FloodLight - Where every game shines

FloodLight - Where every game shines Your all-access pass to the world of sports- analysis, insights, discussions, and updates. Join us under the FloodLight.

where passion meets play, and every game shines. ✨

পাকিস্তানের সাতজন প্লেয়ার আর কোচদের একবারে বাদ দেয়ার ঘটনাটা অস্বাভাবিক বলা চলে। মানে এইভাবে হয়না বললেই চলে। তবে একেবারে ...
03/09/2026

পাকিস্তানের সাতজন প্লেয়ার আর কোচদের একবারে বাদ দেয়ার ঘটনাটা অস্বাভাবিক বলা চলে। মানে এইভাবে হয়না বললেই চলে। তবে একেবারে ওয়ান টু ওয়ান তুলনা না করা গেলেও এই নিকট অতীতেই এমন ব্যাপার দেখা গিয়েছে অন্য টেস্ট দলেই। যখন সিরিজ বা ম্যাচ হারার রিয়াকশনে বোর্ড প্যানিক বাটন চেপে স্কোয়াডে করেছে একাধিক পরিবর্তন।

এইক্ষেত্রে প্রথমেই মাথায় আসে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার হোবার্ট ম্যাসাকার। সাউথ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরে সবচেয়ে স্টেবল থাকা অস্ট্রেলিয়া বোর্ডও প্যানিক করে বসে। সিলেক্টর রড মার্শ রিজাইন করে, তার জায়গা নেয় ট্রেভর হোন্স। আর এরপরেই অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মাঝেই ৫ জন প্লেয়ারকে করে ড্রপ।

জো বার্ন্স, এডাম ভোজেস, কলাম ফার্গুসন, পিটার নেভিল, জো মেনি এর জায়গায় দলে আসে ম্যাট রেনশ, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, নিক ম্যাডিনসন, ম্যাথু ওয়েড, জ্যাকসন বার্ড এবং চ্যাড সেয়ার্স। এরমধ্যে জো বার্ন্স বাদে বাকিদের টেস্ট ক্যারিয়ার ওখানেই শেষ হয়ে যায়।

সাউথ আফ্রিকা নিজেও এই কাজ করেছে ২০১৬ এর জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের সাথে। ইন্ডিয়া এরপর ইংল্যান্ডের কাছেও হোমে হারার পর হাশিম আমলা হুট করে ক্যাপ্টেন্সি থেকে রিজাইন করে, ভিলিয়ার্স হয় নতুন ক্যাপ্টেন।

স্টিয়ান ভ্যান জিল, ফ্যাফ ডুপ্লেসি, ফিলান্ডারকে ড্রপ করে দলে আনা হয় স্টিফেন কুক, ডিকক, ভিলোহেন এবং ডেন পিইডট কে।

পাকিস্তান নিজেও এই কাজ করেছে ২০২৪ এ বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের কাছে প্রথম ম্যাচ হারার পর।

কোচ গিলেস্পি থেকে পাওয়ার নিয়ে দেয়া হয় আকিব জাভেদকে। বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, সরফরাজ আহমেদ কে ড্রপ করে দলে আসে কামরান ঘুলাম, সাজিদ খান, নোমান আলি আর হাসিবুল্লাহ।

২০১৪ ইংল্যান্ড ট্যুরে ১-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পরেও ৩-১ এ সিরিজ হারে ইন্ডিয়া। বলতে গেলে বিসিসিআই ট্যুরের মাঝখানেই ডানকান ফ্লেচারের চাকরি হাইজ্যাক করে রবি শাস্ত্রিকে দেয়। এরপরে ড্রপ করা হয় গম্ভীর, ধাওয়ান, ইশ্বর পান্ডে, পাংকাজ সিং কে। দলে আনা হয় উমেশ যাদব, ভরুন অরুন, কে এল রাহুল, সুরেশ রায়না এবং রোহিত শর্মাকে।

সবাই যখন করছে নিউজিল্যান্ড বাদ থাকবে কেন? ২০১৩ তে সাউথ আফ্রিকার কাছে ইনিংসে হারে নিউজিল্যান্ড। সিরিজের পর টেইলরকে স্যাক করে ক্যাপ্টেন করা হয় ম্যাককালাম কে। মার্টিন গাপটিল, রব নিকোল, ক্রিস মার্টিন, জিতান প্যাটেলকে ড্রপ দিয়ে দলে আনা হয় ব্রুস মার্টিন, ট্রেন্ট বোল্ট, টম ল্যাথাম ও হ্যামিশ রাদারফোর্ডকে।

