The Mohadan Islami Bangladesh world PNP News 24 bd. com

The Mohadan Islami Bangladesh world PNP News 24 bd. com Kazi Rafiqul Hasan
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd. com মার্কিন প্রশাসনে মতভেদ স্পষ্ট, ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্প-ভ্যান্সের বিপরীত অবস্থান...
27/06/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com

মার্কিন প্রশাসনে মতভেদ স্পষ্ট, ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্প-ভ্যান্সের বিপরীত অবস্থানে রুবিও

২৭ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

ইরানের সাথে আমেরিকার সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক (MOU) নিয়ে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রহস্যজনক নীরবতা বজায় রাখার পর অবশেষে মুখ খুলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেশগুলো সফরকালে এই চুক্তি নিয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সুরের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। ফলে মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ মতভেদ ও দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে।



দীর্ঘদিন ধরেই রক্ষণশীল মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারকদের মতো রুবিও ইরানের সাথে যেকোনো চুক্তির বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে তিনি এই বিতর্কিত চুক্তির পক্ষে জোরালো কোনো সাফাই তো গানইনি, উল্টো চুক্তির খুঁটিনাটি ও শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্প-ভ্যান্সের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত সুর তুলেছেন।



ইরানের নেতৃত্ব কি 'উগ্র' নাকি 'যৌক্তিক'?
গত বৃহস্পতিবার বাহরাইন সফরকালে রুবিও ইরানের নেতাদের আবারও "ধর্মীয় উগ্রপন্থী" হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, "ইরানি ব্যবস্থা কট্টরপন্থী মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত। এটি অতীতেও এমন ছিল, এখনও তেমনই আছে।"



অথচ এর ঠিক এক সপ্তাহ আগে জি-৭ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেডি ভ্যান্স ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব হয়তো নিজেদের শুধরে নিতে চাইছে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় ইরানীদের উগ্রপন্থী ভাবার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, "আমরা যাদের সাথে আলোচনা করছি তারা খুবই যৌক্তিক, শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান মানুষ। তারা তাদের দেশকে সাহায্য করতে চাইছে।" অন্যদিকে ভ্যান্স দাবি করেছিলেন, ইরানের কট্টরপন্থীরাও এখন আমেরিকার সাথে গত ৪৭ বছরের বৈরি সম্পর্ককে ভুল ছিল বলে মনে করছে।



ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দ্বিমত
এই চুক্তির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো, এতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। অথচ ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর একটি ছিল এটি। সম্প্রতি ট্রাম্প সুর নরম করে বলেছেন, "অন্যদের যেহেতু ক্ষেপণাস্ত্র আছে, তাই ইরানেরও কিছু থাকা উচিত। ক্ষেপণাস্ত্র পুরো পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিচ্ছে না, তাই আনুপাতিক হারে এটা ঠিক আছে।"



কিন্তু কুয়েত সফরে গিয়ে রুবিও সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কঠোর অবস্থান দেখিয়েছেন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, এমন কিছু আমরা করব না।"



প্রক্সি গ্রুপ ও লেবানন ইস্যু
হিজবুল্লাহ বা হামাসের মতো ইরানের প্রক্সি গ্রুপগুলোকে অর্থায়ন বন্ধের বিষয়টিও চুক্তিতে সরাসরি উল্লেখ নেই। তবে রুবিয়ো দাবি করেছেন, চুক্তির ভাষা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় প্রক্সি গ্রুপগুলোর হামলাও এর আওতায় পড়বে। কিন্তু ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনে এই বিষয়টিকে ভবিষ্যতের জন্য তুলে রেখে একে একটি 'প্যারালাল প্রচেষ্টা' হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।



সবচেয়ে বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত নিয়ে। আবু ধাবিতে রুবিও বলেন, লেবানন একটি সার্বভৌম দেশ এবং মার্কিন-ইরান শান্তি প্রক্রিয়ার সাথে এটি সম্পৃক্ত নয়, আমেরিকার লেবানন সরকারের সাথে সরাসরি চুক্তি করবে। অথচ চুক্তির খসড়া এবং জেডি ভ্যান্সের পূর্ববর্তী বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ উভয় পক্ষকেই যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করার কথা বলা হয়েছিল। ট্রাম্প ও ভ্যান্স এমনকি ইসরায়েলকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য চাপও দিয়েছিলেন, যা মার্কিন রক্ষণশীলদের ক্ষুব্ধ করে। এখন সেই ক্ষোভ প্রশমন করতেই রুবিওকে মাঠে নামানো হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগট অবশ্য প্রশাসনে কোনো মতভেদের কথা অস্বীকার করে একে "মনগড়া গল্প" বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে থাকা ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ এই দুই কর্মকর্তার (ভ্যান্স ও রুবিও) দুই রকম বক্তব্য হোয়াইট হাউজের ভেতরে ইরান নীতি নিয়ে চলমান টানাপোড়েনকেই স্পষ্ট করছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd. comভারতীয় মুসলিমদের ভয়কে শক্তি ও সাহসে রূপান্তর করে ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান ১৬ মে ২০...
16/05/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com
ভারতীয় মুসলিমদের ভয়কে শক্তি ও সাহসে রূপান্তর করে ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান

