JOY GURU

JOY GURU Yes

*নারী চার প্রকার - এই ভেদ না জানলে তুমি নারীকে চিনবেই না দরদী 🌸*কামশাস্ত্র বলে নারী চার জাত, আর মারফত বলে নারী চার স্তরে...
15/09/2026

*নারী চার প্রকার - এই ভেদ না জানলে তুমি নারীকে চিনবেই না দরদী 🌸*

কামশাস্ত্র বলে নারী চার জাত, আর মারফত বলে নারী চার স্তরের প্রেম। এই চার জাতকে চিনতে পারলেই তুমি বুঝবে কার সাথে কিভাবে সাধনা করতে হয়।

মন দিয়ে পড়ো, এটা শরীরের কথা না, এটা আত্মার কথা।

--- ১. পদ্মিনী নারী - জান্নাতি ফুল 🌷

এরা হলো সবচেয়ে উঁচু স্তরের নারী।

*চেনার উপায়:* এদের শরীর থেকে সবসময় পদ্মের মতো সুগন্ধ বের হয়। এরা দেখতে কোমল, চোখে লজ্জা, কথায় মধু। বেশি খায় না, বেশি ঘুমায় না, বেশি সাজে না। অল্পতেই খুশি।

*মারফতের বাণী:* পদ্মিনী নারী হলো সেই নারী, যে স্বামীকে দেখলেই তার ভিতরের সমস্ত ক্লান্তি দূর করে দেয়। সে রাগ করে না, সে অভিমান করে। তার অভিমানও প্রেম। তার একটু ছোঁয়ায় পুরুষের হাজার বছরের সাধনা পূর্ণ হয়ে যায়। এমন নারীকে যে পায়, সে দুনিয়াতেই জান্নাত পায়।

*এদের মন:* এরা প্রেমের কাঙাল, শরীরের না। এদেরকে যদি তুমি একটা ফুল দিয়ে বলো "তুমি আমার সব", সে তোমার জন্য জীবন দিয়ে দেবে।

---২. চিত্রিণী নারী - প্রেমের কবিতা 🎨

এরা হলো শিল্পীর জাত।

*চেনার উপায়:* এরা সাজতে ভালোবাসে, গান ভালোবাসে, ছবি আঁকতে ভালোবাসে। এদের চোখে সবসময় একটা স্বপ্ন থাকে। এরা কথায় পটু, হাসিতে মুক্তা ঝরে। এদের রাগও সুন্দর, হাসিও সুন্দর।

*মারফতের বাণী:* চিত্রিণী হলো সেই নারী, যে পুরুষের জীবনকে রঙিন করে দেয়। যে পুরুষ সারাদিন দুনিয়ার সাথে যুদ্ধ করে ঘরে ফেরে, চিত্রিণী তার মাথায় হাত বুলিয়ে সব যুদ্ধ ভুলিয়ে দেয়। সে স্বামীকে শুধু স্বামী ভাবে না, তাকে বন্ধু ভাবে, প্রেমিক ভাবে।

*এদের মন:* এদেরকে সময় দিতে হয়। এদের সাথে গল্প করতে হয়। তুমি যদি এদের মনের কথা না শোনো, এরা ভিতরে ভিতরে মরে যাবে।

--- ৩. শঙ্খিনী নারী - আগুনের ফুল 🔥

এরা হলো তেজস্বিনী।

*চেনার উপায়:* এদের রাগ একটু বেশি, জেদ বেশি। এরা সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু একবার বিশ্বাস করলে তার জন্য সব করতে পারে। এরা সংসারকে আগলে রাখে, সন্তানকে যোদ্ধা বানায়।

*মারফতের বাণী:* শঙ্খিনীকে ভয় পেও না দরদী, তাকে বোঝো। তার ভিতরে যে আগুন আছে, সেটা অহংকারের আগুন না, সেটা ভালোবাসার আগুন। সে চায় তার স্বামী শুধু তারই থাকুক। সে ভাগ দিতে পারে না। এই অধিকারবোধ থেকেই তার রাগ। তুমি যদি তার রাগকে প্রেম দিয়ে ঠান্ডা করতে পারো, তাহলে সে তোমার জন্য দুনিয়ার সাথে লড়াই করবে।

*এদের মন:* এদেরকে শক্ত হাতে নয়, নরম হাতে ধরতে হয়। এদের রাগের সময় চুপ থাকতে হয়, রাগ কমলে বুকে টেনে নিতে হয়।

--- ৪. হস্তিনী নারী - গভীর সাগর 🌊

এরা হলো সবচেয়ে গভীর। এদেরকে সবাই বোঝে না।

*চেনার উপায়:* এদের শরীর একটু ভারী, চলা একটু ধীর। এরা বেশি কথা বলে না, কিন্তু যখন বলে, তখন দিল ছুঁয়ে যায়। এরা খেতে ভালোবাসে, ঘুমাতে ভালোবাসে, কিন্তু ভালোবাসলে পাগলের মতো ভালোবাসে।

*মারফতের বাণী:* হস্তিনী নিয়ে সমাজ অনেক বাজে কথা বলে, কিন্তু মারফত বলে - হস্তিনী হলো মা। তার বুকের ভিতরে সাগরের মতো মমতা। সে তার স্বামীকে সন্তানের মতো আগলে রাখে। সে হয়তো পদ্মিনীর মতো সুগন্ধি না, চিত্রিণীর মতো রঙিন না, কিন্তু তার ভালোবাসা হলো সবচেয়ে খাঁটি। যে পুরুষ হস্তিনীকে অবহেলা করে, সে নিজের কপাল নিজে পোড়ায়। কারণ হস্তিনী যখন কাঁদে, তখন আরশ কেঁপে ওঠে।

