Afifa Ontora - Strategic Intelligence

Afifa Ontora - Strategic Intelligence Geopolitics | Global Power | Strategic Analysis
Decoding conflicts, power structures & global narratives.

✍️ By Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের উপর হাম*লাকারীর নাম রুবেল খান। বর্তমানে তাকে শিবিরের রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে :এই হলো গুপ্ত শিবিরের অবস্থা!

শিবির হাতে মাইর খেয়ে ছাত্রলীগকে দোষারোপ করার কারণে স্বাধীনতা পাওয়ার পরও কোন পরিবর্তন হয় নাই । ✌

02/07/2026

বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেটের (আইএসআইএস) স*ন্ত্রাসী কার্যক্রমঃ

২০০২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, আওয়ামী লীগের সদস্য এবং পুলিশের উপর দেশীয় তৈরি বোমা, গ্রেনেড ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিলো। ২০১৫ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস) বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এবং তাদের লক্ষ্যও একই ধরনের ছিল।
আইএসআইএস গঠিত হয়েছিল জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি), হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী (হু'জি-বি), হিযবুত তাহরীর, আহলে হাদীস এবং আল-কা'য়ে'দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর প্রাক্তন সদস্যদের নিয়ে।
আইএসআইএস-এর প্রশিক্ষিত অনেক সদস্য জিহাদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর আ'ফগানি'স্তান, সিরিয়া এবং ইরাকে যু'দ্ধ করতে গিয়েছিল।
আইএসআইএস-এর অনুসারীরা বাংলাদেশে দুই বছরে(২০১৫-২০১৭) ২৯টি হামলার দায় স্বীকার করেছে, যার মধ্যে হোলি আর্টিজান বেকারির হত্যাকাণ্ডও অন্তর্ভুক্ত।
এই হা'মলাগুলোতে বিদেশি ও হিন্দু পুরোহিতসহ কমপক্ষে ৫৫ জন নি'হত হয়েছিলেন।
এছাড়াও, সেই সময়ে কমপক্ষে ১৫টি অনুরূপ হত্যাকাণ্ড ও বোমা এবং ধারালো অস্ত্রের হামলা চালানো হয়েছিল, যার মধ্যে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ, মাজার এবং বেশ কয়েকটি ইসকন মন্দির ও অনুসারীদের ওপর হামলা উল্লেখযোগ্য।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ২০১৫ সালে প্রাক্তন সেনা #মেজর_মোহাম্মদ_আবদুল্লাহর ছেলে #আবদুল্লাহ_আল_গালিবকে গ্রেপ্তারের পর প্রথম আইএসআইএস-এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানা যায়। #গালিব ২০১৪ সালে জুনুদ আত-তাওহীদ ওয়াল খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা তাকে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস-এর তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছিলো, যেখানে সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ১০ থেকে ১২ জন সদস্যের সাথে বৈঠক করছিলো।
আইএসআইএস-এর শাখা গঠনের আগে, গালিব হি'য'বুত তাহরীর, জে'এম'বি এবং আল-কায়েদার সহযোগী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সাথে যুক্ত ছিলো।
গালিব যশোরের লেবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা।সে রাজধানীর পেনস্প্যান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে "ও" এবং "এ" লেভেল এবং ২০১৩ সালে জিইডি পাস করেছিলো। পুলিশ জানিয়েছিলো সে সুগন্ধি ও পোশাক সামগ্রী বিক্রির সাথে জড়িত ছিলেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সদস্য সংগ্রহ করতো। আরবিতে দক্ষ গালিব দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় জিহাদী কার্যক্রমের ভিডিও ফুটেজ দেখাতো।

২০১৪ সালের অক্টোবরে, গালিব একটি বাংলা ডাবিং করা ইংরেজি সাবটাইটেল সহ ভিডিওতে তৎকালীন আইএসআইএস প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদির প্রতি তার আনুগত্য প্রকাশ করে এবং আল-কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরির প্রশংসা করে,যেখানে সে বলেছিলো "আমাদের মুজাহিদ ভাইয়েরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত।"

তার গ্রেপ্তারের আগে, কয়েক ডজন লোক আইএসআইএস-এ যোগদানের জন্য তুরস্ক হয়ে সিরিয়া এবং ইরাকে গিয়েছিল। কিছু নিয়োগকারী এবং প্রশিক্ষক বাংলাদেশ পরিদর্শন করেছিলো, যার মধ্যে আইএসআইএস-বাংলাদেশ-এর কানাডিয়ান-বাংলাদেশী নেতা এবং ২০১৬ সালের ১লা জুলাই ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান ক্যাফে হা*মলার মূল পরিকল্পনাকারী তামিম আহমেদ চৌধুরী অন্তর্ভুক্ত।

