Sampa's Diary

Sampa's Diary Welcome to my page Sampa's Diary�

♥️♥️
17/05/2025

♥️♥️

নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপাড়েতে সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস।  –  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
17/05/2025

নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপাড়েতে সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস। – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমি শিখেছি নিজের জন্য বাঁচতে হয়আমি জীবনে অনেককিছুর ভিড়ে হেঁটেছি।অনেক মুখ চিনেছি।অনেক কথা কানে এসেছে—কিছু সরাসরি, কিছু ফি...
12/05/2025

আমি শিখেছি নিজের জন্য বাঁচতে হয়
আমি জীবনে অনেককিছুর ভিড়ে হেঁটেছি।
অনেক মুখ চিনেছি।অনেক কথা কানে এসেছে—কিছু সরাসরি, কিছু ফিসফাসে।
প্রথম প্রথম খুব লাগতো।
ভেতরটা যেন কেউ কুচিকুচি করে ছিঁড়ে দিত।
চোখের সামনে হাসি, পিছনে বিষ—এই দ্বিমুখী আচরণ আমায় অবাক করতো।
আমি ভাবতাম, কেন?আমি তো কারো ক্ষতি করিনি।আমি তো সবাইকে আপন ভেবেছিলাম।
তারপর একদিন বুঝলাম—সবাই আপন হয় না।সবাই আপনার ভালো চায় না।
অনেকেই অপেক্ষা করে কখন আপনি হোঁচট খাবেন, কখন আপনি ভেঙে পড়বেন, যাতে তারা আড়ালে দাঁড়িয়ে নীরব আনন্দে ভাসতে পারে।

আমি তখন সিদ্ধান্ত নিলাম—আর নয়।
নিজের শান্তি, নিজের সম্মান—এবার নিজের হাতে রাখবো।
কারও কথায় কান দেব না, কারও ছোট করে দেওয়া ভ্রুকুটি আমায় স্পর্শ করবে না।
যখন কেউ বলেছে, "তুমি পারবে না," আমি আর পাল্টা জবাব দেইনি।
শুধু মন খুলে হাসছি।কারণ আমি জানি, তারা আমার গল্পের লেখক নয়।
আমার গল্প আমি নিজেই লিখবো।
আমার ব্যর্থতারও মালিক আমি, আমার সাফল্যেরও মালিক আমি।

আমি শিখেছি—সব প্রশ্নের উত্তর দিতে নেই।
সব অপমানের প্রতিবাদ করতে নেই।
চুপচাপ নিজের কাজ করে যেতে হয়।
চুপ থাকা কোনো দুর্বলতা নয়; বরং ওটাই সবচেয়ে বড় শক্তি।আমি এখন অন্যরকম জীবন বেছে নিয়েছি।
যখন অন্যেরা পেছনে কথা বলে, আমি সামনের রাস্তা খুঁজি।যখন ওরা আমাকে ছোট করে, আমি আরও উঁচুতে উঠি।
আর যখন বিষ ছড়ায়, আমি গন্ধ শুকি গোলাপের।

এখন আমি জানি—কারও জন্য থেমে থাকবো না।কারও ব্যর্থ আনন্দের উৎস হব না।আমি এখন সময় বের করি নিজের জন্য—এক কাপ চায়ে মুগ্ধ হই, নিজের প্রিয় বই পড়ি, ছাদে উঠে আকাশ দেখি, পুরনো ছবিতে হারিয়ে যাই।আমি বাঁচি।নিজের জন্য বাঁচি।আমি শিখেছি—কিছু সম্পর্ক ছেড়ে দিলে জীবন হালকা হয়।
কিছু তিক্ততা মন থেকে মুছে দিলে নিঃশ্বাস গভীর হয়।
সবাইকে সাথে নিয়ে চলা যায় না—এটা মেনে নিতে হয়।
কারণ জীবনের পথে একাই হাঁটতে হয়—নিজের ছায়া সাথে নিয়ে।

আজ আমি কৃতজ্ঞ!
সেই সব আঘাতের জন্য,
যা আমাকে ভেঙে না দিয়ে গড়ে তুলেছে।
সেই সব একাকীত্বের জন্য,
যা আমায় নিজেকে ভালবাসতে শিখিয়েছে।আমি এখন জানি—
আমি কারো প্রমাণ নই, আমি কারো গল্প নই।আমি নিজের গল্প।
নিজের সৃষ্টি।নিজের শক্তি।।🌸🙂

আমার হাতে ক্লে দিয়ে তৈরি কিছু জিনিস 🥰        🎃🥰😍🤩
11/05/2025

আমার হাতে ক্লে দিয়ে তৈরি কিছু জিনিস 🥰
🎃🥰😍🤩

একটা সুন্দর সংসার ওদেরও হতে পারতো...আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মেয়েরই একটা নিজের সংসার গড়ে তোলার স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যায়। শ...
09/05/2025

