Rogue Voice

Rogue Voice Unleashing untamed voices to challenge norms, spark awareness, and inspire change. Join the rebellion

যে সময় আমরা ই/স/রা/য়ে/লের সকল পন্য বয়কটের কথা বলি। তারা সে সময় সরাসরি ই/স/রা/য়ে/লের ভিসা নিয়ে ট্যুরে গিয়ে বাংলাদেশের মু...
08/04/2025

যে সময় আমরা ই/স/রা/য়ে/লের সকল পন্য বয়কটের কথা বলি। তারা সে সময় সরাসরি ই/স/রা/য়ে/লের ভিসা নিয়ে ট্যুরে গিয়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের টাকা এই জা/র/জ রাষ্ট্রটিকে দিচ্ছে।

হামলা তো হচ্ছে গাজা ও রাফায়। বাইতুল মাকদিস তো নিরাপদ থাকবেই কারণ, এটা নিতেই তো যুদ্ধ। এটা জায়নবাদীদের কাছেও পবিত্র স্থান।
কিন্তু তারা সরল মুসলমানদের আবেগ নিয়ে খেলছে, যেন ফিলিস্তিনে কোন যুদ্ধই নাই।

সাহস থাকে তো তারা মৃত্যূপুরী রাফাহ ও গাজায় গিয়ে বুলেটের সামনে সেলফি দিয়ে প্রমান করুক।

প্রশ্ন রেখে দিলাম, ফিলিস্তিনের চরম দূর্যোগ মুহূর্তে যারা ই/স/রা/য়ে/লের ভিসা নিয়ে অভিশপ্ত দেশে ভ্রমনে যায়, তাদের মিশন ও ভিশন তাইলে কী!???

It’s time to take action. Get a copy of this poster here: https://left.eu/app/uploads/2025/04/benji-wanted.pdf & cover y...
06/04/2025

It’s time to take action. Get a copy of this poster here:
https://left.eu/app/uploads/2025/04/benji-wanted.pdf & cover your city. If your country is hosting Netanyahu, make sure he is met with the truth.+++

Double standards and a European tour? While the International Criminal Court seeks justice, EU leaders are helping to shield those responsible for war crimes and crimes against humanity.
This week, Viktor Orbán is hosting Benjamin Netanyahu in Budapest—despite the ICC’s arrest warrant for his alleged war crimes, including starvation as a method of warfare, and crimes against humanity such as murder, persecution, and other inhumane acts committed during Israel’s war on Gaza.
Yet Netanyahu isn’t just being welcomed in Hungary. Greek Prime Minister Kyriakos Mitsotakis, EU foreign affairs chief Kaja Kallas, and Trade Commissioner Maroš Šefčovič have all met with Netanyahu or other Israeli officials. Meanwhile, Germany and Poland have signaled they will disregard the ICC’s arrest warrant, following Orbán’s example.
Supporting the ICC is not about politics—it’s about upholding international law and human rights. No leader should be above the law. Silence in the face of war crimes is complicity.

বিচার করবে প্রকৃতি, বিচার করবে সৃষ্টিকর্তা আর প্রতিশোধ নিবে মুসলিম উম্মাহ, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষা। ফেরাউন রক্ষা পায়নি...
06/04/2025

বিচার করবে প্রকৃতি, বিচার করবে সৃষ্টিকর্তা আর প্রতিশোধ নিবে মুসলিম উম্মাহ, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষা।

ফেরাউন রক্ষা পায়নি, নমরুদ ধ্বংস হয়ে গেছে, আদ জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে, কোনো জালিম , কোনো হত্যাকারী রক্ষা পায়নি তেমনি এই ইহুদী নাসারা রাও পাবেনা, আল্লাহ যেনো এই জীবনে এই জালিম দের নির্মম মৃত্যু আর শেষ দেখে যাওয়ার তৌফিক দেন।

বদর যুদ্ধে শত্রু পক্ষের চেয়ে কম সংখ্যা নিয়ে যুদ্ধ জয় করেছিল মুসলমানেরা আর ৩০০ কোটি মুসলিম এর পৃথিবীতে মাত্র ৯৭ লক্ষ ইহুদীদের কাছে আজ মুসলিম নিরুপায় ????