১৬ মে ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী—মুসলমানরা এক কঠিন ও অনিশ্চিত সময় পার করছেন। সাম্প্রতিক রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল, ক্রমাগত সামাজিক প্রান্তিকতা, উগ্র হিন্দুত্ববাদী আস্ফালন এবং তথাকথিত 'বুলডোজার রাজনীতি'র মুখে সাধারণ মুসলিমদের মনে গভীর নিরাপত্তাহীনতা ও ভীতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের প্রায় সাড়ে চার কোটি মুসলিম জনসংখ্যা শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বের দিক থেকে চরম অনগ্রসরতার শিকার।



তবে এই ঐতিহাসিক সংকটকে কেবল হতাশার চাদরে না ঢেকে, একে আত্মজিজ্ঞাসা ও ঘুরে দাঁড়ানোর মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখছেন শিকাগো প্রবাসী প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম কুতুবুদ্দিন। মহান কবি আল্লামা ইকবালের কালজয়ী দর্শনকে ধারণ করে তিনি মনে করেন—ভয় দিয়ে কখনো ভবিষ্যৎ গড়া যায় না। আবেগসর্বস্ব রাজনীতি বর্জন, আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক শিক্ষার বিস্তার, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিম সমাজ কীভাবে এই চরম প্রতিকূলতাকে একটি নতুন জাগরণের সম্ভাবনায় রূপান্তর করতে পারে, তা নিয়েই এই বিশেষ নিবন্ধ:



ভারতের মুসলমানরা বর্তমানে একটি কঠিন এবং অনিশ্চিত পর্যায় অতিক্রম করছেন। চার রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচন—বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামের ফলাফলের পর তাদের মধ্যকার উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতাবোধ আরও গভীর হয়েছে। অনেক মুসলমান নিজেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন, সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক মনে করছেন। ঘৃণামূলক বক্তব্য (হেট স্পিচ), গণপিটুনি, বৈষম্য এবং বুলডোজার রাজনীতির মতো ঘটনাগুলো সাধারণ মুসলমানদের মনে ভীতি তৈরি করেছে। একই সঙ্গে কার্যকর নেতৃত্বের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অনুপস্থিতি এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। তবে ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, প্রতিটি সংকটের মধ্যেই একটি সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে। কঠিন সময় সম্প্রদায়কে আত্মোপলব্ধি করতে, নতুন করে সংগঠিত হতে এবং আরও বেশি সংকল্প ও প্রজ্ঞার সাথে ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য করে।



পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের মুসলমানদের অবস্থা গুরুতর মনোযোগের দাবি রাখে। এই দুটি রাজ্যে যৌথভাবে ৪৫ মিলিয়নেরও বেশি (সাড়ে ৪ কোটি) মুসলমান বসবাস করেন—যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩ কোটি) এবং আসামে প্রায় ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি)। এত বিশাল জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা, সরকারি চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্যের মালিকানা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এই দুই রাজ্যের মুসলমানরা দেশের সবচেয়ে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়ে গেছেন। অনেক সূচকে তারা এমনকি দলিত এবং অন্যান্য ঐতিহাসিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের চেয়েও পিছিয়ে আছেন। মুসলমানদের একটি বড় অংশ এখনো দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, রাজনৈতিক সচেতনতার অভাব এবং আধুনিক শিক্ষার সীমিত সুযোগের সাথে লড়াই করছে।



কিন্তু হতাশায় আত্মসমর্পণ করার পরিবর্তে মুসলমানদের বুঝতে হবে যে, সংকটই হতে পারে পরিবর্তনের মূল বিন্দু। নেতিবাচক পরিস্থিতিও কখনো কখনো ইতিবাচক রূপান্তর ঘটাতে পারে। প্রতিকূলতা প্রায়শই সমাজকে আত্মতুষ্টির ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে এবং নিজেদের ভুলগুলো সংশোধন করতে বাধ্য করে। এটিই সততার সাথে আত্মমূল্যায়নের সঠিক সময়।