"এক্স-ক্যাডেট ইসলামিক লার্নিং ফোরাম"-- নামক একটি ফেসবুক গ্রুপ এই তরুণদের নিয়োগে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। এই গ্রুপটির প্রধান অ্যাডমিন ছিলো সুজিত দেবনাথ, যিনি জাপানে পড়াশোনা করছিলো এবং ইসলাম গ্রহণ করার পর সাইফুল্লাহ ওজাকি নাম ধারণ করেছিলো। তাকে সহায়তা করেছিলো প্রায় ২০-২৫ জন, যাদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম বেগ, বরখাস্তকৃত সেনা মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, সাকিব বিন কামাল, জুননুন সিকদার, নাজিবুল্লাহ আনসারী এবং #আসাদুল্লাহ_গালিব বাংলাদেশ থেকে এবং এটিএম তাজউদ্দিন যিনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন, তারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৩৮ জন বাংলাদেশী আইএসআইএস-এ যোগদানের জন্য বিভিন্ন দেশ ঘুরে সিরিয়ায় পৌঁছেছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জন সিঙ্গাপুর হয়ে, ৯ জন তুরস্ক হয়ে, ৭ জন মালয়েশিয়া হয়ে, ৪ জন সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে, ২ জন জাপান হয়ে এবং ১ জন করে কাতার, ইরান ও সৌদি আরব হয়ে গিয়েছিল।

২০১৫ সাল থেকে আইএসআইএস-এর সদস্যদের ব্যাপক গ্রেপ্তারের পরও জঙ্গি দলটি সারা দেশে কয়েক ডজন হামলা চালায়। আইএসআইএস-এর মিডিয়া উইং ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৯টি হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর পদক্ষেপের কারণে, পরবর্তী বছরগুলিতে হামলার সংখ্যা কমে যায়।

প্রথম কোন বাংলাদেশী আইএসআইএস যোদ্ধা হিসেবে সিরিয়া বা ইরাকে গিয়েছিল তা নিশ্চিত করা যায়নি। বিভিন্ন রিপোর্টে প্রথম যে নামটি উঠে আসে সেটি হলো সাইফুল হক সুজন, যুক্তরাজ্যের কার্ডিফের বাসিন্দা, যিনি ২০১৪ সালে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী এবং তিন সন্তান নিয়ে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন। ২০১৫ সালের ২৯শে ডিসেম্বর, মার্কিন সরকার ঘোষণা করে যে, এর আগের মাসেই আইএস-এর প্রধান কার্যক্রমের কেন্দ্র সিরিয়ার রাক্কা শহরের কাছে একটি বিমান হামলায় সুজন নিহত হয়েছিলেন। মার্কিন সেনাবাহিনী তাকে একজন কম্পিউটার হ্যাকার এবং আইএসআইএস-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে অনেক যো*দ্ধা নিয়োগ করেছিলো.....

আইএসআইএস-এর দায় স্বীকার করা হা*মলাসমূহ:

১. ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫: ইতালীয় নাগরিক চেসারে তাভেলা ঢাকার গুলশান এলাকায় সাইলেন্সার ব্যবহার করে হত্যা।
২. ৩ অক্টোবর, ২০১৫: জাপানি নাগরিক হোশি কুনিওকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তার ঘাস ফার্মে রিকশা করে যাওয়ার সময় মুখোশধারী বন্দুকধারীরা গু'লি করে হত্যা।
৩. ২৪ অক্টোবর, ২০১৫: পবিত্র আশুরার একদিন আগে ঢাকার হোসাইনী দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় গ্রেনেড হামলায় একজন কিশোরসহ ২ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত।
৪. ৪ নভেম্বর, ২০১৫: পুলিশ কনস্টেবল মুকুল হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়ায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে ছু'রিকাঘাতে হ*ত্যা এবং অপর একজন আহত।
৫. ৮ নভেম্বর, ২০১৫: রংপুরের বাহাই সেন্টারের পরিচালক এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পিএস রুহুল আমিনকে একটি বাইকে থাকা তিন ব্যক্তি সাইলেন্সার ব্যবহার করে গু'লি করে আ'হত করে।
৬. ১০ নভেম্বর, ২০১৫: আইএসআইএস রংপুরের কাউনিয়াতে মাজারের তত্ত্বাবধায়ক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলীকে হ'ত্যা করে।
৭. ১৮ নভেম্বর, ২০১৫: ইতালীয় ডাক্তার-পুরোহিত পিয়েরো পারোলারি দিনাজপুরে সাইলেন্সার ব্যবহার করে গু'লি করা থেকে বেঁচে যান।
৮. ২৬ নভেম্বর, ২০১৫: বগুড়ায় একটি শিয়া মসজিদে মেশিনগান হা'মলায় ১ জন নি'হত এবং ৩ জন আ'হত।
৯. ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫: রাজশাহীর বাগমারাতে একটি আহমদিয়া মসজিদে ১ জন আ'ত্মঘাতী বো'মা হা'মলাকারী নিহত এবং ১০ জন আহত।
১০. ৭ জানুয়ারি, ২০১৬: ঝিনাইদহের বেলেখাল বাজারে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার ছামির উদ্দিন মণ্ডল (সামির আল-দিন) কে ছুরিকাঘাতে হ'ত্যা।
১১. ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি এলাকায় হিন্দু হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী তরুণ দত্ত (৪৫) এর শি'রশ্ছেদ করা হয়।
১২. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬: হিন্দু পঞ্চগড় মন্দিরের পুরোহিত যোগেশ্বর রায়কে আইএসআইএস সদস্যরা গলা কেটে হ'ত্যা করে।
১৩. ১৪ মার্চ, ২০১৬: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের শিয়া প্রচারক আবদুর রাজ্জাককে ছু'রিকাঘাতে হ'ত্যা।
১৪. ২২ মার্চ, ২০১৬: খ্রিস্টান ধর্মান্তরিত মুক্তিযো'দ্ধা এবং সরকারি কর্মচারী হোসেন আলী সরকারকে কুড়িগ্রাম শহরে সকালে হাঁটার সময় গলা কেটে হ'ত্যা।
১৫. ২৩ এপ্রিল, ২০১৬: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিককে শহরের শালবাগান এলাকায় কু'পিয়ে হ'ত্যা।
১৬. ৩০ এপ্রিল, ২০১৬: টাঙ্গাইলের হিন্দু দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ার্দারকে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
১৭. ১৪ মে, ২০১৬: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশাড়ির চাকপাড়া মন্দিরের বৌদ্ধ পুরোহিত মং শু উ (৭০) কে গলা কেটে হ'ত্যা।
১৮. ২০ মে, ২০১৬: কুষ্টিয়ার হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ও বাউল ভক্ত সানওয়ার হোসেন (৬০) কে কু'পিয়ে হ'ত্যা; হামলায় তার বন্ধু ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইফুজ্জামান আহত।
১৯. ২৫ মে, ২০১৬: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হিন্দু জুতা বিক্রেতা দেবেশ চন্দ্র প্রামাণিক (৬৮) কে হ'ত্যা।
২০. ৫ জুন, ২০১৬: নাটোরের বারগ্রামের বনপাড়া খ্রিস্টান পল্লীর খ্রিস্টান মুদি দোকানদার সুনীল গোমেজ (৬০) কে গলা কেটে হ'ত্যা।
২১. ৭ জুন, ২০১৬: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের হিন্দু পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী (৬৪) কে মন্দিরে যাওয়ার সময় কু'পিয়ে হ'ত্যা।
২২. ১০ জুন, ২০১৬: পাবনার হেমায়েতপুরে হিন্দু মঠ কর্মী নিত্যরঞ্জন পান্ডে (৬২) কে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
২৩. ৩০ জুন, ২০১৬: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মং সানু মারমাকে হ'ত্যা।
২৪. ১ জুলাই, ২০১৬: ঝিনাইদহের উত্তর কাসতাসাগরহা এলাকার শ্রী শ্রী রাধা মদন গোপাল মন্দিরের হিন্দু পুরোহিত শ্যামানন্দ দাস, যিনি বাবা নামেও পরিচিত, ফুল তোলার সময় তাকে কু'পিয়ে হ'ত্যা করা হয়।
২৫. ১ জুলাই, ২০১৬: ঢাকার হোলি আর্টিজান বেকারি ও ও' কিচেন হা'মলায় ২৩ জন নি'হত; সেনা কমান্ডো অপারেশন থান্ডারবোল্টে ৫ জন হা'মলাকারী নি'হত; মোট ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়।
২৬. ২৩ আগস্ট, ২০১৬: নরসিংদীতে হিন্দু মুদি দোকানদার চিত্তরঞ্জন আর্য (৪৮) হাসুয়া হা'মলায় বেঁচে যান।
২৭. ১৭ মার্চ, ২০১৭: ঢাকার আশকোনায় RAB ব্যারাকে আত্ম'ঘাতী হা'মলায় ২ জন আহত।
২৮. ২৪ মার্চ, ২০১৭: ঢাকা বিমানবন্দর মোড়ের কাছে একটি পুলিশ চেকপোস্টে হা'মলা চালানোর আগে একজন আ'ত্মঘাতী হা'মলাকারী ভুলবশত নিজেকে হ'ত্যা করে; ৩-৪ জন আহত।
২৯. ২৫ মার্চ, ২০১৭: সিলেটের একটি জ'ঙ্গি আস্তানার কাছে আ'ত্মঘাতী/টাইম বো'মা বিস্ফোরণে RAB গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদসহ ৭ জন নি'হত এবং ৫০ জনেরও বেশি আ'হত।

