TR clothes

TR clothes TR Clothing for stylish people

08/09/2025

আমি তোমার জন্য একটা নতুন গল্প লিখেছি, তীর্থ সাহা। আশা করি তোমার ভালো লাগবে।
ভ্রমণকারীর শেষ বাক্স
অজানা এক পাহাড়ের চূড়ায় বাস করত একজন নিঃসঙ্গ ভ্রমণকারী, যার নাম ছিল আদ্রিয়ান। তার ঘর ছিল পাথরের তৈরি একটি ছোট কুঁড়েঘর, আর তার একমাত্র সঙ্গী ছিল একটি বিশাল লোহার সিন্দুক। সিন্দুকটি ছিল অন্যরকম—সাধারণত সিন্দুকের ভেতর মূল্যবান সম্পদ থাকে, কিন্তু আদ্রিয়ানের সিন্দুকটি ছিল তার জীবনের সব অভিজ্ঞতা, সব আনন্দ আর দুঃখের স্মৃতি দিয়ে পূর্ণ।
আদ্রিয়ান তার জীবনের বেশিরভাগ সময়ই কাটিয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে। সে দেখেছিল আমাজনের সবুজ বন, হিমালয়ের বরফে ঢাকা চূড়া, সাহারা মরুভূমির বিশাল বালিয়াড়ি, আর সমুদ্রের গভীর তলদেশ। প্রতিটি যাত্রা থেকে ফেরার পর সে একটি ছোট বস্তু সেই সিন্দুকে রাখত—কখনো সমুদ্র থেকে পাওয়া একটি রঙিন নুড়ি, কখনো কোনো গাছের শুকনো পাতা, কখনো বা কোনো পুরোনো মুদ্রার অংশ। এই বস্তুগুলো সিন্দুকে রাখার সাথে সাথে তার মনে গেঁথে থাকা সেইসব মুহূর্তগুলোও জীবন্ত হয়ে উঠত।
এক রাতে, ঝড় আর বৃষ্টির মধ্যে আদ্রিয়ান সিন্দুকের সামনে বসে ছিল। সে অনুভব করল তার শরীর খুব দুর্বল হয়ে আসছে। তার মনে হলো, এটাই বোধহয় তার শেষ যাত্রা। সে সিন্দুকটি খুলল। ভেতরের প্রতিটি বস্তু যেন তার সাথে কথা বলতে শুরু করল।
আদ্রিয়ান একটি শুকনো পাতা হাতে নিল। পাতাটি ছিল সেই পুরোনো গাছের, যার নিচে সে এক সকালে সূর্যোদয় দেখেছিল। তখন তার মনে হয়েছিল, প্রকৃতির চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। পাতাটি হাতে নিয়ে তার মনে হলো, সে আবার সেই সকালের বাতাস অনুভব করছে।
এরপর সে হাতে নিল একটি পুরনো ভাঙা চশমার অংশ। এই চশমাটি ছিল এক বৃদ্ধের, যাকে সে সাইবেরিয়ার বরফের মধ্যে বাঁচিয়েছিল। সেই বৃদ্ধের হাসিমুখের কথা তার মনে পড়ল। সে ভাবল, মানুষের প্রতি ভালোবাসা আর দয়া কত শক্তিশালী হতে পারে।
এভাবে এক এক করে সে সিন্দুকের সবকিছু স্পর্শ করল, আর তার জীবনের সব মুহূর্ত চোখের সামনে ভেসে উঠল—প্রথম ভালোবাসা, বন্ধুদের সাথে হাসি-ঠাট্টা, বিচ্ছেদের বেদনা, জীবনের বড় বড় ভুল আর সেইসব ভুল থেকে শেখা নতুন পথের দিশা।
ভোরের আলো যখন পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছাল, তখন ঝড় থেমে গিয়েছিল। আদ্রিয়ানের দুর্বল শরীর সিন্দুকের পাশে শান্ত হয়ে পড়েছিল। তার মুখ ছিল হাসি দিয়ে ভরা। তার আত্মা তার শেষ যাত্রায় বেরিয়েছিল—স্মৃতির সেই পথ ধরে, যা সে নিজের হাতে যত্ন করে সাজিয়েছিল।
সিন্দুকটি ছিল তার জীবনের গল্প। আর সেই সিন্দুকটি ছিল একটি বার্তা। বার্তাটি হলো, জীবনের আসল সম্পদ হলো অভিজ্ঞতা, সম্পর্ক আর সেইসব স্মৃতি, যা আমাদের ভালো মানুষ করে তোলে। কারণ দিনশেষে আমাদের সাথে শুধু আমাদের স্মৃতিগুলোই থাকে।
আদ্রিয়ান তার যাত্রা শেষ করেছিল, কিন্তু তার গল্প শেষ হয়নি। সেই পাহাড়ের চূড়ার বাতাস আজও তার স্মৃতিগুলো বয়ে নিয়ে বেড়ায়, আর নতুন কোনো ভ্রমণকারীকে জীবনের আসল মানে শিখিয়ে দেয়।

