14/09/2026
আমি বরাবরই অবাক হই শিবির কেমনে ন্যারিটিভ ছড়ায়। জিন্নাহ নিয়ে বিতর্ক ইতিপূর্বে কখনো দেখা যায়নি। এইবার ডাকসুতে শিবিরের বিজয়ের পরে এই প্রথম জিন্নাহ নিয়ে বিতর্ক। যখন বিতর্কে পরিপূর্ণ ফেসে গিয়েছে তখন নিজেদের দোষ অন্যের কাঁধে চাপানোর কি সুন্দর পরিকল্পনা তারা সাজিয়েছে। তারা অবুঝ সরলমনা বাঙ্গালীদের কে বোঝাচ্ছে জিন্নার পক্ষ ছাত্রদল নিচ্ছে।
আর বোকা শ্রেণীর মানুষগুলো তাদের এই সাজানো গোছানো মিথ্যাকে বিশ্বাস করে বসবে এবং কমেন্টে গালিগালাজ করবে।
এখন আমার প্রশ্ন ছাত্রদল বা অন্য যারা আছে তারা কোন দুঃখে জিন্নার পক্ষ নিবে। জিননা কি বিএনপি'র কেউ ছিল । যে তার পক্ষ নিতে হবে। তাদের পক্ষ নেওয়ার জন্য তো অনেক কিছু আছে। জিয়াউর রহমান, আরো কত কি সেগুলো বাদ দিয়ে কেন জিন্না জিন্না করবে। জিন্নার পক্ষ নেওয়ার তো কোন প্রশ্নই আসে না।
পক্ষান্তরে শিবিরের তেমন উল্লেখযোগ্য কোন নেতা নেই পাকিস্তানি বাহিনী ছাড়া। হয় কোন রাজাকার ,হয় কোন পাকিস্তানি ,হয় কোন যুদ্ধ অপরাধি। এই হল তাদের আইডল বা নেতাদের ফিরিস্তি।
এখন যদি তারা এই কথা অন্যের উপর চাপায় তাহলে একমাত্র যারা অক্ষরজ্ঞানহীন মূর্খ তারাই তো একথা বিশ্বাস করবে। ফলে এই কথাগুলো তো এখন শিবির কে বলা উচিত কিন্তু উল্টো শিবের মানুষকে মূর্খ বলতেছে ইতিহাস জানেনা বলতেছে। শিবির একটি সুসংগঠনিক সংঘ যেটা খুবই দক্ষতার সাথে ইহুদিদের পরিকল্পনাগুলো আত্মস্থ করতে পারছে। ফলে তারা ইসলাম বিরোধী কাজগুলোকে ইসলামের নামে চালিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। যেমনি ভাবে আজ তাদের বাপ জিন্নাকে বিএনপি বলে চাপিয়ে দেওয়ার হাস্যকর কাহিনী ঘটালো। আশা করি ভাল থাকবেন আমার লেখা পড়ার পরে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন
#জামাতশিবির #অপপ্রচার #সচেতননাগরিক