Fax News

Fax News Voice of The Hopeless Humanity
FaxNews24.Com https://www.facebook.com/FaxNews25/about_contact_and_basic_info

ড. ইউনূস ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সারসংক্ষেপমূলত ২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭% ট্যারিফ আরোপ করলে ব...
07/05/2026

ড. ইউনূস ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সারসংক্ষেপ
মূলত ২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭% ট্যারিফ আরোপ করলে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত (তৈরি পোশাক) ধ্বংসের মুখে পড়ে। এই সংকট থেকে উত্তরণে ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি কৌশলগত বাণিজ্য চুক্তি করে।

১. ট্যারিফ ও পোশাক খাতের বিজয়:

চুক্তির ফলে সাধারণ ট্যারিফ ৩৭% থেকে কমিয়ে ১৯% করা হয় (১৮% হ্রাস)।

সবচেয়ে বড় অর্জন হলো "জিরো ট্যারিফ" সুবিধা: যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করে পোশাক বানানো হয়, তবে সেই পোশাক রপ্তানিতে কোনো শুল্ক লাগবে না। এটি ভারতের ওপর তুলা আমদানির নির্ভরশীলতা কমাবে এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেবে।

২. আমদানি ও ৬,৭১০ পণ্যের বিভ্রান্তি:

সমালোচকরা বিপুল সংখ্যক মার্কিন পণ্যে শুল্ক ছাড়ের কথা বললেও বাস্তবে ওই তালিকার খুব অল্প সংখ্যক পণ্য (মাত্র ২,০১৬টি) বাংলাদেশ আমদানি করে, যার আর্থিক মূল্য মাত্র ৬.৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ, এই ছাড় মূলত প্রতীকী এবং এর বাণিজ্যিক প্রভাব নগণ্য।

৩. বোয়িং ক্রয় ও বিমান বহর:

১৪টি বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্তটি ছিল কারিগরি ও অর্থনৈতিকভাবে যৌক্তিক। যেহেতু বিমান বাংলাদেশের বর্তমান বহর বোয়িং-নির্ভর, তাই নতুন করে এয়ারবাস যুক্ত করলে রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণের খরচ কয়েক গুণ বেড়ে যেত।

৪. প্রপাগাণ্ডার নেপথ্যে রাজনীতি:

আওয়ামী লীগ: নিজেদের পতনের দায় ড. ইউনূসের ওপর চাপাতে এবং তাকে 'ষড়যন্ত্রকারী' হিসেবে তুলে ধরতে এই চুক্তিকে 'দেশ বিক্রি' হিসেবে প্রচার করছে।

বিএনপি: ড. ইউনূসকে বিতর্কিত করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক পথ সহজ হবে, তাই তারাও এই সমালোচনায় ইন্ধন দিচ্ছে।

৫. বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ভারতের তুলনা:

ভারতও মার্কিন চাপে পড়ে তাদের শুল্ক কমিয়ে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমনকি আমেরিকার চাপে তারা রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় তেল নেওয়া বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। সেই তুলনায় বাংলাদেশের এই চুক্তিটি ছিল একটি অত্যন্ত কৌশলী 'সারভাইভাল মুভ'।

উপসংহার:
বিশ্লেষণটি বলছে, এই চুক্তিটি নিখুঁত না হলেও এটি ছিল একটি জরুরি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এটি মূলত বাংলাদেশের পোশাক খাতকে বাঁচানো এবং অর্থনীতিকে একক কোনো দেশের (যেমন: ভারত) ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ডাইভার্সিফাই করার একটি প্রচেষ্টা।

ভারতের কাছে যেই ভয়ংকর ১০ টা মুচলেকা দিয়ে দেশে ফিরেছেন মুচলেকা সাব, তার হাতে ক্ষমতা গেলে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে...
24/01/2026

ভারতের কাছে যেই ভয়ংকর ১০ টা মুচলেকা দিয়ে দেশে ফিরেছেন মুচলেকা সাব, তার হাতে ক্ষমতা গেলে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে কি..?

১. ক্ষমতায় আসলে কখনোই দলের কোনো নেতা ভারত বিরোধী কোনো বক্তব্য দিবে না।

২. ভারতের স্বার্থ বিঘ্নিত হবে এমন কোনো আইন করা যাবে না।

৩. ভারত ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করবেন না।

৪. সামরিক বাহিনী পুরোপুরি ভারতের গোয়েন্দাদের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।

৫. ভারতের সকল পণ্য শুল্কমুক্ত থাকবে।

৬. ভারতীয় সকল নাগরিক ভিসা ও ওয়ার্কপারমিট মুক্ত থাকবে।

৭. বাংলাদেশীরা চিকিৎসার জন্য শুধু ভারতেই যেতে হবে।

৮. বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের ৩০ শতাংশ ভারতীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে।

৯. ভারত বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করতে হবে।

১০. মোদী বাবুর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া সকল আলেম ওলামাদের ফাঁসি দিতে হবে।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fax News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share