একই গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত কিন্তু দায় স্বীকার করা হয়নি এমন হা'মলাসমূহ:

১. ৫ অক্টোবর, ২০১৫: পাবনার ঈশ্বরদীতে খ্রিস্টান পুরোহিত লুক সরকারের উপর হ'ত্যার চেষ্টা।
২. ২২ অক্টোবর, ২০১৫: গাবতলী পুলিশ চেকপোস্টে এএসআই ইব্রাহিম মোল্লাকে ছুরিকাঘাতে হ'ত্যা এবং অপর একজন আহত।
৩. ১২ নভেম্বর, ২০১৫: নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রতীকী কারবালায় শিয়া মাজারের তত্ত্বাবধায়ক হাসনাইন হাসুয়া হা'মলায় বেঁচে যান।
৪. ৩০ নভেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের ইসকন জেলা ইউনিটের সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ রায় ব'ন্দুক হা'মলায় বেঁচে যান।
৫. ৪ ডিসেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের কাহারোলে কান্তজিউ মন্দিরে বো'মা বি'স্ফোরণ।
৬. ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের ইসকন মন্দিরে বো'মা ও বন্দুক হা'মলা।
৭. ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫: চুয়াডাঙ্গার আকুন্দবাড়িয়ায় ১০-১২ জনের একটি দল কর্তৃক বাউল ভক্ত জাকারিয়া হোসেন জাকিরকে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
৮. ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫: চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঘাঁটির মসজিদে আত্মঘাতী গ্রে'নেড হা'মলায় ২৪ জন আহত।
৯. ২২ এপ্রিল, ২০১৬: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি গ্রামের হাটে ছু'রিকাঘাতের একদিন পর সত্তরোর্ধ্ব হিন্দু পুরোহিত পরমানন্দ রায় গুরুতর আঘাত নিয়ে মা'রা যান।
১০. ৭ জুলাই, ২০১৬: শোলাকিয়া ঈদ জামাতে পুলিশের উপর হাতবো'মা, বন্দুক ও হাসুয়া হা'মলায় ২ জন পুলিশ সদস্য এবং ১ জন নারী নি'হত।

আইএস-অনুপ্রাণিত হা'মলাসমূহ:

১. ১৩ মার্চ, ২০১৭: দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে একজন পীর এবং তার পালিত কন্যাকে গু'লি করে হ'ত্যা ও গলা কে'টে হ'ত্যা।
২. ৮ মে, ২০১৭: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একটি আহমদিয়া মসজিদের ইমাম হাসুয়া হা*মলায় আহত।
৩. ১৬ আগস্ট, ২০১৭: নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে তিন যুবক কর্তৃক হাসুয়া হা'মলায় মাজারের তত্ত্বাবধায়ক সোনা মিয়া নি'হত।
৪. ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭: মুন্সিগঞ্জে মাজারের তত্ত্বাবধায়কসহ ২ জন নারী নি'হত।

© Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

২৬ জুলাই ২০২৪ তারিখের লেখাঃ
ঢাকা | বাংলাদেশ

"রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় তারা এক মোটরসাইকেল আরোহীকে তাড়া করে। তাদের তাড়া খেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী রাস্তার পাশে পরে গেলে মাসুদ রানা ও তার সহযোগীরা সেই ব্যক্তির ব্যাগ তল্লাশি করে পুলিশের পোশাক ও আইডি কার্ড দেখতে পায়। তখন তারা পুলিশ পুলিশ বলে চিৎকার করে।

তাদের চিৎকারে আশপাশের অনেকে সেখানে জড়ো হয়। এ সময় তাদের হাতে থাকা হকিস্টিক, বাঁশ, লাঠি, লোহার পাইপ ইত্যাদি দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে মারতে থাকে। ঘটনাস্থলেই পুলিশ সদস্যের মৃত্যু ঘটে। তার মৃতদেহ নিয়ে তারা উল্লাসে মেতে উঠে। পুলিশের মোটরসাইকেলটিতেও তারা অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়"

আমার ফেসবুকে তো অনেক সুশীল আছেন কেউ কি বলবেন, তার অপরাধ কি ছিল?
সে তো তখন কোন ডিউটিতে ছিল না, কাউকে গুলি দূরে থাক লাঠি চার্জ পর্যন্ত করে নি!
তাহলে কেন ৫৮ বছরের লোকটা কে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে?