সম্প্রদায়কে অবশ্যই তাদের অনগ্রসরতার আসল কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে—যার মধ্যে রয়েছে দুর্বল শিক্ষার ভিত্তি, আবেগসর্বস্ব রাজনীতি, অর্থনৈতিক পরিকল্পনার অভাব, অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং সমাধানের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা।



সময়ের দাবি হলো সাহস, স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ় সংকল্প। ভয় কখনো ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে না। একটি সম্প্রদায় যদি মর্যাদা ও স্বাধীনতার সাথে টিকে থাকতে চায়, তবে তাকে বুদ্ধিমত্তা এবং সম্মিলিতভাবে লড়াই করা শিখতে হবে। যেমনটি বলা হয়, ‘‘জিনা হ্যায় তো লড়না সিখো’’—যদি বাঁচতে চাও, তবে লড়তে শেখো। এই লড়াইয়ের মানে কিন্তু সহিংসতা বা সংঘাত নয়। এর মানে হলো শিক্ষার মাধ্যমে অজ্ঞতার বিরুদ্ধে, উদ্যোক্তা হওয়ার মাধ্যমে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে, ধৈর্যের মাধ্যমে ঘৃণার বিরুদ্ধে এবং সংগঠনের মাধ্যমে দুর্বলতার বিরুদ্ধে লড়াই করা। এর অর্থ হলো আত্মমর্যাদা নিয়ে শক্তভাবে দাঁড়ানো এবং মানসিকভাবে আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকৃতি জানানো।



মুসলমানদের আধুনিক রাজনীতি ও সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠও শিখতে হবে: সহজে শোষণের শিকার হওয়া যাবে না। যে সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতার অভাব থাকে, তারা প্রায়শই আবেগপূর্ণ স্লোগান, বিভেদমূলক প্রচারণা এবং ক্ষণস্থায়ী প্রতিশ্রুতির দ্বারা প্রতারিত হয়। তাই মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতায়ন এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত—কেবলমাত্র ধর্মীয় শিক্ষাই নয়, আধুনিক বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, আইনি এবং রাজনৈতিক শিক্ষাও। একটি শক্তিশালী শিক্ষার ভিত্তি মাত্র এক বা দুই প্রজন্মের মধ্যে যেকোনো সমাজের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।



আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নেতিবাচকতা। ক্রমাগত ভয়, ক্ষোভ এবং নিরাশা সম্মিলিত শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। এক্ষেত্রে ইতিবাচক মনস্তত্ত্ব (পজিটিভ সাইকোলজি) গেম-চেইঞ্জার হতে পারে। একটি আত্মবিশ্বাসী সম্প্রদায় একটি ভীত সম্প্রদায়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। মুসলমানদের এই বিশ্বাস বন্ধ করতে হবে যে তারা কোনো ক্ষমতাহীন বা অসহায় ভুক্তভোগী। সমাজ পুনর্গঠনে প্রতিটি ব্যক্তির ভূমিকা রয়েছে। পিতামাতাকে তাদের সন্তানদের শিক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। যুবসমাজকে দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশ করতে হবে। বুদ্ধিজীবী এবং ধর্মীয় পণ্ডিতদের অন্তহীন আবেগপূর্ণ বক্তৃতার পরিবর্তে ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং গঠনমূলক চিন্তাভাবনার প্রচার করতে হবে।



একই সাথে, প্রতিটি ব্যর্থতার জন্য অন্যদের দোষারোপ করাও সম্প্রদায়কে বন্ধ করতে হবে। যদিও বৈষম্য এবং অন্যায় বাস্তব উদ্বেগের বিষয়, তবুও আত্মসমালোচনা সমভাবেই প্রয়োজন। অভ্যন্তরীণ সংস্কার এবং জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো সমাজই উন্নতি করতে পারে না। মুসলমানদের শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, আর্থিক পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে হবে। তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, আইন, শিক্ষাঙ্গন এবং ব্যবসায়িক খাতে আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং শিক্ষাগত শ্রেষ্ঠত্বই হলো নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল।



এই সংকটময় মুহূর্তে মহান কবি-দার্শনিক আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের পরামর্শ গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক: ‘‘জাতির ভাগ্য প্রতিটি ব্যক্তির হাতেই নিহিত; প্রতিটি ব্যক্তিই সম্প্রদায়ের ভাগ্যের এক একটি তারকা।’’ (আফরাদ কে হাথো মে হ্যায় আকওয়াম কি তাকদীর, হার ফার্দ হ্যায় মিল্লাত কে মুকাদ্দার কা সিতারা।) এই বার্তা মুসলমানদের মনে করিয়ে দেয় যে, সম্মিলিত ভাগ্য কেবল সরকার বা পরিস্থিতির দ্বারা নির্ধারিত হয় না, বরং তা গড়ে ওঠে ব্যক্তিদের কর্ম, শৃঙ্খলা এবং দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে।