একটা সুন্দর সংসার ওদেরও হতে পারতো...
আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মেয়েরই একটা নিজের সংসার গড়ে তোলার স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যায়।
শুধুমাত্র শ্বাশুড়ির কারণে। স্বামীর পাশে একটা ভালোবাসার জায়গা খুঁজে নিতে গিয়ে তাকে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হয়। এমনকি অনেক সময় ছেলে-বউ হানিমুনে পর্যন্ত মা-বোন সেখানে উপস্থিত!
কিন্তু যখন ছেলের বউ একটু আলাদা হয়ে থাকতে চায়, তখন সমাজ বলে----
"বউ ভালো না। ছেলে বদলে গেছে।"

বউ যদি রাস্তায়ও থাকে, তবুও এদের 'মান-সম্মান' নষ্ট হয় না। কিন্তু যদি সেই বউ একটু আলাদা ঘর চায়, একটু স্বাধীনতা চায়....
তখনই নাকি সমাজ কাঁপে। অথচ মজার বিষয় হলো, সেই মা-ই যখন নিজের মেয়েকে তার জামাই বিয়ের পর আলাদা ফ্ল্যাটে রাখে, তখন মেয়ের জামাই খুবই ভালো, দায়িত্বশীল, সম্মানিত পুরুষ হয়ে যায়!

এই দ্বৈত মানসিকতা খুবই ভয়ানক।

আমি এমন কথাও শুনেছি—একজন ছেলে তার স্ত্রীকে বোঝাচ্ছে, “আর ক’দিনই বা মা বাঁচবে? মা মারা গেলেই তুমি শান্তিতে সংসার করতে পারবা।” ভাবুন তো, একজন মা কতটা টক্সিক হলে, একজন ছেলে নিজের সুখের জন্য মায়ের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করে! কথাটা কষ্টের, তবু নির্মম বাস্তব।

আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, যেসব মায়েরা জানেন....
তারা ছেলের সংসার মেনে নিতে পারবেন না, তারা ছেলেকে আগেই বলে দেওয়া উচিত, “তুমি বিয়ে কোরো না। সারাজীবন শুধু আমাকে নিয়ে থেকো, আমার জন্য ইনকাম কোরো, কারণ তোমার বউয়ের সঙ্গে আমি তোমাকে মানিয়ে নিতে পারবো না।”

তাছাড়া এমন না যে উনার শুধু একটাই ছেলে। যখন দেখছিলো তাকে নিয়ে ছেলে-বউ এর মাঝে অশান্তি চলছে, তখন নিজে থেকেই তাদের কে কিছু দিনের জন্য একটু স্পেস দিতে পারতেন। এতে সময়ের সাথে হয়তো সবকিছু একটু একটু করে স্বাভাবিক হয়ে আসতো।

একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখা যায়, শ্বাশুড়ি নামক মানুষটিও তার জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু সেই কষ্ট থেকে শিক্ষা না নিয়ে, তিনি সেটা আরেক নারীর উপর চাপিয়ে দেন। তার ছেলের বউয়ের উপর। অথচ হওয়া উচিত ছিলো ঠিক উল্টোটা....
--যে কষ্ট আমি পেয়েছি, তা যেন আমার মেয়ে বা ছেলের বউ কেউই না পায়।

কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু মা-বাবা সরল সন্তানকে ব্যবসার মতো ব্যবহার করেন। বিয়েতে, ইনকামে, সংসারে, সবকিছুতেই হিসেব মেলান। সেই ছেলেটা চুপ করে থাকে, কারো মুখের উপরে কিছু বলতে পারে না, মা কে বললে মা কষ্ট পাবে, বউ কে বললে বউ কষ্ট পাবে।আর তাদের দুজন কে মানাতে গিয়ে ব্যর্থ হলে শুধু মুখ বুজে সহ্য করে যায়।

একটা মানুষ শারীরিক ভাবে আত্মহত্যা করার অনেক আগেই মানসিক ভাবে মৃত হয়ে যায়। যে পরিবারের আপন মানুষ গুলোর নজরে আসে না কখনোই। তাই দেহের বিদায়ের পরে সকলের যতো আহাজারি।

এখন মা ঠিকই গ্রামে থাকবে, আর বউ সে ও হয়তো নিজেকে সময়ের সাথে মানিয়ে নিবে৷ হয়তো দ্বিতীয় সংসারে আারো বেশি ধৈর্যশীল হয়ে থাকবে।
অথচ বেঁচে থাকতে যদি সেই মানুষ টা কে কেউ একটু বুঝতো....💔

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা এখানেই, নারীরাই নারীদের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময়।

নারীরাই যখন নারীদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই যন্ত্রণাটা দ্বিগুণ হয়ে ওঠে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sampa's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category