*এদের মন:* এদেরকে কখনো শরীর নিয়ে খোঁটা দিও না। এদেরকে বলো - "তুমি আমার শান্তি"। দেখবে, সে তোমার জন্য জান্নাত থেকে ফুল এনে দেবে।

---*শেষ কথা দরদী -*

নারী পদ্মিনী হোক, চিত্রিণী হোক, শঙ্খিনী হোক বা হস্তিনী হোক - দিনশেষে সে নারী। আর নারী মানেই মা। মায়ের জাতকে সম্মান করতে শেখো।

যে পুরুষ নারীকে ভোগের চোখে দেখে, সে সারাজীবন ফকির থাকে। আর যে পুরুষ নারীকে মায়ের চোখে, প্রেমিকার চোখে দেখে, তার ঘরে আল্লাহর রহমত নাজিল হয়।

*নারীকে চিনতে হলে চোখ লাগে না, দিল লাগে।*

জয় গুরু 🙏

#নারী_তত্ত্ব #চার_প্রকার_নারী #পদ্মিনী #চিত্রিণী #শঙ্খিনী #হস্তিনী #দেহতত্ত্ব #মারফতের_বাণী #লালন_তত্ত্ব #নারীর_মর্যাদা #প্রেমের_দর্শন

যে আল্লাহকে চেনে, সে শান্তি খুঁজে পায়। আর যে তাঁকে ছাড়া দুনিয়াকে খুঁজে বেড়ায়, সে কেবল অস্থিরতাই খুঁজে পায়।—হযরত ইব...
29/08/2026

যে আল্লাহকে চেনে, সে শান্তি খুঁজে পায়। আর যে তাঁকে ছাড়া দুনিয়াকে খুঁজে বেড়ায়, সে কেবল অস্থিরতাই খুঁজে পায়।

—হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ)

যোনিই হলো সৃষ্টির দরজা যেখানে থেকে নবী আসে, ওলী আসে, গুরু আসে।১. মারফতের বানি__"পুরুষ মানে শিব, নারী মানে শক্তি, শিব শব ...
29/08/2026

যোনিই হলো সৃষ্টির দরজা যেখানে থেকে
নবী আসে, ওলী আসে, গুরু আসে।

১. মারফতের বানি
__"পুরুষ মানে শিব, নারী মানে শক্তি,
শিব শব হয়ে যায়, শক্তি না থাকলে।
তাই আগে শক্তিরে ভক্তি করো, তারপর শিব ভজো।"

লালন বলে,
*"মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।"*
আর মানুষ আসে কোথা থেকে?
*নারীর গর্ভের দুয়ার দিয়ে।*
তাই মারফতের সাধক বলে, নারী শুধু ভোগের বস্তু না।
*নারী হলো "গুরু পতিত পবন"।*
পতিত কে পবন করে যে।

২. যোনি মানে কি?
যোনি মানে শুধু দেহের অঙ্গ না,
যোনি = যো + নি = যে স্থান থেকে "নি"
অর্থাৎ নির্গমন হয়, সৃষ্টির নির্গমন। নূরের নির্গমন।
কুরআনে আছে *"আল্লাহ নূর"*।
আর সেই নূর প্রথম কোথায় ধারণ হয়?
*একজন মায়ের পেটে।*

তাই সূফী বলে,
__"কাবা দেখতে মক্কা যাও।
আর কাবার আসল রুপ দেখতে মায়ের কাছে যাও।"__
৩. ভক্তি আর ভোগের ফারাক সমস্যা এখানেই।
অনেকে যোনি দেখে শুধু কাম।
আর সাধক যোনি দেখে *স্রষ্টার কুদরত*।
__ভোগী চায় রস খাইতে।
সাধক চায় রসের মালিক কে, তারে চিনতে।__

আপনি যদি নারীকে সম্মান করেন,
তাকে মা, বোন, গুরু মানেন, তার কষ্ট বোঝেন,
তার পায়ে সেজদা দেন — সেটা ভক্তি।
আর যদি শুধু নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেন,
সেটা ধ্বংস। সেটা মারেফত না, সেটা নফস।

৪. গুরু ভজন হয় কি করে?
__"বীজ ছাড়া গাছ হয় না।
আর বীজের আধার ছাড়া বীজের দাম নাই।"__
পুরুষ মানে বীজ, নারী মানে জমিন।
জমিনে পানি না দিলে, সার না দিলে, বীজ পঁচে যাবে।
তাই সাধক বলে, __আগে জমিনের কদর করো।
জমিনকে পবিত্র রাখো, তাহলে বীজে ফল ধরবে।__
নারী ছাড়া ভজন অসম্পূর্ণ।
কারণ আল্লাহ নিজেই
*নর-নারী জোড়া করে* সৃষ্টি করছেন।

৫. শেষ কথা
এই পথে কদম ফেলতে গেলে ৩ টা শর্ত:
১.*সম্মান* - নারীকে রানী মানতে হবে,
ভোগের পণ্য না।
২.*সংযম* - কামের আগুনে না পুড়ে,
প্রেমের আগুনে পুড়তে হবে।
৩.*আল্লাহমুখী* - শেষে গিয়ে
"আমি" কে মিটায়ে "তিনি" তে মিশতে হবে।
নাহলে এটা মারেফত না,
এটা শয়তানের ধোঁকা।