মুসলমানদের কেবল স্রোতের অনুকূলে ভেসে গেলে চলবে না, কারণ প্রবাদ আছে—কেবল মৃত মাছই স্রোতের সাথে ভেসে যায়। জ্যান্ত জাতিগুলো স্বাধীনভাবে চিন্তা করে, সাহসের সাথে কাজ করে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে তোলে। বর্তমান সংকট নিঃসন্দেহে বেদনাদায়ক, তবে এটি একটি নতুন জাগরণের সূচনাও হতে পারে। সাহস, ঐক্য, শিক্ষা এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনার মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানরা প্রতিকূলতাকে নবায়ন ও অগ্রগতির সম্ভাবনায় রূপান্তর করতে পারেন।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan London Times 24 bd. com

The Mohadan AP Bangla news 24 bd. comভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরাপ্রকাশ : ১৫ মে ২০...
15/05/2026

The Mohadan AP Bangla news 24 bd. com
ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, Time 10.10 Pm
ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ ধার জেলার বিতর্কিত ভোজশালা-কামাল মাওলা মসজিদ চত্বরকে সরস্বতী মন্দির বলে রায় দিলেন। আদালতের নির্দেশ, ওই স্থানে শুধুমাত্র হিন্দুরাই পূজা-অর্চনা করতে পারবেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের নামাজ পড়ার অধিকার থাকবে না।

শুক্রবার (১৫ মে) বিচারপতি বিজয়কুমার শুক্ল ও বিচারপতি অলোক অবস্থির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছেন, ভোজশালার রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকবে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণ বিভাগ (এএসআই)-এর হাতেই। তবে উপাসনার অধিকার শুধু হিন্দুদের।

আদালত আরও বলেছে, মুসলিম সম্প্রদায় যদি নতুন মসজিদ নির্মাণের জন্য অন্য কোনো জমি চেয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেন, তাহলে সরকারকে সেটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।

হিন্দুদের দাবি, রাজা ভোজ (১০১০-১০৫৫) আমলে এখানে সরস্বতী মন্দির ও সংস্কৃত শিক্ষালয় ছিল। অন্যদিকে মুসলিমদের দাবি, এটি কামাল মাওলা দরগা ও মসজিদ। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বলছে, চতুর্দশ শতকে সুফি সাধক কামালউদ্দিনের সমাধির ওপর মসজিদ গড়ে ওঠে।

অযোধ্যা মামলার পর থেকেই ভোজশালা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলায় এএসআই-এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা ও ঐতিহাসিক প্রমাণ খতিয়ে দেখে হাইকোর্ট এই রায় দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, ওই স্থানে হিন্দুরা নিরবচ্ছিন্নভাবে উপাসনা করে আসছেন এবং ঐতিহাসিক সাহিত্যেও এটিকে সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতদিন প্রশাসনের অনুমতি অনুযায়ী প্রতি মঙ্গলবার হিন্দুরা পূজা এবং প্রতি শুক্রবার মুসলিমরা নামাজ পড়তেন। বসন্ত পঞ্চমীতে সরস্বতী পূজারও অনুমতি ছিল। নতুন রায়ের ফলে মুসলিমদের নামাজের অনুমতি বাতিল হলো।

হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া লন্ডনের জাদুঘরে থাকা সরস্বতী মূর্তি ভোজশালায় ফিরিয়ে আনা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

এই রায়ের পর মুসলিম পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে যাবে কি না, সেদিকে সবার নজর। এখন পর্যন্ত ভোজশালা ১৯৫৮ সালের আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবেই থাকবে এবং এএসআই-ই এর দেখভাল করবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Mohadan Times

The Mohadan capital news 24 bd comউদ্বিগ্ন ইসরায়েলি বিশেষজ্ঞের যুদ্ধে ফেরার দাবিধর্মীয় শাসন থেকে সামরিক বলয়ে ঢুকে আরও...
05/05/2026

The Mohadan capital news 24 bd com
উদ্বিগ্ন ইসরায়েলি বিশেষজ্ঞের যুদ্ধে ফেরার দাবি
ধর্মীয় শাসন থেকে সামরিক বলয়ে ঢুকে আরও বিপজ্জনক ইরান
The Daily Washington post
০৬ মে ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক অস্থিরতা ও চলমান সংকট নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকে দায়ী করেছেন ইসরায়েলি থিংক-ট্যাংক আইএনএসএস -এর ইরান বিষয়ক গবেষক বেনি সাবতি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনের সব পথ ফুরিয়ে গেছে এবং এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উচিত পুনরায় সামরিক শক্তি প্রয়োগ বা যুদ্ধের পথে ফিরে যাওয়া।



