Sed Brand 01

Sed Brand 01 আমিও নতুন তাই নতুন দেরকে আমি সাপোর্ট করবো ইনশাআল্লাহ �

জগতের প্রতারণার সবচেয়ে বিশ্বস্ত অঙ্গসম্ভবত, চোখ—👀🫠
23/09/2026

জগতের প্রতারণার সবচেয়ে বিশ্বস্ত অঙ্গ
সম্ভবত, চোখ—👀🫠

অবশ্যই। কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, ইউসুফ (আ.) হারিয়ে যাওয়ার পর ইয়াকুব (আ.)-কে আল্লাহর পক্ষ থেকে ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরস...
10/09/2026

অবশ্যই। কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, ইউসুফ (আ.) হারিয়ে যাওয়ার পর ইয়াকুব (আ.)-কে আল্লাহর পক্ষ থেকে ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসার শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন হলো—কুরআনে সরাসরি বলা নেই যে, তখন আল্লাহ ইয়াকুব (আ.)-কে আলাদা কোনো নির্দেশ পাঠিয়েছিলেন; বরং তাঁর বক্তব্য ও আচরণে সেই নির্দেশনার শিক্ষা স্পষ্ট।

১৫ লাইনের বর্ণনা:

ইউসুফ (আ.)-এর ভাইয়েরা তাঁকে কূপে ফেলে দিয়ে ফিরে এসে মিথ্যা কথা বলেছিল।
তারা ইউসুফ (আ.)-এর জামায় মিথ্যা রক্ত লাগিয়ে ইয়াকুব (আ.)-এর কাছে নিয়ে আসে।
তারা দাবি করে, নেকড়ে ইউসুফ (আ.)-কে খেয়ে ফেলেছে।
কিন্তু ইয়াকুব (আ.) তাদের কথায় বিশ্বাস করতে পারেননি।
তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, তাদের অন্তর তাদের কোনো একটি কাজকে সুন্দর করে দেখিয়েছে।
তবুও তিনি প্রতিশোধ বা হতাশার পথ বেছে নেননি।
তিনি ঘোষণা করেন—“ফাসব্রুন জামীল”—অতএব উত্তম ধৈর্যই আমার জন্য।
অর্থাৎ বিপদের সময় আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে সুন্দরভাবে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
ইয়াকুব (আ.) আশা হারাননি যে আল্লাহ একদিন ইউসুফ (আ.)-কে তাঁর কাছে ফিরিয়ে দেবেন।
বহু বছর পরেও তাঁর অন্তরে ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি আশা ও ভালোবাসা অটুট ছিল।
দুঃখে তাঁর চোখ সাদা হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তিনি আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হননি।
তিনি বলেছিলেন, তিনি তাঁর দুঃখ ও কষ্টের অভিযোগ শুধু আল্লাহর কাছেই করেন।
আর সন্তানদের বলেছিলেন, ইউসুফ ও তাঁর ভাইকে খুঁজতে এবং আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হতে।
এ ঘটনা আমাদের শেখায়—বিপদ যত দীর্ঘই হোক, মুমিনের উচিত সবর, দোয়া ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা
কারণ আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়; কখনো কখনো দীর্ঘ পরীক্ষার পরেই আসে মহান মুক্তি

06/09/2026
হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ইসলাম গ্রহণের আগে ইসলামের কঠোর বিরোধিতা করতেন। একদিন তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে হত্যা করার উদ্দে...
01/09/2026

হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ইসলাম গ্রহণের আগে ইসলামের কঠোর বিরোধিতা করতেন। একদিন তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তরবারি নিয়ে বের হন। পথে জানতে পারেন, তাঁর বোন ফাতিমা (রা.) ও ভগ্নিপতি সাঈদ ইবন যায়েদ (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁদের ঘরে গিয়ে কুরআনের কিছু আয়াত লেখা একটি পৃষ্ঠা দেখতে পান। বোনের কাছ থেকে পৃষ্ঠা নিয়ে তিনি সূরা ত্ব-হা-এর কিছু আয়াত পড়েন। কুরআনের বাণী তাঁর হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং তাঁর মন পরিবর্তিত হয়ে যায়। এরপর তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ কোথায় আছেন তা জানতে পারেন। তিনি দারুল আরকামে গিয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সামনে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি কালিমা শাহাদাত পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণে সাহাবিগণ অত্যন্ত আনন্দিত হন। ইসলামের ইতিহাসে এটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। হযরত উমর (রা. ইসলাম গ্রহণের পর মুসলমানদের ঈমান ও সাহস আরও দৃঢ় হয়। তিনি প্রকাশ্যে মুসলিম হয়ে ইসলামের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান। তাঁর ইসলাম গ্রহণ মুসলমানদের জন্য মক্কায় অনেক বড় শক্তি ও সাহসের কারণ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হন এবং ন্যায়বিচার, তাকওয়া ও দৃঢ়তার জন্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা আমাদের শেখায়—আল্লাহ চাইলে একটি মানুষের হৃদয় মুহূর্তের মধ্যেই পরিবর্তন করে দিতে পারেন

ইসলামী শরিয়তের নির্ভরযোগ্য দলিল অনুযায়ী, মানুষের জন্ম ও মৃত্যুর সময় আল্লাহ তাআলা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন।১. ...
31/08/2026

