News AGOB

News AGOB বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদের আওতায় নাগরিক অধিকার আদায়ে সত্য উন্মোচনে সদা প্রস্তুত।

 #আমরা মানুষের দেশ বানাতে পারিনিবানিয়েছি হিন্দু মুসলমানের দেশ,ধর্ম ভাষার পরিচয়ে নাগরিকত্বের জাতীয় পরিচয়পত্রশাসকদের ধর্মী...
08/06/2026

#আমরা মানুষের দেশ বানাতে পারিনি
বানিয়েছি হিন্দু মুসলমানের দেশ,
ধর্ম ভাষার পরিচয়ে নাগরিকত্বের জাতীয় পরিচয়পত্র
শাসকদের ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরোধ উস্কে দিয়ে লুটপাটের রাজনীতির ধারা বহাল রাখার কৌশুলি তৎপরতায় যুদ্ধ রক্তপাত
মানুষের জীবনহানি ঘটছে-ভারত বাংলাদেশে এর নেইতো শেষ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল বাশার
সভাপতি
"অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ"
৮ জুন,২০২৬ খ্রীস্টাব্দ।

 #তৃণমূল পর্যায়ের সকল শ্রেণীপেশারশোষিত বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষেরঐক্যবদ্ধ  রাজনৈতিক শক্তি,আগামীতে মিলবে গণমানুষের মুক্তি।★বি...
07/06/2026

#তৃণমূল পর্যায়ের সকল শ্রেণীপেশার
শোষিত বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষের
ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি,
আগামীতে মিলবে গণমানুষের মুক্তি।

★বিশ্ব রাজনীতিতে সহজ সরল দৃশ্যমান অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক সম্পদের লুটপাটের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ধারা বুঝতে কোন পান্ডিতের প্রয়োজন নেই। শুধু তত্বকথায় কাজ হচ্ছেনা, হবেনা ।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বাধীনত্বা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য দেশের নাগরিক কৃষক শ্রমিক হকার বেকারসহ স্ব স্ব শ্রেণীপেশার তৃণমূল পর্যায়ের গণমানুষের সাথে মতবিনিময় করে তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, কাঙ্খিত স্বপ্নের কর্মকৌশল তেরী,কর্মসূচী গ্রহন এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নে ব্যক্তি নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আত্মকেন্দ্রীক সুবিধাবাদী চিন্তার বাইরে থাকা ব্যক্তি গোষ্ঠি ছোট ছোট দলগুলোর দেশপ্রেমিকদের সমন্বিত ঐক্য প্রয়োজন।

দেশ ও জনগণের স্বার্থে নতুন পথে, নতুন মতে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে অর্থনৈতিক লুটপাটের ধারার রাজনীতির বিপরীতে বৈষম্যহীন সমাজ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধারা কিম্বা অধ্যায় তৈরী করাই হবে নতুন রাজনীতির ধারা। এর জন্য লোভ লালসাহীন সৎ ও ত্যাগী মানুষদের ঐক্যটা জরুরী।

সকল শ্রেণীপেশার মানুষদের ঐক্যরে মাঝ দিয়ে গড়ে উঠা রাজনৈতিক পথ প্রক্রিমায় অতীতের বৃটিশের তৈরী আইন,স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকার দ্বারা তৈরী কালাকুন,সংবিধানের শাসনতান্ত্রীক বিভিন্ন ধারা উপধারা,অর্থনৈতিক,আমলাতান্ত্রীক, নির্বাচন কমিশন,দুর্নীতি দমন কমিশনের আশু সংস্কারের প্রয়োজন।

সংস্কার যাদের জন্য প্রয়োজন তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করেই সংস্কার কর্মসূচীর বাস্তবায়ন করতে হবে। অর্থনৈতিক সংস্কার করতে দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইন "অবৈধ অর্থ উদ্ধার ও গণমুখী বিনিয়োগ স্বাধীন জাতীয় সংস্থা" গঠনে আইন প্রণয়নের মাঝ দিয়ে।

