The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.com

The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.com Kazi Rafiqul Hasan
Editor

08/06/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd com
সংসদীয় দল ভেঙে বিজেপিকে সমর্থনের ঘোষণা তৃণমূলের ২০ এমপির

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬,
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভেঙে গেল তৃণমূলের সংসদীয় দল। শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা মিটিংয়ে বিজেপিকে সমর্থন দেয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন সংসদ সদস্য।

ঘটনাচক্রে তৃণমূল কংগ্রসের ২০ জন সংসদ সদস্য যখন দিল্লিতে বিজেপির সরকারকে সমর্থন ঘোষণা করছেন, সেই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সর্বোচ্চ নেতা-নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়- দু’জনেই দিল্লিতে হাজির বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে।

তবে তারই দলের দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্যরা তখন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র ইয়াদভের সঙ্গে বৈঠক করছেন, যেখানে আবার হাজির পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই বৈঠকে যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন, সেটা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই বিদ্রোহী ব্লকের নেত্রী ঘোষিত হওয়া সংসদ সদস্য কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

তিনি আরও জানান, শুভেন্দু অধিকারীই এই মিটিংয়ের আহ্বায়ক।

ওই বৈঠকে উপস্থিত সংসদ সদস্য শর্মিলা সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একাধিক বিদ্রোহী সংসদ সদস্য কেন্দ্রে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসক জোট এনডিএ-কে সমর্থন করবেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে এই নতুন ব্লকে সংসদে শাসকগোষ্ঠীকে সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে রাজ্যে ঋতব্রত ব্যানার্জীর নেতৃত্বে যে আলাদা তৃণমূল ব্লক তৈরি হয়েছে, সংসদীয় বিদ্রোহী ব্লকটি এই রাজ্য ব্লকের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, সেই উত্তর দিতে চাননি শর্মিলা সরকার। অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্যসভায় সংসদ সদস্য সুখেন্দুশেখর রায় তার পদ ও দল থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। তার বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

একই দিনে ও একই সময়ে দিল্লিতে কংগ্রেসসহ ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও'ব্রায়ান।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Bangla Times 24 bd. comযৌতুকের বাইক নিয়ে বিবাদ: বরকে শিক্ষা দিয়ে বিয়ের ৫ ঘণ্টার মাথায় ডিভোর্স কনের ০৭ জুন ২...
07/06/2026

The Mohadan Bangla Times 24 bd. com
যৌতুকের বাইক নিয়ে বিবাদ: বরকে শিক্ষা দিয়ে বিয়ের ৫ ঘণ্টার মাথায় ডিভোর্স কনের

০৭ জুন ২০26

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
উত্তরপ্রদেশের বারাবঙ্কি জেলায় এক বিয়ের আনন্দ বিষাদে রূপ নিল। বিয়ের মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মাথায় ভেঙে গেল বৈবাহিক সম্পর্ক। যৌতুকের দাবিতে বরের বাড়ির অনড় মনোভাব এবং মোহরের টাকা নিয়ে দুই পক্ষের চরম বিবাদের জেরে শেষ পর্যন্ত বরকে ডিভোর্স দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন কনে।



চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বারাবঙ্কির ফতেহপুর তহসিল এলাকায়। বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা এতটাই চরম রূপ নেয় যে, কনে শ্বশুরবাড়ি যেতে স্পষ্ট ভাষায় অস্বীকৃতি জানান।



জানা গেছে, বারাবঙ্কির নালাপাড় দক্ষিণি এলাকার এক তরুণীর সাথে জাহাঙ্গীরাবাদ থানার অন্তর্গত সাদ্দিপুর পট্টি গ্রামের বাসিন্দা জাভেদের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। ৫ জুন ধুমধাম করে বরের গাড়ি এসে পৌঁছায় কনের বাড়িতে। অতিথিদের স্বাগত জানানো এবং খাওয়াদাওয়ার পর্ব শেষ হওয়ার পর যথারীতি বিবাহ সম্পন্ন হয়। কিন্তু আসল ঝামেলার সূত্রপাত হয় বিয়ের পর 'মোহর' প্রদানের আলোচনাকে কেন্দ্র করে।