এমননো তো হতে পারে তার দুটি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সমর্থন ছিল!

কারা সাধারণ ছাত্রদের যৌক্তিক একটা আন্দোলন কে হাইজ্যাক করে ক্ষমতার মসনদে বসার জন্য শত মায়ের বুক খালি করার পর সেই পরিস্থিতি তৈরি করবে তারা?
কেউ কি বলবেন....??

- Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

📰 বিশেষ প্রতিবেদন | রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

২০২৪ সালের জুলাই মাসে পরিকল্পিত ভাবে ডিবি পুলিশের নির্যাতনের নাটক সাজিয়ে—সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ভূয়া বোন-পরিবার নিয়ে বানোয়াট সাক্ষাৎকার দেয়।

তখন বোন হিসেবে কেঁদে কেঁদে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া সাক্ষাৎকার দেয়—ফাতিমা নাসরিন।

অথচ এখন এই ফাতিমা তাসনীম ডেসটিনি প্রতারক রফিকুলের নতুন দল আ-আম জনতা পার্টির সদস্য সচিব এবং নাহিদ ইসলামের সাথে বোন তো দূরের কথা কোনো কোনো আত্নীয়তার সম্পর্ক নাই।

তাহলে কেনো গত জুলাইয়ে নাহিদের বোন পরিচয়ে মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া অপপ্রচার করলো???

এখন তা স্পষ্ট যে তখন সরকার ও ডিবি পুলিশকে দেশের জনগণের কাছে বিতর্কৃত প্রমাণ করতেই এই নাটক সাজিয়েছে।

সুতরাং, গত বছরের জুলাই ষড়যন্ত্রের সময় সমন্বয়কদের ডিবি অফিসে আটক সমন্বয়ক নাহিদকে ডিবি পুলিশের নির্যাতনে অভিযোগ সবাই মিথ্যা বানোয়াট যা ষড়যন্ত্রের পূর্ব পরিকল্পিত অংশ।

---

🖋️ কলাম লেখক:
Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

🔸 ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে পুলিশ খুব হিসাব করা টার্গেট।

🔹 ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট গণভবন থেকে শেখ হাসিনার চলে যাবার সিদ্ধান্ত সেনা,নৌ,বিমানবাহিনী আগেই যানতো সেনাপ্রধানের ভাষ্যমত।
🔹 শেখ হাসিনা সকাল ৯-১০ টার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেমনটা সেনাপ্রধান ওয়াকার সাহেব জানিয়েছেন।

১️⃣ সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও এবং শেখ হাসিনা চলে যাবার পরও কেন ডিউটিতে থাকা পুলিশের কাছে আরও চার-পাঁচ ঘন্টা অঞ্চল ভেদে সাত-আট ঘন্টা পার হলেও কেনো সেনাপ্রধানের নির্দেশ তাদের পর্যন্ত যায়নি?

২️⃣ কেনো ৫ আগষ্ট সকাল থেকেও থানা ভাংচুর অস্ত্র লুটপাট, পুলিশ হ*ত্যা হয়েছে এমন দৃশ্য শত শত যা নির্দেশ দেওয়ার আগপর্যন্ত বা সেনাপ্রধানের ভাষণে আগ পর্যন্ত ধরলে আট থেকে নয় ঘন্টা ঘটেছে।

🔺 তাহলে কেনো সেনাপ্রধান থানা, অ*স্ত্র, সরকারী নির্দেশ পালন করা পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করলো না????

🔺 এমনকি সেনাপ্রধানের ভাষণের পর সেটি আরও তীব্র আকার ধারণ করে সেটির জন্যও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেন নি।

৩️⃣ এতেই কী বুঝা যায় না যে এটি নাগরিক পর্যায়ের লোক,রাজনৈতিক লোক ও সামরিক লোকদের পরিকল্পিত একটি সামরিক অভ্যুত্থান???

৪️⃣ যা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নেক্কারজনক ও র*ক্তপাতের মাধ্যমে ঘটানো সামরিক অভ্যুত্থান???

