90's kids

90's kids Only 90s kids here

এই জন্যেই লোকে বলে - "ক্ষমতা খুব বাজে জিনিস, যার কাছে যায়, সে-ই অতীত ভুলে যায়! যে Gen Z রা এই 'বালেন শাহকে' প্রধানমন্ত্র...
15/07/2026

এই জন্যেই লোকে বলে - "ক্ষমতা খুব বাজে জিনিস, যার কাছে যায়, সে-ই অতীত ভুলে যায়! যে Gen Z রা এই 'বালেন শাহকে' প্রধানমন্ত্রী বানালো তারাই এখন কেন বালেন শাহ এর পদত্যাগ চাচ্ছে?

যে তরুণদের বিপুল সমর্থনে পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন নেপালের তরুণ নেতা বালেন শাহ, মাত্র ১০০ দিনের মাথায় সেই তরুণরাই আজ তাঁর বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছে।

গত ৯ জুলাই কাঠমান্ডুর একটি সড়কে ২৫ বছর বয়সী রাইড-শেয়ারিং চালক গণেশ নেপালি যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করার সময় মহানগর পুলিশ এসে হঠাৎ তাঁর মোটরসাইকেলের চাকায় 'হুইল লক' লাগিয়ে দেয়৷ পুলিশ বলে সে নিয়ম ভঙ্গ করেছে৷ বাট চালক অনেক বলার পরেও পুলিশ চাবি না দেয়াতে সে তার নিজের গায়ে আ*** দেয়৷ পরে হসপিটালে নিলে লোকটা মা%রা যায়৷

এই ঘটনার পর থেকে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া নেপালে বস্তি ও ক্ষুদ্র হকারদের পুনর্বাসনের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এতে দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

নেপালের তরুনরা যখন আন্দোলনে অংশ নেয় তখন পুলিশ শিক্ষার্থী, অধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ এবং গ্রেপ্তার করে এটা নিয়ে আরো সমালোচনার মুখে পড়ে বালেন শাহ৷

তাদের কথা হলো যারে আমরা নেতা বানালাম৷ যে নেতার জন্যে আগের নেতাদের বিরুদ্ধে গেলাম৷ সে নেতা এখন আমাদের পুলিশে দিচ্ছে৷ জেলে ভরছে৷

আপনার কি মনে হয়? নেপালি জেন জি'রা এখন ঠিক কাজ করতেছে? বাংলাদেশেও কি এমন হতে পারে বলে মনে করেন?

আজ ইয়ামিনের ৩য় কেমোথেরাপি ছিল।২য় কেমোথেরাপির পর থেকেই ধীরে ধীরে ওর চুল পড়া শুরু হয়। প্রতিটি ঝরে পড়া চুল যেন আমাদের...
15/07/2026

আজ ইয়ামিনের ৩য় কেমোথেরাপি ছিল।
২য় কেমোথেরাপির পর থেকেই ধীরে ধীরে ওর চুল পড়া শুরু হয়। প্রতিটি ঝরে পড়া চুল যেন আমাদের বুকের ভেতরটা আরও একটু করে ভেঙে দিচ্ছিল। তাই শেষ পর্যন্ত আমরা ওর মাথার সব চুল কেটে দিয়েছি।
গত দুই দিন ধরে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও কেমোথেরাপির জন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছে। হাসপাতালে যতক্ষণ থাকি, ততক্ষণই ওর কান্না থামে না। কেমোথেরাপি চলাকালীন ওর চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে মনে হয়, এই বুঝি বুকের ভেতরটা কষ্টে নিঃশ্বাস নিতে ভুলে যাবে।
বারবার শুধু একটাই প্রশ্ন মনে আসে—এত ছোট্ট একটা শিশুকে কেন এত কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে?
সময়গুলো পার করা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। নিয়মিত ক্যানোলা, ইনজেকশন, কেমোথেরাপি, রক্ত পরীক্ষা… যেন কষ্টের কোনো শেষ নেই। চোখের সামনে সারাক্ষণ নিজের সন্তানের যন্ত্রণায় কাতরানো দেখা—একজন মা-বাবার জন্য এর চেয়ে অসহায় মুহূর্ত আর কী হতে পারে?
তবুও আমরা আশা ছাড়ছি না। আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা রেখেই প্রতিটি দিন পার করছি। সবাই আমার ছোট্ট যোদ্ধা ইয়ামিনের জন্য মন থেকে দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন ওকে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এবং এই কঠিন পরীক্ষায় আমাদের ধৈর্য ও শক্তি দান করেন। 🤲 আমিন।

