Life Hacks

Life Hacks লাইফ হ্যাকসে আমরা আছি জীবনটা একটু সহজ, একটু দ্রুত আর মজাদার করে তোলার মিশনে।

28/09/2026

asnmdasd,jjb

বড় লোকের গরীব ছেলে!!!ঘটনা বাংলামোটর মোড়ে। একটাবল অটো রিক্স এই ছাত্র  চালকের মটর সাইকেলে আঘাত করে। সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়...
26/08/2026

বড় লোকের গরীব ছেলে!!!

ঘটনা বাংলামোটর মোড়ে। একটাবল অটো রিক্স এই ছাত্র চালকের মটর সাইকেলে আঘাত করে। সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় মটর সাইকেলটি। কিন্তু সে গরীব অটো রিক্সা চালকের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে বসে ২ হাজার টাকা। পথচারীরা এগিয়ে গিয়ে গরীব বলে বয়স্ক অটো চালককে ক্ষমা করে দিতে বলেন। কিন্তু ছেলেটি নাছোড়বান্দা। ২ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ না দিলে সে ছাড়বে না। ইতিমধ্যে সে অটো রিক্সার চাবি নিয়ে নিজের পকেটে রেখে দিয়েছে। অটো চালক তার সারাদিনের রোজগারের টাকা গুনে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হয়। কিন্তু ছেলেটি রাজি হয় না। উপায়ন্তর না দেখে বাপের বয়সী অটো চালক ছেলেটির পা ধরে মাফ চায় একাধিকবার। এবার ছেলেটির মন গলে !! ১৫০০ টাকা দিতে বলে। এর থেকে কম হলে সে মানবে না। তার নতুন মটর সাইকেল। সে বড় লোকের ছেলে না। পথচারী কারও কথাই সে মানতে রাজি না। যিনি কথা বলতে এগিয়ে আসেন, তাকেই অটো চলকের পক্ষ হয়ে টাকা দিতে বলে। ছেলেটির এ রকম ব্যবহারে পথচারীরা অবাক হন। অনেকেই আজে-বাজে কথা বলতে থাকেন। পারিবারিক শিক্ষা পায়নি বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করেন। বাপের বয়সী লোক পা ধরে একাধিকবার ক্ষমা চাওয়ার পরও তার ভেতরের মনুষ্যত্ব একটু জাগ্রত হয়নি। এর মাঝে পুলিশও এগিয়ে আসে কথা বলে। তারাও বিষয়টি বিবেচনা করতে বলে। কিন্তু সে নাছোড়বান্দা। এবার বলে ১ হাজার টাকা দিতে। এবার পুলিশ বলে থানায় নিয়ে যাবে দুই জনকেই। সেখানে লিখিত অভিযোগের পর ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করে পরে টাকা দেয়া হবে। ছেলেটি তাতে রাজি হয়। পুলিশ তাকে আবারও বলে থানায় না গিয়ে বিষয়টি শেষ করার জন্য। কিন্তু বড় লোকের গরিব ছেলের জন্য এবার পথচারিদের মায়া হয়। তারা ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, কেউ কেউ ১০০ টাকা করে ( আমিও দিয়েছি) দিয়ে অটো চালকের ৫০০ টাকার সঙ্গে যোগ করে ছেলেটির হাতে তুলে দেন।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো এভাবে পথচারিরা টাকা তুলার পরও ছেলেটির কিন্তু একবার লজ্জ্বিত বা বিব্রতবোধ করেননি। তার অবয়ব দেখে মনে হয়েছে টাকা পেয়েই খুশি। তা ভিক্ষা করেও হোক। এ সময় পথচারিরা আরও কঠিন ভাষায় ছেলেটিকে নিয়ে সমালোচনা করতে থাকেন।
এই ছাত্রই কিন্তু আগামীর ভবিষ্যৎ !!

07/07/2026

বরিশালে আলোচিত ঘটনার মূল ভি*ডিও প্রকাশ,শুরু নতুন বিতর্ক !
কেনোই বা এমডির অ*ন্ড*কো*ষ চে*পে ধরে চেকে স্বা*ক্ষ*র নিয়েছিলো অ*ভিযু*ক্ত লিটু??

29/05/2026

দোষ কি বাইকারের?

17/05/2026

আপনি গাড়ি ডাম্পিং এ দিলে দেন, কিছু করার নাই

10/04/2026

এভাবে কথা বলেও এখনো গ্রেফতার হচ্ছে না কেন?