🔹 আমার নিজের জানা,দেখা ও পরিচিত লোকের কাছে জানা ঘটনা থেকে একাধিক ঘটনা বর্ণনা করতে পারি,
👉 তার মাঝে একটি উদাহরণ দেই-
সাভার পুলিশ সেনানিবাসের গিয়ে অ*স্ত্র জমা দিতে চেয়েছিলল ৪ আগষ্ট কিন্তু সেনাবাহিনীর তা জমা না নিয়ে গালিগালাজ করে..কিন্তু কেনো???
(এই ঘটনা নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত লিখব)

🔸 এটা যে পূর্বপরিকল্পিত তা বলার অপেক্ষা রাখেনা,
👉 জুলাই আগষ্টে পুলিশের এসব ঘটনা লক্ষ ছিল যে- পাবলিক, মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক মাধ্যমের সামনে দাঁড় করিয়ে দেবার ইস্যু যে পুলিশ তোমাদের বিপক্ষে সুতরাং পুলিশ কি*লিং জায়েজ।

🔹 সব বাহিনীই সরকারের নির্দেশ পালন করছিলো।
👉 তার মধ্যে কেউ হিরো, কেউ ভিলেইন হবার নেপথ্যে কিসের কলকাঠি নাড়ানাড়ি?

🔻 রহস্য, ষড়যন্ত্র কী??করা এর পেছনে???

♦️ রহস্য উদঘাটন করবো ইনশাআল্লাহ

- Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

📅 ২০২৪ | জুলাই-আগস্ট

কিছু বিজিবি-BGB সদস্যরা আছে যারা গত জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে নিজ ইচ্ছায় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গুলি করে যদিও BGB কে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে নামনো হয়েছিলো এরপর কয়েকজন সদস্যের আচার-আচরণ সন্দেহজনক ছিলো।

যারা গু*লি করেছেই যেনো আন্দোলন তীব্র হয় এবং এর পেছনে তাদের বিশেষ উদ্দেশ্য আছে সেটিও স্পষ্ট।

১. ৫ আগষ্ট রাত পর্যন্ত সেনাপ্রধান পুলিশকে হ*ত্যার জন্য জনতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে রাখলেও, বিজিবি কে সেনাপ্রধান ৫ আগষ্টের আগেই নিরাপদে সড়িয়ে নিয়েছেন।

২. তাহলে পুলিশকে কেনো মৃত্যুর দিকে দেওয়া হলো???

৩. কেনো পুলিশ ও বিজিবি বেলায় এই বৈষম্য???

© Afifa Hossain Ontora

02/07/2026
02/07/2026

🚨 জুলাই আগষ্টে আওয়ামী লীগ-পুলিশ হত্যা-১
📅 ৫ আগস্ট ২০২৪---

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যশোর শহরে কথিত বিজয় মিছিল যাকে আমি বলবো অরাজকতার উল্লাস চলা কালে সেই উল্লাস থেকে ছাত্র-জনতা শহরের চিত্রা মোড়ে হোটেল দ্য জাবির যশোরে ভাঙচুর শুরু করে।

দ্বিতীয় দফায় ৪টার দিকে তারা গানপাউডার দিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় হোটেলের নিচ থেকে ১২, ১৩ ও ১৪ তলায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে যান।

এ সময় হোটেলে আটকা পড়া কয়েকজন ১৪ তলার বারান্দায় গিয়ে উদ্ধারের জন্য হাত নেড়ে ও নিশানা উড়িয়ে আকুতি জানায়।
উদ্ধারকারী একটি হেলিকপ্টার হোটেলের ছাদে ল্যাযশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ গতকাল রাত ৯টার দিকে কালের কণ্ঠকে জানান, জাবির হোটেলে অগ্নিদগ্ধ পাঁচজনের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে আনে ফায়ার সার্ভিসের টিম। পরে আরো আটজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আ-শঙ্কা-জনক কিছু সময় পর এই আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরো ১০ জন নিহত হয়।

সবমিলিয়ে আওয়ামী লীগ ও চাকলাদারের সমর্থকই ২১ এর মাঝে ২ জন জ*ঙ্গী সদস্য আগুন লাগাতে গিয়ে আটকে পরে মারা যায়।দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—চয়ন (২০) ও সেজান হোসেন (১৯) এবং একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলো।

ফায়ার সার্ভিস যশোরের উপ-ফররিচালক, যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোছাইন এদের সথে তখন যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারি নাই।