কনের পরিবারের অভিযোগ, বরের বাড়ির কিছু লোক মদ্যপ অবস্থায় বিয়েবাড়িতে এসেছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন তারা আচমকাই যৌতুক হিসেবে একটি দামী ‘বুলেট’ মোটরসাইকেলের দাবি বসেন।



প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বরের বাড়ির কয়েকজন সদস্য কনে পক্ষের লোকজনকে গালিগালাজ ও চরম দুর্ব্যবহার করে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।



পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কনের বাবা স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান ইরশাদ আহমদ কামরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের খবর দেন এবং বিষয়টি মিটমাট করার অনুরোধ জানান। বর ও কনে—উভয় পক্ষের মুরুব্বিদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সালিশি বৈঠক চললেও কোনো সমাধান সূত্র মেলেনি।



এদিকে বরের বাড়ির লোকজনের এমন অসভ্য আচরণ এবং যৌতুকের লোভ দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কনে। গভীর রাতে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যে পরিবার বিয়ের আসরেই এমন নোংরামি করতে পারে, সেই বাড়িতে তিনি কিছুতেই যাবেন না।



"যৌতুকের লোভ আর মদ্যপ বরযাত্রীদের দুর্ব্যবহারের মুখে মাথা নত না করে, বিয়ের মাত্র ৫ ঘণ্টার মধ্যে সম্পর্ক ভাঙার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন কনে।"



কনের এই অনমনীয় সিদ্ধান্তের পর দুই পরিবারই বিয়েটি বাতিল করতে বাধ্য হয়। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মাথায় সম্পন্ন হওয়া বিবাহ বিচ্ছেদের (তালাক) মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত কনেকে ছাড়াই শূন্য হাতে, চরম অপমান মাথায় নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয় বর ও তার পরিবারকে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan Islami Washington Times 24 bd. comহিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন‘চারপাশে ছড়িয়ে ছিল কঙ্কাল-খুলি’, রোহিঙ্গাদে...
19/05/2026

The Mohadan Islami Washington Times 24 bd. com
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন
‘চারপাশে ছড়িয়ে ছিল কঙ্কাল-খুলি’, রোহিঙ্গাদের ওপর আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০26 Time 11.57 AM
২০২৪ সালের জুলাই মাস। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুথিডং শহরের উইরান গ্রাম হইয়ার সিরি তখন পুরোপুরি জনশূন্য, যেন এক ধ্বংসস্তূপ। প্রাণভয়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা মুসলিম গ্রামবাসীদের কয়েকজন, যেমন ওমর আহমদ, তাদের ফেলে আসা কিছু জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে গোপনে গ্রামে ফিরে আসেন। কিন্তু দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ এক গণহত্যার চিহ্ন দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

ওমর আহমদ সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘গ্রামে কোনো গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগি অবশিষ্ট ছিল না, অথচ আগে প্রতিটি বাড়িতেই এগুলো ছিল। শুনলাম আরাকান আর্মি সব লুট করে নিয়ে গেছে। এরপর আমি ধানক্ষেতের দিকে যাই, যেখানে আমার নিকটাত্মীয়সহ প্রায় ৮০ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখি চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কঙ্কাল আর মানুষের খুলি। মাংস পচে গেলেও লাশের কাপড়গুলো তখনও অক্ষত ছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা উঠে এসেছে। সোমবার (১৮ মে) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২ মে উত্তর রাখাইনের হইয়ার সিরি গ্রামে জাতিগত রাখাইন সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশুকে নির্বিচারে হত্যা করে। আহত বা নিহত হন আরও শত শত মানুষ। সংঘর্ষের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেসামরিকদের লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির

বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরআসিয়ানের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থাটি বলছে, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশ ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ এবং দুর্গম পরিস্থিতির কারণে এই গণহত্যার খবরটি ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পর নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। জীবন বাঁচাতে সক্ষম হওয়া উদ্বাস্তুরা যখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন, তখন তাদের মুখ থেকে এই সত্য বেরিয়ে আসে। যেমন ওমর আহমদ নিজেই ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন।

