Rojina’s Diary

Rojina’s Diary সাধারণ থাকার মতো অসাধারণ আর কিছুই না�
❤️বাস্তব জীবনের কথা
💛ইসলামিক রিমাইন্ডার
💔অনুভূতির গল্প
Follow করে পাশে থাকুন...
(5)

17/09/2026

“আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কখনো এমন আচরণ করবেন না। যাতে স্ত্রী ধীরে ধীরে আপনার প্রতি তার মায়া, ভালোবাসা আর টান সবই ফিকে হয়ে যায়। একটা সময় আসবে সারাদিন কেটে যাবে, রাতও পেরিয়ে যাবে তবুও আপনার সঙ্গে দুমিনিট কথা বলার ইচ্ছাটুকুও তার মনে আর জাগবে না। মনে রাখবেন, সম্পর্ক একদিনে ভাঙে না; অবহেলা, কষ্ট আর নীরবতার ভারে ধীরে ধীরে ভেঙে যায়...!!💔”

15/09/2026

বিসমিল্লাহ..
এই পোস্ট আমিসহ সকল মুসলিমের জন্য রিমাইন্ডার হিসেবে লিখছি,যারা এক আল্লাহকে রব্ব হিসেবে জানে ও মৃত্যুর পর পুনরুত্থানকে সত্য বলে মানে।

"হঠাৎ মৃত্যু"র সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। হুটহাট অসুস্থ হয়ে কিংবা দুর্ঘটনায় যেকোনো সময় যেকোনো বয়সের মানুষের মৃত্যু হতে পারে। তাই মুসলিম হিসেবে আমাদের মৃত্যুর প্রস্তুতি নেওয়া কাম্য।

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাত কিছুতেই বাদ দেওয়া যাবে না। যাবে না,মানে যাবেই না। অসুস্থতা থাকলে শুয়ে, ইশারায় সালাত আদায় করতে হবে। সফরে থাকলেও সালাত আদায় করতে হবে। সালাতের সময় ঠিক রেখে বাকি রুটিন গোছাতে হবে। সালাতের সময় কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকলেও ওই কাজ বাদ দিয়ে ফরজ সালাত আদায় করতে হবে।

বোনেরা,যারা পর্দা মেইনটেইন করেন না,আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করুন। কে কি বলবে,কি ভাববে, এসব নিয়ে পড়ে থাকবেন না। আল্লাহর কাছে হিদায়াত চাইবেন। পর্দা একটি ফরজ বিধান। স্বয়ং রব্বে কারীম এই বিধানকে ফরজ করেছেন। সালাত-রোজা যেমন ফরজ,পর্দাও একইভাবে ফরজ। ফরজ ছেড়ে দিলে কবিরা গুনাহ।

সকাল-সন্ধ্যার হেফাজতের আমল বাদ দিবেন না৷ বোনদের হায়েজের সময়টুকুতে সালাত অফ থাকলেও সকাল-সন্ধ্যায় হেফাজতের আমলগুলো করে নিবেন। নিজের স্বামী-সন্তান-পরিবারকে আমলে তাগাদা দিবেন৷ কিছুই না পারলে তিন কুল (সূরা ইখলাস,ফালাক্ব,নাস) তিনবার করে পড়তে হবে।

গুনাহে জারিয়ার ব্যাপারে সচেতন হোন। আল্লাহর জন্য, নিজের আখিরাতের কথা ভেবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সমস্ত হারাম কনটেন্ট, মিউজিক, বেপর্দা ছবি ডিলিট করে দিন। আমি-আপনি জানি না কোন সময় আমাদের মৃত্যু হবে৷ মৃত্যুর পরও এই গুনাহ চলমান থাকবে। অনুরূপভাবে একটা ভালো কথা বললে,ভালো আমল শিক্ষা দিলে তা সদকায়ে জারিয়া হবে।

সবসময় ইস্তেগফার-দুরুদ পাঠ করার চেষ্টা করবেন। ইস্তেগফাররত অবস্থায় বান্দার উপর আল্লাহর আযাব আসবে না। এটা আল্লাহর ওয়াদা!