© Ridi

ফুটবল মাঠে ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা ছিলেন প্রায় অলৌকিক এক চরিত্র। কিন্তু মাঠের বাইরের জীবনে তিনি ছিলেন ভীষণ জটিল, আবেগ...
15/07/2026

ফুটবল মাঠে ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা ছিলেন প্রায় অলৌকিক এক চরিত্র। কিন্তু মাঠের বাইরের জীবনে তিনি ছিলেন ভীষণ জটিল, আবেগপ্রবণ এবং অনেক ক্ষেত্রে আত্মবিধ্বংসী।

গোল, শিরোপা ও বিশ্বকাপের পাশাপাশি তার জীবনের আরেকটি দীর্ঘ অধ্যায়জুড়ে ছিলেন কয়েকজন নারী- কেউ শৈশবের প্রেমিকা, কেউ স্ত্রী, কেউ সন্তানের মা, আবার কেউ ঝড়ের মতো এসে হারিয়ে যাওয়া সঙ্গী!

ম্যারাডোনার জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী নারী ক্লদিয়া ভিয়াফানিয়ে। বুয়েনস আয়ার্সের ভিলা ফিওরিতোর কাছাকাছি এলাকায় কৈশোরেই তাদের পরিচয়।

ম্যারাডোনা তখনও বিশ্ববিখ্যাত হননি। দারিদ্র্য থেকে উঠে আসার সংগ্রাম, আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সে প্রতিষ্ঠা এবং পরে বোকা জুনিয়র্স, বার্সেলোনা ও নাপোলিতে যাওয়ার পুরো যাত্রায় ক্লদিয়া ছিলেন তার পাশে।

দীর্ঘ প্রেমের পর ১৯৮৯ সালের ৭ নভেম্বর তারা বিয়ে করেন। তাদের দুই মেয়ে, দালমা ও জিয়ান্নিনা, জন্মেছিলেন বিয়ের আগেই। আর্জেন্টিনায় তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল রীতিমতো তারকাখচিত উৎসব।

কিন্তু বাইরে থেকে রাজকীয় মনে হওয়া সংসারের ভেতরে জমছিল অবিশ্বাস, পরকীয়া, মাদকাসক্তি ও দীর্ঘ অনুপস্থিতির ক্ষত।

শেষ পর্যন্ত ২০০৩ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবু ক্লদিয়া ছিলেন ম্যারাডোনার একমাত্র বৈধ স্ত্রী।

ক্লদিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক চলাকালেই ইতালিতে ম্যারাডোনার জীবনে আসেন ক্রিস্তিয়ানা সিনাগ্রা।

নাপোলির হয়ে খেলার সময় তাদের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ১৯৮৬ সালে ক্রিস্তিয়ানা এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন- ডিয়েগো আরমান্দো সিনাগ্রা, যিনি পরে ডিয়েগো জুনিয়র নামে পরিচিত হন।

এই সম্পর্ক ম্যারাডোনার ব্যক্তিজীবনের প্রথম বড় কেলেঙ্কারিগুলোর একটি। সন্তানটির পিতৃত্ব তিনি বহু বছর অস্বীকার করেছিলেন। আদালতের সিদ্ধান্তের পরও বাবা-ছেলের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি।

অবশেষে ২০১৬ সালে ম্যারাডোনা প্রকাশ্যে ডিয়েগো জুনিয়রকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেন। তখন তাদের পুনর্মিলনের ছবি সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

নব্বইয়ের দশকে ম্যারাডোনার সঙ্গে স্বল্পস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে ভ্যালেরিয়া সাবালাইনের। সেই সম্পর্ক থেকে ১৯৯৬ সালে জন্ম নেন ইয়ানা ম্যারাডোনা। এখানেও পিতৃত্ব নিয়ে শুরু হয় আইনি লড়াই।

ম্যারাডোনা একাধিকবার ডিএনএ পরীক্ষার আহ্বানে হাজির না হওয়ায় আদালত মেয়েটিকে তার পদবি ব্যবহারের অধিকার দেন। বহু বছর দূরে থাকার পর বাবা-মেয়ের যোগাযোগ হয়। জীবনের শেষ দিকে ইয়ানা তার বাবার তুলনামূলক কাছাকাছি এসেছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০০০ সালের দিকে মা*কাস/ক্তি/র চিকিৎসার জন্য কিউবায় থাকার সময় ম্যারাডোনার জীবনে আসেন মাভিস আলভারেস রেগো।