গবেষক বেনি সাবতি দাবি করেন, প্রতিকূল অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের 'দম্ভ' বা অনমনীয় মানসিকতা তাদের কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে দেবে না। তিনি বলেন, “ইরানের দম্ভ এখন আকাশচুম্বী। তারা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারছে না। দিনশেষে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিজে নিজে ছোটে না, আর পারমাণবিক কর্মসূচিও একা একা চলে না। এগুলো পরিচালনা করছে একদল অশুভ মানুষ যারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে।”



সাবতি আরও মন্তব্য করেন যে, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি আগের চেয়েও জটিল। তার মতে, ইরানের ধর্মীয় শাসন এখন একটি পুরোদস্তুর সামরিক শাসনে পরিণত হয়েছে, যা আগের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ট্রাম্পের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সাবতির ভাষ্যমতে: “যদি ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব ক্ষমতায় না থাকতো এবং ট্রাম্প যদি আলোচনার জন্য কাউকে খুঁজে না বেড়াতেন, তবে আমরা আজ আরও ভালো অবস্থানে থাকতাম। ট্রাম্পের ভুলের কারণেই আমাদের বারবার এই সংঘাতের চক্রে পড়তে হচ্ছে।”



তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প একদিকে ইরানকে 'মুছে ফেলার' হুমকি দেন, আবার পরক্ষণেই সুর নরম করেন। এই ধরনের স্ববিরোধী অবস্থান ইরানের মনোবল বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করছে।



সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে ইরানের হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে সাবতি বলেন, ইরান বর্তমানে নিজেকে হুমকিগ্রস্ত মনে করছে। তিনি ইরানকে একটি 'ভাইরাস'-এর সাথে তুলনা করে বলেন, শরীর যখন অসুস্থ হয় তখন ভাইরাস যেমন আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, ইরানও ঠিক তা-ই করছে।



সাবতির মতে, ইরানের প্রধান কৌশলগুলো হলো, ইরান সরাসরি ইসরায়েলকে আক্রমণ করার সাহস পায় না কারণ তারা জানে ইসরায়েল কঠোর জবাব দেবে। তাই তারা বাহরাইন বা ওমানের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে, যাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। ইরান সবসময় অস্থিতিশীল পরিবেশ এবং ভঙ্গুর রাষ্ট্রব্যবস্থা খুঁজে বেড়ায়, যেমনটা তারা ১৯৮০-র দশকে লেবাননে করেছিল। ওমান এক সময় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী বন্ধু রাষ্ট্র ছিল, কিন্তু ইরানের বর্তমান দম্ভ এতটাই বেড়েছে যে তারা তাদের সেই বন্ধুকেও ছাড় দিচ্ছে না।



পরিশেষে বেনি সাবতি সতর্ক করে বলেন, কেবল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে পড়ে থাকলেই হবে না, বরং যারা এই ব্যবস্থার পেছনে কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় এই সংকট থেকে উত্তরণের আর কোনো পথ খোলা নেই।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan London Times 24 bd. com

The Mohadan London Times 24 bd. comগণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরThe Da...
27/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
The Daily Washington post
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
রাজনৈতিক স্বার্থে গণভোট ও জুলাই সনদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের প্রশ্রয় না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল এখন গণভোটকে ভিন্ন পথে পরিচালিত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক উলসী খালের পাড়ে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গণভোটের রায়কে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে জুলাই সনদকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, যারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, যদি তারা এটা করতে না পারে, তবে জনগণের জন্য নেওয়া সমস্ত কর্মসূচি যেমন— নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বন্ধ মিল কারখানা চালুর যে কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সেবা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচিগুলো রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।

দেশের অগ্রগতি যেন কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জনগণকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ ধাপে ধাপে এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘জনগণ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে— তারা তাদের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করার চেষ্টা মেনে নেয় না। যেভাবে জনগণ ৫ আগস্ট উপযুক্ত জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও কেউ তাদের ভাগ্য নিয়ে খেলতে চাইলে তারা একইভাবে জবাব দেবে।’

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমাদেরকে শপথ নিতে হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজ বসে থাকলে চলবে না। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে হবে, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan CNN Bangla News 24 bd. com

The Mohadan London Times 24 bd.comহরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে লন্ডনে ৩০ দেশের বৈঠকThe Daily Mohadan Times প্রকাশ :...
22/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd.com
হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে লন্ডনে ৩০ দেশের বৈঠক
The Daily Mohadan Times
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করা এবং সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার উপায় বের করতে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে বৈঠকে বসছে প্রায় ৩০টিরও অধিক সংখ্যক দেশ।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনযায়ী, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ২ দিনের এই বৈঠক।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সামরিক পরিকল্পনাবিদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনা কর্মকর্তাদের। গত সপ্তাহে এক ডজনেরও বেশি দেশ জানিয়েছে যে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক মিশনে যোগ দিতে ইচ্ছুক।

