12/01/2026
জীবন সংগ্রামের পাতা থেকে
জর্জ ডব্লিউ বুশ থেকে শুরু করে আজকের ডোনাল্ড ট্রাম্প—টানা সাতজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়াতুল্লাহ খামেনির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য ষড়যন্ত্র করেছে। নিষেধাজ্ঞা, হুমকি, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা—সবই ব্যবহার করা হয়েছে। তবু সব বাধা অতিক্রম করে খামেনি টিকে আছেন।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।
মোসাদ প্রকাশ্যেই স্বীকার করছে—ইরানে সরকার পতনের আন্দোলনে তারা সক্রিয়। নেতিনিয়াহু ও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকও সেই ইঙ্গিতই দেয়। এমনকি যুদ্ধের আশঙ্কায় নেতিনিয়াহুর স্ত্রী সারাহ নেতিনিয়াহু মিয়ামি চলে গেছেন—যেন বাঙ্কারে থাকতে না হয়।
তবে ইরান কোনো দুর্বল রাষ্ট্র না। খামেনি এত সহজে সরে যাওয়ার মানুষ নন। ইরানের পতন মানে শুধু তেহরান নয়—পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন।
ইরান চাইলে Strait of Hormuz বন্ধ করে দিতে পারে।
হিযবুল্লাহ চুপ থাকবে না—Red Sea অচল করার চেষ্টা হবে।
এই দুই রুট বন্ধ হলে পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে আমেরিকা, মারাত্মক এনার্জি সংকটে পড়বে। সেই আশঙ্কা থেকেই আগাম প্রস্তুতি—ভেনেজুয়েলাকে চাপ, তেল নিয়ে দখলদার নীতি, চায়নার সাথে ডিল বাতিলের চাপ।
একই সঙ্গে রাশিয়ার তেলের ট্যাংকার আটকে দেওয়া—সবই একই দাবার চাল।
বিশ্বকে ধীরে ধীরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে।
চীন ও রাশিয়া আপাতত নীরব, কিন্তু ইরানের পতন হলে নীরব থাকা তাদের জন্যই আত্মঘাতী হবে।
Full-scale war আর World Order ভেঙে পড়া—দুটোই এখন আর কল্পনা নয়, সময়ের অপেক্ষা।
বিশ্ব একটা ভয়ংকর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।
এই বাস্তবতায় আমি একটাই কথা বলি—
আমৃত্যু আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের সুপ্রিম লিডার হিসেবে টিকে থাকুন।
কারণ আজ তিনি শুধু একজন ব্যক্তি নন—তিনি একপাক্ষিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। সময় কথা বলবে।।