01/09/2026
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হ’ত্যা’র মা’ম’লা’’য় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে ইউরিনে কোনো মা’দ’কে’র অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
অথচ এর আগে পুলিশ দাবি করেছিল, ই’য়া’’বা সেবন করে মা’দ’কা’স’’ক্ত অবস্থায় ওই দুইজন শিক্ষক পরিবারকে হ’’ত্যা করেছে।
এখন ডোপ টেস্টের ফলাফল সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—তাহলে আগের সেই দাবি কতটা সত্য?
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, পুলিশের একটি দল আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। সোমবার দুপুরে পাওয়া ফলাফলে তাদের ইউরিনে কোনো মা’দ’কে’’র অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর ডোপ টেস্ট হওয়ায় শরীরে মা’দ’কে’’র অস্তিত্ব না-ও পাওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত চলমান থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
কিন্তু এখানেই বড় প্রশ্ন—
দুই আসামিকে মা’দ’কা’স’ক্ত দাবি করার ভিত্তি কী ছিল?
ডোপ টেস্টে মা’দ’ক না পাওয়ার পর আগের দাবির ব্যাখ্যা কী?
আর তদন্তে যদি ভিন্ন কোনো সত্য বেরিয়ে আসে, তাহলে এই দুই তরুণ ও তাদের পরিবারের প্রতি যা ঘটছে, তার দায় কে নেবে?
অপরাধী হলে অবশ্যই আইনের আওতায় বিচার হতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণ এক জিনিস নয়।
তাই আবেগ বা পূর্বধারণা নয়—সত্যটা বেরিয়ে আসুক নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে।
#রংপুর #গণপতি_চক্রবর্তী #সিদ্ধার্থ #মুগ্ধ