ডিপষ্টেটের আর্শীবাদ পুষ্ট সরকারগুলো জনগণের চাপে সংশোধনবাদী হবে সংস্কারের পথে হাটবেনা এ সত্য অস্বীকার করবার উপায় নেই। নতুন সরকারের দ্বারা কিছু আইন ও শাসনতান্ত্রীক ধারার সংশোধন ইতিমধ্যেই দেখতে পেরেছি। যা ছিল মোটমুটি পূ্র্ববর্তী আইনের কাছাকাছি রয়েছে। আইন ও বিধিগুলোতে শুধুমাত্র সংশোধনের নতুন প্রলেপ লাগানো হয়েছে। সহসা মিটছেনা রাজনৈতিক সমীকরন।

★সে কারনে দেশে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের সকল শ্রেণীপেশার নাগরিক সাধারণের উদ্দেশে কিছু কথা পরিস্কার করে জানাতে চাই যে, আগ্রসনবাদী অথবা আধিপত্যবাদী কোন দেশই যুদ্ধ করে বাংলাদেশের ভুখন্ড দখল করতে আসবেনা।
আর্ন্তজাতিক ষঢ়যন্ত্রের বাণিজ্যিক রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠার জন্য আধিপত্যবাদীরা অর্থ বিনিয়োগে মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে, ঘটাবে। দেশে দেশে ভোট গণতন্ত্রের মাধ্যমে তাদের পছন্দের তাবেদার সরকার প্রতিষ্ঠা করছে, করবে। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়।

আগ্রাসনবাদী ও আধিপত্যবাদীদের স্বার্থ উদ্ধার কর্মে দেশপ্রেমহীন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে থাকা রাজনীতিবিদদের একাংশ তাদের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে। এক ঠিকাদার তাদের কর্মে আশানুরুপ সাফল্য দেখাতে না পারলে বিকল্প প্যারালাল অন্য ঠিকাদার নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। বিশ্বায়নের এ যুগে বিশ্বপুঁজির মালিকানা প্রতিষ্ঠার আলখেল্লা হলো ভোট গণতন্ত্র।

বিদেশী অর্থে লালিত পালিত দালাদের কাজ হলো দেশে দেশে বিপ্লবের ছদ্দবেশে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে এবং প্রতারণামূলক গণঅভ্যুত্থান ঘটানো এবং রক্তপাতের রাজনীতি ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। আঁড়াল থেকে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়ে শহীদের তালিকা বাড়ানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশব্যাপী প্রচার প্রপাকান্ডার মাধ্যেমে ছাত্র/ যুব সমাজ ও নাগরিক সাধারণের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করা। সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী সরকার গঠনে নিজেদের পদায়ন করাই হলো বর্তমান দুনিয়ার ক্ষয়িষ্ণু গণতান্ত্রিক রাজনীতি। সরকার পরিবর্তনে এক লুটেরা গোষ্ঠির পরিবর্তে অপর লুটেরা গোষ্ঠির ক্ষমতায়ন। এতে জনগণের কোন লাভ কিম্বা কল্যাণ হবে কিনা এ বিষয়ে তাদের কিছুই আসে যায়না।

স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৫ বছরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারা জাতীকে এ শিক্ষাই দিয়েছে। আমরা কতটুকু শিখেছি সেটাই ভবিতব্য। জনগণ অতীতেও প্রজা ছিল এখনো তাই। তারা শুধু ভোট এবং উচ্চহারে ভ্যাট ট্যাক্স প্রদান করা এবং রাষ্ট্রের সেবা পাবার জন্য ঘুষ দেবার মালিক। এ ছারা রাষ্ট্রের কাছ থেকে তাদের চাওয়া পাওয়ার আকাংখা ও প্রাপ্তি যোগ কিছু নেই।