ইউরোপ, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাছ্যের প্রায় ৫০টি দেশ হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স নেতৃত্ত্বাধীন প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মিশনের সদস্য হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

এদিকে ইরান যুদ্ধে ইউরোপীয় মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থনে ‘এগিয়ে না আসায়’ ব্যাপক ক্ষুব্ধ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, তার আর মিত্রের প্রয়োজন নেই।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এই বক্তব্য পোস্ট করার পর গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনকে বার্তা দিতে একটি অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এবং সেখানে যোগ দেয় প্রায় ৫০টি দেশ। সেই কনফারেন্সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতেও এ বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের ভিডিও কনফারেন্সের ফলাফল হলো লন্ডনের এই বৈঠক।

পৃথক এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, ‘আমাদের এই দু’দিন ব্যাপী বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য ও কাজ হলো, হরমুজে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে সমর্থনের জন্য কূটনৈতিক ঐকমত্যকে একটি যৌথ পরিকল্পনায় রূপান্তর করা।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলে সরবরাহ সংকটে ভুগছে জ্বালানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan AP Bangla News 24 bd.comবিশ্বজুড়ে জেন-জি বিক্ষোভ সাফল্য নাকি চরম ব্যর্থতা?The Daily Washington post  ২১ এপ্র...
20/04/2026

The Mohadan AP Bangla News 24 bd.com
বিশ্বজুড়ে জেন-জি বিক্ষোভ সাফল্য নাকি চরম ব্যর্থতা?
The Daily Washington post
২১ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

গত বছর, বিশ্বজুড়ে জেন জি প্রতিবাদের ঢেউ তুলেছিল। ভাইরাল মেমে, ‘স্বজনতোষী সন্তানদের পতন হোক’-এর মতো অভিজাত-বিরোধী স্লোগান, খড়ের টুপি পরানো কুশপুত্তলিকা, বা জলদস্যু পতাকার মতো প্রতীক ব্যবহার করে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, পেরু, নেপাল এবং এর বাইরের অঞ্চলের কিশোর-কিশোরী ও বিশোর্ধ্ব তরুণ-তরুণীরা তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও জনগণ থেকে বিচ্ছিন বাস্তবতাবিবর্জিত পুরোনো শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়েছিল।

তরুণরা প্রায়শই পরিবর্তনের সূচনা করে। কিন্তু ১৫ বছর আগের আরব বসন্তের অভিজ্ঞতা যেমনটা দেখিয়েছে, তারা সবসময় কাক্সিক্ষত ফল পায় না।
নেপাল
কী ঘটেছিল? গত সেপ্টেম্বরে, দেশটির তরুণ সমাজ দুর্নীতি, রাজনৈতিক দায়মুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর সরকার-আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে মাত্র দুই দিনের বিক্ষোভ করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

কী পরিবর্তন হলো? ছয় মাস পর, তরুণদের সমর্থিত একটি দল বিপুল ভোটে দেশটির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয় এবং ৩৫ বছর বয়সী একজন র‍্যাপশিল্পী প্রধানমন্ত্রী হন। যদিও তিনি মিলেনিয়াল প্রজন্মের, তবে তরুণদের মধ্যে তিনি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। এটি এখন পর্যন্ত জেন জি-এর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অর্জন।



মাদাগাস্কার
কী ঘটেছিল? নেপালের আন্দোলনের কয়েক সপ্তাহ পর, মাদাগাস্কারের একজন সামরিক কর্নেল জেন জি বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ালে দেশটির প্রেসিডেন্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
কী পরিবর্তন হলো? গত মাসে, সেই কর্নেল, যিনি এখন প্রেসিডেন্ট, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভেঙে দেন এবং একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যার মধ্যে এমনকি, মন্ত্রীত্ব প্রার্থীদের জন্য মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০২৭ সালে দেশটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওারার কথা রয়েছে।