তবে শেষ করবো সম্ভবত সবচেয়ে বেশি হাস্যকর শোনানো ঘটনা দিয়ে।২০১৩ বর্ডার গাভাস্কার ৪-০ তে হারে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু আসল ক্রাইসিস আসে ২ ম্যাচ হারার পর। কোচ মিকি আর্থার সব প্লেয়ারকে তাদের এসেসমেন্ট রিভিউ দিতে বলে, বেশ কিছু প্লেয়ার ব্যাপারটা এবসার্ড লাগায় হেসে উড়িয়ে দেয়। এরপরেই তাদের করা হয় ড্রপ।

এটাই কুখ্যাত homework gate...

শেন ওয়াটসনের জায়গায় দলে ডাকা হয় স্টিভ স্মিথকে। উসমান খাওয়াজার জায়গায় দলে আসে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল৷ মিচেল স্টার্ক রিপ্লেস করে জেমস প্যাটিনসনকে আর জনসনের জায়গায় আসে পিটার সিডল।

এখন অনেকে জিজ্ঞাসা করতে পারে "ভাই বাংলাদেশে এমন কিছু হয়নাই?"। হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে এটা বলতে গেলে প্রতি সিরিজেই হতো, টেস্ট আসলে আমরা খেলতামই কেওস নিয়ে। তাই ওগুলা লিস্ট করা অনর্থক। টেস্ট খেলা তো আমরা শুরু করলামই বলতে গেলে কয়দিন হলো....

-Jiraiyarko

আমাদের হাসান মাহমুদের SENA কন্ডিশনে বল'কে মুভমেন্ট করানোর ক্ষমতা যে আরও কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, তা আজকে আবারও কিছুটা দেখ...
02/09/2026

আমাদের হাসান মাহমুদের SENA কন্ডিশনে বল'কে মুভমেন্ট করানোর ক্ষমতা যে আরও কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠছে, তা আজকে আবারও কিছুটা দেখালেন! 🔥

হাসানের দুটো উইকেট দেখে মনে হতে পারে, পিচের সহায়তায় হাসান দুটো ব্রিলিয়ান্ট আর্লি উইকেট নিয়েছেন। তবে নট কোয়াইট, এখানে হাসানের নিজের ব্রিলিয়ান্স ছিল আরও বেশি! ❤️

ওয়েদারের হিসাব অনুযায়ী, আজ Canterbury-তে বোলারদের জন্য অল্প কিছুটা অ্যাসিস্ট্যান্স অবশ্যই ছিল। আর্দ্রতা মোটামুটি ভালো, আকাশে মেঘ ছিল এবং ঘণ্টায় প্রায় ১৬/১৭ মাইলের মতো বাতাসও ছিল। অর্থাৎ বলকে বাতাসে মুভ করানোর জন্য হাসানের হাতে অল্প কিছুটা সহায়তা ছিল।

তবে এটাকে টিপিক্যাল ওভারকাস্ট সুইংগিং কন্ডিশনও বলা যাবে না। বরং এই পরিস্থিতিতে বলকে ঠিকভাবে মুভ করাতে বাড়তি স্কিল এবং এক্সিকিউশন দরকার ছিল।

আর এখানেই হাসানের ব্রিলিয়ান্সটা আলাদা করে চোখে পড়ে। আজকের দুই উইকেটের ক্ষেত্রে শুধু পিচের সিম মুভমেন্ট নয়, বরং হাসান যে বলকে এয়ারের মধ্যে সুইং করাতে পেরেছেন, সেটাই ছিল বড় ফ্যাক্টর। 🔥

বিশেষ করে ডানহাতি ব্যাটারের দিকে ভেতরে ঢোকানো সেই দারুণ ইনসুইংগিং ডেলিভারি, শেষ পর্যন্ত ইয়র্কার লেংথে গিয়ে ব্যাটারকে একেবারেই কোনো সুযোগ দেয়নি। একটা ইনসুইং ডেলিভারিতে তো স্ট্যাম্পস এদিক-ওদিক উড়ে গেল, জাস্ট পিওর বিউটি! আরেকটাতেও একই কায়দায় বল ভেতরের দিকে মুভ করিয়ে আরেকজনকে এলবিডব্লিউ ট্র্যাপে ফেললেন।