কথিত শিক্ষিত,বুদ্ধিজীবি,নোবেল বিজয়ী,অধিকতর উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী বলে দাবীদাররা সরকারের বিভিন্ন অঙ্গে কর্মরত ক্যাডার সার্ভিসের সেবকরা দেশের গণমানুষের রক্তঘামে তৈরী অর্থ ঘুষ দূর্নীতি দুর্বৃত্তায়নের বাণিজ্যিক রাজনীতির তল্পিবাহক।

রাজনীতিবিদেরা জনগণের রক্তচুষে নিয়ে, বিনিময়ে জনগণের ভ্যাট ট্যাক্সের দেও অর্থে দানখয়রাতে বিভিন্ন খাত তৈরী করে দলীয় ক্যাডার বাহিনী পোষাই তাদের কর্মসূচী। তারা মনে করেন সরকারে থেকে উন্নয়নের লুটপাটের ধারাবাহিকতা রক্ষাই তাদের কাজ। উন্নয়নের মেগা প্রকল্প তৈরী করে মেগা চুরির পথে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা অবৈধ অর্জন ও বিনা পুঁজির অতিলাভজন ব্যবসাই হলো রাজনীতি।

বিগত ৫৫ বছরে বাংলাদেশের নাগরিকদের শ্রমঘামে তৈরী অর্থ এবং বিদেশ শ্রমখাটা অর্জিত রেমিট্যান্সের অর্থের প্রায় ৯৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশের বিভিন্ন দেশে পাচার, সেখানে সেকেন্ড হোম,থার্ড হোম তৈরী করে সেস্থানেই পাচারকৃতদের বিবি সন্তানদের নিরাপদ জীবন যাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদের অনেকেই সেই দেশগুলোর নাগরিকও বটে। বাংলাদেশটা তাদের জন্য লুটপাটের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবিতার ব্যবসা বাণিজ্য চালানোর স্বর্ণখনি।

এই সকল লুটেরেরা দেশের মাঝে প্রায় ২৮ লক্ষ কোটি টাকার অবৈধ অর্থ সস্পদ দেশের মাঝে পুঞ্জিভুত রেখেছে। ইতোমধ্যে আপনারা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত খবরে জেনেছেন। আগামীতে দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ ও গবেষকদের সহযোগিতা নিয়ে এ সকল লুটেরা অর্থ পাচারকারী ও তাদের লুটপাটের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের পরিমান ধারাবাহিক জনসম্মুখে তুলে ধরা হবে।

বর্তমানে লুটপাটকারীদের একাংশ বিভিন্ন দলের টিকিটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে ক্ষমতার বাইরে অবস্থান করে ব্যানার,ফেস্টুন, প্লাকার্ড নিয়ে রাজপথে,শহীদ মিনারে,প্রেসক্লাব চত্তরে শহীদ ও মৃতদের আত্মত্যাগের স্বপ্ন নিয়ে চমকপ্রদ উত্তপ্ত বক্তব্য রাখেন। তারা প্রকৃত শহীদ মৃতের সত্য মিথ্য তালিকা প্রণয়ন করেছে দলভাড়ী করার জন্য। মৃত ও শহীদদের নগদ অর্থ প্রদান এবং ভাতা প্রদান করেছে।

অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দানকারীরা এ সকল নগদ অর্থ দান,ভাতা প্রদান করার কারন তাদের প্রতারণা কর্মের পাপমোচন এবং জনগণকে আরো অধিকতর ধোঁকা দেবার জন্য।
এসকল নগদ অর্থ ও ভাতা প্রদান করা হয় জনগণের কাছ থেকে উচ্চহারে ভ্যাট ট্যাক্সের আদায়ের অর্থ থেকে। রাজনীতিবিদদের কোন জমিদারি নেই। জনগণের অর্থেই তারা মোটা অংকের বেতন,ভাতা,বাড়ী, গাড়ী, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল নিয়ে সম্মানে রাজকীয় চলা ফেরা জীবন যাপন করেন। জনগণের অর্থে তারা হন রাজা উজির। নাগরিক সাধারণ হয় ফকির। সর্বক্ষেত্রে জনগণই ঢাল হিসেবে ব্যবহার হয় শাকের করাতের মত। আসতেও কাটে যেতেও কাটে। জীবনও দেয় আবার শ্রম ঘামে কষ্টার্জিত অর্থ উপার্জন করে, অনাহারে, অর্ধাহারে, পুষ্টিহীন থেকে, পুঁজীহীন,ভূমিহীন ভিটা মাটি হারিয়ে, শিক্ষা, চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে, তিলে তিলে মুত্যুমুখের যাত্রী হলেও রাষ্ট্রকে ভ্যাট ট্যাক্স দিতে হয় তাদের।