পেরু
কি ঘটেছিল? গত সেপ্টেম্বরে তরুণ পেরুভিয়ানরা দেশে ক্রমবর্ধমানভাবে অপরাধ বাড়ার মধ্যে বিতর্কিত সরকার ও সাংসদদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করা হয় এবং পরে ফেব্রুয়ারিতে তার অন্তর্বর্তীকালীন উত্তরসূরিও অভিশংসিত হন।
জ্বালানি তেলের স্টক ইনভেস্টমেন্ট
কী পরিবর্তন হলো? যে দেশে গত এক দশকে ছয়জন নেতা বদল হয়েছে, সেখানে এই ফলাফল জেন জি-এর সিদ্ধান্তমূলক প্রভাবের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতাকেই বেশি প্রতিফলিত করে। ৮৩ বছর বয়সী একজন অন্তর্বর্তীকালীন নেতা আপাতত দেশটির দায়িত্বে রয়েছেন। কারণ নির্বাচনের ফলাফল এখনও অমীমাংসিত রয়েছে এবং জুনে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন
কী ঘটেছিল? গত আগস্টে, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বেকারত্বের মধ্যে আইনপ্রণেতাদের অতিরিক্ত সুবিধা দেয়ার বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার যুবসমাজ দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করে। পরের মাসে, ফিলিপাইনেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুব-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

কী পরিবর্তন হয়েছে? গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং দুটি দেশে ব্যাপক গণসংহতি থাকা সত্ত্বেও, ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত অভিজাত শ্রেণিই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় রয়ে গেছে। এই বিক্ষোভগুলো কোনো উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে পারেনি।

মরক্কো
কি ঘটেছিল? বেকারত্ব, সরকারি পরিষেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রমাবনতি এবং স্টেডিয়ামের মতো মহাপ্রল্পগুলোতে বিপুল ব্যয় গত শরতে মরক্কোর জেন জি প্রজন্মের বিক্ষোভের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।
কী পরিবর্তন হয়েছে? কেনিয়া এবং তোগোর মতো, এই বিক্ষোভগুলোও পুলিশের চরম দমনপীড়নের মুখে পড়ে এবং কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়।
বাংলাদেশ
কী ঘটেছিল? ২০২৪ সালে, জেন জি প্রজন্মের বিক্ষোভকারীরা একটি রাজনৈতিক ভাঙন ঘটাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘদিনের সহিংস দমনপীড়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বংশোদ্ভূত এক স্বৈরশাসককে ক্ষমতাচ্যুত করে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব ও হরমুজ প্রণালী বন্ধ, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির অস্তিরতা ও দাম বৃদ্ধিÑ সব মিলিয়ে সরকারের তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণের পর রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে শুরু করেছে। সরকারের এই সময়োচিত সমন্বয়ের ফলে তেলের পাম্পগুলোতে ফিরেছে স্বস্তি, আর সড়কে কমেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। স্বাভাবিক হচ্ছে মানুষের জনজীবন ও যাত্রা, পাশাপাশি সচল হচ্ছে অর্থনীতি।

গতকাল সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ অনেক বেশি স্বাভাবিক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই বাজারে কৃত্রিম সংকটের অবসান ঘটতে শুরু করেছে। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় সাধারণ গ্রাহকরা এখন সহজেই তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। তেলের নতুন দাম নির্ধারিত হওয়ায় মজুদদারির প্রবণতা কমেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সরবরাহে।

গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মতিঝিল, গুলিস্তান, বিজয় সরণি, মগবাজার, মহাখালী এবং উত্তরা এলাকার পাম্পগুলোতে যানবাহনের যে মাইলের পর মাইল দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, গতকাল থেকে সেই দৃশ্য অনেকটাই অনুপস্থিত। আগে যেখানে একটি গাড়িকে তেলের জন্য পাঁচ-সাত ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেখানে আরো অনেক কম সময়ের মধ্যেই তেল মিলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চিত্র আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মতিঝিল এলাকার এক বেসরকারি চাকরিজীবী জানান, গত তিন দিন উত্তরা থেকে মতিঝিল আসার পথে প্রতিটি পাম্পের সামনে তীব্র জটলা দেখেছি। আজ অতটা ভিড় নেই। দাম বাড়লেও অন্তত তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং রাস্তায় যানজট কম হওয়ায় সময় বাঁচছে। বিজয় সরণি এলাকায় পাম্পের সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা পাঠাও শ্রমিক ইব্রাহিম বলেন, দামের বৃদ্ধি হলে সমস্যা নাই, মানুষের জনজীবন যেন স্বাভাবিক হয় এমন ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারকে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছে। আগে দামের জন্য পাম্পগুলোতে তেল আসত কিন্তু চাহিদা কখনো কমেনি। এ জন্য সিরিয়াল লেগেই থাকত। কিন্তু দাম কিছুটা বাড়ার কারণে তেলের সংকটও কেটে যাচ্ছে, মানুষ তেল পাচ্ছে। এ জন্য ভোগান্তিও কমে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ও বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে জ্বালানি তেল প্রতিবেশী দেশে পাচার হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে। ভারতের সাথে তেলের মূল্যের ব্যবধান কমে আসায় অবৈধ সিন্ডিকেটগুলো এখন নিরুৎসাহিত হবে। এতে দেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি দেশের অভ্যন্তরেই ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যদিও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির চাপে সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে, তবে এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল হওয়া এবং জনভোগান্তি কমে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। এখন কার্যকর সাশ্রয় কর্মসূচি ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে পারলে অর্থনীতির ওপর চাপ সামলানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মাঝে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে জ্বালানি তেলের মজুদ প্রবণতা কমবে এবং বিক্রিতে অধিকতর স্বচ্ছতা আসবে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের তেল পেতে আর অযথা পাম্পে পাম্পে ঘোরাঘুরি করতে হবে না; সহজ ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জ্বালানি সংগ্রহ নিশ্চিত হবে।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Times 24 bd.com‘দুর্বল’ বলে ট্রাম্পের আক্রমণ: ধর্মীয় নেতাদের ওপর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের নতুন বিতর্ক...
13/04/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd.com