পরিচয়ের সময় মাভিসের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর, আর ম্যারাডোনা চল্লিশের কাছাকাছি। পরে মাভিস অভিযোগ করেন, তাদের সম্পর্কে ভালোবাসার চেয়ে নিয়ন্ত্রণ, স/হিং/স/তা ও শো/ষ/ণই বেশি ছিল।

তিনি ম্যারাডোনা ও তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে নি*তন, আটকে রাখা এবং মা*ক গ্রহণে প্ররোচিত করার অভিযোগ তোলেন। এসব অভিযোগ ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর প্রকাশ্যে আসে এবং সম্পর্কটির অন্ধকার দিক নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করে।

ক্লদিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ম্যারাডোনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীদের একজন ছিলেন ভেরোনিকা ওহেদা। তাদের সম্পর্ক শুরু হয় আনুমানিক ২০০৫ সালে। দীর্ঘ কয়েক বছর তারা একসঙ্গে ছিলেন। ভেরোনিকা ম্যারাডোনার মা*ক, স্বাস্থ্যসংকট ও অস্থির জীবনযাপনের বহু পর্ব কাছ থেকে দেখেছেন।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার সময় ভেরোনিকা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ২০১৩ সালে তাদের ছেলে ডিয়েগো ফার্নান্দোর জন্ম হয়। বিচ্ছেদের পর সন্তানের দায়িত্ব, দেখা করার অধিকার এবং ম্যারাডোনার পরিবারের সঙ্গে ভেরোনিকার বিরোধ নিয়মিত সংবাদে এসেছে।

তবু অন্য কয়েক সন্তানের ক্ষেত্রে যে দীর্ঘ পিতৃত্ব-বিতর্ক হয়েছিল, সেই পথে না গিয়ে ডিয়েগো ফার্নান্দোকে ম্যারাডোনা শুরু থেকেই নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

ভেরোনিকার সঙ্গে সম্পর্কের শেষ পর্যায়েই ম্যারাডোনার জীবনে প্রবেশ করেন তার চেয়ে প্রায় ৩০ বছরের ছোট ফুটবলার রোসিও অলিভা। দুজন একসঙ্গে দুবাইয়ে বসবাস করেন এবং প্রকাশ্যে বিয়ে করার কথাও বলেন। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা তাদের কাছাকাছি এনেছিল বলে রোসিও জানিয়েছিলেন।

কিন্তু এই সম্পর্ক ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, পুনর্মিলন, অভিযোগ ও প্রকাশ্য ঝগড়ায় ভরা ছিল! একপর্যায়ে ম্যারাডোনা রোসিওর বিরুদ্ধে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগ করেন; পরে অভিযোগ প্রত্যাহারও করেন!

২০১৭ সালে মাদ্রিদের একটি হোটেলে তাদের তীব্র বিবাদের পর পুলিশ উপস্থিত হয়, যদিও কেউ মামলা করেননি। কয়েক দফা ভাঙা-গড়ার পর ২০১৮ সালে সম্পর্কটি স্থায়ীভাবে শেষ হয়।

এ ছাড়া পিম্পিনেলা সংগীতদলের গায়িকা লুসিয়া গালান ম্যারাডোনার সঙ্গে কয়েক মাসের একটি গোপন প্রেমের কথা পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেন।

অভিনেত্রী গ্রাসিয়েলা আলফানোসহ আরও কয়েকজনের নামও আর্জেন্টিনার বিনোদনমাধ্যমে এসেছে। তবে এসব সম্পর্কের অনেকগুলোর সময় ও প্রকৃতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে।

ম্যারাডোনার প্রেমজীবনে আবেগের অভাব ছিল না; অভাব ছিল স্থিতি ও দায়বদ্ধতার। তিনি কাউকে গভীরভাবে ভালোবেসেছেন, আবার একই মানুষকে আ/ঘা/তও করেছেন।

ক্লদিয়া তার শিকড় ও পরিবারকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন, ক্রিস্তিয়ানা ও ভ্যালেরিয়ার গল্পে ফুটে উঠেছে অস্বীকৃত সন্তানের যন্ত্রণা, ভেরোনিকা ছিলেন সংকটময় মধ্যজীবনের সঙ্গী, আর রোসিও ছিলেন শেষ বড় প্রেমের ঝড়।

