The Daily Bangladesh Arthonitee.bd

The Daily Bangladesh Arthonitee.bd সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক, প্রিন্ট অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া 🇧🇩

23/06/2026

২৩ জুনকে ঘিরে এত ভয় কেন?
প্রকাশের সময় : ৬ মিনিট আগে ০ পড়া হয়েছে

২৩ জুনকে ঘিরে এত ভয় কেন? আওয়ামী লীগ কি এখনও সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বাস্তবতা?
আহমাদ সাদ
শিক্ষক কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ
২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অস্বাভাবিক তৎপরতা, সতর্কতা ও সাংঘাতিক কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে, তাতে একটি প্রশ্ন সামনে চলে আসে—আওয়ামী লীগকে নিয়ে এত ভয় কেন?
সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব এবং সরকারসমর্থিত রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বক্তব্য পর্যবেক্ষণ করলে মনে হয়, আওয়ামী লীগকে নিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলে এক ধরনের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও ভীতি কাজ করছে। ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে সাঁড়াশি অভিযান, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঠে নামতে না দেওয়ার ঘোষণা সেই আশঙ্কাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি কোনো জঙ্গি সংগঠন? আওয়ামী লীগ কি কোনো সশস্ত্র রাজনৈতিক দল? বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বলে, আওয়ামী লীগ কখনো শ্রেণিশত্রু খতম কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার রাজনীতি করেনি। বরং জন্মলগ্ন থেকেই দলটি এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতন্ত্র ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ছেষট্টির ৬ দফা, ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধ—প্রতিটি অধ্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রাম, তার কারাবরণ এবং ৩০ লক্ষ বাঙালির আত্মাহুতি, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হারানোর মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাঁকে, রক্তমাখা ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় আওয়ামী লীগের অতুলনীয় অবদানের কথা লিখা আছে।
স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেও আওয়ামী লীগের পথ ছিল কণ্টকাকীর্ণ। ৭২ থেকে ৭৫ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে চরমপন্থী চৈনিক বামধারার সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হামলায় আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বহারা পার্টি ও জাসদের গণবাহিনীসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহিংসতার শিকার হয়েছেন নেত্রকোনার এমপি আব্দুল খালেক, বরিশালের এমপি ইউসুফ আলীসহ দলটির তৃণমূল কর্মীরা। শুধুমাত্র বাজিতপুরেই আওয়ামী লীগের ১৮ জন নেতাকর্মী রাজনৈতিক সহিংসতার বলি হয়েছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে যে রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগকে বহুবার রাজনৈতিক সহিংসতা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১৯৮১ সালে পিতৃমাতৃভ্রাতৃহারা শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে তাঁকেও বারবার জীবননাশের ঝুঁকি নিয়ে রাজনীতি করতে হয়েছে।
১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানের ঘটনা এখন হয়ত অনেকেই ভুলে যেতে পারেন, পুলিশ কমিশনার রকিবুল হুদার নির্দেশে শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে গুলিবর্ষণ করা হয়। মানবঢাল রচনা করে নেত্রীকে বাঁচাতে পারলেও সেখানে ২৪ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন। ২০০১-২০০৬ সময়কালে যে ভয়ংকর রাজনৈতিক সহিংসতা বাংলাদেশে চলেছে তা সেই সময়ের পত্র-পত্রিকা সাক্ষী। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থক, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ভয়াবহ বর্বরতা সংঘটিত হয়েছে। মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করা, বাড়িঘর লুটপাট করে জ্বালিয়ে দেওয়া ইত্যাকার ঘটনায় যেন এক রক্তাক্ত কসাইখানায় পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলায় ২০ জন নেতাকর্মী নিহত হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা— আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। ২১ আগস্টের হামলায় আইভী রহমানসহ ২২ জন নিহত হন, আহত হন শতাধিক মানুষ। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএসএম কিবরিয়াসহ ৩ জন নিহত হন। ধিরাই উপজেলায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রনেড হামলায় ২জন নিহত অসংখ্য আহত, বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় শেখ হেলালের জনসভায় বোমা হামলায় ৯ জন আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী প্রাণ হারিয়েছে। খুলনায় আওয়ামী লীগ এমপি এডভোকেট মঞ্জুরুল ইমামকে, নাটোরে মমতাজউদ্দিনকে হত্যা করা হয়। দেশের অনেক জায়গায় নেতা কর্মীর হাত পা কেটে নেয়া হয়,চোখ উপড়ে ফেলা হয়। এই ঘটনাগুলো সেই সময়ের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে ক্ষমতার আসার পর একটি ঘটনারও প্রতিশোধ গ্রহণ করেছে বলে কোন প্রমাণ নেই। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে প্রমাণ করেছে তারা প্রতিহিংসা কিংবা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ প্রতিশোধ গ্রহণ করেছে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে। রক্ত দেওয়া এবং জীবন দেওয়া যেন আওয়ামী লীগের ভাগ্যলিখন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা কমেনি বরং ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির অঙ্গনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি জনগণের কাছে একটি শূন্যতার অনুভূতি তৈরি করছে। যখন বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে মাতৃভূমিকে সাম্রাজ্যবাদের কাছে বিকিয়ে দেওয়া হয় তখন জনগণ আওয়ামী লীগের শূন্যতা প্রতিনিয়ত উপলব্ধি করে।
আজ সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সরকার ও বিরোধী রাজনীতির মধ্যে কোন দূরত্ব নেই। খুন ধর্ষণ রাহাজানি, সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সমস্যা, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রশ্নে প্রতিবাদী শক্তিশালী রাজনৈতিক কণ্ঠের অভাব অনুভূত হচ্ছে। সরকার, সরকারি প্রশাসন, রাজনৈতিক দলসমূহ সম্মিলিতভাবে আওয়ামী লীগ মোকাবেলায় সাজসাজ রব তুলছে। একদিকে একা আওয়ামী লীগ, আরেকদিকে রেস্ট অফ আওয়ামী লীগ, অর্থাৎ আওয়ামী লীগ বনাম অন্য সকল রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনিক শক্তি।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—যদি আওয়ামী লীগ জনসমর্থন হারিয়েই থাকে, তাহলে তাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করে এত কড়াকড়ি কেন? কেন একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে এত সতর্কতা, এত প্রস্তুতি?
সম্ভবত এখানেই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বিজয়। কারণ আওয়ামী লীগের অবদানকে মানুষ ভুলে গেলে তাকে ঠেকানোর জন্য এত আয়োজনের প্রয়োজন হতো না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের এত সতর্কতা, নিষিদ্ধতাই আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের সহমর্মিতা বাড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর প্রতিরোধী বিশাল আয়োজনের কারণে বরং আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের তিল তিল সহানুভূতি বিশাল ভালোবাসায় রূপ নিচ্ছে। সরকার প্রশাসন ও সরকার সমর্থিত সকল রাজনৈতিক শক্তি একত্রিত হয়ে যতই আওয়ামী লীগের প্রতি কঠোর হবে, ততই জনগণ আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয় ও দরদী হয়ে উঠবে। পরিণতিতে আওয়ামী লীগের পর্বততুল্য বিশাল জনসমর্থন নিয়ে এক মহা প্রলয়ংকরী প্রত্যাবর্তন ঘটার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।
জনগণের মাঝে ২৩ জুনকে ঘিরে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তা হলো—আওয়ামী লীগকে ঘিরে এত ভয় কেন? ২৩ জুন ২০২৬ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক বিজয় ঘটলো?
আহমাদ সাদ
শিক্ষক কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ

20/06/2026

–Sorwar Ahmed+ প্রধান মন্ত্রী তারেক জিয়ার মৌলভী বাজার সফর শেষে জেলা বাসীর প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব হয়তো মিলানো হচ্ছে।হ....

04/06/2026
প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ,ভাঙারি দোকানে অনলাইন ০৪ জুন ২০২৬,বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের র...
04/06/2026

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ,ভাঙারি দোকানে
অনলাইন ০৪ জুন ২০২৬,
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী ও এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। বিকেলে সিটিটিসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তারগুলো চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে রাজধানীর হোসেনী দালান রোডের একটি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, 'আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ৮ কেজি চুরি হওয়া তার উদ্ধার করেছি। তার বিক্রির সঙ্গে জড়িত ভাঙারি দোকানের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।'

03/06/2026

বিদ্যুতের দামের নতুন চিত্র অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাং....

03/06/2026

সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে নাটকীয়ভাবে ক্ষমতাচ্যুতির পর আওয়ামী লীগ দল গুছিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু ...

03/06/2026

বুধবার (৩ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ছাত্রশক্তি নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ...

02/06/2026

এবার ভোক্তা পর্যায়ে কমল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। জুন মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম...

তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনঅনলাইন ০১ জুন ২০২৬,উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবে...
01/06/2026

তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

অনলাইন ০১ জুন ২০২৬,
উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।
gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সোমবার (১ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।

১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।

Address

85/1, Naya Paltan (4th Floor)
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Daily Bangladesh Arthonitee.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Daily Bangladesh Arthonitee.bd:

Shortcuts

Share

Category