Daily Buzz BD

Daily Buzz BD আসসালামু আলাইকুম!
আমাদের পেইজটির সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ❤️
(1)

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।শুক্রবার ওসমানী স্ম...
12/06/2026

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লে দু'র্নীতি কমার কথা। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১১ বছর ধরে নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা হয়নি।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের সমন্বয় হয়নি। ফলে বিষয়টি এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

তবে শুধু বেতন বাড়ালেই কি দু'র্নীতি কমে?

এ প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়।

একদিকে বাস্তবতা হলো, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে অনেক সরকারি কর্মচারী আর্থিক চাপে থাকেন। ন্যায্য ও সময়োপযোগী বেতন একজন কর্মচারীকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয় এবং দু'র্নীতির প্রলোভন থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করতে পারে।

অন্যদিকে বিশ্বের বহু দেশ এবং বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাও দেখায়, শুধু বেতন বৃদ্ধি করলেই দু'র্নীতি সম্পূর্ণ বন্ধ হয় না। দু'র্নীতি কমাতে প্রয়োজন জবাবদিহিতা, শক্তিশালী নজরদারি, ক'ঠোর শাস্তি, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং আইনের সমান প্রয়োগ।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য নতুন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক সামনে নিয়ে এসেছে— সরকারি কর্মচারীদের বেতন কি বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? এবং দু'র্নীতি প্রতিরোধে বেতন বৃদ্ধি কতটা কার্যকর হতে পারে?

সম্ভবত বাস্তব উত্তর হলো, ন্যায্য বেতন দু'র্নীতি কমানোর একটি উপাদান হতে পারে, কিন্তু একমাত্র সমাধান নয়। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে তবেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে আবারও শক্ত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ই/রান।ই/রানের সা/মরিক বাহিনীর জ্যে...
12/06/2026

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে আবারও শক্ত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ই/রান।

ই/রানের সা/মরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশ, পুরো প্রণালি এলাকা এবং পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো বর্তমানে ই/রানি নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ই/রানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এই অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেই দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন, যেখানে বলা হয়েছিল ই/রানের নৌক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

সাইয়ারির ভাষায়, ই/রানের নৌবাহিনী অতীতেও শক্তিশালী ছিল, এখনও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে চায়, তাহলে বাস্তবে এসে পরিস্থিতি দেখুক।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উ/ত্তেজনা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

ই/রানের এই বক্তব্যকে অনেকেই সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে সমালোচকরা বলছেন, এমন বক্তব্য আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

তবে বাস্তবতা হলো, হরমুজ প্রণালি শুধু একটি জলপথ নয়; এটি বিশ্ব রাজনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম সংবেদনশীল কেন্দ্র। তাই এখানে দেওয়া প্রতিটি বার্তা এবং প্রতিটি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।
#হরমুজ

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় ...
12/06/2026

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এবারের বাজেটের ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই ধরনের দিকই রয়েছে।

নাহিদ ইসলামের মতে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি বাজেটের অন্যতম ইতিবাচক দিক। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, যা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষের উপকারে আসতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যে কর কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।

তবে বাজেটের বেশ কিছু বিষয় নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট ব্যয়ের তুলনায় সরকার যে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তার দাবি, বর্তমান প্রশাসনিক সক্ষমতা, কর কাঠামো এবং রাজস্ব আহরণের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এত বড় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সরকারের জন্য কঠিন হতে পারে।

তিনি মনে করেন, বাজেটে অনেক ইতিবাচক পরিকল্পনা থাকলেও সেগুলোর সফলতা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর। কারণ কাগজে বড় পরিকল্পনা করা সহজ, কিন্তু তা বাস্তবে কার্যকর করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এখন দেখার বিষয়, সরকার ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী রাজস্ব আদায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের জন্য ঘোষিত সুবিধাগুলো কতটা বাস্তবায়ন করতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং ফিফার অধিভু...
12/06/2026

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং ফিফার অধিভুক্ত সদস্য সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এই স্টেডিয়াম নতুন এক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের গৌরব অর্জন করছে এটি।

স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করার পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন বাংলাদেশের দুই ফুটবল সংগঠকও।

বাংলাদেশ এখনও বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে না পারলেও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের উদ্বোধনী মঞ্চে দেশের ফুটবল প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতিনিধিত্বকেই তুলে ধরে।

এখন দেশের ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা, এমন আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা শুধু আনুষ্ঠানিক উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন, অবকাঠামো গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানে এগিয়ে যাওয়ার পথেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হা/মলার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রমে নি/ষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আও...
11/06/2026

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হা/মলার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রমে নি/ষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বি/রুদ্ধে। বুধবার রাতে পৃথক দুটি ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুইমারার বড়পিলাক এলাকায় একটি বাড়িতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী বৈঠক করছিলেন বলে খবর পেয়ে সেখানে যান বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে হা/মলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি, যুবদলের সদস্য মামুন এবং মাহবুব আলম।

একই রাতে বাইল্যাছড়ি এলাকায় গুইমারা ইউনিয়নের ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর হা/মলার অভিযোগ ওঠে। বিএনপির নেতাদের দাবি, নি/ষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে ধা/রালো অ/স্ত্র দিয়ে আ/ঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুইমারা উপজেলা বিএনপির নেতারা হা/মলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। জেলা বিএনপিও ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত হা/মলা বলে উল্লেখ করেছে।

