02/07/2026
বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেটের (আইএসআইএস) স*ন্ত্রাসী কার্যক্রমঃ
২০০২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, আওয়ামী লীগের সদস্য এবং পুলিশের উপর দেশীয় তৈরি বোমা, গ্রেনেড ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিলো। ২০১৫ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্য-ভিত্তিক ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস) বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এবং তাদের লক্ষ্যও একই ধরনের ছিল।
আইএসআইএস গঠিত হয়েছিল জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি), হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামী (হু'জি-বি), হিযবুত তাহরীর, আহলে হাদীস এবং আল-কা'য়ে'দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর প্রাক্তন সদস্যদের নিয়ে।
আইএসআইএস-এর প্রশিক্ষিত অনেক সদস্য জিহাদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর আ'ফগানি'স্তান, সিরিয়া এবং ইরাকে যু'দ্ধ করতে গিয়েছিল।
আইএসআইএস-এর অনুসারীরা বাংলাদেশে দুই বছরে(২০১৫-২০১৭) ২৯টি হামলার দায় স্বীকার করেছে, যার মধ্যে হোলি আর্টিজান বেকারির হত্যাকাণ্ডও অন্তর্ভুক্ত।
এই হা'মলাগুলোতে বিদেশি ও হিন্দু পুরোহিতসহ কমপক্ষে ৫৫ জন নি'হত হয়েছিলেন।
এছাড়াও, সেই সময়ে কমপক্ষে ১৫টি অনুরূপ হত্যাকাণ্ড ও বোমা এবং ধারালো অস্ত্রের হামলা চালানো হয়েছিল, যার মধ্যে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ, মাজার এবং বেশ কয়েকটি ইসকন মন্দির ও অনুসারীদের ওপর হামলা উল্লেখযোগ্য।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ২০১৫ সালে প্রাক্তন সেনা #মেজর_মোহাম্মদ_আবদুল্লাহর ছেলে #আবদুল্লাহ_আল_গালিবকে গ্রেপ্তারের পর প্রথম আইএসআইএস-এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানা যায়। #গালিব ২০১৪ সালে জুনুদ আত-তাওহীদ ওয়াল খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা তাকে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস-এর তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছিলো, যেখানে সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ১০ থেকে ১২ জন সদস্যের সাথে বৈঠক করছিলো।
আইএসআইএস-এর শাখা গঠনের আগে, গালিব হি'য'বুত তাহরীর, জে'এম'বি এবং আল-কায়েদার সহযোগী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সাথে যুক্ত ছিলো।
গালিব যশোরের লেবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা।সে রাজধানীর পেনস্প্যান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে "ও" এবং "এ" লেভেল এবং ২০১৩ সালে জিইডি পাস করেছিলো। পুলিশ জানিয়েছিলো সে সুগন্ধি ও পোশাক সামগ্রী বিক্রির সাথে জড়িত ছিলেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সদস্য সংগ্রহ করতো। আরবিতে দক্ষ গালিব দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় জিহাদী কার্যক্রমের ভিডিও ফুটেজ দেখাতো।
২০১৪ সালের অক্টোবরে, গালিব একটি বাংলা ডাবিং করা ইংরেজি সাবটাইটেল সহ ভিডিওতে তৎকালীন আইএসআইএস প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদির প্রতি তার আনুগত্য প্রকাশ করে এবং আল-কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরির প্রশংসা করে,যেখানে সে বলেছিলো "আমাদের মুজাহিদ ভাইয়েরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত।"
