৮ পাড়া পর্যন্ত মুখস্ত বলে ফেললেন। মক্তবের শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, হে বৎস! তুমি কিভাবে কোরআন মুখস্ত করেছো! আজ মক্তবে তোমার প্রথম দিন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) বলেন, আমার মাতা ১৮ পাড়ার পর্যন্ত কোরআন মুখস্ত করেছিলেন। আমি গর্ভে থাকাকালীন সময় তিনি কোরআন পাঠ করতেন। আমি মায়ের তেলাওয়াত শুনে শুনে ১৮ পাড়া পর্যন্ত মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়ে মুখস্ত করে ফেলেছি।
ভূমিষ্ঠ হয়ে শরীয়ত পালন : ২৯ শাবান। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় জিলানবাসীদের কেউ রমজানের চাঁদ দেখতে পায়নি। সকলে রোজা রাখা না রাখার বিষয় নিয়ে সংশয়ের মধ্যে পড়ে গেলেন। এমতবস্থায় রাতের শেষাংশে সুবহে সাদেকের পূর্বে তথা ১ রমজান ধরাধামে আসেন হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)। শিশু আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) জন্মের পর সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত দুধ ও মধু পান করেন। কিন্তু সুবহে সাদিকের পর তাকে আর কিছু খাওয়ানো যায়নি। এ আশ্চার্যজনক খবর ছড়িয়ে পড়লে সকলে বুঝতে পারল মাহে রমজান শুরু হয়েছে।
গায়বী জ্ঞান ও ওয়াজ নসিহত : ৫২১ হিজরীর ১৬ শাওয়াল রোজ মঙ্গলবার রাসূল (সা.) স্বপ্নযোগে বলেন, হে আবদুল কাদির! তুমি মানুষকে কেন আল্লাহর পথে আহ্বান করছো না। মানুষকে কেন বঞ্চিত করছো। আবদুল কাদের (রহ.) বলেন, আমি রাসূল (সা.) ও আলী (রা.)-এর আওলাদ। আমি তো আরবী জানিনা। যদি ইরাকের লোকজন তিরস্কার করেন। তাৎক্ষণিক রাসূল (সা.) বলেন, আবদুল কাদের তুমি মুখ খোল। রাসূল (সা.) কিছু একটা পড়ে ৬ বার মুখের মধ্যে ফুক দিলেন এবং রাসূল (সা.)-এর মুখের লালা আবদুল কাদের জিলানীর মুখে লাগিয়ে দিলেন। অতপর বললেন, মানুষকে হিকমত এবং উত্তম উপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভুর পথে পরিচালিত করো। (সূরা নাহল, আয়াত-১২৫)। এর পর থেকে হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর মাহফিলে এমন তাসির হতো যে, প্রত্যেক মাহফিলে ২/৩ জন লোক প্রভুর প্রেমে এশকে ফানা হয়ে মারা যেতো।
হিজরত ও সত্যবাদিতা : তৎসময় কালে ইরাকে ভালো পড়াশুনা ও ব্যবসার সুযোগ ছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে পড়াশুনা ও ব্যবসার জন্য মানুষ বাগদাদ আসত। পড়াশুনার উদ্দেশ্যে হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) ব্যবসায়িক কাফেলার সাথে বাগদাদ যাওয়ার পথে ডাকাতের কবলে পড়েন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ)কে ডাকাত সর্দার জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার সাথে কি আছে? তিনি বললেন, আমার নিকট ৪০টি স্বর্ণ মুদ্রা আছে। ডাকাত সর্দার আশ্চার্যন্বিত হয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন হে যুবক! তুমি তো মিথ্যা কথা বলে আমার নিকট থেকে স্বর্ণ মুদ্রা লুকাতে পারতে। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) বললেন, মিথ্যা কথা বলতে আমার মা নিষেধ করেছেন। এ কথা শুনে ডাকাত সর্দার বললেন, মায়ের আদেশ যুবক তুমি এভাবে পালন কর। নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর আদেশ আরো যত্নের সাথে পালন করো। আর আমি ও অন্যান্য ডাকাতরা তো আল্লাহর আদেশই পালন করি না। মায়ের কথা তো অনেক দূরের কথা। এই বলে ডাকাত সর্দার আপসোস করতে থাকেন ও বলেন, হে বালক ! তুমি সাধারণ কোন মানুষ না। হে বালক তুমি আমাকে কলেমা পড়াও। ডাকাত সর্দারের সাথে আরো ৬০ জন অশ্বারোহী ডাকাত ছিলেন। তারাও কলেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলেন।
ইবাদতের কঠোর সাধনা : তিনি একাধারে ৪০ বছর পর্যন্ত ইশার নামাজের অযু দিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করেছেন। প্রত্যহ শেষ রাত্রে পাঠ করতেন, আল মুহিতুল আলমে, আর রাব্বুশ শহীদ, আল হাসীবুল ফায়্যায়িল খাল্লাকি, আল খালিকু, আল বারিউ, আল মুসাব্বিরু। উক্ত দোয়া পাঠ করার সাথে সাথে লোক চক্ষুর সামন থেকে অদৃশ্য হয়ে যেতেন। তিনি রাতের একটা সময় জিকির ও মোরাকাবা করে কাটাতেন। যৌবনের অধিকাংশ সময় রোজা রেখে কাটিয়েছেন। যখন নফল নামাজ আদায় করতেন সুরা ফাতেহার পর সূরা আর রহমান, সূরা মুজাম্মিল কিম্বা সুরা ইখলাস পড়তেন। তন্দ্রার ভাব আসলে দেখে দেখে কোরআন তেলাওয়াত করতেন।