আগস্ট বেলা তিনটার দিকে ৩০০-৪০০ দুর্বৃত্ত গানপাউডার ও পেট্রোল নিয়ে হোটেলের মধ্যে ঢোকে।
প্রথমে লুটপাট শুরু করে। দুর্বৃত্তরা হোটেলের ক্যাশ ভোল্ট ভেঙে ৯০ লাখ টাকা চুরি করে। ১০০টি ফ্রিজ, ১০০টি স্মার্ট টেলিভিশন, ৪৫০ কিলোভেল্টের দুটি জেনারেটর, হোটেলের স্টোরের রাখা বিভিন্ন ধরনের মালামাল, আসবাবসহ মূল্যবান সম্পদ লুট করে। এরপর গানপাউার ও পেট্রোল দিয়ে হোটেলের ১ তলা থেকে ১৬ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে ওই হোটেলে থাকা ইন্দোনেশিয়ার এক নাগরিকসহ ২৪ জন পুড়ে মারা যান।

ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকায় সে সময় অভিযোগ দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই মামলা করতে দেরি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে শাহীন চাকলাদারের হোটেল ছাড়াও তাঁর শহরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলার বাসভবন, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, শহরের বকুলতলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, শেখ রাসেলের ভাস্কর্যসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শহরের চাঁচড়ায় যশোর-১ আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের বিভিন্ন ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরান্ড করার চেষ্টা করে ব্য*র্থ হয়।।

📊 ৫ আগস্ট ২০২৪ রিপোর্ট-১
মোট নিহত ২৬ জন
আওয়ামী লীগ ও চাকলাদার সমর্থকঃ ২১ জন
বিদেশিঃ ১ জন
তাথাকথিত সমন্বয়কঃ ২ জন
আমজনতাঃ ২ জন

হিসাবে কষে রখুন সবাই না হয় লাক প্রয়োজন হবে

- Afifa Hossain Ontora

02/07/2026

🔍 আমি পিনাকী, ইলিয়াস, কনক, বিএনপি, জামাত, সমন্বয়কদের সবার ভিডিও টকশো দেখি...

এই কারণে দেখি যাতে করে তারা কী করছে কী ষড়যন্ত্র করলে কী বলছে কিভাবে জনগণের কাছে সত্য মিথ্যা প্রচার করছে আর জনগণ কেনো যাচাই-বাছাই না করে গিলে খাচ্ছে...

👉 এগুলো জানার ইচ্ছা কিন্তু তাদের কথা শুনে তাদের মতাদর্শ বা তাদের পীর মানি না—ভিডিও টকশো দেখি জানার জন্য...

❗ এগুলো না জানলে তাদের মিথ্যাচারে কাউন্টার দেবো কিভাবে????

---

⚠️ আর না জেনে শুনে কাউন্টার দিলে তো জুলাই আগষ্টে আমাদের এমপি মন্ত্রীদের মতো অবস্থা হবে....

যারা কী-না এই পরিকল্পনা তথাকথিত আন্দোলনকে কোটা আন্দোলন ভেবে নেত্রীকে ভুল ইনফরমেশন দিয়েছে প্রতিদিন,
জ*ঙ্গীরা ফাঁদ পেতেছে আর আমাদের নেতা এমপি মন্ত্রীরা আবালের মতো সেই ফাঁদে পা দিয়ে ডিবি হারুনের মতো চৌকস পুলিশ অফিসারকে জনগণের সামনে দাড় করিয়ে ডিবি কে ধ্বংস করলো—সেখানেই পুলিশ ৫০% শেষ।

👉 শুরুতেই দায়িত্বশীল লোক যাদের কথা শিক্ষার্থীরা শুনে মানে তাদের নামিয়ে শিক্ষার্থীদের চোখে শত্রু বানিয়ে দিলো।
👉 হুদাই ছাত্রলীগের নাম নিয়ে শেষ করে দিলো অথচ কোটা আন্দোলনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও ছিলো।
👉 আর বেফাঁস মন্তব্য তো ছিলোই—কই কী বলতে হবে সেটাও জানতো না।

---

❗ দলের সাধারণ সম্পাদকে সবাই সম্মান করতো কিন্তু তখন কী হলো—সম্মান ধরে রাখতে পারে নাই।

❗ আর জন্মের পর একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী-কে এতোটা ঘাবড়ে যেতে দেখি নাই—লাস্ট সংবাদ সম্মেলন দেখলেই বোঝা যায়।

👉 সবাই যখন জানতে পারলো এটা কোটা আন্দোলন না—একটা প্রজেক্ট—তখন মুখ বন্ধ করে ফেললো।

---

🔺 এই হলো আমাদের সেই আবাল এমপি মন্ত্রীদের প্রতিপক্ষকে বা প্রতি পক্ষের ভিডিও, বক্তব্য, আলোচনা, টকশো না দেখার ফলাফল...