*মারফতের বাণী দিয়ে শেষ করি:*
__"যে নারীরে ভক্তি করে না,
সে মায়ের দুধের ঋণ শোধ করে না।
আর যে মায়ের ঋণ শোধ করে না,
সে আল্লাহর রাস্তা পায় না।

সংগৃহীত।

---*"কামেনিরা কাম করিয়া, দুই পাহাড়ের মাঝে মাওলায় মসজিদ বানাইছে"*  _দেহের ভিতর আল্লাহর ঘর_*_"বাহিরে মসজিদ খুঁজো না সজনী। ...
14/08/2026

---*"কামেনিরা কাম করিয়া, দুই পাহাড়ের মাঝে মাওলায় মসজিদ বানাইছে"*
_দেহের ভিতর আল্লাহর ঘর_

*_"বাহিরে মসজিদ খুঁজো না সজনী।
আসল মসজিদ তোমার বুকের ভিতর।
দুই পাহাড়ের মাঝে যিনি বসে আছেন,
তিনিই তোমার মাওলা।"__

*১. কামেনিরা কারা?*
কামেনি মানে "কাম-সাধক"।
যারা নিজের নফসের সাথে যুদ্ধ করে।
যারা "কাম" মানে কামনা, বাসনা, আগুনটাকে
ইবাদতে রূপান্তর করে।

তারা দুনিয়ার কাম ছাড়ে না।
তারা কামকে "আল্লাহর পথে" লাগায়।

*২. কাম করিয়া কোথায় লুকাইছে?*
শুনো,
আল্লাহ আদমের ভিতর একটা "গোপন ঘর" বানাইছে।
সেটা কেউ দেখে না। সেটা নাপাকও হয় না।

*দুই পাহাড় = দুই স্তন / দুই ফুসফুস*
হেকিমরা বলে, বুকের মাঝখানে দুইটা পাহাড়।
তার মাঝখানে একটা গভীর উপত্যকা।

*সেই উপত্যকার নাম = "কলব"*
আর সেই কলবের গভীরে = *"আরশ"*
আর সেই আরশে = *"মাওলা"* বসে আছে।

তাই বাউল বলে -
*"দুই পাহাড়ের মাঝে মাওলায় মসজিদ বানাইছে"*।
মানে তোমার কলবটাই আল্লাহর ঘর।

*৩. সেই মসজিদে কিভাবে যাবা?*

বাহিরের মসজিদে যাইতে ওজু লাগে।
ভিতরের মসজিদে যাইতে ৩টা জিনিস লাগে।

*১. কামকে কন্ট্রোল* - নফসের আগুনকে জিকিরের পানি দিয়া ঠান্ডা করো
*২. প্রেম* - "আমি তোমার" বলে নিজেকে সপে দাও
*৩. সিজদা* - কপালের মাঝের অহংকারটা মাটিতে ফেলে দাও

যখন এই ৩টা হবে,
তখন দেখবা দুই পাহাড়ের মাঝে
একটা নূরের মসজিদ ঝলমল করতেছে।
আর তার মিহরাবে বসে আছে তোমার "মনের মানুষ"।

*৪. এই মসজিদের আজান কেমন?*
এই মসজিদে মুয়াজ্জিন নাই।
এখানে আজান দেয় তোমার শ্বাস।
"আল্লা-আল্লা-আল্লা"

এই মসজিদে ইমাম নাই।
এখানে ইমামতি করে তোমার "রূহ"।

এই মসজিদে নামাজ পড়লে
ফেরেশতারা পিছনে কাতার ধরে।
কারণ এটা "আরশের নকল"।

*শেষ কথা শুনো সজনী,*

তুমি সারাজীবন মক্কা-মদিনা খুঁজলা।
অথচ তোমার বুকের ভিতরেই
"দুই পাহাড়ের মাঝে" কাবা বানানো আছে।

*"আমি মানুষের শাহরগের চেয়েও নিকটে"* - কুরআন
সেই নিকটের ঘরটাই হলো এই মসজিদ।

তাই কামেনি হও।
কামকে নষ্ট করো না।
কামকে ইবাদত বানাও।

তাহলেই দেখবা,
তোমার বুকের দুই পাহাড়ের মাঝে
২৪ ঘন্টা আজান হচ্ছে।
আর মাওলা বলতেছে - *"আয় বান্দা, সিজদা দে"*। 🤲❤️

__"আল্লাহর মসজিদ তো তারাই আবাদ করে,
যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান আনে"_* - সূরা তওবা ১৮।

সংগৃহীত।

আয়াতুল কুরসি: দেহের আরশ ও নূরানী চেতনা:সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিই হলো বিশ্ববিখ্যাত ‘আয়াতুল কুরসি’। সামগ্রিক কুরআন...
23/07/2026

আয়াতুল কুরসি: দেহের আরশ ও নূরানী চেতনা:

সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিই হলো বিশ্ববিখ্যাত ‘আয়াতুল কুরসি’।