অন্যদিকে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, বড়পিলাক এলাকার ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। তবে বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে তখনও আনুষ্ঠানিক তথ্য পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কৃষিপণ...
11/06/2026

নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কৃষিপণ্যে কর ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন, ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন কৃষি ও ভোগ্যপণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫%, ২% ও ১% থেকে কমিয়ে ০.৫% করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যবহৃত কিছু পণ্যে কর কমানো এবং স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে কর ৫% থেকে ০.৫%-এ নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তি ও শিল্প খাতেও বেশ কিছু কর ছাড়ের ঘোষণা এসেছে। কম্পিউটার, মনিটর, ফ্ল্যাশ মেমোরি, মোবাইল ফোন উৎপাদনের কাঁচামাল, ইলেকট্রিক বাস-ট্রাক ও চার্জিং স্টেশন আমদানিতে কর কমানো বা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামাল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, রিসাইক্লিং শিল্প, বিমা ও বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত বিভিন্ন খাতে উৎসে কর হ্রাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের দাবি, এসব পদক্ষেপ দ্রব্যমূল্যের ওপর চাপ কমাবে, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করবে এবং বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

তবে বাস্তব প্রশ্ন হচ্ছে— কর কমানোর সুবিধা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাছে পৌঁছাবে কি না।

অতীতে অনেক সময় কর ও শুল্ক কমানো হলেও বাজারে পণ্যের দাম সেই অনুপাতে কমেনি। তাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, শুধু বাজেটে ঘোষণা নয়, বাজার তদারকি ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমেই যেন এই সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছায়।

কারণ কাগজে কর কমা আর বাজারে দাম কমা— সবসময় এক জিনিস নয়।
#দ্রব্যমূল্য

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত এসেছে নতুন বাজেটে।জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত...
11/06/2026

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত এসেছে নতুন বাজেটে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতু, তৃতীয় মেঘনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিক করা এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, শুধু নতুন সেতু বা এক্সপ্রেসওয়ে নয়, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে চার লেনে উন্নীত করা, সমন্বিত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং একটি আধুনিক মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব তৈরির কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে এবারের বাজেটে। বর্তমানে ৯৪টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে এবং দুর্ঘটনা কমাতে ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প পুনরায় চালুর কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বিশেষ করে দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও তৃতীয় মেঘনা সেতু বাস্তবায়িত হলে দেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দীর্ঘদিনের যানজট, পণ্য পরিবহনের ধীরগতি এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে দেশের মানুষ এখন শুধু পরিকল্পনার ঘোষণা নয়, বাস্তবায়নও দেখতে চায়।

কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক বড় প্রকল্পের ঘোষণা এসেছে, কিন্তু সবগুলো সময়মতো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই জনগণের প্রত্যাশা— এই প্রকল্পগুলো যেন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবে রূপ নেয় এবং দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় সত্যিকারের পরিবর্তন আনে।

শিক্ষা খাতে বড় কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে।সরকারি সূত্র বলছে, এবার শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন...
11/06/2026

শিক্ষা খাতে বড় কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে।

সরকারি সূত্র বলছে, এবার শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক নতুন কর্মসূচি ও সংস্কার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাব হলো— মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ।

এছাড়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ, সারা দেশে ধাপে ধাপে মিড-ডে মিল চালু, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাহিত্যচর্চা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হলো ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা। একই সঙ্গে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এমনকি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

যদি এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশের লাখো শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার, মেয়েদের শিক্ষা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে বাস্তবতার প্রশ্নও রয়েছে।

বাংলাদেশে অনেক ভালো পরিকল্পনা কাগজে-কলমে থাকে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে গিয়ে গতি হারায়। তাই শুধু বাজেট বক্তৃতায় ঘোষণা নয়, প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হবে বাস্তবায়ন।

যদি সত্যিই মেয়েরা স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ পায়, দরিদ্র শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সহায়তা পায় এবং শিক্ষাব্যবস্থা দক্ষতাভিত্তিক হয়— তাহলে এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় বিনিয়োগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

কারণ শিক্ষা খাতে ব্যয় আসলে খরচ নয়, এটি একটি দেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

অবশেষে ক/ঠোর সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃ'ত্যুর ঘটন...
11/06/2026

অবশেষে ক/ঠোর সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃ'ত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে অবহেলা, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সেই জবাব সন্তোষজনক হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনেক সময় বড় কোনো ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হয়, প্রতিবেদন হয়, আলোচনা হয়— কিন্তু শেষ পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যায় না। তাই ৬ নবজাতকের মৃ'ত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের এই সিদ্ধান্তকে অনেকে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তবে এখানেই যেন সব শেষ না হয়।

লাইসেন্স বাতিল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু যেসব পরিবারের কোল খালি হয়েছে, তাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো— ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দায় নির্ধারণ, বিচার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো হাসপাতালের অবহেলায় আর একটি শিশুরও প্রাণ না যায়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া।

কারণ হারিয়ে যাওয়া ছয়টি প্রাণ আর কখনো ফিরে আসবে না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Buzz BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category