The Mohadan Washington Bangla Night Times 24 bd. com

The Mohadan Washington Bangla Night Times 24 bd. com Kazi Rafiqul Hasan
Editor

The Mohadan New York Times 24 bd. comড্রোনের 'জেলিফিশ' ঝাঁক? ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটের বয়ানে তোলপাড় যুক...
23/06/2026

The Mohadan New York Times 24 bd. com
ড্রোনের 'জেলিফিশ' ঝাঁক? ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটের বয়ানে তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্রে

২৩ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ইরানের আকাশে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল (F-15E Strike Eagle) যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। সেই বিমান থেকে বেঁচে ফেরা মার্কিন পাইলট এবার মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে এক চোখ কপালে তোলার মতো তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা নিয়ে বর্তমানে ওয়াশিংটনের গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা মহলে তোলপাড় চলছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।



গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাথে এক গোপন ব্রিফিংয়ে ওই মার্কিন পাইলট জানান, তার বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে তিনি আকাশের বুকে ইরানি ড্রোনের এক অভাবনীয় ও অদ্ভুত ফরমেশন বা ঝাঁক দেখতে পান। তার ভাষায়, একাধিক ড্রোন একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট একক বস্তুর মতো করে আকাশে উড়ছিল, যা দেখতে অনেকটা সমুদ্রের 'জেলিফিশ' (Jellyfish)-এর মতো লাগছিল।



ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ব্রিফিংয়ে উপস্থিত এক শীর্ষ কর্মকর্তা সিএনএন-কে বলেন, "পাইলটের ভাষ্যমতে বড় বড় ড্রোনের নিচে ছোট ছোট ড্রোনগুলো পায়ের মতো ঝুলছিল এবং পুরো প্রক্রিয়াটি একসাথে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল। তিনি একে 'পুরোপুরি এলিয়েনদের মতো কাণ্ড' (Real alien sh*t) বলে অভিহিত করেছেন।" আরেক কর্মকর্তা জানান, পাইলট বিষয়টিকে আকাশে 'ড্রোনের মাইনফিল্ড' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।



বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিগত ভাষায় একে 'ওয়ান-টু-ম্যানি মেশড নেটওয়ার্কিং' (One-to-many meshed networking) বলা হয়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন মাত্র অপারেটর বা একটি মূল সিস্টেমের সাহায্যে একসাথে স্বয়ংক্রিয় একঝাঁক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা ছিল না যে ইরানের কাছে এত উন্নত ও স্বয়ংক্রিয় ড্রোন প্রযুক্তি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান এই প্রযুক্তি তৈরিতে রাশিয়া বা চীনের সহায়তা পেয়ে থাকতে পারে।



তবে পাইলটের এই চাঞ্চল্যকর দাবি নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র মতভেদ দেখা দিয়েছে। কারণ বিমান থেকে ইজেক্ট (জরুরি বহির্গমন) করার সময় ওই পাইলট মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান এবং কিছুটা মানসিক বিভ্রান্তিতে (Concussion) ছিলেন। এছাড়া এটি ছিল ওই যুদ্ধক্ষেত্রে তার দ্বিতীয়বার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। এর আগে কুয়েতি বাহিনীর সাথে একটি 'ফ্রেন্ডলি ফায়ার' বা ভুলবশত নিজেদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় তার বিমান ভূপাতিত হয়েছিল। ফলে তিনি আসলে ঠিক কী দেখেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেক কর্মকর্তা।



উল্লেখ্য, এপ্রিলের ওই ঘটনার পর মার্কিন স্পেশাল ফোর্সেস এক ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে পাইলটকে দ্রুত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও বিমানের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (WSO) বেশ কয়েকদিন ইরানের পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে থাকার পর উদ্ধার পান। ওই ড্রোনের ঝাঁক মার্কিন এফ-১৫ বিমানটি ভূপাতিত করার পেছনে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না, তা নিয়ে এখনো নিখুঁত তদন্ত চলছে। তবে এই ঘটনা যদি সত্য হয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য ইরানের ড্রোন যুদ্ধক্ষমতার এক নতুন ও বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Bangla Night Press 24 bd.comদলের বিদ্রোহের মধ্যেই মমতার রুদ্ধদ্বার বৈঠকপ্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬, Nur ...
05/06/2026

The Mohadan Washington Bangla Night Press 24 bd.com
দলের বিদ্রোহের মধ্যেই মমতার রুদ্ধদ্বার বৈঠক