প্রতিদিন কম-বেশি যতটুকু সম্ভব সদকাহ্ করবেন। দান-সদকাহ্ আল্লাহর রাগ কমায়। বিপদ মুসিবত দূর করে। যে বিপদ ইতোমধ্যে লেখা হয়ে গেছে, সদকাহ্-র কারণে সেই বিপদও আল্লাহ তায়ালা দূর করে দেন।

রাতের বেলা সূরা মূলক তিলওয়াত করা ছাড়বেন না। সূরা মূলক তিলওয়াত করতে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় লাগে। কবরের আযাব থেকে বাঁচতে সূরা মূলকের বিকল্প নেই।

বেশি বেশি দুআ করবেন। বিপদ থেকে আশ্রয় চাইবেন আল্লাহর কাছে। পাপ হলে দ্রুত ইস্তেগফার করবেন। পাপের কাফফারা হিসেবে সদকাহ্ করে দিবেন। মানুষের উপর জুলুম করবেন না। সুদ,হারাম ইনকামে জড়াবেন না। হঠাৎ মৃত্যু থেকে পানাহ চাইবেন। আল্লাহর কাছে উত্তম মৃত্যু চাইবেন।

সবশেষে, মৃত্যু যেখানেই হোক না কেন,তা আল্লাহর ফয়সালা ভেবে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। মুমিনের সিফাত হলো_কষ্ট হলেও আল্লাহর নির্ধারণে সন্তুষ্ট থাকা।

এই পোস্টের প্রতিটা বাক্য আমার নিজের জন্য লিখলাম। এবং তাদের উদ্দেশ্যে, যারা আখিরাতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে চায়।
Rojina’s Diary

15/09/2026

কাল "কিয়ামতে'র ময়দানে" যখন "আল্লাহ তা'আলা" আপনাদের "জান্নাতে" ঢুকাবেন,
তখন কিন্তু আপনার "আব্বা'র" থেকে আপনার "সার্টিফিকেট" নেবেন না,
তখন কিন্তু আপনার "আম্মা'র" থেকেও আপনার "সার্টিফিকেট" নেবেন না,
ওই সময় কিন্তু আপনার "বড় ভাই" , "ছোট ভাই" , "বড় বোন" , "ছোট বোন" , কারো থেকেই আপনার "সার্টিফিকেট" নেবেন না,
"আল্লাহ তা'আলা" , ঐদিন একজন ব্যক্তি'র কাছ থেকে আপনার "সার্টিফিকেট" নেবেন,
সে হলেন, আপনার "প্রিয়তমা" "সহধর্মিনী"।
আপনার "স্ত্রী"।
আপনার "সহধর্মিনী" ওইদিন যদি বলে, আমার "স্বামী"টা ভাল ছিল।
বেস,
আপনার "স্ত্রী"র একটা কথাতেই "আল্লাহ তা'আলা" আপনাকে "জান্না'তে" পাঠিয়ে দিবেন ।
"সুবহান আল্লাহ" 🤲❤️
Rojina’s Diary

13/09/2026

স্ত্রী কে মূল্যায়ন করা, সম্মান করা, স্ত্রীর কথাকে গুরুত্ব দেয়া, তার সাথে পরামর্শ করা, বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করা, তার সাথে ভালো আচরণ করা, তার অধিকার পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত করা, তাকে খুশি করা বা আনন্দে রাখাকে বৌ-পাগলামো কিংবা বৌয়ের আঁচলের নিচে থাকা বোঝায় না।তাছাড়া এতে করে স্বামীর সম্মান কমে যায় না, বরং মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

মহান আল্লাহ্ ﷻ বলেছেন, ‘‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের (স্বামীদের) জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোষাকস্বরূপ’’। (সূরা বাকারাহ:১৮৭)

মহান আল্লাহ অন্যত্র বলেছেন, ‘‘তোমরা তাদের সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর’’। (সূরা নিসা:১৯)

প্রিয়নবী রাসূল ﷺ এর জীবনী পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তিনি-
স্ত্রীর মনোভাব বুঝতেন,
স্ত্রীদের সাথে পরামর্শ করতেন,
স্ত্রীর মতামত কে গুরুত্ব দিতেন,
স্ত্রীর সাথে হাস্যকৌতুক করতেন,
দৌড় প্রতিযোগিতা করেছেন,
এমনকি নিজ হাটু গেড়ে স্ত্রীকে উটের পিঠে উঠতে সাহায্য করেছেন।
(বুখারী:২৬৯৪, ৫৬৪৯, আবু দাউদ:২৫৭৮)

রাসূলে কারীম ﷺ বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। (হাদিস সম্ভার:২৬৩১)

রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন, ‘মুমিন পুরুষ তার স্ত্রীকে ঘৃণা করবে না। যদি স্ত্রীর কোনো একটি দিক তাকে অসন্তুষ্ট করে, তবে অন্য দিক তাকে সন্তুষ্ট করবে’। (মুসলিম:১৪৬৯)

