TruthBeam TV

TruthBeam TV Reporting in the Light of Truth"

এভাবেই কি চলবে দেশ?"জুলাইয়ের ঐক্য ধরে রাখাই হোক নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার"একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার অস্ত্রভাণ...
30/07/2026

এভাবেই কি চলবে দেশ?

"জুলাইয়ের ঐক্য ধরে রাখাই হোক নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার"

একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার অস্ত্রভাণ্ডার নয়, তার রাজনৈতিক সংস্কৃতি। আর সেই সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা এবং ভিন্নমতকে সম্মান করার মানসিকতা। যখন রাজনৈতিক মতভেদের কারণে হামলা, ভাঙচুর কিংবা সহিংসতার অভিযোগ সামনে আসে, তখন প্রশ্ন জাগে- এভাবেই কি চলবে দেশ?
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা শেষে তাদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ নতুন করে সেই প্রশ্নই সামনে নিয়ে এসেছে। এনসিপির অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় তাদের কয়েকজন মিডিয়া কর্মী আহত হয়েছেন, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ক্যামেরা, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। অন্যদিকে অভিযুক্তদের বক্তব্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয় এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকবে- এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। কিন্তু মতের অমিল যদি সহিংসতায় রূপ নেয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু একটি দল নয়; ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতি।

জুলাই আন্দোলনের কথা আজও মানুষের মনে তাজা। সেই আন্দোলনে নানা রাজনৈতিক মত, পেশা ও সামাজিক শ্রেণির মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি অধিক জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র। সেই ঐক্যের শক্তিই আন্দোলনকে ঐতিহাসিক গুরুত্ব দিয়েছিল। যদি সেই অর্জনের পর আবার রাজনৈতিক সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও বিভাজনই প্রধান বাস্তবতা হয়ে ওঠে, তাহলে জুলাইয়ের আত্মত্যাগের প্রকৃত শিক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।
বিশেষ করে তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ যেন সংঘর্ষের নয়, নেতৃত্ব, যুক্তি এবং সেবার প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়- এটাই সময়ের দাবি। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতার পালাবদল গণতন্ত্রের অংশ; কিন্তু সহিংসতা কখনো গণতন্ত্রের ভাষা হতে পারে না।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও জনগণের আস্থা অটুট রাখা জরুরি। যেকোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যদি তারা আইন সমভাবে প্রয়োগ করতে পারে, তবে জনগণের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হবে। আর যদি কোনো ঘটনায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে, সেটিও নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা উচিত।
আজ বাংলাদেশের প্রয়োজন নতুন কোনো বিভাজন নয়, নতুন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি। এমন একটি সংস্কৃতি, যেখানে বিরোধ থাকবে কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না; প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না; প্রতিবাদ থাকবে কিন্তু সহিংসতা থাকবে না।

জুলাইয়ের ঐক্য- সবার জন্য:
জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল ঐক্য। সেই ঐক্য কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা মতাদর্শের একচেটিয়া সম্পদ নয়। এটি বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্জন। তাই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করতে হলে বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, বামপন্থী দলসহ সব রাজনৈতিক শক্তি এবং নাগরিক সমাজকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ ও সহনশীলতার পথে এগিয়ে আসতে হবে।

যদি আমরা জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সত্যিকার অর্থে সম্মান জানাতে চাই, তবে আমাদের এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে হবে যেখানে রাজনৈতিক কর্মীকে তার মতের কারণে হামলার শিকার হতে হবে না, সাংবাদিককে ক্যামেরা হারাতে হবে না, আর রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান সহিংসতার প্রতীক হয়ে উঠবে না।

পরিশেষে, একটি সভ্য জাতির পরিচয় প্রতিপক্ষকে দমন করার ক্ষমতায় নয়, বরং ভিন্নমতকে নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করার মধ্যেই নিহিত। আসুন, আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়- সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করি। জুলাইয়ের ঐক্যকে বিভক্ত না করে, সকল পক্ষকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়াই হোক নতুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার।

(ছবিটি AI দ্বারা তৈরী)

ইরান কি হাইড্রোজেন বোমার অধিকারী? নতুন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনাআন্তর্জাতিক ডেস্ক:ইরান থার্মোনিউক্লিয়ার ব...
14/07/2026

ইরান কি হাইড্রোজেন বোমার অধিকারী? নতুন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরান থার্মোনিউক্লিয়ার বা হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করেছে- এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দাবিতে বলা হচ্ছে, ইরান নাকি ৩৫টি হাইড্রোজেন বোমা প্রস্তুত করেছে, যা সামরিক শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA), জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া কিংবা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের হাইড্রোজেন বোমা তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইড্রোজেন বোমা (থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র) তৈরি করা সাধারণ পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক বেশি জটিল প্রযুক্তির বিষয়। এ ধরনের অস্ত্রের সফল পরীক্ষা ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া কোনো দেশকে থার্মোনিউক্লিয়ার শক্তিধর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের এই সক্ষমতা মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে এসব দাবির স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য যাচাই এখনো পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নানা ধরনের তথ্য ও দাবি সামনে আসছে। তাই এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্র ও সরকারি ঘোষণার ভিত্তিতে তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হোয়াইট হাউসে হামলা করবে ইরান?নিউজ ডেস্ক:ওয়াশিংটন/তেহরান: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্...
14/07/2026

হোয়াইট হাউসে হামলা করবে ইরান?