09/04/2026

আইনের লোক হয়ে বেআইনি কাজ করবেন না। ম্যাজিস্ট্রেটকে বললেন ব্যবসায়ী।

20/03/2026

পাতি নেতা তেলাপোকার মত উড়ে গেল 🤔

আমার স্বামী আজ অফিস থেকে ঈদের বেতন বোনাস পেয়েছে। হাতে টাকা পেয়েই উনি আমাকে দুপুরে এসে বললো, "ঈদ তো চলে এসেছে ঐশী। চলো আজ...
16/03/2026

আমার স্বামী আজ অফিস থেকে ঈদের বেতন বোনাস পেয়েছে। হাতে টাকা পেয়েই উনি আমাকে দুপুরে এসে বললো, "ঈদ তো চলে এসেছে ঐশী। চলো আজ মার্কেটে যাই, সবার জন্য কেনাকাটা সেড়ে ফেলি।"

আমি বললাম, এখন বাহিরে প্রচন্ড রকমের রোদ। রোজা রেখে এতো গরমের মধ্যে বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না আমার। তুমি একাই যাও না।"

"তুৃমি না গেলে হবে না-কি? তুমি দেখেশুনে সবার জন্য কিনবে।"

অগত্যা বরের কথায় যেতেই হলো। মার্কেটে এসে শ্বাশুড়ির জন্য ঈদের শাড়ী কিনতে এসে আমার চোখ আঁটকে যায় তার পাশের খয়েরী রঙের শাড়ীটার উপর। এই রঙটা আমার মায়ের খুব পছন্দের। কিন্তু মুখ ফুটে বরকে বলার সাহস হলো না। আমি শাড়ীটা হাতে নিয়ে বারবার নড়াচড়া করছি। এরিমধ্যে শ্বাশুড়ির জন্য নিদিষ্ট একটা শাড়ী কিনলো বর। সেটাও আমার পছন্দ অনুযায়ীই হলো। উনি দোকানী'কে টাকা দিয়ে অন্য দোকানে যাবে বাকি কেনাকাটা করতে।
কিন্তু আমি এখনো শাড়ীটা হাতে নিয়ে বসে আছি। মায়ের জন্য এই শাড়ী কিনতে মন চাচ্ছে খুব। শাড়ীটা রেখে চলে যেতে ইচ্ছে করছে না আমার। যা দেখে উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলো, "তুমি কি ওই শাড়ীটা নিবে ঐশী? তোমার পছন্দ হয়েছে?"

আমি আমতা আমতা করে বললাম, "এই রঙটা আমার মা খুব পছন্দ করে। মায়ের গায়ে এই শাড়ীটা বেশ মানাবে।"

আমার মায়ের কথা বলতেই বর মুখ বিকৃত করে ফেললো। এরপর আমাকে তাড়া দিয়ে বললো, "ওটা রেখে দেও এখন। আমাদের এখনো অনেক কেনাকাটা বাকি। চলো অন্য দোকানে যাই। রুমকি (ননদ) বলেছে তার পাকিস্তানি ড্রেস চা'ই চাই। নয়তো তার নাকি ঈদই হবে না।"

উনার কথা শুনে মনেমনে ভীষণ কষ্ট অনুভব হলো আমার। মায়ের জন্য অতী পছন্দের শাড়ীটা রেখেই উঠতো হলো আমাকে৷ উনি উনার মা-বোন সবার কথা ভাবলো। আমার বাড়িতেও বৃদ্ধ মা-বাবা আর ছোট একটা বোন রয়েছে। ওদের কথা একবার মনেও করলো না। উনার কতো তাড়া নিজের ফ্যামিলির জন্য। আসলেই যার যার তার তার। আজ খুব টাকার অভাব বোধ করছি আমি।
মেয়েদের পুরোপুরি স্বামীর উপর নির্ভরশীল হওয়ার চাইতে নিজের উপার্জনের উপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত। আজ আমিও যদি কিছুটা ইনকাম করতে পারতাম, হয়তো শখের জিনিস গুলো আমিও আমার মা-বাবা, বোনকে দিতে পারতাম। আমি মেয়ে তা-ও ঈদ আসলে আমার বাবা-মা বোনকে কিছু দিতে ইচ্ছে করে। ভালো-মন্দ খাওয়াতে ইচ্ছে করে। কিন্তু আমার স্বাদ আছে কিন্তু স্বাধ্য নাই।

চা'পা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ততক্ষণাৎ শাড়ীটা রেখে লজ্জিত মুখে উঠে দাঁড়ালাম আমি।
বর আগে আগে হাঁটছে। আমার এই গোপন ব্যথা উপলব্ধি করতে পারলো না মানুষটা আর না চেষ্টা করছে। ব্যথিতো মুখ নিয়ে আমিও উনার পিছনে পিছনে হাঁটছি। ননদের জন্য ড্রেস কিনতে এসে আমারও ইচ্ছে হলো, ছোট বোনটার জন্য কিছু একটা কিনতে। কিন্তু এবার আর সেই একই ভুল করলাম না। প্রকাশ করলাম না কিচ্ছুটি। যদি কখনো সম্ভব হয়, নিজের টাকা দিয়ে আমি ওদের জন্য মন ভরে কিনবো। সেদিন আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না।

