25/08/2026
মুখে দেশপ্রেম, পকেটে বিদেশি পাসপোর্ট❗
কেমন ছিলো আওয়ামী মন্ত্রী-এমপিদের দ্বৈত জীবন❓
৫ আগস্টের পর ক্ষমতার পালাবদলের পরে যারা দেশ ছেড়ে বিভিন্ন দেশে পালিয়ে গেছেন, তারাই কিন্তু আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বলতেন, তারা নাকি কখনো পালাবেন না। তারা মূলত একদিকে মুখে দেশপ্রেমের কথা বলে ফেনা তুলে ফেলেতেন অন্যদিকে বেগম পাড়ায় বাড়ি কিনতেন।
এই তালিকায় কিন্তু শুধু আওয়ামীলীগের সাবেক এমপিরা না, আছেন সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও। সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এইচ এম মোস্তফা কামাল, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, কৃষিমন্ত্রী আবদুস শহীদ, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত অর্থাৎ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থাকা ব্যক্তিদের নাম আছে এই তালিকায়।
ক্ষমতা হারাতেই দেখা গেলো কারও গন্তব্য লন্ডন, কারও ব্রাসেলস, কারও টরন্টো, কারও ভারত, কারও নিউইয়র্ক। বাড়ি তো আছেই, পরিবারও বিদেশে আর নাগরিকত্ব? সেটা তো আরও আগেই বগলদাবা করেছেন। তাই ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর খুব বেশি সময় লাগেনি তাদের এদিকে-ওদিকে পালিয়ে যেতে।
বিদেশে নাগরিকত্ব থাকা কোনো অপরাধ না। কিন্তু একজন ব্যক্তি যখন বাংলাদেশের মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন, তখন তার বিদেশি নাগরিকত্ব বা রেসিডেন্সির বিষয়টি অবশ্যই জনস্বার্থের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বিদেশি নাগরিকত্বের বিষয়ে স্পষ্ট বিধান থাকার পর।