কাদেরীয়া তরিকার প্রবর্তক : হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) বিশ্বব্যাপী ইসলাম প্রচার ও প্রসারে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। মুসলামানকে ভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে কোরআন সুন্নাহ ভিত্তিক মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন। মানুষকে আল্লাহ ও রাসূল (সা.) মুখী করার জন্য বিভিন্ন আমল বাতলিয়ে দিতেন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) যখন দুনিয়ার জীবন ত্যাগ করে পরপারে যান। তখন হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর ভক্ত অনুসারীরা তাঁর আমল ও চরিত্রকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে কাদেরীয়া তরিকা প্রবর্তন করেন। সে সময়কাল থেকে কাদেরীয়া তরিকার প্রচলন আমাদের দেশেও প্রচলিত হয়েছে।
বেলায়াতের উচ্চস্তরের গাউসূল আজম সারা জাহানে প্রত্যেক জামানায় ৩১৩ জন অলি জমিনে বিদ্যমান থেকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) এর শান মান প্রচার ও প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত থাকেন। সূফীতাত্ত্বিক পরিভাষায় তাঁদের আখইয়ার বলা হয়। ৩১৩ জন অলির মধ্যে ৪০ জন আবদাল, ৭ জনকে আবরার, ৫ জনকে আওতাদ, ৩ জন নকীব, ৪ জন নুজবা ও ১ জন গাউসূল আজম থাকেন। যাকে কুতুবুল আউলিয়া বা সুলতানুল আউলিয়া বলা হয়। বাকিরা অন্যান্য সাধারণ পর্যায়ের অলি। তৎজমানায় গাউসগণের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদায় অভিষিক্ত, বেলায়েতে ওজমা ও গাউসিয়তে কোবরার সুমহান আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি হচ্ছেন হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)।
গাউসে পাকের বেলায়েতের ব্যাপকতা : হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) রুহানী ও প্রত্যক্ষ নির্দেশে ইসলামের প্রচার প্রসারে ৩৪২ জন আউলিয়া সারা বিশ্বে আল্লাহর সৃষ্টির খেদমতে নিয়োজিত রয়েছেন। ইহার মধ্যে মক্কা-মদিনাতে ১৭ জন, ইরাকে ৬০ জন, সিরিয়াতে ৩০ জন, মিশরে ২০ জন, পশ্চিমাদেশে ২৭ জন, পূর্বদেশীয় অঞ্চলে ২৩ জন, আবিসিনিয়াতে ১১ জন, ইয়াজুজ মাজুজের প্রাচীরাংশে ১৭ জন, লংকাতে ১৭ জন, কুহেকাফে ৪০ বাহরে মুহীতে ৪০ জন।
উপাধিসমূহ : হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর বেলায়েতের পরিচিতি বিশ্বব্যাপী ছিল। তিনি বিভিন্ন দেশে মানুষের নিকট ভিন্ন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর উপাধিগুলো হলো যথাক্রমে- গাউসূল আজম, বড় পীর, মাহবুবে সোবহানী, মহিউস সুন্নাহ, কুতুবে রাব্বানী, ইমামুল আউলিয়া, সৈয়দ, পীর, মীর, মহিউদ্দিন, কামিউল বিদায়াত, নূরে হক্কানী, পীরানে পীর, জিলানী ইত্যাদি।
শেষ কথা : ১১ রবিউস সানি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়েছে ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্বির্য্যরে মাধ্যমে হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ওফাত দিবস উপলক্ষে ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম পালিত হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক চন্দ্র মাসের ১১ তারিখ কাদেরীয়া তরিকার অনুসারীরা হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ওফাতের তারিখে গেয়ারভী শরীফ পালন করেন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ)-এর আদর্শিক জীবনধারা থেকে শিক্ষা নেয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে। বড় পীরের আদর্শিক জীবনের সামান্য অংশ যদি আমরা পালন করতে সক্ষম হই। তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) এর সন্তোষ্টি অর্জন সম্ভব। আল্লাহ আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে মহান অলি হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর আদর্শ বাস্তবায়ন করার তৌফিক দান করুন।