বর বেশ দাম দিয়ে তার বোনের জন্য একটা ড্রেস কিনলো। এরপর একে একে তার ফ্যামিলির সবার জন্য কেনাকাটা শেষ করলো। এরমধ্যে একটিবার আমার পরিবারের কথা মনেও করলো না লোকটা। লজ্জায় দ্বিধায় আমিও আর ওদের প্রসঙ্গ তুললাম না।

সবার শেষে এবার আসলো আমার পালা। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলো,
"তুমি কি কিনবে ঐশী? তোমার পছন্দ মতো যা ইচ্ছে একটা কিছু কেনো।"

আমি ততক্ষণাৎ বললাম, "আমার কিছু লাগবে না। অনেকটা বেলা হয়ে গিয়েছে, চলো এবার বাসায় যাই আমরা। আমার বড্ড ক্লান্ত লাগছে।"

"তা হয় না-কি। সবার জন্য এতো কিনলাম, আর তুমি কিনবে না? কিছু তো একটা নেও।"

"আমি না হয় পরে কিনবো। আমার বড়ো মাথা ধরেছে। চলো এবার বাসায় যাই।"

আসলে এটা ছিলো আমার একটা অযুহাত মাত্র। যে শাড়ী আমি আমার মায়ের জন্য কিনতে পারলাম না, টাকার জন্য। ওদের রেখে নিজের জন্য নতুন পোশাক কেনার মতো উচচ্ছাস আমার ভিতরে কাজ করছে না। এরপর বরও আর জোড়াজুড়ি করলো না আমায়।

বাসায় এসে সবার শপিং বুঝিয়ে দিলাম। শ্বাশুড়ি মা একে-একে সব দেখলো। নিজের শাড়ীটা হাতে নিয়ে উলটো-পালটা করে দেখছে। তার ছেলে উনাকে জিজ্ঞেস করলো,

"মা, তোমার শাড়ী পছন্দ হয়েছে?"

"হ্যাঁ, শাড়ীটা ভীষণ সুন্দর।"

এরা মা-ছেলে শপিং নিয়ে কথা বলছে। এক ফাঁকে আমার শ্বাশুড়ি তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলো,

"আমাদের সবার জন্য তো আনলি, তোর শ্বশুর-শ্বাশুড়ির জন্য কিছু আনছিস?"

"না উনাদের জন্য কিছু আনিনি, মা। উনাদের তো গতবছর ঈদেও দিয়েছি। এবার হাতে টাকা-পয়সা বেশি একটা নেই।"

আমার বাবা-মা'কে নিয়ে স্বামীর এরকম অনীহা মূলক মন্তব্য শুনে চোখ ভিজে উঠলো আমার। কান্না লুকাতে দ্রুত ওখান থেকে নিজের রুমে চলে গেলাম আমি। রুমে আসতেই ছোট বোনের কল। বোন উসখুস মুখে আমায় জিজ্ঞেস করলো,

"আপু তোরা না-কি শপিং গিয়েছিলি আজ?"

"হ্যাঁ গিয়েছি তাতে তোর কি?"

বোনকে বেশ শক্ত কণ্ঠে বললাম কথাটা আমি। আমার কথা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে বোন বললো,

"আমার জন্য কিছু আনছিস আপু?"

বোনের কথায় কোনো জবাব দিতে পারলাম না আমি। আমার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে কেবল নিরব অশ্রু। এক আকাশ সমান চাপা ব্যথা নিয়ে ততক্ষণাৎ ফোন কেটে দিলাম আমি। আমার এই গোপন ব্যথা, নিরব অশ্রুর য'ন্ত্র'ণা আঁটকে থাকলো চার দেয়ালের মাঝে।
(সমাপ্ত)

#নিরব_অশ্রু
লেখনীতেঃ #সুমাইয়া_আফরিন_ঐশী

হঠাৎ করেই স্ত্রী পা থেকে জুতো খুলে ফেললেন।কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সবার সামনে স্বামীর গায়ে জুতোর বাড়ি দিতে শুরু করলেন। প...
16/03/2026

হঠাৎ করেই স্ত্রী পা থেকে জুতো খুলে ফেললেন।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সবার সামনে স্বামীর গায়ে জুতোর বাড়ি দিতে শুরু করলেন। প্রতিটি আঘাতের সাথে তিনি বলতে লাগলেন, “এই নে তোর চার হাজার টাকার ড্রেস! এই নে তোর বাজেট!”