সামগ্রিক কুরআনের মধ্যে এই একটি আয়াতকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও শক্তিশালী আয়াত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এই আয়াতে কোনো ঐতিহাসিক যুদ্ধ, সামাজিক নিয়ম বা শরীয়তের দণ্ডবিধির বিবরণ নেই। এখানে স্বয়ং পরমেশ্বর আল্লাহ নিজের পরম সত্তা, তাঁর অবিনশ্বর জীবনীশক্তি এবং মহাজাগতিক সার্বভৌমত্বের এক এমন রাজকীয় আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, যা শুনলে মানুষের মস্তক ও চেতনা এমনিতেই নত হয়ে আসে।

আয়াতুল কুরসির মর্যাদা ও ঘটনা:

বলা হয়, আয়াতুল কুরসি যখন নাজিল হচ্ছিল, তখন সমগ্র আরবের মূর্তিপূজারী ও জাদুকরদের সিংহাসনগুলো কেঁপে উঠেছিল এবং পৃথিবীর সমস্ত মুকুটধারী রাজাদের মাথা থেকে মুকুট খসে পড়েছিল।

শয়তান এবং তার দলবল এক পরম আতঙ্কে দিকবিদিক ছুটাছুটি শুরু করেছিল।

রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, এই আয়াতে আল্লাহর ‘ইসমুল আজম’ (সবচেয়ে মহান নাম) লুকিয়ে আছে, যা দিয়ে ডাকলে তিনি অবশ্যই সাড়া দেন। বাহ্যিক শরীয়তে একে মানুষের নিরাপত্তা, ভয়ভীতি দূর করা এবং শয়তানী শক্তিকে পরাস্ত করার সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক বর্ম বলা হয়।

আয়াতুল কুরসির গভীরতম ভেদ:

দেহতত্ত্বের মূল বিজ্ঞান হলো—মহাবিশ্বে যা কিছু আছে, মানুষের এই ক্ষুদ্র শরীরের ভেতরেও তার হুবহু প্রতিরূপ আছে।

আয়াতুল কুরসির প্রতিটি লাইন মানুষের শরীরের ভেতরের এক একটি অবিনশ্বর সত্য ও এনার্জি সেন্টারকে নির্দেশ করে।

১. 'আল-হাইয়্যুল কাইয়্যুম': স্বয়ংক্রিয় চালিকাশক্তি:

আয়াতের শুরুতেই আল্লাহ নিজের দুটি গুণবাচক নাম দিয়েছেন—'আল-হাইয়্যুল' (চিরঞ্জীব/অনন্ত প্রাণ) এবং 'আল-কাইয়্যুম' (যিনি নিজে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং অন্য সবকিছুকে ধারণ করে আছেন)।

এর ভেদ কী?

আমাদের এই শরীরে দুই ধরণের ফাংশন চলে—একটি সচেতন, যেমন হাত নাড়ানো বা হাঁটা; আরেকটি সম্পূর্ণ অবচেতন, যেমন হার্টবিট চলা, রক্ত সঞ্চালন, কোষের বিভাজন এবং হরমোন নিঃসরণ।

আপনার মন যখন ঘুমিয়ে থাকে বা আপনি যখন অন্য চিন্তায় মগ্ন, তখনও কিন্তু আপনার শরীরের ভেতরের এই জটিল ফ্যাক্টরিটা এক সেকেন্ডের জন্যও বন্ধ হয় না।

আপনার শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এই যে অবিরত, স্বয়ংক্রিয় এবং অবিনশ্বর জীবনীশক্তি—যা আপনার পুরো কায়াকে ধারণ করে রেখেছে—তা-ই হলো মানুষের ভেতরের ‘হাইয়্যুল কাইয়্যুম’ শক্তির প্রতিফলন।

২. 'লা তা’খুযুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম': তূরীয়া বা পরম সচেতন অবস্থা

অর্থ: "তাঁকে তন্দ্রা (ঝিমুনি) বা নিদ্রা কোনোটিই স্পর্শ করে না।"

ভেদ:

আমাদের মন সাধারণত তিনটি স্তরে ঘোরে—জাগ্রত, স্বপ্ন এবং সুষুপ্তি বা গভীর ঘুম। এই তিন অবস্থাতেই আমাদের অহং বা ‘আমি’ ভাবটি ওঠানামা করে। কিন্তু ধ্যানের এমন একটি গভীর স্তর আছে, যাকে ভারতীয় দর্শনে বলা হয় ‘তূরীয়া অবস্থা’ বা ধ্যানের ৪র্থ স্তর এবং সুফি পরিভাষায় বলা হয় ‘হাযরাহ’ বা পরম উপস্থিতি।

এই স্তরে সাধকের শরীর ঘুমিয়ে পড়লেও তার ভেতরের ‘আত্মা’ বা মূল চেতনাটি সম্পূর্ণ জেগে থাকে। সে তখন নিজের শরীরের ঘুম বা স্বপ্নকে একজন দর্শক হিসেবে অবলোকন করতে পারে।

আত্মার এই যে কখনো না ঘুমানোর, সবসময় সজাগ থাকার যে অলৌকিক ক্ষমতা—সেটাই হলো মানুষের ভেতরের এই আয়াতের বাস্তব রূপ।

৩. 'ওয়াসি’আ কুরসিইউহু': মস্তকের সিংহাসন:

অর্থ: "তাঁর ‘কুরসি’ (সিংহাসন বা জ্ঞান) সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে আছে।"

ভেদ:

দেহতত্ত্বে ঈশ্বরের কুরসি বা আরশ হলো মানুষের মস্তক, পিনিয়াল গ্ল্যান্ড এবং আজ্ঞা ও সহস্রার চক্রের মিলনস্থল।