উধাহরনে বলা যেতে পারে, বিগত ২০২৫- ২৬ অর্থ বছরের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বাজেট ছিল- ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
২০২৬- ২৭ অর্থ বছরের বাজেট নির্ধারন করে হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা এমনটা প্রচারিত হয়েছে। আগামী অর্থ বাজেটে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বজেটের সিংহভাগ অর্থ নাগরিক সাধারণের কাছ থেকে আদায় করা হবে।

রাষ্ট্রকে ভ্যাট ট্যক্স দেয়া খারাপ কিছু নয়। যদি রাষ্ট্র জনগণের ৫ টি মৌলিক অধিকার অন্ন,বস্ত্র,চিকিৎসা শিক্ষা,বাসস্থান নিশ্চিত করতে পারে। বিগত ৫৫ বছরের রাজনীতিতে রাষ্ট্র নাগরিক সাধারণের কোন অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি, পারছেনা।

প্রকাশ রয়েছে যে, এ ঘাটতি বাজেট পুরনে বিদেশী ঋণ গ্রহন করা হবে। প্রয়োজনে নতুন করে নোট ছাপানোর উদ্যোগও নেয়া হতে পারে। বিদেশী ঋণ গ্রহন দেশের মাথা প্রতি ঋনের বোঝা বাড়বে। রাষ্ট্র শাসকদের ঋণ করে ঘি খাওয়ার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মানুষকে নিঃস্ব করে ফেলা হচ্ছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সিরাজগঞ্জের এক সভায় বলেছেন শেখ হাসিনা ২০ কোটি মানুষের উপর মাথাপিছু দেড়শ’ কোটি টাকার ঋণ করে গেছেন।
দেশের সকল সরকারে শাসনামলে নয়া ঋণের কিস্তি ও সুদ জনগনের কাছ থেকে আদায় করা ভ্যাট ট্যক্সের অর্থ থেকেই পরিশোধ করা হবে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলারেটি অথোরেটি কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, দেশের এনজিওগুলো পরিচালিত ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাপণায় দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ ক্ষুদ্র ঋণ জালে আবদ্ধ। ঋণ পরিশোধে ব্যার্থ হয়ে এদের অনেকেই আত্মহত্য করেছে। সিংহভাগ মানুষ ভিটে মাটি হারিয়ে অন্যত্র পালিয়ে ফিরছে। তৃণমূল পর্যায়ে এনজিওদের পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠেছে নানা সমিতি। মোটা অংকের সুদে টাকা খাটোনের সেই সাবেকী জমিদারী শাসনের মহাজনী ব্যবস্থা। মানুষের মুক্তি নেই। সকল অমানবিক অসাংবিধানিক রাজনৈতিক চর্চা থেকে বেড়িয়ে আসার পথ হলো আইন ও সংবিধান সংস্কার করা।