এই ঘটনার দীর্ঘ দুই বছর পার হয়ে গেলেও আরাকান আর্মির রাজনৈতিক শাখা ইউনাইটেড লিগ অব আরাকান (ইউএলএ) বেসামরিক নাগরিক হত্যার দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। উল্টো রাখাইন রাজ্যে থাকা অবস্থায় কিছু গ্রামবাসীকে জোরপূর্বক ভিডিও জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়েছে, যাতে তারা আরাকান আর্মিকে নির্দোষ দাবি করে।

তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ৪১ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার, স্যাটেলাইট ছবি এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে এই ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। সংস্থাটির মতে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী বেসামরিকদের সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। তবে সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ করেছে আরাকান আর্মি যাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, বেআইনি আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল।

মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে আরাকান আর্মির রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের প্রতীকী দৃশ্য। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে

রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র সংঘাতের পটভূমি

২০০৯ সালে গঠিত আরাকান আর্মি মূলত রাখাইন জনগণের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই শুরু করে। ২০১৮ সালের শেষ দিক থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘর্ষ চলছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে সংঘাত ভয়াবহ রূপ নেয়। এর মধ্যেই আরাকান আর্মি রাখাইনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিলে সেনাবাহিনীও পাল্টা হামলা বাড়ায়।

মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর যেভাবে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপ। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে
মিয়ানমারের রাখাইনের বুথিডংয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর যেভাবে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার প্রতীকী রূপ। ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সৌজন্যে

২০২৪ সালের এপ্রিল ও মে মাসে বুথিডং এলাকায় দুই পক্ষই বেসামরিকদের ওপর নির্যাতন চালায়। সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা যুবকদের জোরপূর্বক নিয়োগ দেয়, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্কদেরও। এতে রোহিঙ্গা ও রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। অন্যদিকে আরাকান আর্মিও একাধিক রোহিঙ্গা গ্রামে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিপন্ন হইয়ার সিরি গ্রাম

বুথিডং–রাথিডং সড়কের পাশে এবং মায়ু নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হইয়ার সিরি গ্রামটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর উত্তরে ছিল জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক কমান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্বে একটি লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন।

সংঘাতের সময় আশপাশের গ্রাম থেকে বাস্তুচ্যুত অনেক মানুষ এখানে আশ্রয় নেন। স্থানীয়দের মতে, আগে বিভিন্ন সহিংসতা থেকে কিছুটা নিরাপদ থাকায় গ্রামটি আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। ফলে এপ্রিলের দিকে এখানে মানুষের চাপ অনেক বেড়ে যায়।

বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বর্ণনায় হাতে আঁকা ম্যাপে হইয়ার সিরি গ্রামে হত্যাযজ্ঞের ঘটনাস্থল।
বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বর্ণনায় হাতে আঁকা ম্যাপে হইয়ার সিরি গ্রামে হত্যাযজ্ঞের ঘটনাস্থল।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সেনাবাহিনী গ্রাম থেকে ২০ জন ‘স্বেচ্ছাসেবক’ পাঠানোর চাপ দেয়, না হলে গ্রাম পোড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এর ফলে গ্রামবাসীরা কয়েকজন পুরুষকে পাঠাতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে কারণ সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি—দুই পক্ষই গ্রামবাসীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল।

২ মে’র ভয়াবহ দিন

২ মে ভোরে আরাকান আর্মি ক্যাম্প দখলের পর জান্তা সেনারা উত্তর দিক থেকে গ্রামে প্রবেশ করে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৭টার দিকে হাজার হাজার মানুষ সাদা পতাকা হাতে বুথিডংয়ের দিকে রওনা হন।

মিছিলটি তৈনগা মুরা এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গুলি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কোনো সতর্কতা ছাড়াই চারদিক থেকে গুলি চালানো হয়। এতে মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চারপাশ থেকে গুলি আসছিল, কোথাও পালানোর সুযোগ ছিল না। আরেকজন বলেন, তার চোখের সামনে স্ত্রী ও সন্তানরা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

