Lalon Magazine

Lalon Magazine মরমি সাহিত্য পত্রিকা ''লালন''
মহাভাবের বার্তা

সুফী মোতাহার হোসেনের 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকার বিরল নিবন্ধ 🖋️ লেখা : মামুন সিদ্দিকীসুফী মোতাহার হোসেন (১৯০৭-৭৫) বাংলা স...
21/04/2026

সুফী মোতাহার হোসেনের 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকার বিরল নিবন্ধ

🖋️ লেখা : মামুন সিদ্দিকী

সুফী মোতাহার হোসেন (১৯০৭-৭৫) বাংলা সাহিত্যে সনেটিয়ার হিসেবে খ্যাতিমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আবুল ফজল, আবদুল কাদির, আতাউর রহমান খান প্রমুখ তাঁর সহপাঠী ছিলেন। মেধা, মনন ও সাহিত্য-প্রতিভার জন্য তিনি শিক্ষকমণ্ডলী, সহপাঠী ও সাহিত্য-সংস্কৃতিসেবীদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’–এর (১৯২৬-৩৮) কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সুফী মোতাহার হোসেনের প্রত্যক্ষযোগ ছিল। আবুল ফজলের রেখাচিত্র (১৯৬৫, বাতিঘর সংস্করণ ২০২০, ঢাকা) গ্রন্থ ছাড়া তাঁর সেই সম্পৃক্তির বিশেষ উল্লেখ দেখা যায় না। মুসলিম সাহিত্য সমাজের তৃতীয় বষের্র কর্মী থাকাকালে তিনি সংসদের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন। সাহিত্য সমাজের অর্থসংস্থানের লক্ষ্যে শিখার পুরোনো সংখ্যা বিক্রয় ও পত্রিকার নতুন গ্রাহক সংগ্রহের প্রয়োজনে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সদস্য হিসেবে অন্যান্যের সঙ্গে সুফী মোতাহার হোসেনের ওপর ‘শহরের মেস এবং প্রাইভেট হাউস হইতে অর্থ সংগ্রহের ভার অর্পণ করা হয়।’ [আবুল আহসান চৌধুরী (সংকলন-সম্পাদনা-ভূমিকা), মুসলিম সাহিত্য সমাজ: সভার সংক্ষিপ্ত কার্যবিবরণী ১৯২৬-১৯৩৮, ঢাকা, পাঠক সমাবেশ, ২০২৫, প্রথম প্রকাশ ২০১৫, পৃ. ৭৩-৭৪]

এ সূত্রেই তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও চিন্তানায়ক আবুল হুসেনের (১৮৯৭-১৯৩৮) সান্নিধ্য লাভ করেন। অধ্যাপক আবুল হুসেনের প্রয়াণের অব্যবহিত পরে মাসিক মোহাম্মদীর ১২ বর্ষ প্রথম সংখ্যায় (কার্তিক ১৩৪৫) সুফী মোতাহার হোসেনের স্মৃতিচারণা ও মূল্যায়নধর্মী নিবন্ধ ‘আবুল হুসেন’ প্রকাশিত হয়, যেখানে ব্যক্ত হয়েছে আবুল হুসেনের সংগ্রামী জীবন ও সাধনার কথা। নিবন্ধটি আবুল হুসেন ও সুফী মোতাহার হোসেনের জীবনী ও প্রাসঙ্গিক কোনো গ্রন্থ বা সংকলনে গ্রন্থিত হয়নি বা এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্যও দৃষ্ট নয়। নিবন্ধটির সঙ্গে আবুল হুসেনের একটি নবীন বয়সের ছবি রয়েছে, যা অন্য কোথাও ব্যবহৃত হতে দেখা যায়নি।

'মাসিক মোহাম্মদীতে প্রকাশিত সুফী মোতাহার হোসেনের নিবন্ধ'

আবুল হুসেন : সুফী মোতাহার হোসেন

মৌলভি আবুল হুসেন, এম-এ, এম-এল, অ্যাডভোকেট সাহেবের মৃত্যুসংবাদে ব্যথিত হইয়াছি। তিনি বাঙ্গালি মুসলমান সমাজের অন্যতম রত্ন ছিলেন। তাঁর সম্বন্ধে দু–চার কথা বলিবার প্রয়োজন আছে।

একসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্স বিভাগের অধ্যাপক এবং ঢাকা মুসলিম হলের হাউস টিউটর ছিলেন। ১৯২৬ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম হলে তাঁর কর্তৃত্বাধীনে ছিলাম। ঢাকায় সেই সময়ে তরুণ মুসলিমদিগের জীবনে যে এক নবজাগরণের পুলকস্পন্দন সঞ্চারিত হইয়াছিল, তাহার অন্যতম নেতা আবুল হুসেন সাহেব ছিলেন। জ্ঞানচর্চায় ও কর্মসাধনায় অসামান্য উৎসাহ ও প্রতিভার পরিচয় দিয়াছিলেন মরহুম মৌলভি আবুল হুসেন সাহেব। তাঁর সাহস, হৃদয়মনের বলশালিতা, চরিত্রের দৃঢ়তা ও সত্যাশ্রয়ী চিত্তের একাগ্রতা তাঁর রচনায়, কর্মে, ব্যক্তিত্বে, এমনকি তাঁর দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটিতে পর্যন্ত এক অপূর্ব বৈশিষ্ট্য আত্মপ্রকাশ করিয়াছিল। এককথায় নিজের ধর্মকে, জাতিকে ও সমাজকে তিনি ভালোবাসিতেন এবং মুসলিম ধর্ম ও সভ্যতা বিষয়ে বিস্তৃত অধ্যয়ন ও চর্চা করিয়াছিলেন।

তিনি সুসাহিত্যিক ও চিন্তাশীল লেখক ছিলেন। তাঁর তথ্যপূর্ণ সুদীর্ঘ রচনা ‘মুসলিম কালচার’ একসময় মুসলিম সমাজে সমাদর লাভ করিয়া বিখ্যাত হইয়াছিল। তাঁর আরও অনেক মূল্যবান রচনা ও পুস্তকাদি তাঁর জ্ঞানের, বিদ্যার ও সাহিত্য-প্রতিভার নিদর্শনস্বরূপ হইয়া রহিয়াছে। বাঙ্গলার স্কুল ও কলেজের শিক্ষাপদ্ধতি ও শিক্ষণীয় বিষয়াদি সম্বন্ধে তিনি একসময় যথেষ্ট গবেষণা করিয়া সুদীর্ঘ প্রবন্ধ রচনা করিয়াছিলেন এবং এ দেশের ছাত্রসমাজের, বিশেষত মুসলিম ছাত্রসমাজের, বিদ্যাচর্চার নিয়ম–ব্যবস্থার বহু অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার সাধনে অনেক মূল্যবান কথা বলিয়াছিলেন। নানা কারণে বাধ্য হইয়া একসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোটা মাহিনার চাকরি ত্যাগ করিয়া স্ত্রী-পুত্র, কলত্র ও ভ্রাতৃবর্গসমন্বিত বিরাট সংসার লইয়া কলিকাতায় আসেন এবং হাইকোর্টের আইন ব্যবসায়জীবী হন। তাঁর প্রতিভা এ ক্ষেত্রে জয়যুক্ত হইয়াছিল। হাইকোর্টে ৮–৯ বৎসর কাল যশ ও খ্যাতির সহিত তিনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করিয়াছেন।

এই ৮-৯ বৎসর তিনি সাহিত্য ও সমাজসেবা তেমন আর করেন নাই, যেমন করিতেন ঢাকায়। তবে স্কুলপাঠ্য অনেক পুস্তক তিনি রচনা করিয়াছিলেন। ঢাকায় তাঁহার অভাব সকলেই বোধ করিতেন। এবং কালক্রমে সেই সকল জ্ঞানচর্চা, কর্মপ্রচেষ্টা অধ্যাপকদিগের নিজ নিজ গৃহেই সীমাবদ্ধ হইয়াছে। সভা-সমিতি, পত্রিকা বন্ধ হইয়া গিয়াছে। আবুল হুসেন সাহেবের অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা সকলেই ব্যথিত। জীবিত থাকিলে তাঁর দ্বারা সমাজ ও জাতি বিভিন্ন প্রকার খেদমত আমরা নিশ্চয়ই বহুকাল পাইতাম। কিছুকাল আগে তাঁর ডিসপেপসিয়া ও ক্যানসার হইয়াছিল। তাঁর সে রোগজীর্ণ চেহারা বেশ মনে পড়ে। আল্লাহ তাঁর আত্মাকে শান্তি দিন।