ছবিতেই দেখেন, রিলিজ পয়েন্ট থেকে হাসান ঠিক কতটা ইন-এয়ার মুভমেন্ট করিয়েছেন সুইং করে! এমন ভয়ংকরভাবে বলকে সুইং করিয়ে স্ট্যাম্প টার্গেট করলে যেকোনো ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রেই তা ভয়ংকর- বিশেষ করে নতুন বলে। আর যদি একটু বেশি মেঘলা, ওভারকাস্ট কন্ডিশন পেতেন, তাহলে সুইংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্স আরও বাড়তে পারত। সেক্ষেত্রে তার সঙ্গে পিচের সিম মুভমেন্টও যদি যোগ হতো, তাহলে ব্যাপারটা আরও ভয়ংকর হয়ে উঠত!

কন্ডিশন হাসানকে হালকা কিছুটা সাহায্য করেছে ঠিকই, কিন্তু সেই অ্যাসিস্ট্যান্সকে বিপজ্জনক বানানোর আসল কৃতিত্ব হাসানের সিম প্রেজেন্টেশন, রিলিজ এবং বলকে বাতাসে মুভ বা সুইং করানোর দক্ষতারই। ❤️

যেখান থেকে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই যেন আরও কনফিডেন্টলি বল মুভ বা সুইং করানোর দক্ষতা দেখিয়ে আবার শুরু করলেন।

কিপ শাইনিং, মাই ম্যান! ❤️

-পেপ Hossain গার্দিওয়ালা

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেটদল সহ অন্যান্যরাও যে নির্দিষ্ট মাঠে খেলতে যাচ্ছে, সেই "কোরোগি" স্পোর্টস পার্কের উইকেটটাই হত...
02/09/2026

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেটদল সহ অন্যান্যরাও যে নির্দিষ্ট মাঠে খেলতে যাচ্ছে, সেই "কোরোগি" স্পোর্টস পার্কের উইকেটটাই হতে যাচ্ছে এবারের বড় রহস্য কিংবা অনিশ্চিত-আনসার্টেইন একটা ফ্যাক্টর! 🥶🔥

অনেকেই জিজ্ঞেস করেছেন -" ভাই পিচ কেমন হবে? স্লো?"। তাই, আপাতত পাওয়া সব তথ্য নিয়ে এই আলোচনাটাও করা দরকার ভাবলাম!

কারণ এটা গতানুগতিক কোনো এশিয়ান স্লো উইকেট নয়। আবার একেবারে অস্ট্রেলিয়ান কিংবা নিউজিল্যান্ডের মতো পেস-বাউন্সের উইকেটও নয়। বরং বাউন্স, ক্যারি, গ্রিপ এবং টার্ন, সবকিছুরই সম্ভাবনা থাকা একটি নতুন ও বেশ আনসার্টেইন সারফেস। এর আগে এই মাঠে মাত্র ৬টি ম্যাচই হয়েছে।

এর কারণ কোরোগির ক্রিকেট ফ্যাসিলিটিটাও মূলত নতুন করে বানানো কোনো ক্রিকেট স্টেডিয়াম নয়। বরং ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, এটি ছিল একটি বেসবল ফ্যাসিলিটি, জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি বেসবল মূলত এখানেই খেলা হয়।

আর এই বেসবল মাঠটিকেই এশিয়ান গেমসের জন্য ক্রিকেটের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। কারণ জাপানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার উপযোগী মাঠ বা ফ্যাসিলিটি আসলেই খুব বেশি নেই।

আর এই রূপান্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো- “হাইব্রিড পিচ”। সেটা কি? আসুন বুঝে দেখা যাক!

সহজভাবে বললে, কোরোগির উইকেট মূলত ন্যাচারাল গ্রাসের ওপর তৈরি, তবে এর মধ্যে পলিইথিলিন সিনথেটিক ফাইবার ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফাইবারগুলো ন্যাচারাল টার্ফের সঙ্গে ইন্টারলক করে পুরো সারফেসকে আরও শক্ত, টেকসই এবং কনসিসটেন্ট রাখতে সাহায্য করে।

অর্থাৎ এটা কোনো পুরোপুরি আর্টিফিশিয়াল পিচ নয়। বরং ন্যাচারাল গ্রাস, মাটি ও রুট-জোনের সঙ্গে সিনথেটিক ফাইবারের একটা কম্বিনেশন।