এ ধরনের রাজনীতিতে শাসনে শোষন ও নিঃস্ব করণ প্রক্রিয়া বহাল রাখার পদ্ধতি মাত্র। টাকার নোট ছাপানো হলে, টাকার মান কমে যাবে মূল্যস্ফিতি ঘটবে। স্বল্প আয়ের মানুষগুলো বাজারে ক্রয় ক্ষমতা হারাবে। মহাসঙ্কটে পরবে দেশের মানুষ। রাজনীতির এই অশুভ ঘোর চক্কর থেকে মুক্তি পেতে শোষিত বঞ্চিত নিপিড়ীত সকল শ্রেণীপেশার মানুষগুলো নিজেদের ঐক্য ও নেতৃত্ব গড়ার মাঝ দিয়ে নিজেদেরকে ক্ষমাতায়িত করা ছারা অন্য কোন বিকল্প পথ নেই।

রাজনীতিতে ধর্মীয় উগ্রবাদ তৈরী করাই হলো দেশের জনগণকে অন্ধকারে রাখার উত্তম পথ। জনগণকে তাদের উপর চালানো শোষণ বঞ্চনা বৈষম্য আর্থ সামাজিক অবস্থানকে ভুলিয়ে রাখার জন্য রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার করা হচ্ছে।

যাদের জন্ম রাজার ঘরে তারা রাজা হবে। যারা আলেম উলেমা ধর্মযাজকেরা সৎপথের নির্দেশক তারাই রাজা হবে । অর্থ বিত্তে সম্পদে সম্মানে তারা এলিট শ্রেণী। রাষ্ট্র শাসনের অধিকার একমাত্র তাদেরই। বৃটিশ শাসনামল থেকে এখন পর্যন্ত এ রাজনৈতিক ধারাই বহাল রয়েছে। বিশ্ব পুঁজিবাদী রাজনৈতিক আগ্রাসনবাদী ও আদিপত্যবাদী বিশ্বপুঁজির নিয়ন্ত্রক শক্তিধর দেশগুলো তাদের বাণিজ্যিক লুটপাটের ধারা টিকেয়ে রাখার জন্য উগ্র ধর্মীয় জাতীয়তাবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আর্থিক ভাবে দুর্বল দেশগুলোর উপর তাদের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্টার জন্য স্বচেষ্ট রয়েছে।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো অনৈতিকভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকা ক্ষমতায় যাবার জন্য সর্বদা শক্তিধরদের আর্শীবাদ পুষ্ট হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহন করে আবার আর্শীবাদহীন হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়। এ সকল দেশেগুলোর স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমেরিকার আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইসলাম কায়েম ভারতে রাজনৈতিক হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার উগ্রধর্মীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি নির্ভর হয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব ও পরস্পর বিরোধী বক্তব্য সাজানো নাটক । এর মাঝদিয়ে আমেরিকা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় তার আধিপত্য বিস্তারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ আমেরিকার সাখে বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকাকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছে ।

ধর্মীয় উগ্রবাদকে উস্কে দিয়ে দেশে গৃহযুদ্ধ লাগানো হতে পারে। এতে আমেরিকার আরেক ধাপ উত্তরণ হবে। দীর্ঘ মেয়াদী অপরাজনীতি চলতে থাকলে। বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক অংশের মানচিত্রের পরিবর্তন হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৬৫ সালের ৫ আগস্ট থেকে যুদ্ধ শুরু হয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৭দিন ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলেছিল। এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের মাঝ দিয়ে।

যুদ্ধে সময় আমেরিকা পাকিস্তানের পক্ষ হয়ে ৭ম নৌবহর পাঠিয়েছিল। রাশিয়া ৮ম নৌহর পাঠিয়ে তার গতিরোধ করেছিল। ৭ম নৌবহর নিয়ে আমেরিকা ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছিল। এখন প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন দু'দেশেই বিদেশী আর্শীবাদপুষ্ট সরকার। তাদের দেশপ্রেমের কোন অঙ্গিকার নেই। ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশ আধিপত্যবাদীদের নতুন রাজনীতির গ্যাড়াকলে পড়বে বলেই ধারনা করা যায়। দীর্ধমেয়াদী সঙ্কটে দেশগুলোর সাধারণ মানুষ আবারো উদ্বাস্ত হয়ে পরবে। হারারে প্রাকৃতিক সম্পদ। সহায় সম্বলহীন হবে দরিদ্র মানুষ।