তার গ্রেপ্তারের আগে, কয়েক ডজন লোক আইএসআইএস-এ যোগদানের জন্য তুরস্ক হয়ে সিরিয়া এবং ইরাকে গিয়েছিল। কিছু নিয়োগকারী এবং প্রশিক্ষক বাংলাদেশ পরিদর্শন করেছিলো, যার মধ্যে আইএসআইএস-বাংলাদেশ-এর কানাডিয়ান-বাংলাদেশী নেতা এবং ২০১৬ সালের ১লা জুলাই ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান ক্যাফে হা*মলার মূল পরিকল্পনাকারী তামিম আহমেদ চৌধুরী অন্তর্ভুক্ত।
"এক্স-ক্যাডেট ইসলামিক লার্নিং ফোরাম"-- নামক একটি ফেসবুক গ্রুপ এই তরুণদের নিয়োগে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। এই গ্রুপটির প্রধান অ্যাডমিন ছিলো সুজিত দেবনাথ, যিনি জাপানে পড়াশোনা করছিলো এবং ইসলাম গ্রহণ করার পর সাইফুল্লাহ ওজাকি নাম ধারণ করেছিলো। তাকে সহায়তা করেছিলো প্রায় ২০-২৫ জন, যাদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম বেগ, বরখাস্তকৃত সেনা মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, সাকিব বিন কামাল, জুননুন সিকদার, নাজিবুল্লাহ আনসারী এবং #আসাদুল্লাহ_গালিব বাংলাদেশ থেকে এবং এটিএম তাজউদ্দিন যিনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন, তারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৩৮ জন বাংলাদেশী আইএসআইএস-এ যোগদানের জন্য বিভিন্ন দেশ ঘুরে সিরিয়ায় পৌঁছেছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জন সিঙ্গাপুর হয়ে, ৯ জন তুরস্ক হয়ে, ৭ জন মালয়েশিয়া হয়ে, ৪ জন সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে, ২ জন জাপান হয়ে এবং ১ জন করে কাতার, ইরান ও সৌদি আরব হয়ে গিয়েছিল।
২০১৫ সাল থেকে আইএসআইএস-এর সদস্যদের ব্যাপক গ্রেপ্তারের পরও জঙ্গি দলটি সারা দেশে কয়েক ডজন হামলা চালায়। আইএসআইএস-এর মিডিয়া উইং ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৯টি হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর পদক্ষেপের কারণে, পরবর্তী বছরগুলিতে হামলার সংখ্যা কমে যায়।
প্রথম কোন বাংলাদেশী আইএসআইএস যোদ্ধা হিসেবে সিরিয়া বা ইরাকে গিয়েছিল তা নিশ্চিত করা যায়নি। বিভিন্ন রিপোর্টে প্রথম যে নামটি উঠে আসে সেটি হলো সাইফুল হক সুজন, যুক্তরাজ্যের কার্ডিফের বাসিন্দা, যিনি ২০১৪ সালে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী এবং তিন সন্তান নিয়ে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন। ২০১৫ সালের ২৯শে ডিসেম্বর, মার্কিন সরকার ঘোষণা করে যে, এর আগের মাসেই আইএস-এর প্রধান কার্যক্রমের কেন্দ্র সিরিয়ার রাক্কা শহরের কাছে একটি বিমান হামলায় সুজন নিহত হয়েছিলেন। মার্কিন সেনাবাহিনী তাকে একজন কম্পিউটার হ্যাকার এবং আইএসআইএস-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে অনেক যো*দ্ধা নিয়োগ করেছিলো.....
আইএসআইএস-এর দায় স্বীকার করা হা*মলাসমূহ:
১. ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫: ইতালীয় নাগরিক চেসারে তাভেলা ঢাকার গুলশান এলাকায় সাইলেন্সার ব্যবহার করে হত্যা।
২. ৩ অক্টোবর, ২০১৫: জাপানি নাগরিক হোশি কুনিওকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় তার ঘাস ফার্মে রিকশা করে যাওয়ার সময় মুখোশধারী বন্দুকধারীরা গু'লি করে হত্যা।
৩. ২৪ অক্টোবর, ২০১৫: পবিত্র আশুরার একদিন আগে ঢাকার হোসাইনী দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় গ্রেনেড হামলায় একজন কিশোরসহ ২ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত।
৪. ৪ নভেম্বর, ২০১৫: পুলিশ কনস্টেবল মুকুল হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়ায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে ছু'রিকাঘাতে হ*ত্যা এবং অপর একজন আহত।