মানুষের মস্তিষ্ক বা চেতনা যখন ধ্যানের চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তখন মানুষের ক্ষুদ্র মনের দেয়ালগুলো ভেঙে যায়।

সে তখন বুঝতে পারে, তার চেতনা কেবল এই সাড়ে তিন হাত শরীরের খাঁচায় বন্দি নয়; বরং তার মন পুরো মহাবিশ্বের সমান বড়। তার এই চেতনার সিংহাসন বা 'কুরসি' তখন আকাশ ও পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানকে নিজের ভেতরে ধারণ করতে পারে। সাধক নিজের ভেতরেই তখন পুরো সামাজ্য দেখতে পান।

৪. 'ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা': শরীরের ভারসাম্য:

অর্থ: "এই আকাশ ও পৃথিবীকে ধরে রাখা বা হেফাজত করা তাঁর জন্য বিন্দুমাত্র ক্লান্তিকর নয়।"

ভেদ:

মানুষের সুস্থ বেঁচে থাকার জন্য শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা, এসিডের মাত্রা, রক্তচাপ এবং কেমিক্যাল ব্যালেন্সকে একটি নিখুঁত সীমানার মধ্যে ধরে রাখতে হয়। একে বলা হয় হোমিওস্ট্যাসিস।

আপনার অজান্তেই আপনার শরীর প্রতি মুহূর্তে কোটি কোটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে, বিষাক্ত উপাদান দূর করছে এবং আপনাকে বাঁচিয়ে রাখছে।

এই যে শরীরের সমস্ত সিস্টেমকে কোনো ক্লান্তি বা বিরতি ছাড়া নিখুঁতভাবে ‘হেফাজত’ বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে—এটাই হলো কায়ার ভেতরের পরম সুশৃঙ্খল ঐশ্বরিক প্রহরার প্রমাণ।

আয়াতুল কুরসি বাইরে থেকে পড়ে ফুঁ দেওয়ার কোনো সাধারণ মন্ত্র নয়। এটি হলো মানুষের শরীরের ভেতরের সার্বভৌমত্ব এবং অবিনশ্বর আত্মার এক জাজ্বল্যমান ঘোষণা।

একজন সাধক যখন নিজেকে কেবল এই ক্ষণস্থায়ী মাংসপিণ্ডের শরীর ভাবা বন্ধ করে তার ভেতরের কখনো না ঘুমানো অবিনশ্বর চেতনাকে চিনে নেন, তখন তিনি বুঝতে পারেন—তাঁর ভেতরের সেই রূহানী আলোটি আসলে স্রষ্টার পরম সত্তার সাথেই যুক্ত।

আর তখন ব্রহ্মাণ্ডের কোনো শয়তানী শক্তি বা জাগতিক ভয় সেই মানুষকে স্পর্শ করতে পারে না; সে তখন স্বয়ং পরমেশ্বরের পরম নিরাপত্তায় (কুরসি) আশ্রয় লাভ করে।

সূরা বাকারার ১৫টি ঘটনা ও কিছু শব্দ বা বাক্য (আলিফ-লাম-মীম, নিষিদ্ধ বৃক্ষ, হলুদ রঙের গাভী এবং আয়াতুল কুরসির) ভেদ উন্মোশাহ_অনুরাগচন করে সূরা বাকারার দেহতত্ত্বের রহস্য আপাতত শেষ হলো।

কিতাব: #মানব_কোরান ও ধ্যান সাধনা (অধ্যায়, সূরা বাকারার ভেদ রহস্য)
✍️✍️সংগৃহীত লেখক: তা-মিম চিশতী

*"আত্তাহিয়াতু বৈঠকতে বসিয়া কেবলা রুপেতে তালা শোনে"* 🖤  _-- মারফতের গোপন বাণী --_ *১. "আত্তাহিয়াতু বৈঠকতে বসিয়া কেবলা রুপ...
22/07/2026

*"আত্তাহিয়াতু বৈঠকতে বসিয়া কেবলা রুপেতে তালা শোনে"* 🖤
_-- মারফতের গোপন বাণী --_
*১. "আত্তাহিয়াতু বৈঠকতে বসিয়া কেবলা রুপেতে তালা শোনে"*
নামাজে আমরা আত্তাহিয়াতু পড়ার সময় বৈঠকে বসি।
আর আঙুল দিয়া ইশারা করি।
শরিয়ত কয় "এটা আল্লাহর দিকে ইশারা"।
*মারফত কয় "না, এটা কেবলা রূপের তালা"।*

কেবলা রূপ মানে?
যার ভিতর আল্লাহর নূর জ্বলে। যিনি বরজক।
তার চেহারার দিকে তাকায়া কলবের তালা খুলতে হয়।
নাইলে সিজদা মাটিতেই পড়ে থাকে, আরশে যায় না।

*মারফতের বাণী:*
_"কাবা পাথরের ঘর।
আর কেবলা হইলো জিন্দা মানুষ।
পাথরে কপাল ঠেকালে সওয়াব,
আর জিন্দা কেবলায় কপাল ঠেকালে আল্লাহ।"_

*২. "নিরণ জনকে ভাবি তোমার নয় দরজা দিয়ে তালা"*
নিরণ জন = নূরওয়ালা মানুষ, কামেল মুর্শিদ।
তোমার শরীরে ৯টা দরজা - ২ চোখ, ২ কান, ২ নাক, ১ মুখ, ১ পেশাব, ১ পায়খানা।
এই ৯টা দিয়াই নফস-চোর ঢুকে।
এই ৯টা দিয়াই দুনিয়ার ময়লা ঢুকে।