নাহ, এটাই পরীক্ষা, এটাই ইমান এর পরীক্ষা আর সঠিক সময়ের অপেক্ষা।

বেহেশত এর বাগানে আজ আনন্দে হাসবে শহীদ ফিলিস্তিনি ভাই, বোনেরা, নিষ্পাপ বাচ্চারা আর যখন সময় হবে, রক্তের কান্না কেঁদেও বাঁচতে পারবেনা এই জালিম বর্বর কাফের ইহুদীরা।





"عندما تُحجب العدالة، سنسعى جاهدين لننالها. سنخوض المعركة ونتقدم عبر خطوط الأعداء حتى ننتقم لشهداء فلسطين. سنحرر غزة ونؤ...
06/04/2025

"عندما تُحجب العدالة، سنسعى جاهدين لننالها. سنخوض المعركة ونتقدم عبر خطوط الأعداء حتى ننتقم لشهداء فلسطين. سنحرر غزة ونؤسس العدالة الحقيقية والإنسانية في هذا العالم."

Ramadan Mubarak 2025!As the blessed month of Ramadan begins, may your heart be filled with peace, your home with joy, an...
02/03/2025

Ramadan Mubarak 2025!

As the blessed month of Ramadan begins, may your heart be filled with peace, your home with joy, and your soul with endless blessings. May this holy month bring you closer to Allah, grant you strength in times of hardship, and fill your life with love, patience, and gratitude.

May your fasts be accepted, your prayers be answered, and your kindness bring light to those in need. Wishing you and your loved ones a Ramadan full of mercy, forgiveness, and countless rewards.

Ramadan Kareem!

রাত নামছে। ঢাকার জাপান গার্ডেন সিটির রাস্তাগুলো যেন একটা পুরনো ইংরেজি সিনেমার দৃশ্য—অন্ধকার গভীর, বাতাসে বয়ে যাচ্ছে মরচ...
15/02/2025

রাত নামছে। ঢাকার জাপান গার্ডেন সিটির রাস্তাগুলো যেন একটা পুরনো ইংরেজি সিনেমার দৃশ্য—অন্ধকার গভীর, বাতাসে বয়ে যাচ্ছে মরচে পড়া লোহার সাথে বৃষ্টির কাঁচা গন্ধ। পথে পথে ঘুরছে কুকুরগুলো—যোদ্ধার মতো ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত। বিড়ালগুলোও শিকারি, নীরব আর ছায়ার মতো। একসময় বনে রাজত্ব করত তারা।

এখন?

এই শহরে শুধু বেঁচে থাকার লড়াই।

ঠিক তখন অন্ধকারের মধ্যে একজন লোক সামনে এসে দাঁড়ায়। হাত বাড়ায়। সেই হাতে খাবার—আশার প্রতীক। কুকুরগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। বিশ্বাসের আলো জ্বলে ওঠে চোখে।

অবলা প্রাণী না জেনে বড় ভুল করে বসে। নীরব, নির্মম প্রতারণায় বিষ মেশানো খাবার তারা খায়। কয়েক মুহূর্ত পরই শরীর কেঁপে ওঠে। শুরু হয় যন্ত্রণা। রক্ত বমি। দশটা কুকুর। একটা বিড়াল। এটাই তাদের জীবনের শেষ রাত।

মৃত্যুর আগে তাদের চোখ—বড় বড়, প্রশ্নে ভরে যায়। উত্তর তো আর পাবে না। বলতেও পারবে না কে করল, কেন করল। শুধু নীরবতা—নির্মম, কঠিন নীরবতা। ভাষাহীন শিকার। সহজ টার্গেট।

নৃশংসতার গল্পটা কোথায় শুরু হয়?