আমরা অনেক কিছুই খেয়াল করিনা, হিশেবে ধরিনা, মূল্যায়ন করিনা; কিন্তু আমাদের আল্লাহর আঈনের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান রাখতে হবে এবং মানতে হবে।

একবার সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রা.) কাঁদছিলেন। তাঁর স্ত্রীও কান্না শুরু করলেন।
তিনি স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি কাঁদছো কেনো?’ স্ত্রী বললেন, ‘আপনি কাঁদছেন, তাই আপনার কান্নায় আমিও কাঁদছি’। [ইবনুল জাওযি, সিফাতুস সাফওয়া: ১/৪৮২]

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক এমনটাই হওয়া উচিত। স্বামীর দুঃখে স্ত্রী দুঃখিত হবে, স্ত্রীর কষ্টে স্বামী ব্যথিত হবে।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে আদর্শ পরিবার গঠনে সাহায্য করুন, আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রিয়নবী মুহাম্মাদ ﷺ কে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করার তাওফিক দিন।
Rojina’s Diary

12/09/2026

আমার এক আকাশ সমান ইচ্ছে, শখ, আশা ছিলো, আমার বিয়েতে অনেক সুন্দর করে বউ সাজবো। সব সময় আমি সপ্ন দেখতাম। বিয়ে হলো তবে সুন্দর করে বউ সাজা আর হয়নি। আজ বিয়ের দিন এর কিছু ছবি দেখলাম।বুক টা ভার হয়ে গেলো। সাদা মাটা, কোন রকম, নিজে নিজে সাজছি যা পারছি, কারো খেয়াল ছিলো না, কারো একবার মনে হয়নি আমার কথা ! অভিমান!হলো অনেক।
আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ইচ্ছে আশা, আনন্দ টা সেদিন শেষ এবং অপূর্ন রয়ে গেলো। ।
এই কস্ট টা তারাই উপলব্ধি করতে পারবে যারা নিজের বিয়ে তে সুন্দর মুহূর্ত গুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

নিজের বিয়েতে, সুন্দর করে বউ সাজতে না পারার এই আফসোস আজীবনে যাবে না।
Rojina's dairy

নিশ্চয়ই
11/09/2026

নিশ্চয়ই

11/09/2026

আমার ১ম ওয়াইফ দীর্ঘ ৯ বছর নিঃসন্তান থাকার কারণে আমি ২য় বিবাহ করি। কারণ আল্লাহর রহমতে আমার অনেক অর্থ -বিও এবং সম্পদ রয়েছে। কিন্তুু খাওয়ার মানুষ নাই।।
২য় বিবাহ করার পর বছর ঘুরতেই আমার সন্তান হলো আলহামদুলিল্লাহ।।

আমি চেষ্টা করতাম আমার ১ম ওয়াইফ, এবং ২য় স্ত্রী,দুজনের সাথে আমি ন্যায় টা করার। আমি দু'জনকেই খুব ভালোবাসতাম।

১ম জন আমার ভালোবাসা আমার ১ম নারী, ২য় জন আমার সন্তান এর মা এবং ভালোবাসা।

আমার ২য় স্ত্রীর ঘরে পর পর ৪ টি সন্তান হলো আলহামদুলিল্লাহ ।।

কিন্তুু কেন জানি না আমার প্রথম ওয়াইফ আমার সাথে অনেকটা দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি প্রায় সময় বাবার বাড়িতে থাকতেন এবং তিনি প্রতি বছর ওমরাহ করতে যেতেন।

উনার পরিবারের সদস্যদের সাথে যেতেন।

খুব একটা কথা বলতেন না। আমি ও যেতাম না উনার বাপের বাড়িতে।

একটা সময় উনি আমার বাড়ি ছেড়ে দেন।

কিন্তুু তার জন্য মন জ্বলতো। কিন্তুু নিজের ব্যবসা, নিজের সন্তানদের দেখাশোনা সব করতে গিয়ে উনার প্রতি কিছুটা অবহেলা আমি করেছি।

উনি নিজে থেকে আমাকে ফোন দিতেন না।

বা যোগাযোগ করতেন না। আমি যতখন করতাম তিনি ততখন সাড়া দিতেন।

আমি যোগাযোগ না করলে আগ বাড়িয়ে কথা বলতেন না।

একটা সময় আমাদের যোগাযোগ কমে যাই।

তিনি আমার থেকে খরচ নিতেন না। আমি নিজে থেকে পাঠালে রাখতেন।

একটা সময় উনাকে জিজ্ঞেস করি কেন এত দূরে থাকছো আমার থেকে।

উওর দিতেন কাছে যাওয়ার মত তো এখন আর সময় সুযোগ নেই।

তুমি সুখি হও।। মহান রব আমায় সন্তান দেয় নি। আফসোস নেই। তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করেছো তাতে ও আফসোস নেই।