অনেকে ধানক্ষেত ও মসজিদের দিকে আশ্রয় নিলেও সেখানেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজন লাশের নিচে লুকিয়ে বেঁচে যান।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৭০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন শিশু। তবে স্থানীয়দের ধারণা, প্রকৃত সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বেঁচে যাওয়া মানুষদের কষ্ট ও দাবি

হামলার পর বেঁচে থাকা মানুষগুলো বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মানুষকে আরাকান আর্মি আটক করে টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়, যেখানে খাদ্য ও চিকিৎসার তীব্র সংকট চলছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, গ্রামটি পুরোপুরি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এখন বসবাসের অযোগ্য।

স্যাটেলাইট ছবিতে রাখাইনের হইয়ার সিরি গ্রাম। ছবি: এইচআরডব্লিউ

বর্তমানে অনেক রোহিঙ্গা মিয়ানমারের ভেতরে আটকে আছেন, আর কিছু বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা আন্তর্জাতিক মহলে বিচার ও নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, জান্তা সরকার ও আরাকান আর্মি উভয়ের পক্ষ থেকেই নির্যাতন অব্যাহত থাকায় বর্তমানে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের কোনও পরিবেশ নেই। আগামী ১৫ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬২তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের এই বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি, যাতে এই যুদ্ধাপরাধের স্বাধীন তদন্ত এবং জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan London Times 24 bd. comঅবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তলিয়ে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি, দেখা যাচ্ছে মহাকাশ থেকেওThe Daily M...
06/05/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তলিয়ে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি, দেখা যাচ্ছে মহাকাশ থেকেও
The Daily Mohadan Times
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
বিশ্বের বৃহত্তম নগরীগুলোর একটি মেক্সিকো সিটি দ্রুতগতিতে ভূমিধসের কবলে পড়ছে, আর এ পরিবর্তন এখন মহাকাশ থেকেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার উন্নত রাডার প্রযুক্তিতে ধারণ করা সাম্প্রতিক চিত্রে দেখা গেছে, শহরের কিছু এলাকা প্রতি মাসে অর্ধ ইঞ্চিরও বেশি নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা এটিকে বিশ্বের দ্রুততম ডুবে যাওয়া রাজধানীগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

সিএনএন বলছে, প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের এই মহানগরটি গড়ে উঠেছে একটি প্রাচীন হ্রদের ওপর। শহরের নিচে থাকা ভূগর্ভস্থ জলাধার থেকেই পানীয় জলের ৬০ শতাংশ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু বছরের পর বছর অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে এই অ্যাকুইফার দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মাটির স্থিতিশীলতায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ পানি কমে যাওয়ায় ওপরের মাটি ধীরে ধীরে বসে যাচ্ছে। একই সঙ্গে লাগামহীন নগরায়ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নতুন অবকাঠামো নির্মাণের বাড়তি চাপ কাদামাটিসমৃদ্ধ মাটিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, শহরটিতে ভূমিধসের সমস্যা নতুন নয়। ১৯২০-এর দশকেই এর প্রথম নথিভুক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর থেকে ভাঙাচোরা রাস্তা, হেলে পড়া ভবন এবং ক্ষতিগ্রস্ত রেলব্যবস্থার মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বাসিন্দারা।

সম্প্রতি ইসরোর এবং নাসার যৌথ উদ্যোগে তৈরি 'নিসার' স্যাটেলাইটের তথ্য পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও পরিষ্কার করেছে। উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই স্যাটেলাইট মাটির সূক্ষ্ম পরিবর্তনও শনাক্ত করতে সক্ষম।

২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শহরের কিছু অংশ প্রতি মাসে প্রায় ০.৮ ইঞ্চি পর্যন্ত নিচে নামছে, যা বছরে প্রায় সাড়ে ৯ ইঞ্চির সমান।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনিতো হুয়ারেজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়া শহরের পরিচিত প্রতীক অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স স্মৃতিস্তম্ভও এই ভূমিধসের প্রভাব থেকে রেহাই পায়নি। ভূমি বসে যাওয়ার কারণে এর ভিত্তিতে অতিরিক্ত সিঁড়ি যোগ করতে হয়েছে।