প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার কালীঘাটের বাসভবনে সীমিত পরিসরে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আমন্ত্রিত নেতাদের সংখ্যা কম হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায় সাবেক বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেন, স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল, লোকসভার সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবেক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্ধ্র প্রদেশের দুই সাবেক বিধায়ককে।

বৈঠকের আলোচ্য বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলের সাংগঠনিক কর্মকৌশল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

ক্ষমতা হারানোর পর ২ জুন কলকাতায় বড় ধরনের এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজপথে আন্দোলনে ফেরার পর এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ওই সমাবেশে তিনি ‘লড়ব অথবা মরব’ বলে অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি তার ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূল নেতাদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে এবং দলীয় কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনে ‘ভোট লুট’ করার পর বিজেপি তৃণমূলকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে ২ জুনের ওই কর্মসূচিতে দলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছিল সীমিত। তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র আটজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন সোভানদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অশোক দেব, অসীমা পাত্র, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ও কুণাল ঘোষ।

এ ছাড়া দোলা সেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, মানেকা গুরস্বামী এবং নাদিমুল হককেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায়।

সমাবেশে বিধায়ক ও সাংসদদের কম উপস্থিতিকে দলের ভেতরের সংকটের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৪ মে বিজেপির কাছে নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

এ সংকট এখন পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে সংসদীয় দলেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, দলের ২৩ জন সাংসদ বিদ্রোহী বিধায়ক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংসদীয় দলেও ভাঙন দেখা দিতে পারে।

দলের এই বিভাজনের সূত্রপাত হয়, যখন ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জন দলীয় অবস্থান থেকে সরে গিয়ে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেতা হিসেবে তুলে ধরেন। পরে বিধানসভার স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Washington Bangla Night News 24 bd. com‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রো...
04/06/2026

The Mohadan Washington Bangla Night News 24 bd. com
‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
ভারতের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দেশটির এক আইনজীবী। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা এবং 'বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে জড়ানো' সংক্রান্ত তার সাম্প্রতিক মন্তব্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনশৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির সাইবার থানায় মামলাটি দায়ের করেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিংহ।

অভিযোগে রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিংহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জনসভা, রাজনৈতিক মঞ্চ ও গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন কমিশন এবং সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব প্রতিষ্ঠানের সততা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অবিশ্বাস ও অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করা এবং দুই সার্বভৌম দেশের মধ্যে বৈরিতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে জনসমক্ষে ও গণমাধ্যমের সামনে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।

রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিংহ অভিযোগে ২ জুন কলকাতার রানি রাসমণি সরণিতে অনুষ্ঠিত তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।

তার দাবি, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএ) গোপন আলোচনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং প্রতিবেশী বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্ত করেন।

অভিযোগকারীর মতে, রাজনৈতিক সুবিধা ও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে এসব বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে ভারতের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার পরিপন্থী।

তিনি আরও দাবি করেন, এসব মন্তব্য জনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করা, সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে অসহিষ্ণুতা উসকে দিতে পারে। একই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার ধর্মতলায় এক জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার আসামি ভারতের মেঘালয় দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 'দেশের স্বার্থে' এ বিষয়ে মমতার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে মুখ খুলতে নিষেধ করেন।’

মমতা বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? সবটাই জানি।’

মমতা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এক বড় খুনিকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল জেনে রাখুন, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক 'রেভোল্যুশন' হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না, আমার সেই অধিকার নেই, কিন্তু আমার মুখ্য বক্তব্য হলো, তারা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে। তখন আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে।...তারপর হোম মিনিস্টার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজে আমাকে ফোন করে বলেছেন…এত দিন তো কই আমি বলিনি, মুখ খুলিনি…আজকে অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছেন বলে…আমি এখনো নামটা বলছি না ভদ্রতা করে। বাংলাদেশের লোক উত্তাল হয়ে যাবে, আমি সেটা চাই না, আমি দেশকে ভালোবাসি…।’

এর আগে ২০ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিংহ। ওই অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিছু বক্তব্য হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