ভিডিওটা দেখে সত্যিই স্তব্ধ হয়ে গেলাম। ঈদের বাজারে এমন দৃশ্য দেখার জন্য কেউ প্রস্তুত থাকে না। চারদিকে আলোকসজ্জা, নতুন কাপড়ের ঘ্রাণ, মানুষের হাসিমুখ। উৎসবের সেই উচ্ছ্বাসের মাঝেই হঠাৎ করে এক কোণে জমে উঠল তীব্র অস্বস্তি আর অপমানের এক দৃশ্য।

দোকানের ভেতরটা তখন ঈদের সাজে ঝলমল করছিল। থরে থরে সাজানো নতুন পোশাক। সেই ভিড়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এক দম্পতি। স্ত্রী একটি উজ্জ্বল রঙের থ্রিপিস হাতে তুলে নিলেন। কাপড়টা সামনে মেলে ধরে তিনি স্বামীর দিকে তাকালেন। চোখে ছিল স্পষ্ট এক ধরনের আকাঙ্ক্ষা, যেন এই পোশাকটাই তার ঈদের আনন্দ।

কিন্তু দামটা শুনেই স্বামীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল।
তিনি একটু নিচু স্বরে, প্রায় মিনতির সুরে বললেন,
“দেখো, চার হাজার টাকা তো এই মুহূর্তে একটু বেশি হয়ে যায়। অন্য কিছু দেখবে?” এই কথাটা যেন আগুনে ঘি ঢেলে দিল।
স্ত্রীর মেজাজ মুহূর্তেই সপ্তমে চড়ে গেল। তিনি চড়া গলায় বলে উঠলেন, “বাজেট দিয়ে আমি কী করব? আমার এটাই পছন্দ হয়েছে। তুমি কি আমায় এটা কিনে দেবে না?”

চারপাশে তখন অনেক মানুষ। স্বামী স্পষ্টই অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে বললেন, “আরে শোনো, সবার সামনে এভাবে চেঁচামেচি করো না। মানসম্মান বলে তো কিছু আছে।”
কিন্তু তখন আর পরিস্থিতি থামার জায়গায় নেই।
স্ত্রী আরও জোরে বলতে লাগলেন, “সবাই সবার স্ত্রীকে কত দামী দামী গিফট দিচ্ছে, আর তুমি একটা থ্রিপিসের জন্য এত নাটক করছ? তোমার সামর্থ্য না থাকলে বাজারে নিয়ে আসো কেন?”

দোকানের ভেতরের মানুষজন তখন পুরো ঘটনাটা দেখছে। কেউ বিস্মিত, কেউ অস্বস্তিতে, কেউ আবার ফিসফিস করে কথা বলছে। দোকানের কর্মচারীরাও যেন কী করবে বুঝে উঠতে পারছিল না।

এরপর ঘটল এমন কিছু, যা হয়তো সেই মানুষটার জীবনে অনেকদিন পর্যন্ত দগদগে দাগ হয়ে থাকবে। হঠাৎ করেই স্ত্রী পা থেকে জুতো খুলে ফেললেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সবার সামনে স্বামীর গায়ে জুতোর বাড়ি দিতে শুরু করলেন। প্রতিটি আঘাতের সাথে তিনি বলতে লাগলেন,
“এই নে তোর চার হাজার টাকার ড্রেস! এই নে তোর বাজেট!”

মুহূর্তের মধ্যে দোকানের ভেতরটা যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
স্বামী শুধু দাঁড়িয়ে রইলেন। কোনো প্রতিরোধ নেই, কোনো চিৎকার নেই। শুধু মাথা নিচু করে সেই অপমান সহ্য করে যাচ্ছেন। তার চোখের কোণে জমে উঠেছিল পানি, কিন্তু সেই পানির ভেতরেও ছিল এক অদ্ভুত অসহায়ত্ব।

ঈদের আলোকসজ্জায় ঝলমলে সেই দোকানটা তখন আর উৎসবের জায়গা মনে হচ্ছিল না। যেন সেটি পরিণত হয়েছিল এক মানুষের অপমানের নীরব সাক্ষীতে। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন। আর পেছনে ফেলে রেখে গেলেন শত মানুষের সামনে ভেঙে পড়া এক মানুষের আত্মসম্মান।

শেষে এসে প্রশ্নটা থেকেই যায়।
সম্পর্কের বাঁধন কি সত্যিই চার হাজার টাকার একটি থ্রিপিসের চেয়েও সস্তা? আর এই ঘটনায় আপনাকে বেশি ভাবাচ্ছে কোনটা, স্বামীর অসহায় নীরবতা, নাকি স্ত্রীর এই প্রকাশ্য আচরণ? এই স্বামীর জায়গায় আপনি থাকলে কি করতেন?👇👇


- Collected

Address

Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Hacks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share