‘দুর্বল’ বলে ট্রাম্পের আক্রমণ: ধর্মীয় নেতাদের ওপর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের নতুন বিতর্ক, কড়া উত্তর পোপ লিও'র
The Daily London press
১৩ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এবার তার আক্রমণের মূল লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ (Pope Leo XIV)। পোপকে সরাসরি ‘ভয়াবহ’ এবং ‘উদারপন্থী’ বলে মন্তব্য করে ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের ক্ষোভ উসকে দিয়েছেন।



সম্প্রতি ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে পোপকে লক্ষ্য করে বলেন, পোপ লিও অপরাধ দমনে ‘দুর্বল’ এবং পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ‘ভয়াবহ’। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পোপ কেবল একজন মার্কিন নাগরিক বলেই এই পদে বসতে পেরেছেন এবং এটি করা হয়েছে কেবল ট্রাম্পের প্রশাসনের সাথে আপস করার জন্য।



ট্রাম্প লিখেছেন, “পোপের উচিত রাজনীতি বন্ধ করে নিজের কাজে মন দেওয়া। তিনি কট্টর বামপন্থীদের খুশি করার চেষ্টা করছেন, যা চার্চের ক্ষতি করছে। আমি তার কোনো ভক্ত নই।” সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালেও ট্রাম্প বলেন, “পোপ খুব একটা ভালো কাজ করছেন না। আমি তাকে পছন্দ করি না।”



মূলত ইরান ও ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ এবং কঠোর অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছিলেন পোপ। বিশেষ করে ইরানের একটি প্রাচীন সভ্যতাকে ধ্বংস করে দেওয়ার যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছিলেন, পোপ তাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন। এর জের ধরেই ট্রাম্প পোপের ওপর ক্ষুব্ধ হন এবং তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ শুরু করেন।



ট্রাম্পের এই আক্রমণের জবাবে পোপ লিও অত্যন্ত শান্ত কিন্তু দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। আলজেরিয়া সফরের পথে বিমানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পোপ বলেন, ট্রাম্পের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্যে তার কোনো ‘ভীতি’ নেই।



পোপ বলেন, “আমি ট্রাম্পের সাথে কোনো বিতর্কে জড়াতে চাই না। বিশ্বে অনেক মানুষ যন্ত্রণায় আছে, নিষ্পাপ মানুষ মারা যাচ্ছে। সুসমাচারের (Gospel) বাণী এবং শান্তির কথা বলা আমার কাজ, এবং আমি সেটাই করে যাবো।” তিনি আরও যোগ করেন যে, তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন, বরং শান্তির দূত হিসেবে মানবতার পক্ষে কথা বলবেন।



ট্রাম্পের এই আচরণকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ‘চরম অহংকার’ বা ঔদ্ধত্য হিসেবে দেখছেন। অনেক ক্যাথলিক নেতা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন, হিটলার বা মুসোলিনির মতো একনায়করাও পোপকে এভাবে সরাসরি আক্রমণ করার সাহস দেখাননি। বিশেষ করে ইস্টারের মতো পবিত্র সময়ে ধর্মীয় নেতাদের আক্রমণ করে ট্রাম্প নিজেকে ‘যিশুর মতো’ উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন বলেও সমালোচকরা অভিযোগ তুলেছেন।



আমেরিকার রাজনৈতিক অঙ্গনেও এর প্রভাব পড়েছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের অনেক নেতা ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে ‘ধর্ম অবমাননা’ ও ‘বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করেছেন।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan Muslim Times 24 bd.com

Address

Malgodam Area Jamalpur
Dhaka
O7008

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mohadan Islami Bangladesh world PNP News 24 bd. com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share