19/05/2026

The Mohadan Islami Washington Times 24 bd. com
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন
‘চারপাশে ছড়িয়ে ছিল কঙ্কাল-খুলি’, রোহিঙ্গাদের ওপর আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০26 Time 11.57 AM
২০২৪ সালের জুলাই মাস। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুথিডং শহরের উইরান গ্রাম হইয়ার সিরি তখন পুরোপুরি জনশূন্য, যেন এক ধ্বংসস্তূপ। প্রাণভয়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা মুসলিম গ্রামবাসীদের কয়েকজন, যেমন ওমর আহমদ, তাদের ফেলে আসা কিছু জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে গোপনে গ্রামে ফিরে আসেন। কিন্তু দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ এক গণহত্যার চিহ্ন দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

ওমর আহমদ সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘গ্রামে কোনো গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগি অবশিষ্ট ছিল না, অথচ আগে প্রতিটি বাড়িতেই এগুলো ছিল। শুনলাম আরাকান আর্মি সব লুট করে নিয়ে গেছে। এরপর আমি ধানক্ষেতের দিকে যাই, যেখানে আমার নিকটাত্মীয়সহ প্রায় ৮০ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখি চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কঙ্কাল আর মানুষের খুলি। মাংস পচে গেলেও লাশের কাপড়গুলো তখনও অক্ষত ছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা উঠে এসেছে। সোমবার (১৮ মে) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২ মে উত্তর রাখাইনের হইয়ার সিরি গ্রামে জাতিগত রাখাইন সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশুকে নির্বিচারে হত্যা করে। আহত বা নিহত হন আরও শত শত মানুষ। সংঘর্ষের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেসামরিকদের লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরআসিয়ানের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থাটি বলছে, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশ ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ এবং দুর্গম পরিস্থিতির কারণে এই গণহত্যার খবরটি ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পর নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। জীবন বাঁচাতে সক্ষম হওয়া উদ্বাস্তুরা যখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন, তখন তাদের মুখ থেকে এই সত্য বেরিয়ে আসে। যেমন ওমর আহমদ নিজেই ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন।

এই ঘটনার দীর্ঘ দুই বছর পার হয়ে গেলেও আরাকান আর্মির রাজনৈতিক শাখা ইউনাইটেড লিগ অব আরাকান (ইউএলএ) বেসামরিক নাগরিক হত্যার দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। উল্টো রাখাইন রাজ্যে থাকা অবস্থায় কিছু গ্রামবাসীকে জোরপূর্বক ভিডিও জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়েছে, যাতে তারা আরাকান আর্মিকে নির্দোষ দাবি করে।

তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ৪১ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার, স্যাটেলাইট ছবি এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে এই ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। সংস্থাটির মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী বেসামরিকদের সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। তবে সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ করেছে আরাকান আর্মি যাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, বেআইনি আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল।

মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে আরাকান আর্মির রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের প্রতীকী দৃশ্য। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে

রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র সংঘাতের পটভূমি

২০০৯ সালে গঠিত আরাকান আর্মি মূলত রাখাইন জনগণের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই শুরু করে। ২০১৮ সালের শেষ দিক থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘর্ষ চলছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে সংঘাত ভয়াবহ রূপ নেয়। এর মধ্যেই আরাকান আর্মি রাখাইনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিলে সেনাবাহিনীও পাল্টা হামলা বাড়ায়।

মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর যেভাবে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপ। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে
মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর যেভাবে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপ। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে

২০২৪ সালের এপ্রিল ও মে মাসে বুথিডং এলাকায় দুই পক্ষই বেসামরিকদের ওপর নির্যাতন চালায়। সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা যুবকদের জোরপূর্বক নিয়োগ দেয়, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও। এতে রোহিঙ্গা ও রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। অন্যদিকে আরাকান আর্মিও একাধিক রোহিঙ্গা গ্রামে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিপন্ন হইয়ার সিরি গ্রাম

বুথিডং–রাথিডং সড়কের পাশে এবং মায়ু নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হইয়ার সিরি গ্রামটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর উত্তরে ছিল জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক কমান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্বে একটি লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন।

সংঘাতের সময় আশপাশের গ্রাম থেকে বাস্তুচ্যুত অনেক মানুষ এখানে আশ্রয় নেন। স্থানীয়দের মতে, আগে বিভিন্ন সহিংসতা থেকে কিছুটা নিরাপদ থাকায় গ্রামটি আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। ফলে এপ্রিলের দিকে এখানে মানুষের চাপ অনেক বেড়ে যায়।

বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বর্ণনায় হাতে আঁকা ম্যাপে হইয়ার সিরি গ্রামে হত্যাযজ্ঞের ঘটনাস্থল।
বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বর্ণনায় হাতে আঁকা ম্যাপে হইয়ার সিরি গ্রামে হত্যাযজ্ঞের ঘটনাস্থল।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সেনাবাহিনী গ্রাম থেকে ২০ জন ‘স্বেচ্ছাসেবক’ পাঠানোর চাপ দেয়, না হলে গ্রাম পোড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর ফলে গ্রামবাসীরা কয়েকজন পুরুষকে পাঠাতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে কারণ সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি—দুই পক্ষই গ্রামবাসীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল।

২ মে’র ভয়াবহ দিন

২ মে ভোরে আরাকান আর্মি ক্যাম্প দখলের পর জান্তা সেনারা উত্তর দিক থেকে গ্রামে প্রবেশ করে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৭টার দিকে হাজার হাজার মানুষ সাদা পতাকা হাতে বুথিডংয়ের দিকে রওনা হন।

মিছিলটি তৈনগা মুরা এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গুলি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কোনো সতর্কতা ছাড়াই চারদিক থেকে গুলি চালানো হয়। এতে মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চারপাশ থেকে গুলি আসছিল, কোথাও পালানোর সুযোগ ছিল না। আরেকজন বলেন, তার চোখের সামনে স্ত্রী ও সন্তানরা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

অনেকে ধানক্ষেত ও মসজিদের দিকে আশ্রয় নিলেও সেখানেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজন লাশের নিচে লুকিয়ে বেঁচে যান।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৭০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন শিশু। তবে স্থানীয়দের ধারণা, প্রকৃত সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বেঁচে যাওয়া মানুষদের কষ্ট ও দাবি

হামলার পর বেঁচে থাকা মানুষগুলো বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মানুষকে আরাকান আর্মি আটক করে টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়, যেখানে খাদ্য ও চিকিৎসার তীব্র সংকট চলছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, গ্রামটি পুরোপুরি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এখন বসবাসের অযোগ্য।

স্যাটেলাইট ছবিতে রাখাইনের হইয়ার সিরি গ্রাম। ছবি: এইচআরডব্লিউ

বর্তমানে অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমারের ভেতরে আটকে আছেন, আর কিছু বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা আন্তর্জাতিক মহলে বিচার ও নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মি উভয়ের পক্ষ থেকেই নির্যাতন অব্যাহত থাকায় বর্তমানে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের কোনও পরিবেশ নেই। আগামী ১৫ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬২তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের এই বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি, যাতে এই যুদ্ধাপরাধের স্বাধীন তদন্ত এবং জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd. comঅবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তলিয়ে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি, দেখা যাচ্ছে মহাকাশ থেকেওThe Daily M...
06/05/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তলিয়ে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি, দেখা যাচ্ছে মহাকাশ থেকেও
The Daily Mohadan Times
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
বিশ্বের বৃহত্তম নগরীগুলোর একটি মেক্সিকো সিটি দ্রুতগতিতে ভূমিধসের কবলে পড়ছে, আর এ পরিবর্তন এখন মহাকাশ থেকেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার উন্নত রাডার প্রযুক্তিতে ধারণ করা সাম্প্রতিক চিত্রে দেখা গেছে, শহরের কিছু এলাকা প্রতি মাসে অর্ধ ইঞ্চিরও বেশি নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা এটিকে বিশ্বের দ্রুততম ডুবে যাওয়া রাজধানীগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

সিএনএন বলছে, প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের এই মহানগরটি গড়ে উঠেছে একটি প্রাচীন হ্রদের ওপর। শহরের নিচে থাকা ভূগর্ভস্থ জলাধার থেকেই পানীয় জলের ৬০ শতাংশ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু বছরের পর বছর অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে এই অ্যাকুইফার দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মাটির স্থিতিশীলতায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ পানি কমে যাওয়ায় ওপরের মাটি ধীরে ধীরে বসে যাচ্ছে। একই সঙ্গে লাগামহীন নগরায়ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নতুন অবকাঠামো নির্মাণের বাড়তি চাপ কাদামাটিসমৃদ্ধ মাটিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, শহরটিতে ভূমিধসের সমস্যা নতুন নয়। ১৯২০-এর দশকেই এর প্রথম নথিভুক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর থেকে ভাঙাচোরা রাস্তা, হেলে পড়া ভবন এবং ক্ষতিগ্রস্ত রেলব্যবস্থার মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বাসিন্দারা।