লেখা সৌজন্য : প্রথম আলো

#সুফি #মোতাহার_হোসেন #কবি #সাহিত্য #আবুল_হুসেন #মুসলিম_সাহিত্য
#মরমি #পত্রিকা

সাধক-শিল্পী কানাই দাস বাউলের পরলোকগমনভারতীয় বাউল সংগীতের অন্যতম সাধক-শিল্পী কানাই দাস বাউল আর নেই। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল)...
20/04/2026

সাধক-শিল্পী কানাই দাস বাউলের পরলোকগমন

ভারতীয় বাউল সংগীতের অন্যতম সাধক-শিল্পী কানাই দাস বাউল আর নেই। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের তারাপীঠে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা রঞ্জন পালিত সামাজিক মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বাউল সাধক। বিশেষ করে গত দুই মাস ধরে যক্ষ্মা (টিবি)-তে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ক্রনিক অ্যাজমা ও ডায়াবেটিসজনিত সমস্যায়ও ভুগছিলেন।

কানাই দাস বাউল ছিলেন আধ্যাত্মিক সাধনা ও সংগীতের এক অনন্য প্রতীক। জন্মগ্রহণ করেন গ্রামবাংলার এক সাধারণ পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই দৃষ্টিহীন হলেও কখনো হার মানেননি জীবনের কাছে। বাহ্যিক দৃষ্টি না থাকলেও অন্তর্দৃষ্টিতে তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন জীবন ও মানবতার গভীর সত্য।

শৈশব থেকেই সংগীত ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি ঝোঁক ছিল তাঁর। পরবর্তীতে বাউল গুরুদের সংস্পর্শে এসে বেছে নেন বাউল সাধনার পথ। একতারা হাতে গ্রাম থেকে গ্রামে, মেলা ও আখড়ায় ঘুরে ঘুরে তিনি গেয়ে বেড়িয়েছেন মানবতার গান-“মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি…”, কিংবা তারঁ কণ্ঠে ভীষণ জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘কে বলে মানুষ মরে, আমি বুঝলাম না ব্যাপার’!

তাঁর কণ্ঠে যেমন ছিল গভীর বেদনা, তেমনি ছিল ভালোবাসা ও জীবনের দর্শন। তিনি শুধু সংগীত পরিবেশন করেননি, মানুষের ভেতরের মানুষকে খুঁজে পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সারাজীবন।

দেশ-বিদেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাউল গান পরিবেশন করে খ্যাতি অর্জন করেন কানাই দাস বাউল। ২০১৯ সালে তিনি ‘সহজিয়া সম্মান’ লাভ করেন। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ডালরিম্পল তার আলোচিত বই ‘নাইন লাইভস’-এ ‘দ্য সংস অব দ্য ব্লাইন্ড মিনস্ট্রেল’ শিরোনামে একটি অধ্যায় উৎসর্গ করেন এই শিল্পীকে।

তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সংগীত ও বাউল জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে তিনি ছিলেন ‘কানাই বাবা’- একজন সাধক, পথপ্রদর্শক এবং আত্মার শিল্পী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কানাই দাস বাউলের প্রয়াণ অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর গান, দর্শন ও সাধনা বেঁচে থাকবে মানুষের হৃদয়ে ও ভালোবাসায়।

লালন l মহাভাবের বার্তা

ভক্তি, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কিংবদন্তী শিল্পী কানাই দাস বাউল
20/04/2026

ভক্তি, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কিংবদন্তী শিল্পী কানাই দাস বাউল

'মানুষ’ ও ‘জীবন’ নামক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ‘বাউল ফকির লালন’ লেখা : শাহীনুর রেজারবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে যাঁরা লালনকে নব-ন...
15/10/2025

'মানুষ’ ও ‘জীবন’ নামক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ‘বাউল ফকির লালন’

লেখা : শাহীনুর রেজা

রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে যাঁরা লালনকে নব-নবভাবে তুলে ধরেছেন। ভাবের বাউলও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।অবসর পেলেই গলা ছেড়ে গাইতে থাকেন—
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপারে তুই মূল হারাবি
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি॥

তার মানে আমরা সবাই বাউল। মানুষ মাত্রই বাউল, বাউলদের ভজনাই মানুষ। এই ‘মানুষ’নিয়ে লালনের আগে মধ্যযুগের (১২০০-১৭৫০ খ্রি.) অন্যতম কবি চণ্ডীদাস বলেছেন—
শুন’হ মানুষ ভাই
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে নাই॥