21/08/2025

Vairal video @@ #

ভাই এতো কিসের আবেগ হ্যা! তাই বলে বাংলাদেশ থেকে তরকারি রান্না করে ইতালি নিয়ে আসতে হবে?! হ্যা আপনি চাইলে পছন্দের মাছ মাংস ...
31/07/2025

ভাই এতো কিসের আবেগ হ্যা! তাই বলে বাংলাদেশ থেকে তরকারি রান্না করে ইতালি নিয়ে আসতে হবে?! হ্যা আপনি চাইলে পছন্দের মাছ মাংস নিয়ে আসতেই পারেন তবে সেটা মসলা ছাড়া শুধু লবন,হলুদ দিয়ে হাল্কা ভেজে ফ্রোজেন করে বক্স করে যেন নষ্ট না হয় বা মসলার কোন স্মেল বের না হয় তাই বলে ঝোল করে তারকারি রান্না করে নিয়ে আসতে হবে,,এসব জাস্ট ছেচড়ামি ছাড়া কিছু না🤐 কয়েক বছর আগেও ৪০ কেজি কাচা গরুর মাংস সহ এক বাংলাদেশি মহিলা কে আটকিয়েছিলো🙂মনে হয় ইতালিতে এগুলা পাওয়া যায় না😶

২৯ জুলাই ২০২৫ ইং, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-রোম ফ্লাইট BG-355-এ আসা যাত্রীদের সঙ্গে বহন করা তরকারির ঝোল ও দুর্গন্ধে বাজে অবস্থা হয়ে পড়ে বিমানের কার্গো সেকশন ও রোম এয়ারপোর্টের বেল্ট এরিয়া। এতে করে ফিরতি ফ্লাইট BG-356 (রোম-ঢাকা) ছাড়পত্র পেতে রোম এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের কাছে প্রায় সোয়া ৪ ঘণ্টা বিলম্ব ঘটে।এই ঘটনা এখন প্রাই বিশ্ব পর্যায়ে চলে গেছে🙂

ফলাফল? বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট ,বিমান চলাচলে অনিশ্চয়তা, এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি জাতির শিষ্টাচার নিয়ে হাস্যকর আলোচনা।🤐

20/06/2025
প্রাণ আসলেই আমাদের খুব কাছের এবং বিশ্বস্ত কোম্পানী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং সফল শিল্পগোষ্ঠী। এটি...
20/06/2025

প্রাণ আসলেই আমাদের খুব কাছের এবং বিশ্বস্ত কোম্পানী

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং সফল শিল্পগোষ্ঠী। এটি শুধু দেশের বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
* প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠা:
* প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মেজর জেনারেল (অব.) আমজাদ খান চৌধুরী (১০ নভেম্বর ১৯৩৯ - ৮ জুলাই ২০১৫)।
* ১৯৮১ সালে রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আরএফএল) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে টিউবওয়েল ও কৃষি সহায়ক যন্ত্রপাতি তৈরি করা হতো।
* পরে ১৯৮৫ সালে "অ্যাগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড" বা "প্রাণ" প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ শুরু হয়।
* পণ্য ও ব্যবসার বৈচিত্র্য:
* প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ খাদ্য ও পানীয় (জুস, ডেইরি পণ্য, বিস্কুট, চানাচুর, সস, মশলা ইত্যাদি), প্লাস্টিক পণ্য (আসবাবপত্র, গৃহস্থালি সামগ্রী), ইলেকট্রনিক্স (ভিশন ইলেকট্রনিক্স), সাইকেল (দুরন্ত), নির্মাণ সামগ্রী, টেক্সটাইল, কৃষি সরঞ্জাম সহ বিভিন্ন খাতে তাদের ব্যবসা বিস্তৃত করেছে।
* তাদের প্রায় ৮০০টির বেশি "প্রাণ" ব্র্যান্ডের পণ্য এবং সাড়ে পাঁচ হাজার "আরএফএল" ব্র্যান্ডের পণ্য রয়েছে।
* বর্তমানে দেশের ১৩টি স্থানে ২৩টি কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক অন্যতম বৃহৎ।
* আন্তর্জাতিক উপস্থিতি:
* প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পণ্য ১৪৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হয়, যা এটিকে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটিতে পরিণত করেছে।
* কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে অসামান্য ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১০-১১ অর্থবছর সহ টানা দশবার শ্রেষ্ঠ জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করেছে।
* কর্মসংস্থান ও প্রভাব:
* এই গ্রুপটি বাংলাদেশে বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ এই গ্রুপে কর্মরত, যার ৬০% এর বেশি নারী কর্মী।
* তারা গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ তারা কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কৃষিপণ্য সংগ্রহ করে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কারখানা স্থাপন করে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ শুধু একটি শিল্পগোষ্ঠী নয়, এটি বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প খাতে আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। 🤍🖤