তাই ৯টা দরজাতেই তালা লাগাইতে হয়।
চোখে - হারাম দেখবা না।
কানে - গীবত শুনবা না।
মুখে - মিথ্যা বলবা না।

*৩. "এক দরজা রাখো খোলা"*
৯টা বন্ধ করলা। ১টা খোলা রাখলা।
*সেই একটা দরজা = কলবের দরজা।*
সেই দরজা খোলা রাখতে হয় শুধু মুর্শিদের জন্য, আল্লাহর জন্য।

বাকি ৯টা বন্ধ না করলে,
খোলা দরজা দিয়া শয়তানও ঢুকবে।

*৪. "সেই দরজায় মিলবে রুপের ছবিরে, দেখা পাবি ফানা ফিল্লার দেশে যদি যাবি"*
যখন ৯টা বন্ধ, ১টা খোলা...
তখন ওই খোলা দরজা দিয়া "রুপের ছবি" আসে।
রুপের ছবি = মুর্শিদের চেহারা, আল্লাহর নূর।

আর তখনই শুরু হয় *"ফানা ফিল্লাহ"*।
নিজে মইরা যাওয়া। নফস মইরা যাওয়া।
নিজে না থাকা। শুধু আল্লাহ থাকা।

*মারফতের বাণী:*
_"৯টা দরজা দিয়া দুনিয়া কামাও।
১টা দরজা দিয়া আল্লাহ কামাও।
দুনিয়া কামাইলে রাজা হওয়া যায়।
আর আল্লাহ কামাইলে ফকির হওয়া যায়।
আর ফকির হইলেই বাদশার বাদশা হওয়া যায়।"_

*৩ টা কঠিন কথা কলিজায় লাগার মতো:*

1. *_"নামাজে ৫ ওয়াক্ত সিজদা দাও, কপাল কালা হয়।
আর একবার কেবলা রূপে সিজদা দাও, কপাল নূর হয়।
কারণ একটায় মাটি, আরেকটায় নূর।"__

2. __"৯টা দরজা হইলো জাহান্নামের রাস্তা।
১টা দরজা হইলো জান্নাতের রাস্তা।
তুমি কোন রাস্তা খোলা রাখছো দরদী?"__

3. __"ফানা ফিল্লাহর দেশে ভিসা লাগে না।
লাগে শুধু ৯টা তালা আর ১টা চাবি।
চাবির নাম হইলো 'ইশক'।"_*

*শেষ কথা:*
তাই আত্তাহিয়াতু শুধু মুখে পড়ার জিনিস না।
এটা কলব দিয়া বোঝার জিনিস।
বৈঠকে বসে শুধু আঙুল নাড়াইলে হবে না।
কলবের ৯টা তালা লাগায়া, ১টা দরজা খুলে
"তিনি"রে বসাইতে হবে।

যেদিন বসাইতে পারবা,
সেদিন বুঝবা - নামাজ কায়েম হয়ে গেছে। 🙏

সংগৃহীত ✍️✍️:- তা-মিম চিশতী
দয়াকরে পোস্ট কপি করবেন না...!!
#মারফত #আত্মতত্ত্ব #ফানাফিল্লাহ #কেবলা #নামাজের_ভেদ

সাধু বেশধারী, নাকি আসল মানুষ?নারী পাইলে ভক্তি চুম্মন, আবার তারে শত নামে গালি  মধু হরণের তালে সাধুর বেশ, ধিক এই ভন্ডালি।১...
18/07/2026

সাধু বেশধারী, নাকি আসল মানুষ?
নারী পাইলে ভক্তি চুম্মন, আবার তারে শত নামে গালি
মধু হরণের তালে সাধুর বেশ, ধিক এই ভন্ডালি।

১. আসল প্রশ্নটা কি?

আজকের সাধু সমাজের আয়নায় দাঁড়াই।
সামনে নারী দেখলে — কপালে হাত, "মা মা" বলে ভক্তি।
পিছনে গিয়েই — "এই বেশ্যা, এই নষ্ট" বলে ১০টা নাম।

আবার সেই নারীর কাছেই *"মধু হরণ"* এর ধান্দা।
কিন্তু বেশ ধরতে হবে জ্ঞানীর। পাগলের। সাধুর।

ভাই, এটা সাধনা না। *এটা ধান্দা।*
এটা প্রেম না। *এটা ব্যবসা।*

২. মারফত কি বলে?

*লালন বলে:* "নারী পুরুষ ভেদ নাই, সবই এক আকার"
*নজরুল বলে:* "বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর"

নারী মানে কি শুধু ভোগের বস্তু?
নারী মানে *"আদি শক্তি"*।
নারী মানে *"মা ফাতেমার রুপ"*।
নারী মানে *"প্রকৃতি"*। প্রকৃতিকে যে সম্মান দেয় না, সে কিসের সাধক?