ফুটবলের রাজপুত্র তাই ব্যক্তিজীবনে কোনো রূপকথার নায়ক ছিলেন না, বরং ভালোবাসা, পরকীয়া, অনুশোচনা ও অসমাপ্ত সম্পর্কের এক গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ মানুষ ছিলেন তিনি।

15/07/2026

Coach after this match 🥹

15/07/2026

এটাই ইসলামের সৌন্দর্য 💗

নরসিংদীতে দুই মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে শিশুটির মা লক...
14/07/2026

নরসিংদীতে দুই মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে শিশুটির মা লক্ষ্য করছিলেন যে তিনি অল্প সময়ের জন্য ঘরের বাইরে গেলেই ফিরে এসে শিশুকে অস্বাভাবিকভাবে কান্নাকাটি করতে দেখেন। শিশুর শরীরেও মাঝে মাঝে লালচে দাগ দেখা যাচ্ছিল। সন্দেহ হওয়ায় একদিন তিনি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা চালু রেখে ওয়াশরুমে যান।

পরে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় বলে অভিযোগ, মা ঘর থেকে বের হওয়ার পর শিশুটির বড় চাচি ঘরে ঢুকে তার পা জোর করে মুচড়ে দেন। এতে শিশুটি চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে শিশুটির পা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এটি একটি গুরুতর অপরাধ এবং মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন। একটি নিরীহ শিশুকে কোনো পরিস্থিতিতেই পারিবারিক বিরোধ বা ব্যক্তিগত বিদ্বেষের শিকার করা যায় না।

ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

12/07/2026

মাছ ধরার অসাধারণ বুদ্ধি

11/07/2026

একটুখানি মাটির খোঁজে 😭

খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জ...
11/07/2026

খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মা সীমা আক্তার। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত বুধবার রাতে পুলিশ নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে নির্জনার র/ক্তা/ক্ত ব/স্তা/ব/ন্দি লাশ উদ্ধার করে।

আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে নির্জনার মা সীমা আক্তার জানিয়েছেন যে ঘটনার দিন বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি মেয়েকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘরের ভেতর শোরগোল শুনে নির্জনার বাবা আলীম হোসেন আকাশ এসে তাদের উভয়কে চুপ করতে বলেন। কিন্তু মেয়ে চুপ না থাকায় তিনি একটি কাঠের চলা (লাকড়ি) দিয়ে তার মাথায় আ/ঘা/ত করেন, যার ফলে ঘটনাস্থলেই মেয়ের মৃ/ত্যু হয়। এরপর নির্জনার বাবা ঘরের ভেতরে থাকা ছেঁড়া লুঙ্গি ও একটি প্লাস্টিকের বস্তায় লা/শ/টি ভরে মোটরসাইকেলে বেঁ/ধে নিরালার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রেখে আসেন।

হ/ত্যা/কা/ণ্ডের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সূত্র আরও জানায়, পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তেরখাদা আজগড়া এলাকার একটি ছেলের সঙ্গে বি/য়ে করায় নির্জনার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল তার পরিবার। গত ২১ এপ্রিল আরফান হোসেন নির্জনা স্বেচ্ছায় তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানকে বিয়ে করেছিলেন। এর ১৭ দিন পর তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ঘটনার দিন সকালেও মেয়েটি শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তাকে আবারও বুঝিয়ে বাড়িতে আনা হয়েছিল, কিন্তু বিকেলে এই ঘটনা ঘটে যায়।

এদিকে সদর থানা সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে নির্জনার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ পলাতক রয়েছেন এবং তার অবস্থান জানতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সকালে নির্জনার মা স্বেচ্ছায় হ/ত্যা/কা/ণ্ডের দায় স্বীকার করে জবা/ন/বন্দি দিতে চাইলে দুপুরের পর তাকে আদালতে নেওয়া হয়। এর আগে সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হ/ত্যা মা/ম/লা দায়ের করে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ ব্যাপারে বলেন, হ/ত্যা/কাণ্ড নিয়ে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হ/ত্যা/কা/ণ্ডের বিস্তারিত তথ্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার তুলে ধরবেন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801315344919

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 90's kids posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to 90's kids:

Shortcuts

Share