নিসার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের মতে, মেক্সিকো সিটি দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিধসপ্রবণ একটি এলাকা হিসেবে পরিচিত। তবে নতুন স্যাটেলাইট তথ্য ভবিষ্যতে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভূমিধস ছাড়াও এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে হিমবাহের গতি, কৃষিজমির পরিবর্তন এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো নানা প্রাকৃতিক ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Mohadan AFP Bangla news 24 bd. com

The Mohadan Washington Times 24 bd. comহরমুজে জাহাজে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ভারতীয় ১৭ নাবিকThe Daily Mohadan Times ...
28/04/2026

The Mohadan Washington Times 24 bd. com
হরমুজে জাহাজে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ভারতীয় ১৭ নাবিক
The Daily Mohadan Times
২৮ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

অনুমতি ছাড়া চলাচল করায় হরমুজ প্রণালিতে আবারও একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এ সময় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন জাহাজটির ভারতীয় ১৭ নাবিক।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই তেল ও রাসায়নিকবাহী জাহাজটিকে নিশানা করে ইরানের উপকূলরক্ষী বাহিনী গুলি চালায়।

আফ্রিকার দেশ টোগোর পতাকাবাহী ওই জাহাজটিতে ১৭ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেও তেহরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে অগ্রসর হওয়ার ‘অপরাধে’ কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরানের বাহিনী। মার্কিন প্রেডিসেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করার পরেও হামলায় ইতি টানেনি ইরান। এবার তাদের নিশানায় এমটি শিরন-৭ নামের জাহাজটি।

গত ২৫ এপ্রিল জাহাজটি ওমানের শিনাস আউটার বন্দরের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় ইরানি উপকূলরক্ষীদের নিশানায় হয় বলে সোমবার জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনদীপ সিংহ রণধাওয়া।

তিনি বলেন, সব ভারতীয় নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং কোনও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়নি।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor
The Daily Washington post

The Mohadan London Times 24 bd. comভারতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মুসলিমরা, লঙ্ঘিত হচ্ছে নাগরিক স্বাধীনতা: অ্যামনেস্টিThe Da...
22/04/2026

The Mohadan London Times 24 bd. com
ভারতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মুসলিমরা, লঙ্ঘিত হচ্ছে নাগরিক স্বাধীনতা: অ্যামনেস্টি
The Daily Mohadan Express
২২ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

ভারতে দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে নাগরিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, দেশটিতে ভিন্নমতাবলম্বী, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।



অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ করে মুসলিম এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বৈষম্যমূলক আইন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা হিসেবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ঘরবাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভারত সরকারের বিতর্কিত 'ফ্যাক্ট চেক ইউনিট' এবং নতুন ডিজিটাল আইনগুলোর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে বলে রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে।



প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউএপিএ (UAPA) এবং দেশদ্রোহিতার মতো কঠোর আইনগুলো ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে অনেক অধিকারকর্মীকে বিচারহীনভাবে আটকে রাখা হয়েছে। কাশ্মীরের পরিস্থিতি এবং সেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে অ্যামনেস্টির এই বৈশ্বিক মানবাধিকার মূল্যায়নে।



আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতের এমন অবস্থান বৈশ্বিক মানবাধিকার মানদণ্ডের জন্য এক বড় হুমকি।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.comইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর আজকেই: ট্রাম্পThe Daily Mohadan Express...
20/04/2026

The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.com
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর আজকেই: ট্রাম্প
The Daily Mohadan Express
২০ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury



ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আজকেই হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।



ফক্স নিউজকে ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলেননি ট্রাম্প।



এর আগে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য পাকিস্তানের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।



রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে অবতরণ করতে যাচ্ছেন।



এদিকে মার্কিন প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের উদ্দেশে রওয়ানা দিলেও ইরান আদৌ এই বৈঠকে থাকবে কিনা- তা নিশ্চিত করেনি। দেশটি সর্বশেষ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপের শান্তি আলোচনা ঘিরে এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই।

Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
Editor

The Daily Mohadan Times হরমুজ প্রণালি পার হতে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হবে: ইরানের সামরিক কর্মকর্তাThe Daily Washington pos...
17/04/2026