আমি দুনিয়াবি সকল চাওয়া বাদ দিয়েছি। আমি খুব বেশি দিন বাঁচতে ও চাই না।

এই পৃথিবী অনেক নির্ম*ম। বাপের বাড়ি যতই বড়লোক হোক না কেন..?

নিঃসন্তান হলে, স্বামী আরেকটা বিয়ে করলে, বা ডিভোর্স হলে সেই মেয়ের কোনো দাম থাকে না। এই পৃথিবীতে,,,,

আমি উওর দিলাম আমি তোমাকে ভালোবাসি।।

--- আমি ও আপনাকে দোয়াতে আর মায়াতে রাখি স্বামী।

আমি মরে গেলে আমার দাফন আমার বাবার পাশে হবে,,,,

আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে,, তোমাদের ওখানে না।

আমি বললাম এই ফালতু কথা বন্ধ করো তোমার যাওয়ার বয়স হয়নি।।

আমার ২‌য় বিবাহের ৭ বছর পর তিনি খুব জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পর **পারে পাড়ি জমালেন।

উনি যে ১২ দিন জ্বরে ভুগেছেন আমাকে জানান ও নাই।

এবং তিনি নিষেধ করেছেন তার মৃত্যুর সংবাদ ও যেন আমাকে জানানো না হয়।

তার মৃত্যুর পর সাথে সাথেই তাকে দাফন করা হয়।

তার বলা ছিলো। তাকে ৩ ঘন্টা ও রাখে নাই।

তার দাফনের পর আমি খবর পেয়েছি তিনি আর নাই।

আমি পাগলের মত ছুটে গিয়েছি৷ কেন শেষ বার তাকে দেখতে পেলাম না।

পাগলের মতো কেঁদেছি।

তার শূন্যতা আমাকে পুড়িয়েছে।।

আমি আসলে তখন অনুভব করেছি জীবন থেকে কি হারিয়েছি।।

তার মৃত্যু পর আমার সম্পদ গুলো ভাগ করেছি।

তার ভাগ টুকু আমি তার গরীব আত্মীয় স্বজনদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি।।

এবং একটা মসজিদের কাজে সাহায্য করেছি তার ভাগ থেকে।

সে নাই তার শূন্যতা আমাকে ঘিরে ধরতো। কিন্তুু আমরা তো স্বার্থপর মানুষ সংসার বাচ্চাদের মায়াতে ধীরে ধীরে তার শোক কাটি উঠেছি।।

পুরুষ মানুষ হয়তো একটু সেলফিশ টাইপের।

আমাদের ভালোবাসাটা সেখানেই শেষ ....

এখন অন্য নারী আমার বউ।

সে তার ভাই এর বউদের বলেছিলো আমার কোনো সন্তান নেই, এবং মনে রাখার মতো কোনো কাজ পৃথিবীতে করে আমি যাই নি।

আমাকে কেউ মনে রাখবে না।.....

কারো প্রতি অভিযোগ নাই, কিছুই নাই শুধু শূন্যতা ছাড়া।

10/09/2026

I got over 5,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

ফুল কখনো কাউকে হারানোর ভয় পায় না,তবুও প্রতিদিন নিজের সৌন্দর্য দিয়ে যায়। 🌸জীবনটাও ফুলের মতো হোক—কাঁটার মাঝেও হাসতে শিখুক,...
05/09/2026

ফুল কখনো কাউকে হারানোর ভয় পায় না,
তবুও প্রতিদিন নিজের সৌন্দর্য দিয়ে যায়। 🌸

জীবনটাও ফুলের মতো হোক—
কাঁটার মাঝেও হাসতে শিখুক,
অল্পতেই সৌন্দর্য খুঁজে নিক,
আর নীরবে নিজের সুবাস ছড়িয়ে যাক। 🌿🤍

কিছু সৌন্দর্য শব্দে প্রকাশ করা যায় না,
শুধু অনুভব করতে হয়… 🌷✨

— Rojina's dairy

সন্ধ্যার ক্রেভিং
05/09/2026

সন্ধ্যার ক্রেভিং

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rojina’s Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share