👉 যখন আসলটা বুঝলো—তখন দেরি হয়ে গেছে।
👉 কিন্তু প্রতিপক্ষ আগেই বলে দিয়েছে কী হবে, কীভাবে হবে, উদ্দেশ্য কী।

---

🧠 “আপা সমস্যা নাই আমরা আছি তো সব সমাধান করবো,
আপা দেশের মানুষ ভালো আছে,
আপা আন্দোলন আমাদের নিয়ন্ত্রণে সমস্যা নাই”

👉 এই কথা বলা নেতা, এমপি মন্ত্রী ও তাদের কিছু সমর্থকরা কখনো সেই আলোচনা গুলো শুনে নাই।
👉 সামনে আসলেও গালি দিয়ে চ্যানেল পাল্টেছে।

---

📊 অথচ ২০২২-২০২৩-২০২৪ এর রাজনৈতিক টকশো গুলো দেখলেই—

👉 সব পরিষ্কার না হলেও—
👉 জুলাই আগষ্টের ঘটনা দেখে ব্রেণে কড়া নাড়তো—
👉 “এই ঘটনার সাথে ওই টকশোর মিল আছে”

👉 তখন অনেক কিছুই করা যেতো।

---

📢 ২০২২-২০২৪ বিএনপির নেতারা টকশোতে বার বার বলেছে—
👉 বাংলাদেশ শ্রীলংকার মতো হবে—
👉 তাই তো হয়েছে ৫ আগষ্ট—যা তারা পরিকল্পিত ভাবে বাধ্য করেছে।

👉 তারা বলেনি অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া—বলেছে “দেউলিয়া হবে”—
👉 দেউলিয়া তো অনেকভাবে হতে পারে।

---

📢 বিএনপির নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক, দুদু—
👉 বার বার বলেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পেন্ট রেখে লুঙ্গি পরে নৌকা দিয়ে পালাবে।

👉 সাবেক আইনমন্ত্রী ও সালমান এফ রহমানের গ্রেফতার—
👉 এখন বুঝা যায় এটি পরিকল্পিত নাটক??

---

📢 গোলাম মাওলা রনি—
👉 বারবার বলেছে—
👉 “আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাক, নিষিদ্ধ হোক, জনরোষে পড়ুক”

👉 ২০২১ সালে বলা কথা—
👉 এখন মিলিয়ে দেখুন—মিলে যায়।

---

🔻 কারণ এই পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই চলছিলো।
👉 ২০১৮ সাল থেকেই বড় নেতারা এক ছায়াতলে যুক্ত ছিলো—৫ আগষ্ট পর্যন্ত।

👉 তারা জানতো—
👉 তাদের নেতাকর্মীদের সেভাবেই কাজে লাগিয়েছে—
👉 এবং সফল হয়েছে।

---

⚠️ কারণ আমাদের নেতাকর্মীদের—
👉 গবেষণা, বিশ্লেষণ, পর্যবেক্ষণে আগ্রহ ছিলো না
👉 ছিলো—নিজেদের ভেতরে কোন্দল

👉 ফলাফল—পরাজয়

---

📺 ২০২২-২০২৪ পর্যন্ত তাদের সব টকশো দেখলেই—
👉 বুঝা যায় তারা আগে থেকেই বলেছে
👉 তাদের ভক্তরা সেই অনুযায়ী আন্দোলনে টাইমিং মিলিয়েছে

---

🚫 এমন একদল আছে যারা স্ট্যাটাস দেয়—
👉 “বিএনপি জামাতের লোকেরা ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে চলে যাও”

👉 অথচ তারা ভাবে না—
👉 তাদের না থাকলে জানবে কিভাবে কী হচ্ছে?

👉 ফেসবুক এখন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক যোগাযোগমাধ্যম

---

⚔️ আর কারো সাথে যু*দ্ধ করার আগে—
👉 জানতে হবে তার আন্তর্জাতিক সংযোগ কী
👉 কার সাথে চুক্তি আছে

👉 কারণ এক দেশের সাথে আরও ১০-২০টা দেশ যুক্ত থাকে

---

📌 তাই—
👉 পরিকল্পনা করা
👉 পরিকল্পনা বোঝা
👉 নেতৃত্ব দেওয়া
👉 দল চালানো
👉 এমপি-মন্ত্রী হওয়া

❗ এগুলোর আগে গবেষণা ও পড়াশোনার কোনো বিকল্প নাই

---

✍️ © Afifa Hossain Ontora

Address

32 Dhanmondi
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afifa Ontora - Strategic Intelligence posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share