নিউজ ডেস্ক:

ওয়াশিংটন/তেহরান: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়ালেও ইরান হোয়াইট হাউসে হামলা চালাবে- এমন কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সংঘাতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ ও কঠোর বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। সেখানে সরাসরি হামলা চালানো হলে তা দুই দেশের সংঘাতকে নজিরবিহীন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে এবং এর আন্তর্জাতিক পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। তাই এমন পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা সমর্থন করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রকাশ হয়নি।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানকে আত্মরক্ষামূলক বলে দাবি করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি হোয়াইট হাউসকে লক্ষ্য করে হামলার পরিবর্তে আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটি, নৌবহর বা কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা বেশি। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সর্বশেষ সরকারি ঘোষণা ও নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ওপর নজর রাখা জরুরি।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ: একটি মন্তব্য প্রতিবেদনপ্রতিবেদক: মারিয়া মিমইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সম...
28/06/2026

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ: একটি মন্তব্য প্রতিবেদন

প্রতিবেদক: মারিয়া মিম

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই সমঝোতার ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পাশাপাশি উভয় পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস এখনো রয়ে গেছে এবং বিচ্ছিন্ন সামরিক ঘটনার কারণে চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক বাণিজ্য সম্পর্কিত বিরোধের সমাধান খোঁজা। কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতার সফলতা নির্ভর করবে উভয় পক্ষ কতটা আন্তরিকভাবে চুক্তির শর্ত মেনে চলে তার ওপর। যদি কোনো পক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন করে বা নতুন সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, তাহলে আলোচনা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে, ধারাবাহিক কূটনৈতিক সংলাপ বজায় থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও রয়েছে।

বর্তমান বাস্তবতায় বলা যায়, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক হলেও তা এখনো নাজুক অবস্থায় রয়েছে। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের পারস্পরিক আস্থা, আন্তর্জাতিক তদারকি এবং ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।

19/06/2026

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক সমঝোতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক চুক্তি, যুদ্ধবিরতি এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে বিশ্লেষকদের বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে।
এই প্রতিবেদনে থাকছে-
✅ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার মূল বিষয়
✅ ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ
✅ মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণ
✅ যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি

TruthBeam TV বিশ্ব রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ঘটনাবলির নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

🔔 সর্বশেষ আন্তর্জাতিক সংবাদ ও বিশ্লেষণ পেতে TruthBeam TV-কে Subscribe করুন এবং Bell আইকনটি অন করে রাখুন।

মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সমীকরণে লাভবান ইরান, উদ্বিগ্ন প্রতিদ্বন্দ্বীরাযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন একটি অন্তর্বর্তীকালীন ...
19/06/2026

মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সমীকরণে লাভবান ইরান, উদ্বিগ্ন প্রতিদ্বন্দ্বীরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন। সমর্থকদের মতে এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হলেও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

১৭ জুন ফ্রান্সের ভার্সাইয়ে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৪ দফার একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে এবং এ সময়ের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা ইরানের জন্য উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের অবসান, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা, তেল রপ্তানি বৃদ্ধি এবং পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগ ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক মিত্রগোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম কিংবা পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের বিষয়ে তাদের প্রত্যাশিত কোনো কঠোর শর্ত অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে এটি ইসরায়েলের কৌশলগত অবস্থানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চুক্তির প্রভাব লেবাননেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং দেশটি বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হতে পারে।
এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো আশঙ্কা করছে, এই সমঝোতা অঞ্চলে ইরানের প্রভাব আরও বাড়াবে এবং দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ভারসাম্যে পরিবর্তন আনতে পারে। তবে কিছু বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এড়াতে এই ধরনের কূটনৈতিক সমঝোতাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ।

বিশ্লেষকদের অভিমত, চুক্তির প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে এর বাস্তবায়ন, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনা এবং আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়ার ওপর। বিশেষ করে ইসরায়েলের অবস্থান ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগামী দিনের সমীকরণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

"মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ হরমুজ ছেড়ে পালিয়েছে"অনলাইন ডেস্ক:মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করেছে ইরান। তেহরানের অভিযোগ, যুক্ত...
08/05/2026

"মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ হরমুজ ছেড়ে পালিয়েছে"

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করেছে ইরান। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র তাদের একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করার পর পাল্টা জবাব হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে- যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি বেসামরিক এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে কিছু আঞ্চলিক দেশও যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোর পর পাল্টা অভিযানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করা হয়। তারা দাবি করেছে, এতে মার্কিন নৌবাহিনীর বেশ কিছু জাহাজ গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে।

আইআরজিসির নৌবাহিনী জানিয়েছে, অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতেও যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের হামলা প্রতিহত করতে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং মার্কিন কোনো সামরিক সম্পদের ক্ষতি হয়নি। ওয়াশিংটনের দাবি, তারা সংঘাত বাড়াতে চায় না, তবে নিজেদের বাহিনী রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ জোরদার হওয়ার পর এটিই তেহরানের প্রথম বড় সামরিক প্রতিক্রিয়া। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি ইরানি জাহাজ জব্দ করেছে এবং আরও কিছু জাহাজকে ফিরিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।

06/05/2026
06/05/2026

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য চীন সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে তেহরান ত্যাগ করছেন।

06/05/2026

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পরও...

Address

House-15, Road-21, Sector-11, Uttara Model Town
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TruthBeam TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share