আড়ং (Aarong) বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি হস্ত ও কারুশিল্প ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, যা তার অনন্য ডিজাইন এবং...
16/06/2025

আড়ং (Aarong) বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি হস্ত ও কারুশিল্প ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, যা তার অনন্য ডিজাইন এবং দেশীয় ঐতিহ্যের কারণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি সামাজিক উদ্যোগ হিসেবেও কাজ করে।
আড়ং-এর প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস
আড়ং-এর যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ-এর হাত ধরে। ব্র্যাক (BRAC) মূলত একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা, যা দারিদ্র্য বিমোচন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে। আড়ং প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং তাদের তৈরি হস্তশিল্পের পণ্যগুলির জন্য একটি বাজার তৈরি করা।
শুরুটা আরও আগে, ১৯৭৬ সালে মানিকগঞ্জে মাত্র ৫ জন দুস্থ নারীকে সাথে নিয়ে কারুশিল্পের কাজ শুরু করেন স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্ত্রী আয়েশা আবেদ। এই উদ্যোগ থেকেই আড়ং-এর ধারণার জন্ম হয়। ১৯৭৭ সালে ব্র্যাক এমসিসির সাথে যৌথভাবে কারুপণ্যের একটি বিপণি পরিচালনা করে এবং এরপর ১৯৭৮ সালে আড়ং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৮১ সালে আয়েশা আবেদ মারা যাওয়ার পর, ১৯৮৩ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ তার স্ত্রীর নামে 'আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করেন, যা আড়ং-এর পণ্য তৈরির মূল কারখানাসমূহ পরিচালনা করে। বর্তমানে সারা দেশে ১৪টি আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন রয়েছে, যেখানে গ্রামীণ কারিগররা কাজ করেন।
আড়ং-এর ব্যবসায়িক মডেল ও উদ্দেশ্য
আড়ং একটি সামাজিক উদ্যোগ (Social Enterprise) হিসেবে কাজ করে। এর পণ্যগুলো কোনো একটি বড় কারখানায় তৈরি হয় না, বরং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার কারুশিল্পীর হাতে তৈরি হয়। এই কারিগরদের অধিকাংশই সুবিধাবঞ্চিত নারী। আড়ং তাদের কাজের মাধ্যমে এই কারুশিল্পীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করে।
আড়ং-এর ব্যবসায়িক মডেলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো:
* গ্রামীণ ক্ষমতায়ন: এটি গ্রামীণ নারী ও কারিগরদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং তাদের উৎপাদিত পণ্যের একটি ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে। এটি তাদের স্বাবলম্বী হতে এবং দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।
* ঐতিহ্য সংরক্ষণ: আড়ং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও কারুশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত ও সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নকশা ও কৌশল ব্যবহার করে আধুনিক পণ্যে রূপান্তর করে।
* মুনাফার ব্যবহার: আড়ং-এর লাভের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (অর্ধেক) ব্র্যাকের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যয় হয়, যা দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করে।
* বৃহৎ সরবরাহ শৃঙ্খল: আড়ং সরাসরি প্রায় ৫,০০০ কর্মী এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৭৫,০০০ কারুশিল্পী ও তাদের পরিবারের সঙ্গে কাজ করে।
আড়ং-এর পণ্যসমূহ
আড়ং বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করে থাকে। তাদের পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
* পোশাক: পুরুষ, মহিলা এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের দেশীয় পোশাক, যেমন: শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টপস ইত্যাদি। তারা ঐতিহ্যবাহী নকশা ও কারুশিল্প ব্যবহার করে আধুনিক পোশাক তৈরি করে।
* গয়না: ঐতিহ্যবাহী এবং আধুনিক ডিজাইনের বিভিন্ন ধরনের গয়না।
* গৃহস্থালি ও আনুষঙ্গিক উপকরণ: ঘর সাজানোর জিনিসপত্র, কুশন কভার, বেডশীট, টেবিল ম্যাট, সিরামিক পণ্য ইত্যাদি।
* চামড়াজাত পণ্য: ব্যাগ, জুতা, মানিব্যাগ ইত্যাদি।
* হস্তশিল্প ও কারুশিল্প: বিভিন্ন ধরনের হাতে তৈরি সামগ্রী, যেমন: মাটির পাত্র, নকশিকাঁথা, শতরঞ্জি ইত্যাদি।
সামাজিক প্রভাব ও অর্জন
আড়ং শুধুমাত্র একটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
* নারী ক্ষমতায়ন: হাজার হাজার গ্রামীণ নারীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার মাধ্যমে এটি নারী ক্ষমতায়নে অবদান রাখে।
* সংস্কৃতির প্রচার: দেশীয় শিল্প ও সংস্কৃতিকে দেশের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে।
* পুরস্কার: আড়ং ২০১০ সালে "সুপারব্র্যান্ড" এবং ২০১২ সালে ইউনেস্কো থেকে হস্তশিল্পের ক্ষেত্রে "উৎকর্ষ" পুরস্কার লাভ করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিতর্ক (যেমন পণ্যের দাম নিয়ে অভিযোগ বা চাকরির সাক্ষাৎকারে বৈষম্যের অভিযোগ) উঠলেও, সামগ্রিকভাবে আড়ং বাংলাদেশের একটি আইকনিক ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত যা দেশীয় ঐতিহ্য ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতীক।