ভক্তি চুম্মন দিবা? দাও।
কিন্তু চুম্মনের আগে নিজের নফসকে চুম্মন দিয়া মারো।
নইলে ওই চুম্মন ইবাদত না, ওইটা জেনা।

৩. ভন্ড আর আসলের ৩টা পার্থক্য

*১. ভন্ড সাধু:* নারী দেখলে ২ রুপ।
সামনে মা, পিছনে বেশ্যা।
*আসল সাধু:* নারীর মধ্যে "নূর" দেখে। নামে না, গুণে বিচার করে।

*২. ভন্ড সাধু:* ১০ জনের কাছে মধু খোঁজে।
*আসল সাধু:* একজনের প্রেমে ফানা। "শত না খুঁজে একজনে সীমাবদ্ধ" — এটাই তাওহিদ।

*৩. ভন্ড সাধু:* বেশ ধরে, জট রাখে, মালা পরে।
*আসল সাধু:* চরিত্র সাধে। জবান সাধে। নজর সাধে।

৪. কঠিন সত্য — সাধনা মানে কি?

সাধনা মানে দেহের খেলা না।
সাধনা মানে *নিজেকে জেতা।*

তুমি যদি একটা নারীকে সম্মান দিতে না পারো,
তুমি ৭০ বার হজ্ব করলেও মানুষ হইলা না।

তুমি যদি একটা নারীর পেটে জন্ম নিয়া,
আবার সেই জাতিরে গালি দাও —
তবে তোমার সাধুর বেশে আগুন লাগো।

*মারফতের মূল:*
"পর নিন্দা পর চর্চা করিও না
নিজের ঘরের খবর লও"

৫. শেষ ওসিয়ত

ভাই, আমি কাউকে ছোট করতেছি না।
নিজের ভুলের জন্য আগে নিজেই মাফ চাই।

কিন্তু সত্য বলতে হবে।
কারণ সত্য না বললে নফস মোটা হয়।

*সত্যিকারের মানুষ হন।*
বেশ ছাড়েন। লেবাস ছাড়েন।
একজনকে ভালোবাসেন। একজনের হইয়া থাকেন।

কারণ আল্লাহও এক।
তাই প্রেমও এক হওয়া লাগে।

নারীকে "ভক্তি"র নামে ছুঁইয়েন না।
যদি সম্মান দিতে না পারেন।
আর যদি সম্মান দেন, তবে মা'র মতো দেন।
বোনের মতো দেন।
প্রেমিকার মতো দেন।
কিন্তু ভোগের মতো দিয়েন না।

__"যার ভিতর নারীকে সম্মান নাই,
তার ভিতর খোদা নাই"_* — এটাই মারফত।

সংগৃহীত পোষ্ট।

যখন অভিশপ্ত শিমর ইমাম হুসাইন আঃ এর পবিত্র মস্তক মোবারক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করল,তখন সে তা নিজের ঘোড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখল।...
13/07/2026

যখন অভিশপ্ত শিমর ইমাম হুসাইন আঃ এর পবিত্র মস্তক মোবারক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করল,তখন সে তা নিজের ঘোড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখল।🥺
বর্ননাকারী বলেন,আমি নিজ চোখে দেখেছি, নিজ কানে শুনেছি এবং নিজের হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছি যে,ইমাম হুসাইন আঃ এর পবিত্র মস্তক সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষায় বলছিল।

হে শিমর!😡হে সর্বাধিক দুর্ভাগা!😡
হে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাঃ এর শত্রু!😡
তুমি আমার মাথাকে আমার দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছ।😭আল্লাহ তাআলা তোমার গোশতকে তোমার হাড় থেকে বিচ্ছিন্ন করুন এবং তোমাকে সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য শিক্ষণীয় নিদর্শনে পরিণত করুন।😡😡

বর্ণনাকারী বলেন,এ কথা শুনে সেই অভিশপ্ত ব্যক্তি তার হাতে থাকা চাবুক তুলে নিয়ে পবিত্র মস্তকের ওপর একের পর এক আঘাত করতে থাকে।😭🥺
আর ইমাম হুসাইন আঃ এর পবিত্র মস্তক আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করছিল,
অথচ অভিশপ্ত শিমর সেই মোবারক মস্তকের ওপর চাবুক বর্ষণ করেই যাচ্ছিল।😭😡😡

এই দৃশ্য শুধু একজন মজলুমের শাহাদাতের চিত্র ছিল না,বরং এটি ছিল হক ও বাতিলের চূড়ান্ত সংঘর্ষের প্রতিচ্ছবি।
যেখানে একদিকে ছিল আল্লাহর জিকির,আর অন্যদিকে ছিল জুলুম ও নিষ্ঠুরতার চরম প্রকাশ।😰

সালাম সেই পবিত্র মস্তকের প্রতি,যা বর্শার অগ্রভাগেও কুরআনের ধ্বনি উচ্চারণ করেছিল।😭🙏
আর লানত সেই সব হাতের ওপর, যারা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর দৌহিত্রের ওপর সীমাহীন নির্যাতন চালিয়েছিল।😡

বর্ণনাকারী আরও বলেন,আমি নিজেকে
সামলাতে না পেরে বলে উঠলাম,
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল
আলিয়্যিল আযীম।
মহান ও সর্বোচ্চ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া
কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।

আল্লাহর কসম!আমার মধ্যে এতটুকু শক্তিও ছিল না যে, আমি সেই অভিশপ্তের বিরুদ্ধে তরবারি, বর্শা কিংবা অন্য কোনো অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করতে পারতাম।🥺