The Daily Mohadan Times
হরমুজ প্রণালি পার হতে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হবে: ইরানের সামরিক কর্মকর্তা
The Daily Washington post
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬,
News publisher and Editorial
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অনুমতির প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা। ওই কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী সব জাহাজকে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হবে।

অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক ইরানি কর্মকর্তা জানান, মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজসহ সব বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাবে। তবে সামরিক বা নৌবাহিনীর জাহাজগুলো এই অনুমতি পাবে না।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, লেবাননের যুদ্ধবিরতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময়ে এই প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ অতিক্রম করতে পারবে।

আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত, তবে ইরানের বন্দর অবরোধ বজায় থাকবে। ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরে অবরোধ বজায় রাখবে।
Nur A Azom Kazi Rafiqul Hasan Chowdhury

28/07/2025

The Mohadan London Times 24 bd.com
ইরান কি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র যুগে প্রবেশ করছে?

জুলাই ২৮, ২০২৫

Kazi Rafiqul Hasan সম্প্রতি ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (বিশেষ করে ফেসবুক ও এক্স-এ) ‘খোররামশাহর-৫’ নামের একটি সম্ভাব্য নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন পোস্ট ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২ হাজার কিলোমিটার, গতি শব্দের ১৬ গুণ (ম্যাক ১৬)।

এটি দুই টন ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।
যদি সক্ষমতার তথ্য সত্য হয়, তবে খোররামশাহর-৫ যুক্তরাষ্ট্রসহ উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।

এতে ইরান বিশ্বের হাতে গোনা আইসিবিএম থাকা দেশগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, উত্তর কোরিয়া ও ভারত) কাতারে উঠে আসতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের দুই টন পেলোড বহনক্ষমতা- মার্কিন স্টিলথ বোমারু বিমান বি-টু স্পিরিটের বোমা বহনক্ষমতার সমতুল্য।

তবে বি-টু বিমানকে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা অতিক্রম করে মিশন সম্পন্ন করতে হয়, আর খোররামশাহর-৫ একক শটে সেই ধ্বংসক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারে।
সরকারি ঘোষণা নেই

ইরানের বড় সামরিক অর্জনগুলো সাধারণত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা আইআরজিসি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে থাকে।

কিন্তু ‘খোররামশাহর-৫’-এর বিষয়টি এসেছে বেসরকারি উৎস থেকে। কিছু সংবাদমাধ্যম ২০২৩ সালের পুরোনো ‘খোররামশাহর-৪’ পরীক্ষার ফুটেজ ব্যবহার করে দাবি করেছে যে, নতুন মডেলটির পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে, প্রযুক্তিগতভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যেই প্রস্তুত—এই ধারণা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প যে গতিতে এগিয়েছে, তাতে এটি বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
ইরানের স্বঘোষিত সীমা কি পরিবর্তিত হচ্ছে?

২০১৫ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা বারবার বলেছেন, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি প্রতিরক্ষামূলক এবং স্বেচ্ছায় দুই হাজার কিলোমিটারের সীমা মেনে চলছে। আইআরজিসির কমান্ডাররাও দাবি করে আসছিলেন, এতেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে প্রতিহত করা সম্ভব। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী তৎপরতার প্রেক্ষাপটে সেই প্রতিরক্ষা নীতিতে পুনর্বিবেচনা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইসিবিএম কী, কেন এবং কতটা ভয়াবহ?

আইসিবিএম হলো এমন এক ধরনের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যার ন্যূনতম সীমা সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার। ওয়ারহেডের ওজন কমিয়ে কিছু আইসিবিএম-এর সর্বোচ্চ পাল্লা ১৬ থেকে ১৮ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যায়, যা পৃথিবীর প্রায় সব স্থানকে আওতায় নিয়ে আসে। এ শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্র মূলত পরমাণু বা অন্যান্য ধ্বংসাত্মক ওয়ারহেড বহনে ব্যবহৃত হয়।