৫. ৮ নভেম্বর, ২০১৫: রংপুরের বাহাই সেন্টারের পরিচালক এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পিএস রুহুল আমিনকে একটি বাইকে থাকা তিন ব্যক্তি সাইলেন্সার ব্যবহার করে গু'লি করে আ'হত করে।
৬. ১০ নভেম্বর, ২০১৫: আইএসআইএস রংপুরের কাউনিয়াতে মাজারের তত্ত্বাবধায়ক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলীকে হ'ত্যা করে।
৭. ১৮ নভেম্বর, ২০১৫: ইতালীয় ডাক্তার-পুরোহিত পিয়েরো পারোলারি দিনাজপুরে সাইলেন্সার ব্যবহার করে গু'লি করা থেকে বেঁচে যান।
৮. ২৬ নভেম্বর, ২০১৫: বগুড়ায় একটি শিয়া মসজিদে মেশিনগান হা'মলায় ১ জন নি'হত এবং ৩ জন আ'হত।
৯. ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫: রাজশাহীর বাগমারাতে একটি আহমদিয়া মসজিদে ১ জন আ'ত্মঘাতী বো'মা হা'মলাকারী নিহত এবং ১০ জন আহত।
১০. ৭ জানুয়ারি, ২০১৬: ঝিনাইদহের বেলেখাল বাজারে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার ছামির উদ্দিন মণ্ডল (সামির আল-দিন) কে ছুরিকাঘাতে হ'ত্যা।
১১. ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি এলাকায় হিন্দু হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী তরুণ দত্ত (৪৫) এর শি'রশ্ছেদ করা হয়।
১২. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬: হিন্দু পঞ্চগড় মন্দিরের পুরোহিত যোগেশ্বর রায়কে আইএসআইএস সদস্যরা গলা কেটে হ'ত্যা করে।
১৩. ১৪ মার্চ, ২০১৬: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের শিয়া প্রচারক আবদুর রাজ্জাককে ছু'রিকাঘাতে হ'ত্যা।
১৪. ২২ মার্চ, ২০১৬: খ্রিস্টান ধর্মান্তরিত মুক্তিযো'দ্ধা এবং সরকারি কর্মচারী হোসেন আলী সরকারকে কুড়িগ্রাম শহরে সকালে হাঁটার সময় গলা কেটে হ'ত্যা।
১৫. ২৩ এপ্রিল, ২০১৬: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিককে শহরের শালবাগান এলাকায় কু'পিয়ে হ'ত্যা।
১৬. ৩০ এপ্রিল, ২০১৬: টাঙ্গাইলের হিন্দু দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ার্দারকে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
১৭. ১৪ মে, ২০১৬: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশাড়ির চাকপাড়া মন্দিরের বৌদ্ধ পুরোহিত মং শু উ (৭০) কে গলা কেটে হ'ত্যা।
১৮. ২০ মে, ২০১৬: কুষ্টিয়ার হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ও বাউল ভক্ত সানওয়ার হোসেন (৬০) কে কু'পিয়ে হ'ত্যা; হামলায় তার বন্ধু ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইফুজ্জামান আহত।
১৯. ২৫ মে, ২০১৬: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হিন্দু জুতা বিক্রেতা দেবেশ চন্দ্র প্রামাণিক (৬৮) কে হ'ত্যা।
২০. ৫ জুন, ২০১৬: নাটোরের বারগ্রামের বনপাড়া খ্রিস্টান পল্লীর খ্রিস্টান মুদি দোকানদার সুনীল গোমেজ (৬০) কে গলা কেটে হ'ত্যা।
২১. ৭ জুন, ২০১৬: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের হিন্দু পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী (৬৪) কে মন্দিরে যাওয়ার সময় কু'পিয়ে হ'ত্যা।
২২. ১০ জুন, ২০১৬: পাবনার হেমায়েতপুরে হিন্দু মঠ কর্মী নিত্যরঞ্জন পান্ডে (৬২) কে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
২৩. ৩০ জুন, ২০১৬: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মারমা সম্প্রদায়ের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মং সানু মারমাকে হ'ত্যা।