সম্প্রতি ইসরোর এবং নাসার যৌথ উদ্যোগে তৈরি 'নিসার' স্যাটেলাইটের তথ্য পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও পরিষ্কার করেছে। উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই স্যাটেলাইট মাটির সূক্ষ্ম পরিবর্তনও শনাক্ত করতে সক্ষম।

২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শহরের কিছু অংশ প্রতি মাসে প্রায় ০.৮ ইঞ্চি পর্যন্ত নিচে নামছে, যা বছরে প্রায় সাড়ে ৯ ইঞ্চির সমান।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনিতো হুয়ারেজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়া শহরের পরিচিত প্রতীক অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স স্মৃতিস্তম্ভও এই ভূমিধসের প্রভাব থেকে রেহাই পায়নি। ভূমি বসে যাওয়ার কারণে এর ভিত্তিতে অতিরিক্ত সিঁড়ি যোগ করতে হয়েছে।

নিসার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের মতে, মেক্সিকো সিটি দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিধসপ্রবণ একটি এলাকা হিসেবে পরিচিত। তবে নতুন স্যাটেলাইট তথ্য ভবিষ্যতে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভূমিধস ছাড়াও এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে হিমবাহের গতি, কৃষিজমির পরিবর্তন এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো নানা প্রাকৃতিক ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan AFP Bangla news 24 bd. com

The Mohadan Washington Times 24 bd. comহরমুজে জাহাজে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ভারতীয় ১৭ নাবিকThe Daily Mohadan Times ...
28/04/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com
হরমুজে জাহাজে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ভারতীয় ১৭ নাবিক
The Daily Mohadan Times
২৮ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

অনুমতি ছাড়া চলাচল করায় হরমুজ প্রণালিতে আবারও একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এ সময় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন জাহাজটির ভারতীয় ১৭ নাবিক।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই তেল ও রাসায়নিকবাহী জাহাজটিকে নিশানা করে ইরানের উপকূলরক্ষী বাহিনী গুলি চালায়।

আফ্রিকার দেশ টোগোর পতাকাবাহী ওই জাহাজটিতে ১৭ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেও তেহরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে অগ্রসর হওয়ার ‘অপরাধে’ কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরানের বাহিনী। মার্কিন প্রেডিসেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করার পরেও হামলায় ইতি টানেনি ইরান। এবার তাদের নিশানায় এমটি শিরন-৭ নামের জাহাজটি।

গত ২৫ এপ্রিল জাহাজটি ওমানের শিনাস আউটার বন্দরের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় ইরানি উপকূলরক্ষীদের নিশানায় হয় বলে সোমবার জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনদীপ সিংহ রণধাওয়া।

তিনি বলেন, সব ভারতীয় নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং কোনও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়নি।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Washington post

The Mohadan London Times 24 bd. comভারতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মুসলিমরা, লঙ্ঘিত হচ্ছে নাগরিক স্বাধীনতা: অ্যামনেস্টিThe Da...
22/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
ভারতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মুসলিমরা, লঙ্ঘিত হচ্ছে নাগরিক স্বাধীনতা: অ্যামনেস্টি
The Daily Mohadan Express
২২ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

ভারতে দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে নাগরিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, দেশটিতে ভিন্নমতাবলম্বী, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।



অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ করে মুসলিম এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বৈষম্যমূলক আইন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা হিসেবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ঘরবাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভারত সরকারের বিতর্কিত 'ফ্যাক্ট চেক ইউনিট' এবং নতুন ডিজিটাল আইনগুলোর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে বলে রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে।



প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউএপিএ (UAPA) এবং দেশদ্রোহিতার মতো কঠোর আইনগুলো ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে অনেক অধিকারকর্মীকে বিচারহীনভাবে আটকে রাখা হয়েছে। কাশ্মীরের পরিস্থিতি এবং সেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে অ্যামনেস্টির এই বৈশ্বিক মানবাধিকার মূল্যায়নে।



আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতের এমন অবস্থান বৈশ্বিক মানবাধিকার মানদণ্ডের জন্য এক বড় হুমকি।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

Address

Malgodam Area Jamalpur
Dhaka
07008

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mohadan Washington Bangla Night Times 24 bd. com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share