বহুস্তরবিশিষ্ট এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাধারণত ২০–৩০ মিটার লম্বা ও দুই-তিন মিটার প্রশস্ত হয়। কিছু উন্নত মিনি-আইসিবিএম তুলনামূলকভাবে ছোট আকৃতির হলেও একই রকম কার্যক্ষমতা রাখে। এগুলো সাইলো, মোবাইল লঞ্চার বা সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। বায়ুমণ্ডলের বাইরে গমন করে প্যারাবলিক গতিপথে ছুটে যায় এবং ম্যাক ২০+ (২৪,০০০ কিমি/ঘণ্টা) গতিতে বহু ওয়ারহেড বা ডিকয় বহন করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে।

ওয়ারহেডগুলো ১৫ হাজার–২৪ হাজার কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে নেমে আসে, তাপরোধী আবরণে সুরক্ষিত থাকে। ইনিশিয়াল নেভিগেশন ও জিপিএস-এর মতো নির্ভুল গাইডেন্স সিস্টেম লক্ষ্যে সঠিক আঘাত হানে। পূর্ণ পাল্লার ফ্লাইট সময় সাধারণত ৩০–৪০ মিনিট।

বিশ্বের পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো তাদের পরমাণু ত্রয়ীর (নিউক্লিয়ার ট্রায়াড) অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে আইসিবিএম ব্যবহার করে আসছে। যদিও কিছু আইসিবিএমে পারমাণবিক অস্ত্রের পরিবর্তে সাধারণ ওয়ারহেড বা হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল (এইচজিভি) যুক্ত করা হয়।

খোররামশাহর-৫: সম্ভাব্য গঠন ও ক্ষমতা

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আগেই বলা হয়েছে যে, খোররামশাহর-৫-এর সর্বোচ্চ পাল্লা ১২ হাজার কিলোমিটার। এটি পূর্ববর্তী খোররামশাহর-৪ (চার হাজার কিলোমিটার) এর তুলনায় অনেক বড় অগ্রগতি। এ ছাড়া, ইরানের স্যাটেলাইট বাহক রকেট ‘সিমোর্গ’ ও ‘সোরোশ-১/২’ কে আইসিবিএম-এ রূপান্তর করা হলে এই পাল্লা অর্জন সম্ভব। তবে এসব সিভিলিয়ান রকেট আকারে বড় ও ধীরগতির হওয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্যবহার অনুপযুক্ত হতে পারে।

ইরান এরইমধ্যে ‘ফাত্তাহ’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে এমন প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখিয়েছে, যার গতি ছিল ম্যাক-১৫ এবং যার কাঠামো বিশেষ তাপ প্রতিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি এবং জটিল গাইডেন্স সিস্টেমসম্পন্ন।
যদিও খোররামশাহর-৫ তরল জ্বালানিচালিত বলে ধারণা করা হচ্ছে, এটি যদি ফাত্তাহ হাইপারসনিক মিসাইলের প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তাহলে এর গতি ও নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাতের ক্ষমতা অনেক বেশি হবে।

মিডিয়া দাবি করছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ২ টন পেলোড বহনে সক্ষম—যা আমেরিকার জিবিইউ-৫৭ বাংকার বাস্টারের সমতুল্য। তবে পেলোড ও পাল্লা সাধারণত বিপরীতভাবে কাজ করে—যত বেশি পেলোড, তত কম রেঞ্জ।

প্রযুক্তি না বার্তা?

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে গত জুন মাসে জানান, তারা ২ টন ওয়ারহেড হাইপারসনিক গতিতে সফলভাবে পরীক্ষা করেছে। তবে সেটিকে আইসিবিএম হিসেবে উল্লেখ করেননি—বরং মিড রেঞ্জ বা ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ মিসাইল হিসেবে উল্লেখ করেন।

‘খোররামশাহর-৫’-কে ঘিরে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো একদিকে যেমন ইরানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার নতুন অধ্যায় শুরু করার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তেমনি এ-ও স্পষ্ট করছে যে ইরান এখন এক বৈশ্বিক বার্তা দিতে চায়।

এই বার্তা শুধু সামরিক নয়, বরং কৌশলগত অবস্থান পুনঃনির্ধারণেরও প্রতিফলন—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রতিরোধের সক্ষমতা বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়ার কৌশল। এই ক্ষেপণাস্ত্র যদি সত্যিই একটি আইসিবিএম হয়ে থাকে, তাহলে তা শুধু ইরানের প্রতিরক্ষা নয়, বরং আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।