না পুরোপুরি পিওর, না পুরোপুরি কৃত্রিম! আর এই একই ধরনের হাইব্রিড টেকনোলজি এর আগে ভানুয়াটুর পোর্ট ভিলাতেও ব্যবহার করা হয়েছে।

কিন্তু কোরোগিকে সত্যিকারের ইন্টারেস্টিং করে তুলছে এর প্লেয়িং ক্যারেক্টার।

আইসিসির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এখানে এশিয়ান এবং প্যাসিফিক উইকেটের কিছু বৈশিষ্ট্যের কম্বিনেশন দেখা যেতে পারে। এমনকি পাকিস্তানের কিছু বাউন্সি উইকেটের সঙ্গেও এর তুলনা এসেছে, যেখানে বাউন্সের পাশাপাশি টার্নও পাওয়া যায়।

এবং এই পর্যবেক্ষণ করেছেন সেই শ্রীলংকান পিচ কিউরেটর, যিনি কোরোগির পিচ তৈরির দায়িত্বে ছিলেন।

এখন এই পিচে বোলারদের জন্য কী থাকছে?

পেসারদের জন্য প্রথম অস্ত্র হতে পারে হার্ড লেংথ। বল শর্ট অব লেংথে ফেললে বাড়তি বাউন্স এবং ক্যারি ব্যাটারকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে। শুধু গতি দিয়ে নয়, সঠিক লেংথ, সিম প্রেজেন্টেশন এবং পেস ভ্যারিয়েশন দিয়েই এখানে পেসাররা পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।

আর সেখানেই হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম কিংবা মোস্তাফিজুর রহমানদের স্কিলসেট বেশ ইন্টারেস্টিং হয়ে যায়।

তবে কোরোগির গল্পটায় এখানেই আসে আরেকটা টুইস্ট!প্রথমে মানুষ বলতেছিল যে স্লো উইকেট, স্পিনাররা সুবিধা পাবে! এখন এগুলো কী শুনতেছি? তাহলে স্পিনারদের জন্য কিছু নেই?

নাহ। পিচের ন্যাচার অনুযায়ী স্পিনারদের জন্যও এই উইকেটে দরজা খোলা থাকতে পারে। তবে সেটা একটা নির্দিষ্ট ওয়েতে যদি স্পিনাররা বোলিং করতে পারে, তবেই!

হার্ড সারফেসে বল যদি ভালোভাবে গ্রিপ করে, তাহলে বেশি রেভ দেওয়া স্পিনাররা বলকে সারফেসে ‘বাইট’ কিংবা প্রোপারলি গ্রিপ করাতে পারলে টার্নের পাশাপাশি বাড়তি বাউন্সও পেতে পারেন। আর বাউন্সের সঙ্গে টার্ন যোগ হলে ব্যাপারটা টি-টোয়েন্টিতে বেশ ভয়ংকর।

যেমন আমাদের রিশাদ হোসেন অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনে পিচের বাউন্সকে কাজে লাগিয়েছিলেন খুব ভালোভাবে। হার্ড লেংথে বোলিং করে, বলকে গ্রিপ করিয়ে, একটু জোরের ওপর বোলিং করে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের টপ এজ উঠানোসহ বেশ বেকায়দায় ফেলেছিলেন বিগ ব্যাশে।

কোরোগিতেও তাকে অনেকটা একই কায়দায় বোলিং করতে হতে পারে।

ইভেন শেখ মাহেদীও কিন্তু পিচে বাউন্স থাকলে বেশ ভালোভাবে সেটাকে কাজে লাগাতে পারেন ভ্যারিয়েশনের মাধ্যমে। পিচের গ্রিপনেস ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও তিনিও বেশ পারদর্শী।

নাসুম কতটা সফল হবে জানি না, কারণ তার জন্য স্লো, টার্নিং উইকেটই আদর্শ। এখানেই আসলে আলিস বা রুবেলকে মিস করবো!