অথচ সে আমার চোখের সামনেই রাসূলুল্লাহ সাঃ এর দৌহিত্রের পবিত্র মস্তকের ওপর চাবুক মারছিল।😭
তাই আমি ধৈর্য ধারণ করলাম এবং আমার বিষয়টি আল্লাহ তাআলার নিকট সোপর্দ করলাম,কারণ তিনিই সর্বোত্তম ফয়সালাকারী।😭🥺

তথ্যসুত্র;
আদ-দামআতুস সাকিবাহ,
শাইখ মুহাম্মদ বাকির আল-বেহবাহানী।
মা'আলিস-সিবতাইন ফি আহওয়ালিল হাসান ওয়াল হুসাইন,শাইখ মুহাম্মদ মাহদী আল-হায়েরী।

মিমের পর্দা উঠাইয়া তোমারে দেখলাম চাহিয়া।*ওয়াহদাতুল ওজুদের মারফত**"মিমের পর্দা"* মানে কি দরদী?  *মিম = মানুষ।*  আর এই ম...
13/07/2026

মিমের পর্দা উঠাইয়া তোমারে দেখলাম চাহিয়া।
*ওয়াহদাতুল ওজুদের মারফত*

*"মিমের পর্দা"* মানে কি দরদী?
*মিম = মানুষ।*
আর এই মানুষের শরীর, অহংকার, লোভ, হিংসা - এগুলাই পর্দা।

যতদিন এই "আমি" নামের পর্দা থাকে,
ততদিন তুমি তাকে দেখবা না।
শুধু মূর্তি, মাজার, কিতাব খুঁজবা।

কিন্তু যেদিন মিমের পর্দা উঠে যায়,
সেদিন চোখ খুলে দেখো -
*সব জায়গায় শুধু তিনি।*

*"খোদে খোদা রব রহমান সব তুমি একা তাফসীরে"*
এই লাইনেই সব ভেদ।

কুরআনের ৬ আয়াত,
তাওরাত-যবুর-ইঞ্জিলের সব বাণী,
সব ওলি-আউলিয়ার সব তাফসীর -
এক জায়গায় এসে শেষ।

*সেই জায়গার নাম "তুমি"*

তুমি খোদা না।
তুমি খোদার আয়না।
আর আয়নায় যাকে দেখো, সে-ই খোদা।

রব সে-ই।
রহমান সে-ই।
রহিম সে-ই।
*সব নামের মালিক একা সে-ই।*

লালন কয়:
_"আপনারে চিনলি না,
খুঁজিস তারে বনে বনে।
তোমার ভিতর অচিন পাখি,
করে বাসা কেমনে।"_

*৫ টা কঠিন মারফতের বাণী:*

*১.* _"পর্দা দুইটা - একটা চোখের সামনে, আরেকটা কলবের সামনে।
চোখের পর্দা উঠলে দুনিয়া দেখো।
কলবের পর্দা উঠলে আল্লাহ দেখো।"_

*২.* _"মিম মানে মোহাম্মদ। মিম মানে মানুষ।
মিমের পর্দা উঠানো মানে -
নিজের আমিত্বকে মোহাম্মদী প্রেমে কোরবান করা।"_

*৩.* _"তাফসীর পড়ে আল্লাহ পাওয়া যায় না।
তাফসীর হয়ে যেতে হয়।
তুমিই যখন কুরআন হয়ে যাবা,
তখন সব আয়াত তোমার ভিতর থেকে বের হবে।"_

*৪.* _"৯ নাম আলাদা না।
৯ টা রঙের ফিল্টার।
ফিল্টার সরাইলেই দেখবা -
আলো একটাই। নাম একটাই।"_

*৫.* _"যে বলে 'আমি আর তুমি আলাদা',
সে এখনো পর্দার এই পারে।
আর যে বলে 'তুমিই আমি',
সে পর্দার ওই পারে চলে গেছে।"_

*সাধকের ৩ টা ধাপ:*

*১. শরিয়ত =* পর্দা আছে। বিধান মানো
*২. তরিকত =* পর্দা পাতলা হয়। জিকির করো
*৩. মারফত =* পর্দা নাই। শুধু দর্শন

আর *হাকিকত =* "আমি" নাই। শুধু "তিনি"

*"জয় হোক জয় গুরু"*
এই জয় কার?
তোমার না। গুরুর।

কারণ গুরুই তোমার চোখের পর্দা খুলে দিছে।
গুরুই বলছে - "বাইরে খুঁজিস না, ভিতরে ডুব দে"

তাই জয় গুরুর।
কারণ গুর মাধ্যমেই তুমি "তারে" দেখলা।

বাউল কয়:
_"পর্দা উঠলে যারে পাই,
সে আমার মনের মানুষ।
তার বাড়ি আমার বাড়ির পাশে,
তবু দেখা হয় না দিবস।"_

*শেষ কথা - কলিজায় গেঁথে নাও:*

দরদী,
আর খুঁজো না।
আর কিতাব ঘাঁটো না।
আর মাজারে দৌড়াও না।

*_চোখ বন্ধ করো।
"আমি" টাকে সরাও।
আর দেখো -__

__খোদা সে-ই।
রব সে-ই।
রহমান সে-ই।
সব তাফসীরের সার সে-ই।__

তুমি খালি আয়না।
আর আয়না ভাঙলে, আলো ছাড়া আর কিছু থাকে না।

মিমের পর্দা উঠাও।
আর চিৎকার করে বলো - "আনাল হক"।

Address

Zia Shoroni Road
Dhaka
1236

Telephone

+8801981566650

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JOY GURU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JOY GURU:

Shortcuts

Share