18/09/2026
লোকটাকে রেগুলার বাসি খাবার দেওয়া হতো। যাতে তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে যায়।
তীব্র আলোর মধ্যে রাখা হতো, যাতে ঘুমাতে না পারে
আলো-বাতাসহীন ঘরে রেখে কষ্ট দিতো
ঘুমাতে গেলে জোরে জোরে দরজায় বাড়ি দিয়ে শব্দ করত
চোখ থেকে গামছা তুলে নিতো, যাতে তীব্র আলো চোখে পড়ে
ব্যথা যন্ত্রণায় চিকিৎসা চাইলে ভুলভাল ইনজেকশন দিতো
ইনজেকশন দেওয়ার টাইমে লাইট অফ করে টর্চ লাইট ব্যবহার করতো। যাতে কারো ফেস না দেখা যায়।
বৈদ্যুতিক শক পর্যন্ত দেওয়া হতো
শারীরিক, মানসিক এমন কোনো অত্যাচার নাই, যেটা না করা হইছে
এমনকি নষ্ট এমআরআই মেশিনে তাকে ঢুকানো হয়, যেটা কিনা ব্লাস্ট হয়ে যায়
৪০ দিন ধরে লোকটাকে ঠিকমতো ঘুমাতে দেওয়া হয় নাই।
এইসব আমার বলা গল্প না। পুরাটাই গাজী সালাউদ্দিন তানভির ভাইয়ের বক্তব্য।
তার মুখে আজকে নতুন আয়না ঘরের গল্প শুনলাম।