18/09/2026

এই এওয়ার্ড অনুষ্ঠান প্রায়ই অনুষ্ঠিত হলেও_ এখানে শুধুমাত্র তৌহিদি যৌনতাই অংশগ্রহণের সুযোগ পান ।

আসুন বিষয়টি জানি: আকাশে চাঁদ ও তারাকে এক লাইনে বা খুব কাছাকাছি দেখার এই বিশেষ ঘটনাটিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাংশন (...
17/09/2026

আসুন বিষয়টি জানি:
আকাশে চাঁদ ও তারাকে এক লাইনে বা খুব কাছাকাছি দেখার এই বিশেষ ঘটনাটিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাংশন (Conjunction) বা সংযোগ বলা হয়।

অতি সম্প্রতি, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে ঠিক এমন একটি অপরূপ দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে একফালি চিকন চাঁদের একেবারে কাছাকাছি একটি উজ্জ্বল আলো জ্বলজ্বল করছিল।তবে খালি চোখে এটিকে চাঁদের পাশে "তারা" মনে হলেও, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী সেটি কোনো তারা ছিল না, বরং সেটি ছিল শুক্র গ্রহ (Venus), যা আমাদের কাছে 'শুকতারা' বা 'সন্ধ্যাতারা' নামে পরিচিত।

এটি সম্পুর্ন একটি অনিন্দ্য সুন্দর প্রাকৃতিক ব্যপার।

এটা একটা মাদ্রাসার চিত্র। ধর্মব্যবসায়ীরা কোমল অবুঝ শিশুদের এভাবে ধর্মশিক্ষার নামে গরু-ছাগলের মতো খোয়াড়ে রাখছে। লোভী বাবা...
10/09/2026

এটা একটা মাদ্রাসার চিত্র। ধর্মব্যবসায়ীরা কোমল অবুঝ শিশুদের এভাবে ধর্মশিক্ষার নামে গরু-ছাগলের মতো খোয়াড়ে রাখছে। লোভী বাবা-মা'রাও ধর্মের নামে শিশুদেরকে এ ধরনের মাদ্রাসায় রেখে আসছে। কোনো ভালো বাবা-মা'র পক্ষে, যিনি সন্তানদের ভালোবাসেন, সম্ভব নয় এ ধরনের গোয়ালঘরে শিশুদের ভর্তি করা। ধর্ম শিখতে বা ধর্ম চর্চা করতে মাদ্রাসার কোনো প্রয়োজন নেই। মাদ্রাসাকে 'না' বলুন।

এদেশে ওয়াজ-মাহফিলের রেজাল্ট কি? চুরি, ছিনতাই, ঘুষ, দুর্নীতি, অর্থপাচার, খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, পারিবারিক কলহ...। মাহফিলের ...
09/09/2026

এদেশে ওয়াজ-মাহফিলের রেজাল্ট কি? চুরি, ছিনতাই, ঘুষ, দুর্নীতি, অর্থপাচার, খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, পারিবারিক কলহ...। মাহফিলের বয়ান সমাজের অন্যায়-অবিচার বন্ধ করতে পারে নাই।

এদেশে জুমার খুতবার রেজাল্ট কি? উষ্কানি, মব-সন্ত্রাস, গণপিটুনি, গালমন্দ, গীবত, মিথ্যাচার...। খুতবার বয়ান সমাজ পরিবর্তন করতে পারে নাই।