ইসলামী শরিয়তের নির্ভরযোগ্য দলিল অনুযায়ী, মানুষের জন্ম ও মৃত্যুর সময় আল্লাহ তাআলা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন।
১. কোন ব্যক্তি কখন মৃত্যুবরণ করবে—এর চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছেই রয়েছে।
২. কুরআনে বলা হয়েছে, কোনো প্রাণীই আল্লাহর অনুমতি ছাড়া মরতে পারে না; প্রত্যেকের জন্য নির্ধারিত সময় রয়েছে।
৩. মানুষের মৃত্যুর সময়কে ইসলামী পরিভাষায় “আজল” বলা হয়।
৪. আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন কারও নির্ধারিত সময় এসে যায়, তখন তা এক মুহূর্তও পিছানো বা এগিয়ে দেওয়া হয় না।
৫. হাদিসে এসেছে, মায়ের গর্ভে থাকতেই ফেরেশতা মানুষের জীবনকাল, রিজিক ও আমল সম্পর্কে লিখে দেন।
৬. তবে এর অর্থ এই নয় যে ফেরেশতারা নিজেরা স্বাধীনভাবে কার মৃত্যু কখন হবে তা নির্ধারণ করেন।
৭. ফেরেশতারা আল্লাহর আদেশের অধীন এবং তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন।
৮. মৃত্যুর সময় মালাকুল মাওত (মৃত্যুর ফেরেশতা) মানুষের প্রাণ গ্রহণ করেন—এ কথা কুরআনে উল্লেখ আছে।
৯. কুরআনে আরও এসেছে যে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিযুক্ত ফেরেশতারা মানুষের প্রাণ গ্রহণ করেন।
১০. মানুষের আমল লিপিবদ্ধ করার জন্যও ফেরেশতা নিযুক্ত রয়েছেন, যারা মানুষের কথা ও কাজ লিখে রাখেন।
১১. তাই “আসমানের কোনো অফিসে বসে ফেরেশতারা প্রতিদিন মানুষের মৃত্যুর হিসাব করেন”—এমন নির্দিষ্ট বর্ণনা কুরআন বা সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না।
১২. আমাদের প্রত্যেকের নামসহ মৃত্যুর নির্ধারিত সময় আল্লাহর জ্ঞানে ও তাঁর নির্ধারণে রয়েছে—এটাই আকিদার সঠিক বিষয়
১৩. কুরআনে “উম্মুল কিতাব”-এর কথাও এসেছে, যা আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত মূল কিতাবের দিকে ইঙ্গিত করে
১৪. তবে এসব বিষয়ের বিস্তারিত প্রকৃতি আমাদের অদৃশ্য জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত; তাই দলিল ছাড়া ফেরেশতাদের দপ্তর, খাতা বা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো গল্প বলা ঠিক নয়।
১৫. সুতরাং সঠিক বিশ্বাস হলো—মৃত্যুর সময় আল্লাহ নির্ধারণ করেন, ফেরেশতারা তাঁর আদেশ বাস্তবায়ন করেন, আর মানুষ কখন মারা যাবে সে বিষয়ে পূর্ণ ও চূড়ান্ত জ্ঞান আল্লাহ তাআলারই

কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর কয়েকজন ছেলে ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর প্রতি তাদের পিতার বিশেষ ভালোবা...
28/08/2026

কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর কয়েকজন ছেলে ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর প্রতি তাদের পিতার বিশেষ ভালোবাসা নিয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছিল। তারা প্রথমে ইউসুফকে হত্যা করার কথা বললেও পরে একজন প্রস্তাব দেয়, তাঁকে হত্যা না করে একটি গভীর কূপে ফেলে দিতে—যাতে কোনো পথিক তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তারা ইয়াকুব (আ.)-কে বোঝায় যে ইউসুফকে তাদের সঙ্গে বাইরে পাঠানো হোক, এবং তাঁরা তাঁর দেখাশোনা করবে। ইয়াকুব (আ.) আশঙ্কা প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে তাদের সঙ্গে যেতে দেন। পরে তারা ইউসুফ (আ.)-কে কূপের মধ্যে ফেলে দেয় এবং রাতে কাঁদতে কাঁদতে বাবার কাছে ফিরে এসে মিথ্যা বলে যে, তারা দৌড় প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত থাকার সময় একটি নেকড়ে ইউসুফকে খেয়ে ফেলেছে। প্রমাণ হিসেবে তারা তাঁর জামায় মিথ্যা রক্ত লাগিয়ে আনে। কিন্তু ইয়াকুব (আ.) তাদের কথা পুরোপুরি বিশ্বাস করেননি এবং ধৈর্য ধারণ করেন। কুরআনে আরও উল্লেখ আছে, পরে একদল পথিক কূপ থেকে ইউসুফ (আ.)-কে উদ্ধার করে এবং তাঁকে সামান্য মূল্যে বিক্রি করে দেয়।
মূল শিক্ষা: ঈর্ষা মানুষকে এমন অন্যায়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে, কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের ষড়যন্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে সম্মান ও মর্যাদা দান করেন।

27/08/2026

ওযু করার পর ইসলামিক ভাইরাল হাদিস ভিডিও #ইসলামেরপথ

26/08/2026

শেখ মুজিবুর রহমানের বাসন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sed Brand 01 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share