এফবিআই রিপোর্ট। ১৯৯৭। নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। ওদের কাছে সব হিসাব আছে। সিরিয়াল কিলার, স্কুল শ্যুটার—প্রথমেই তারা মানুষের ওপর শুরু করে না। তাদের প্রথম শিকার কুকুর। বিড়াল।

আমেরিকার ৪৩% স্কুল শ্যুটার আগে পশুদের ওপর চালিয়েছে তাদের নৃশংসতা। ভাবুন একবার।

ফিরে আসা যাক ঢাকায়। আলাদা রাস্তা, একই নৃশংসতা।

এখানে একে বলে “মব জাস্টিস।” রাস্তায় পিটিয়ে মানুষ মেরে ফেলা আজকাল সাধারণ ঘটনা। কিন্তু যখন মানুষ হাতের কাছে নেই তখন শিকার হয় কুকুরগুলো। গরম পানি। ছুরি। বিষ মেশানো খাবার। সবকিছু জড়িত। প্রত্যেকটা মুখ সুযোগের অপেক্ষায় থাকা সম্ভাব্য খুনি। ।

ফ্ল্যাশব্যাক: রাজবাড়ী, একটা হরর শো।

একটা ঘোড়া বাঁধা। বাঁশ ঢুকিয়ে দেওয়া হলো এমন এক জায়গায় যেখানে ঢোকানোর কথা নয়।
কিন্তু কেন?
প্রতিশোধ।
ঘোড়ার ওপর নয়—ওর মালিকের ওপর। ঘোড়াটার জায়গায় একটা শিশুকে কল্পনা করুন।

তারপর ধরুন, বগুড়া। কাহালু। রাসেল। রুবেল। শরীরে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা। নাম আলাদা, পদ্ধতি একই।

নৃশংসতা শুধু পশুদের জন্য না। এটা একটা রিহার্সাল। বড় কিছু আসার আগে ছোটখাট ট্রেনিং। আর একদিন বড় মঞ্চে মানুষ হয়ে যাবে সেই শিকার।

বাংলাদেশে আইন আছে। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ২০১৯ সালের প্রাণিকল্যান আইন । কাগজে কলমে ভালোই শোনায়। কিন্তু বাস্তবে?

এক চিলতে হাসির মত ।

আমার কাছে এ বিষয়ক আইনগুলো একটা ঠাট্টার মত লাগে।

কেউ আইনটার কথা তুললে মানুষ হাসে। ঠিক যেমন জাপান গার্ডেন সিটির পোস্টারগুলোতে লেখা:
“কুকুরপ্রেমীদের বাসায় সব বেওয়ারিশ কুকুর পাঠিয়ে দিন!”
“পরিচ্ছন্নতার জন্য কুকুরের মলমূত্র কুকুরপ্রেমীদের বাসায় পাঠান!”

যেখানে পশুর প্রতি মমতা নিয়ে মজা করা হয়, সেখানে কেউ নিরাপদ নয়।

সত্যি কথা বলতে, এই নৃশংসতা শুধু পশুদের জন্য না। এটা একটা সতর্ক সংকেত। উপেক্ষা করলে একদিন দেখবেন, রাস্তার মাঝখানে পড়ে আছে কোনো কুকুর না—বরং আপনার চেনা কেউ।
------------------------------------------------------------------------------------
লেখা©ফেরদৌস আকিক এলিন
৩০ নভেম্বর, ২০২৪
গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

This needs to be done for the greater well being and betterment of Humanity and Bangladesh.This terrorist organization n...
12/02/2025

This needs to be done for the greater well being and betterment of Humanity and Bangladesh.

This terrorist organization needs to be exterminated immediately by banning them completely from Bangladesh.




Ban The Awami League For Human Rights Violations And Crimes Against Humanity

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rogue Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share