লালনের ওফাতের ঠিক নয় বছর পর ঊনবিংশ শতাব্দীর ঠিক শেষের বছর জন্মগ্রহণ করেন মানবতাবাদের আরেক দ্বীপ্যমান কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.)। তিনি বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে বলেন—
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে নাই
মানুষের মাঝে হে মানুষ তুমি
সত্যের দিও ঠাঁই॥

বাণী আলাদা কিন্তু প্রকাশভঙ্গি এবং মানুষকে নিয়ে এঁদের প্রত্যেকের জয়গানের সুর অভিন্ন। তাহলে লালন কি চণ্ডীদাস পড়েছিলেন? অথবা নজরুল কি লালন? সবার সবকিছু পড়া লাগে না।

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন—
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের তোলা জলে স্নান আমার নয়।’লালন শতবর্ষ ধরে ‘মানুষ’ও ‘জীবন’নামক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে হয়েছেন ‘বাউল ফকির লালন’। আমরা তাঁর গড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি।

সংকলনে :
মরমি সাহিত্য পত্রিকা 'লালন'
মহাভাবের বার্তা

14/10/2025

এবার কুষ্টিয়া ও ঢাকায় জাতীয়ভাবে লালন স্মরণোৎসব ২০২৫ উদযাপন করা হবে

ভিডিও নিউজ : চ্যানেল ২৪

উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ফকির লালন ‘মহাত্মা’ উপাধি পেয়েছিলেনমহাত্মা ফকির লালন সাঁইজি ছিলেন এক আধ্যাত্মিক মানবতাবাদী মহাপুরুষ ...
14/10/2025

উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ফকির লালন ‘মহাত্মা’ উপাধি পেয়েছিলেন

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইজি ছিলেন এক আধ্যাত্মিক মানবতাবাদী মহাপুরুষ । যিনি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন।

অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার পদাবলি ও গান রচনা করেছেন। তার গান ও দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুলের মত বহু খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবিসহ অসংখ্য মানুষকে।

লালন সাঁইয়ের ভাববাণী ও গানসমূহ মূলত মরমি ও বাউল ঘরানার হওয়াতে বাউল সম্প্রদায়সহ যুগে যুগে বহু সঙ্গীতশিল্পীর কন্ঠে এক ভিন্ন ব্যঞ্জনায় সুমধুর হয়ে ছড়িয়ে পড়ে মনের গহীনে।

জেনে রাখা যে, গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, ফকির লালনকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল।

মরমি সাহিত্য পত্রিকা
''লালন'' মহাভাবের বার্তা

মরমি সাহিত্য পত্রিকা 'লালন' l মহাভাবের বার্তা পুনরায় নতুন উদ্যমে আসছে...
13/10/2025

মরমি সাহিত্য পত্রিকা
'লালন' l মহাভাবের বার্তা

পুনরায় নতুন উদ্যমে আসছে...

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৫ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া ও ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লালন উৎসব- ভক্ত, সাধক আর শিল্...
13/10/2025

মহাত্মা ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৫ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া ও ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লালন উৎসব- ভক্ত, সাধক আর শিল্পীদের মিলনমেলা।

আগামী ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে উৎসব। আখড়াবাড়িতে দিনভর ভাবগীতির সুর, আলাপ, দর্শনচর্চা আর মাটির গন্ধে ভরে উঠবে ছেউড়িয়ার লালন ধাম। টুনটুন বাউল, সুনীল কর্মকার, রওশন ফকির, লতিফ শাহসহ গাইবেন সারাদেশ থেকে আগত বাউল- ফকিরগণ।

কুষ্টিয়ার পাশাপাশি ১৮ অক্টোবর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও আয়োজিত হবে লালন উৎসব। উৎসবে লালনের গান পরিবেশন করবেন ইমন চৌধুরী ও বেঙ্গল সিম্ফনি, লালন ব্যান্ড, নীরব এন্ড বাউলস, পথিক নবী, সূচনা শেলী, বাউলা ব্যান্ড, অরূপ রাহী, সমগীতসহ আরও অনেক শিল্পী ও গানের দল।

কালজয়ী মহাসাধক লালনের বাণী আর সুরের গহীনে ডুব দিতে চাইলে চলে আসুন কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ার লালন ধামে বা যুক্ত হতে পারেন ঢাকার আয়োজনে।

Address

Purana Paltan, Dhaka-1000
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lalon Magazine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category