লেগস্পিন ও বাউন্স মানেই টপ এজের সুযোগ।
আবার অফস্পিন ও বাউন্স মানেই সুইপে ভুলের সম্ভাবনা।
আর গ্রিপ থাকলে ফ্লাইটেড বলও হয়ে উঠতে পারে আক্রমণের অস্ত্র।

দেখা যাক, যাদের নেওয়া হয়েছে তারা কতটা স্মার্টলি নিজেদের বোলিংকে এই পিচের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে পারেন।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার যে হাইব্রিড ফাইবার নিজে থেকে বলকে বেশি স্পিন করায় না। বরং উইকেটের হার্ডনেস, সারফেসের গ্রিপ, ঘাস, আর্দ্রতা এবং ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে পিচের পরিবর্তন, সবকিছুর সম্মিলিত প্রভাবেই বোলাররা সুবিধা পাবেন।

আর তাই কোরোগিকে এখনই ‘বোলিং পিচ’ বলে দেওয়া ঠিক হবে না।

কারণ ইতোমধ্যে এখানে খেলা ম্যাচগুলো দেখিয়েছে, সারফেস ফ্রেশ ও হার্ড থাকলে ভালো ব্যাটিংও সম্ভব। অর্থাৎ ব্যাটারদের জন্যও এটি তুলনামূলক ট্রু সারফেস হতে পারে।
আমাদের ব্যাটসম্যানদের তাই পিচের বাউন্স ও ক্যারিকে কাজে লাগিয়ে হাই স্কোর তোলার দায়িত্বটাও নিতে হবে।

এখন, উইকেটটা আসলেই বেশ আনপ্রেডিকটেবল।বিসিসিআই অলরেডি তাদের সন্দেহ জানিয়েছে যে এই পিচে বেশ আনপ্রেডিকটেবল ও ভ্যারিয়েবল বাউন্স থাকতে পারে।

সাথে আবার আরেকটা বড় ফ্যাক্টর জাপানের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আবহাওয়া। বৃষ্টি কিংবা টাইফুনের প্রভাব থাকলে কোরোগির চরিত্রও বদলে যেতে পারে।
ফ্রেশ, হার্ড সারফেসে পাওয়া যেতে পারে বাউন্স ও ক্যারি।

আবার বৃষ্টির পরের ময়েশ্চার এবং মেঘলা কন্ডিশন যোগ হলে সুইং ও সিম মুভমেন্টও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

অর্থাৎ একই ভেন্যুতে, একই উইকেটেও ম্যাচের দিন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যেতে পারে।

আর এখানেই থাকছে কোরোগির আসল রহস্য। ‘এখানে পেসাররাই জিতবে’ কিংবা ‘স্পিনাররাই রাজত্ব করবে’ - এমন কথা আসলেই কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না, যতক্ষণ না খেলা নিয়মিতভাবে গড়াচ্ছে এবং আমরা এই উইকেটের আরও অনেক ম্যাচ দেখছি।

আর বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।তবে স্কোয়াডে আমাদের এনাফ অপশন ও ভ্যারিয়েশন আছে যেকোনো দিনে নিজেদের অ্যাডজাস্ট করে নেওয়ার মতো। আমাদের তিন পেসার তিনজনই তিন ধরনের প্রোফাইলের।

হাসান মাহমুদ ও শরীফুল সামান্য সিম মুভমেন্ট থাকলেও সেটাকে কাজে লাগাতে পারবেন। শরীফুল হার্ড লেংথে বোলিং করার জন্য আদর্শ বোলার। আর মোস্তাফিজ তো বিশ্বের যেকোনো পিচের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করার মতোই দক্ষ বোলার।

সাথে রিশাদ, মাহেদীর গ্রিপি স্পিন। সবমিলিয়ে, এই পিচ যদি অনিশ্চিত একটা ফ্যাক্টরও হয়, আমাদের বোলাররা ভালোই করবেন বলে বিশ্বাস রাখছি। আসল পরীক্ষাটা হবে ব্যাটসম্যানদের!

তবে হাই হোপসই রাখবো যে ইন্ডিয়া বাদে আর প্রতিটা দলই বাংলাদেশের কাছে তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ হবে না।

আর ইন্ডিয়াকে হারাতে পারলে তো সর্বোচ্চ পদকটাই নিশ্চিত!

ফিঙ্গার্স ক্রসড! কোরোগির এই চ্যালেঞ্জটাও উতরেই আসব আমরা। 🇧🇩

-পেপ Hossain গার্দিওয়ালা

হাসান মাহমুদ আবারো কাউন্টিতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন! টানা দুই বলে দুই উইকেট শিকার...এবং অন্য খবরে, সূর্য পূর্বদিকে ওঠে আর প...
02/09/2026

হাসান মাহমুদ আবারো কাউন্টিতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন! টানা দুই বলে দুই উইকেট শিকার...
এবং অন্য খবরে, সূর্য পূর্বদিকে ওঠে আর পশ্চিমদিকে অস্ত যায়! 🥱