Kazi Rafiqul Hasan
Editor

23/07/2025

The Mohadan Washington Times 24 bd.com
চালকের বিচক্ষণতায় রক্ষা পেল হাতির পাল

জুলাই ২৩, ২০২৫

Kazi Rafiqul Hasan : মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত ১০টা ২৫ মিনিট। কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন এসে পৌঁছে লোহাগাড়ার চুনতি অভয়ারণ্য এলাকায়।

হঠাৎ চালকের চোখে পড়ে রেললাইনে হাতির পাল। দূর থেকে একের পর এক হুইসেল বাজানোয় রেললাইন থেকে সরে দাঁড়ায় হাতির পাল।

দ্রুত ব্রেক চেপে হাতির পাল যেখানে অবস্থান করছিল, তার ঠিক আগে গিয়ে থামে ট্রেন। ট্রেনচালকের বিচক্ষণতায় শেষ পর্যন্ত রক্ষা পায় হাতির পাল।

তবে ট্রেনের একটানা হুইসেলে ‘বিরক্ত’ হয়ে একটি হাতি ট্রেনের বগিতে ধাক্কা দিয়েছে।
এই আন্তনগর ট্রেনে ১৭টি বগিতে যাত্রী ছিল প্রায় ৫০০।

লোকোমাস্টার (ট্রেনচালক) ছিলেন আবদুল আউয়াল এবং গার্ড (পরিচালক) সাখাওয়াত হোসেন। শেষ বগিটি ছিল গার্ডের।
ট্রেনচালক বলেন, রাত ৮টায় কক্সবাজার থেকে ছাড়ার নির্ধারিত সময় ছিল সৈকত এক্সপ্রেসের। কিন্তু ট্রেন ছাড়তে ছাড়তে প্রায় ৫০ মিনিট দেরি হয়ে যায়। ট্রেনে নিয়ে আসার পথে হারবাং-লোহাগাড়া সেকশনের চুনতি অভয়ারণ্যে রেললাইনের ওপর একটি হাতি চোখে পড়ে। ওই এলাকায় চার কিলোমিটার পথে ট্রেনের গতি থাকে ২০ কিলোমিটার।

ধীরগতিতে চালানোর কারণে এবং ট্রেনের হেডলাইটের আলোতে রেলপথের ওপর হাতি দেখতে পান আবদুল আউয়াল। কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে দেখার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক চাপতে থাকেন। একপর্যায়ে জরুরি ব্রেকে চাপ দেন। এতে কাজ হয়। হাতি যেখানে অবস্থান করছিল, তার ঠিক আগে গিয়ে ট্রেন থামে। হাতির কোনো বিপদ না হওয়ায় স্বস্তি পান। এরপর হাতি যাতে সরে যায় এ জন্য ঘনঘন হুইসেল দিতে থাকেন। এতে হাতি নিচে নেমে যায়।

হাতি নেমে যাওয়ার পর ১-২ মিনিট পর ট্রেনের গার্ড সাখাওয়াত হোসেন ফোন করে জানান, হাতি ট্রেনের বগিতে ধাক্কা দিচ্ছে। এতে কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম। এর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই। দ্রুত ট্রেন চালিয়ে এলাকা ত্যাগ করি।

ট্রেনের গার্ড সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হঠাৎ ট্রেন থেমে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনচালক ফোন করে জানান, রেললাইনের ওপর হাতি আছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বগির ডান পাশের দরজা বন্ধ করে দেই। এরপর বাম পাশের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছিলাম। হাতি ক্রমাগত দরজা ও বগিতে আঘাত করতে থাকে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে। চালককে ফোন দিয়ে দ্রুত ট্রেন ছাড়তে বলি। অনেক বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। হাতিও রক্ষা পেয়েছে, মানুষেরও কিছু হয়নি।

Kazi Rafiqul Hasan
Editor

Address

Malgodam Area Jamalpur
Dhaka
JAMALPUR2000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mohadan AFP Bangla News 24 bd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share