07/09/2026
এই বাচ্চাদের বাবার অত্যাচার যন্ত্রনার জন্য মা মারা গেছে।
এই সমাজে একটা মেয়ে অতিষ্ট হয়ে বেঈমানি, যন্ত্রনা,লাঞ্চনা সহ্য না করতে পেরে মানায় নিতে নিতে মরে গেলে এই সমাজ বলে আহারে মরে যাওয়ার কি দরকার ছিলো, নতুন করে জীবন শুরু করতো।
কিন্ত যেই আনার নতুন জীবন শুরু করতে যায়,নতুনভাবে বাচার চেস্টা করে সেই আবার এই নরপিশাচ সমাজ আর কিছু আপন মানুষেরা এত এত বুলিং করে,মেন্টালি ট্রমাটাইজড বানিয়ে দেয় বারবার অসহ্য রকম মানষিক চাপ দিয়ে সেই মেয়েটাকে জীবিত অবস্থায় প্রতিনিয়ত মেরে ফেলে।একটা মানুষের পরিস্থিতি সেই মানুষ টা ছাড়া পৃথিবীর কেউ উপলব্ধি করতে পারেনা।মানুষ লোভ মোহ তে সব ভুলে যায়, কে আপন কে পর।যার যার জায়গা থেকে পরিস্থিতি টা সে খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারে।
এইযে কিছুদিন আগে ১৪ দিনের বাচ্চার মা ১৪ দিন ঘুমাতে পারেনা ট্রমাটাইজড হয়ে বাচ্চা পানিতে চুবায় দেয়,কেউ কিন্ত সেই।মানষিক অবস্থার খোজ একদিন নিতে যান নাই।মা ছাড়া বাচ্চা বাবার কাছে ভালো থাকে,এটাও কিছু মানুষের মতবাদ,বাবার ছায়া পেলেই সন্তান ফুরফুরে মানুষ হয় কিন্ত মা ছাড়া?
পৃথিবীর কেউ মায়ের বিকল্প হয়না,মা যদি খারাপও হয় সন্তান কে ভালো রাখার জন্য সবচাইতে কঠিন কাজ করতে নেমে পরে,কিন্ত সেই মায়ের মানসিক অবস্থা জানার বা বুঝার মতো মানুষ একটাও পাবেন না।এই সমাজ আপনাকে বড় বড় লেকচার,জ্ঞান,আর কটু কথা ছাড়া ভালো কিছু দিবেনা।একরাশ অশান্তি আর কস্ট নিয়ে মরে যায় এইজন্য মানুষ। যারা ছোট বাচ্চাকে তার মায়ের থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য নোংরা কাজ,আর লোভে মজে যায়, তাদের বিচার দুনিয়াতে হয়।মা না থাকলে বাপ বিয়ে করার সাথে সাথে তালৈ হয়ে যায়।তখন আর বাবার কাধ, বুক,পিঠ এক থাকেনা।সময় সব বলে দেয়।আচমকা লোভে মানুষ কতকিছু মন্তব্য করে বসে।আফসোস।
আল্লাহ ছাড় দেয়, ছেড়ে দেয় না।
প্রকৃতির বিচার ভয়ানক।