পাকিজা গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত এবং বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি, বিশেষ করে টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে তাদের শ...
15/06/2025

পাকিজা গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত এবং বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি, বিশেষ করে টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে তাদের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। ১৯৮২ সাল থেকে তারা এই শিল্পে কাজ করছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের পণ্য সরবরাহ করে থাকে।
পাকিজা গ্রুপ সম্পর্কে কিছু তথ্য:
* প্রতিষ্ঠা: ১৯৮২ সালে রফিকুল ইসলাম খান এর হাত ধরে পাকিজা গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়।
* প্রধান শিল্প: মূলত টেক্সটাইল শিল্প, যেমন - স্পিনিং (সুতা তৈরি), উইভিং (কাপড় তৈরি), ডাইং (রং করা) এবং প্রিন্টিং (ছাপানো) এবং পোশাক উৎপাদন (RMG)।
* পণ্য: শাড়ি, প্রিন্টেড ফেব্রিক, লুঙ্গি, বেডশীট, শার্ট, স্যুটিং, নিট টি-শার্ট, পোলো শার্ট, জ্যাকেট, শটস, রোম্পার, পাজামা, বক্সার, লেগিংস, আন্ডারওয়্যার, ট্যাঙ্ক টপস, ট্রাউজার্স ইত্যাদি। তারা দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও পণ্য রপ্তানি করে।
* সিস্টার কনসার্ন (সহযোগী প্রতিষ্ঠান): পাকিজা গ্রুপের অধীনে বেশ কিছু সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
* পাকিজা স্পিনিং মিলস লিমিটেড
* পাকিজা কটন স্পিনিং (প্রা.) লিমিটেড
* পাকিজা ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং ইন্ডাসট্রিজ (প্রা.) লিমিটেড
* পাকিজা টেক্সটাইল
* পাকিজা নিট কম্পোজিট লিমিটেড
* পাকিজা অ্যাপারেলস লিমিটেড
* মমটেক্স এক্সপো লিমিটেড (হোম টেক্সটাইল উৎপাদনে যুক্ত)
* পাকিজা সফটওয়্যার লিমিটেড (শিল্প অটোমেশনের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে)
* তৃপ্তি এগ্রো ফার্ম (কৃষি খাতেও তাদের বিনিয়োগ আছে)
* উৎপাদন সক্ষমতা (কিছু উদাহরণ):
* স্পিনিং: প্রতিদিন প্রায় ৭০ টন সুতা।
* নিটিং: প্রতিদিন প্রায় ২০ টন নিট কাপড়।
* ডাইং: প্রতিদিন প্রায় ৯০ টন ডাইং।
* পোশাক উৎপাদন: প্রতি মাসে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন পিস পোশাক (৬৫টি লাইন)।
* ডাইং ও প্রিন্টিং: বছরে ২৭ মিলিয়ন মিটার কাপড় ডাইং ও প্রিন্টিং এর সক্ষমতা।
* বুনন: বছরে ৬ মিলিয়ন গজ গ্রে উওভেন ফেব্রিক।
* অন্যান্য কার্যক্রম: টেক্সটাইল এবং পোশাক শিল্পের পাশাপাশি পাকিজা গ্রুপ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট (পাকিজা সফটওয়্যার লিমিটেড) এবং কৃষি খাতেও (তৃপ্তি এগ্রো ফার্ম) তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে।
*
সার্বিকভাবে, পাকিজা গ্রুপ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে, বিশেষ করে টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি আয়ে অবদান রাখছে। (পরবর্তী পোস্টে আপনি কোন গ্রুপের সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে চান তা নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন! #

14/06/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TR clothes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share