এদেশে নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতের রেজাল্ট কি? সুদ, প্রতারণা, অর্থ আতসাৎ, আমানতের খেয়ানত করা, অন্যের অধিকার হরণ...। ধর্মীয় আমল-আখলাক, উপাসনা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে।

এসব আমার কথা নয়, পরিসংখ্যান। বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেই পরিচয়। সমাজের অবস্থা দেখেই বলে দেওয়া যায় মানবরচিত কোনো বিধানই মানুষকে শান্তি দিতে পারছে না। হোক সেটা সেক্যুলার বা নন-সেক্যুলার।

এমন তো হবার কথা ছিল না। কথা ছিল ধর্মীয় কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে মানুষের আধ্যাত্মিক ও জাগতিক পরিবর্তন হবে। কিন্তু পরিবর্তনের ছিটে ফোটাও লক্ষ্য করা যায় না। উল্টো ধর্মের কর্তৃপক্ষ সেজে যারা বসে আছে তারাই সবচেয়ে বড় অধর্ম করতেছে, সবচেয়ে বড় যুলুম করতেছে, অনিয়ম, উছ্শৃঙ্খল ও নানা অপকর্মে দোষী।

এর একমাত্র কারণ, ওয়ান এন্ড অনলি কজ “ধর্মব্যবসা”। ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মকে একটা সিন্ডিকেটের মধ্যে আবদ্ধ রেখেছে। বিশ্বাস করেন, ধর্মব্যবসা বন্ধ করেন দেখবেন ধর্ম তার আসল রূপে ফিরে আসবে। ইনআশাল্লাহ।

মুসল্লির আজকে খবর আছে!😈
08/09/2026

মুসল্লির আজকে খবর আছে!😈

06/09/2026

কি এক জামানা আসলো...😢
বাবার কাছে সন্তান নিরাপদ না ।

#ধর্ষণ #বলাৎকার #নরসিংদী

কথা কন ঠিক কি না......
06/09/2026

কথা কন ঠিক কি না......

সংক্ষিপ্ত আকারে ইশক সম্পর্কে বলতে গেলে:-ইশ্‌ক হলো ভালোবাসার এমন এক তীব্র, গভীর ও আত্মহারা রূপ, যা সাধারণ অনুভূতির সীমা ছ...
05/09/2026

সংক্ষিপ্ত আকারে ইশক সম্পর্কে বলতে গেলে:-
ইশ্‌ক হলো ভালোবাসার এমন এক তীব্র, গভীর ও আত্মহারা রূপ, যা সাধারণ অনুভূতির সীমা ছাড়িয়ে পরম সমর্পণ ও আত্মনিবেদনে রূপ নেয়। এটি আরবি শব্দ ‘এশক’ (عشق) থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ কোনো কিছুকে গভীরভাবে পেঁচিয়ে ধরা বা লতার মতো জড়িয়ে থাকা।

সুফি দর্শন ও ধ্রুপদী সাহিত্যে ইশ্‌ককে প্রধানত দুই ভাগে ব্যাখ্যা করা হয়:

ইশ্‌কে মেজাজি (পার্থিব প্রেম): কোনো মানুষ, রূপ বা সৃষ্টির প্রতি তীব্র আকর্ষণ, ব্যাকুলতা ও গভীর ভালোবাসা।

ইশ্‌কে হাকিকি (ঐশ্বরিক প্রেম): পরম সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিঃশর্ত ও আত্মহারা অনুরাগ। সুফি সাধনায় ইশ্‌ক হলো স্রষ্টার সাথে আত্মার মিলনের প্রধান মাধ্যম।

সাধারণ ভালোবাসা (মহব্বত)-র সাথে ইশ্‌কের মূল পার্থক্য হলো, ইশ্‌কে অহংকার বা নিজেকে জাহির করার কোনো সুযোগ থাকে না; এখানে প্রেমিক নিজের অস্তিত্বকে প্রিয়জনের মাঝে সম্পূর্ণ বিলীন করে দেয় ।

05/09/2026

মাদ্রাসায় হুজুর থেকে কীভাবে পু*ট*টি রক্ষা করবে , তার কৌশল জানালো আরেক পু*ট*কিখোর মোল্লা

Address

Feni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A R Esha Morshad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share