২৪. ১ জুলাই, ২০১৬: ঝিনাইদহের উত্তর কাসতাসাগরহা এলাকার শ্রী শ্রী রাধা মদন গোপাল মন্দিরের হিন্দু পুরোহিত শ্যামানন্দ দাস, যিনি বাবা নামেও পরিচিত, ফুল তোলার সময় তাকে কু'পিয়ে হ'ত্যা করা হয়।
২৫. ১ জুলাই, ২০১৬: ঢাকার হোলি আর্টিজান বেকারি ও ও' কিচেন হা'মলায় ২৩ জন নি'হত; সেনা কমান্ডো অপারেশন থান্ডারবোল্টে ৫ জন হা'মলাকারী নি'হত; মোট ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়।
২৬. ২৩ আগস্ট, ২০১৬: নরসিংদীতে হিন্দু মুদি দোকানদার চিত্তরঞ্জন আর্য (৪৮) হাসুয়া হা'মলায় বেঁচে যান।
২৭. ১৭ মার্চ, ২০১৭: ঢাকার আশকোনায় RAB ব্যারাকে আত্ম'ঘাতী হা'মলায় ২ জন আহত।
২৮. ২৪ মার্চ, ২০১৭: ঢাকা বিমানবন্দর মোড়ের কাছে একটি পুলিশ চেকপোস্টে হা'মলা চালানোর আগে একজন আ'ত্মঘাতী হা'মলাকারী ভুলবশত নিজেকে হ'ত্যা করে; ৩-৪ জন আহত।
২৯. ২৫ মার্চ, ২০১৭: সিলেটের একটি জ'ঙ্গি আস্তানার কাছে আ'ত্মঘাতী/টাইম বো'মা বিস্ফোরণে RAB গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদসহ ৭ জন নি'হত এবং ৫০ জনেরও বেশি আ'হত।
একই গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত কিন্তু দায় স্বীকার করা হয়নি এমন হা'মলাসমূহ:
১. ৫ অক্টোবর, ২০১৫: পাবনার ঈশ্বরদীতে খ্রিস্টান পুরোহিত লুক সরকারের উপর হ'ত্যার চেষ্টা।
২. ২২ অক্টোবর, ২০১৫: গাবতলী পুলিশ চেকপোস্টে এএসআই ইব্রাহিম মোল্লাকে ছুরিকাঘাতে হ'ত্যা এবং অপর একজন আহত।
৩. ১২ নভেম্বর, ২০১৫: নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রতীকী কারবালায় শিয়া মাজারের তত্ত্বাবধায়ক হাসনাইন হাসুয়া হা'মলায় বেঁচে যান।
৪. ৩০ নভেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের ইসকন জেলা ইউনিটের সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ রায় ব'ন্দুক হা'মলায় বেঁচে যান।
৫. ৪ ডিসেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের কাহারোলে কান্তজিউ মন্দিরে বো'মা বি'স্ফোরণ।
৬. ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫: দিনাজপুরের ইসকন মন্দিরে বো'মা ও বন্দুক হা'মলা।
৭. ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫: চুয়াডাঙ্গার আকুন্দবাড়িয়ায় ১০-১২ জনের একটি দল কর্তৃক বাউল ভক্ত জাকারিয়া হোসেন জাকিরকে কু'পিয়ে হ'ত্যা।
৮. ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫: চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঘাঁটির মসজিদে আত্মঘাতী গ্রে'নেড হা'মলায় ২৪ জন আহত।
৯. ২২ এপ্রিল, ২০১৬: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি গ্রামের হাটে ছু'রিকাঘাতের একদিন পর সত্তরোর্ধ্ব হিন্দু পুরোহিত পরমানন্দ রায় গুরুতর আঘাত নিয়ে মা'রা যান।
১০. ৭ জুলাই, ২০১৬: শোলাকিয়া ঈদ জামাতে পুলিশের উপর হাতবো'মা, বন্দুক ও হাসুয়া হা'মলায় ২ জন পুলিশ সদস্য এবং ১ জন নারী নি'হত।
আইএস-অনুপ্রাণিত হা'মলাসমূহ:
১. ১৩ মার্চ, ২০১৭: দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে একজন পীর এবং তার পালিত কন্যাকে গু'লি করে হ'ত্যা ও গলা কে'টে হ'ত্যা।
২. ৮ মে, ২০১৭: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একটি আহমদিয়া মসজিদের ইমাম হাসুয়া হা*মলায় আহত।
৩. ১৬ আগস্ট, ২০১৭: নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে তিন যুবক কর্তৃক হাসুয়া হা'মলায় মাজারের তত্ত্বাবধায়ক সোনা মিয়া নি'হত।
৪. ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭: মুন্সিগঞ্জে মাজারের তত্ত্বাবধায়কসহ ২ জন নারী নি'হত।
© Afifa Hossain Ontora