বাংলাদেশের নাগরিক সাধারণকে স্বচেতন হতে অনুরোধ জানাচ্ছি। উগ্রবাদী উন্মাদনায় মানবিক চেতনা হারিয়ে উগ্রবাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হবার অর্থই হলো নিজের এবং পরিবারের সমাজ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি সাধন করা।

আসুন আমরা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের নাগরিক অধিকার আদায়ের রাজনীতির নতুন পথ ও মত @ তৈরীতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করি । আগামীতে শোষিত বঞ্চিত নানা বৈষম্য নিপীড়নের শিকার হওয়া মানুষেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের পছন্দের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধম্যে ক্ষমতা গ্রহনের প্রেক্ষাপট তৈরী করি। দেশ বাঁচাই, মানুষ বাঁচাই।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল বাশার
সভাপতি
'অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ'
৭ জুন,২০২৬ খ্রীস্টাব্দ।

22/02/2026

#দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইন প্রণয়নের দাবীতে অহিংস
গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ'র শ্লোগান। প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহন
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুকুল মিয়া।
২২ ফেব্রুযারি,২০২৬ ইং।

22/02/2026

অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ'র নেতা কর্মিদের বিরুদ্ধে দাযেরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমুলক মামলা প্রত্যাহার দাবী করছে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের নারী/পুরুষেরা। ২২ ফেব্রুয়ারী,২০২৬ ইং

22/02/2026

#দেশব্যাপী সদস্য সংগ্রহের কর্মসূচী চলছে। গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জে আনুষ্ঠানিক ভাবে "অহিংস গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশ'র সদস্য পদ গ্রহন করছেন এলাকার নারী পুরুষেরা। সদস্য সংগ্রহ এ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মুকুল মিয়া ও কেন্ত্রীয নেত্রী সূচনা বেগম। ২২ ফেব্রুযারি,২০২৬ খ্রীস্টাব্দ, ৯ ফল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ।

 #দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইন "অবৈধ অর্থ উদ্ধার ও গণমুখী বিনিয়োগ স্বাধীন জাতীয় সংস্থা গঠনে আইন প্রণয়ন ছারা বাংলাদেশের রাজন...
22/02/2026

#দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইন "অবৈধ অর্থ উদ্ধার ও গণমুখী বিনিয়োগ স্বাধীন জাতীয় সংস্থা গঠনে আইন প্রণয়ন ছারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘুড়ে দাঁড়াবার আর কোন পথ নাই।

09/02/2026

রংপুর-৪ আসনের এনসিপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আক্তার হোসেনের হাতে দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইনের রূপরেখা তুলে দিলেন সংগঠক মাহমুদা বেগম। ০৯/০২/২০২৬ ইং

09/02/2026

#হাজার হাজার জনতার সামনে ঠাকুরগাও-১ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মির্জা ফকরুল ইসলাম সাহেবের হাতে দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইনের রূপরেখা তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় নেত্রী শিল্পী বেগম। ০৯/০২/২০২৬ ইং

03/02/2026

#দেশবাসীর প্রতি অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশে'র বার্তা-
★দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইন "অবৈধ অর্থ উদ্ধার ও গণমুখী স্বাধীন জাতীয় সংস্থা" গঠনে আইন প্রণয়নে জাতীয় ঐক্য গড়ুন।
দেশ বাঁচান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করুন। ০৩/০২/২০২৬ ইং

02/02/2026

#গাইবান্ধা এলাকার সংগঠকেরা মিছিল নিয়ে এলাকার জেলা উপজেলা প্রশাসন,স্থানীয় স্কুল কলেজের শিক্ষক সাংবাদিক ও সুধিজনের হাতে হাতে অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ প্রস্তাবিত দুর্নীতি বিরোধী বিশেষ আইনের রূপরেখা তুলে দিচ্ছেন।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News AGOB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share