- হাতুড়ি সিংহ

এশিয়ান গেমস ২০২৬ এর জন্য বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে! 🇧🇩 তেমন কোনো সারপ্রাইজ বা নতুনত্ব অবশ্য নেই। ওপেনিংয়ে তানজি...
02/09/2026

এশিয়ান গেমস ২০২৬ এর জন্য বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে! 🇧🇩

তেমন কোনো সারপ্রাইজ বা নতুনত্ব অবশ্য নেই। ওপেনিংয়ে তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান জুটিই আছে। পারভেজ ইমনকেও ওপেনিং অপশন হিসেবে ধরা যায়, যদিও ইদানিং ৪ নম্বরেই খেলছেন মিডল ওভারে স্পিন ব্যাশিং এর বেস্ট অপশন হিসেবে।

মিডল অর্ডারে তাওহীদ হৃদয়, ক্যাপ্টেন লিটন দাসের পাশাপাশি হঠাৎ নাজমুল হাসান শান্তকেও কেন টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে যোগ করা হলো, তা অবশ্য আমার কাছে বোধগম্য নয়।

ফিনিশিং অপশনে অবশ্য ঠাহর করাই যাচ্ছিল যে বিসিবি ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দিকেই ভরসা করতে যাচ্ছে। স্পেশালি জিম্বাবুয়ে সিরিজে ইয়াসির রাব্বির পজিটিভ পারফরম্যান্স এবং দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মোসাদ্দেকের পারফরম্যান্স তাদের জায়গা করে নেওয়ার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে।

তবে স্পিন অপশনে আমি কিছুটা নতুনত্ব আশা করেছিলাম। আলিস আল ইসলাম অথবা মোহাম্মদ রুবেলকে নিলে খুব বেশি ক্ষতি হতো না। সে জায়গায় বিসিবি ভরসা রাখল পুরোনো স্পিন ট্রিও- শেখ মাহেদী, নাসুম আহমেদ ও রিশাদের ওপর।

যেহেতু স্কোয়াডে অলরেডি ৩ জন পেসার আছেই এবং তাদের মধ্য থেকেই নিয়মিত একাদশের পেস কম্বিনেশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, সেক্ষেত্রে সাইফউদ্দিনের জায়গায় আরেকজন স্পিনার নিলে দলটা বেশ ডায়নামিক হতে পারত। এমনকি শান্তর জায়গাটাও আসলে লজিক্যাল না, এখানেও একজন এক্সট্রা পেসার নেওয়ার সুযোগ ছিল।

এবার যে পিচে খেলা হবে, সেটা খুবই আনসার্টেইন একটা সারফেস। সেটা নিয়ে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত কথা বলব। তবে এই ধরনের পিচে মাহেদী ও রিশাদ সুবিধা পেতে পারেন, কিন্তু নাসুম কতটা ইফেক্টিভ হবেন, সেটা নিয়ে আমার কিছুটা সন্দেহ আছে।

শুধু এই জায়গাটাতেই পিচের ন্যাচার অনুযায়ী আলিস বা রুবেলের মতো একজন স্পিনার থাকলে বোলিং আক্রমণে আরেকটু ভ্যারিয়েশন আসত বলে আমার মনে হয়।

এছাড়া স্কোয়াড নিয়ে নতুন করে বলার মতো তেমন কিছু নেই।

গুডলাক, বাংলাদেশ! 🇧🇩 এই স্কোয়াড নিয়ে পদক না নিয়ে আসলে খবর আছে 👹

-পেপ Hossain গার্দিওয়ালা

"এই চাব্বিস সালেও বাংলাদেশের কিরকেট দেকেন বাইইইই😱😱😱😱"এই ঢং করা প্রশ্ন রোজ শুনি। হ ভাই বাংলাদেশের লোকজন এখনো ক্রিকেট দেখে...
02/09/2026

"এই চাব্বিস সালেও বাংলাদেশের কিরকেট দেকেন বাইইইই😱😱😱😱"

এই ঢং করা প্রশ্ন রোজ শুনি। হ ভাই বাংলাদেশের লোকজন এখনো ক্রিকেট দেখে, খুশিমনেই দেখে, ভালোবেসে দেখে।

তাইতো এ দলের ম্যাচেও ইউটিউবে ১ লাখের বেশি কনকারেন্ট ভিউয়ার। যেকোনো লাইভ স্ট্রিমের জন্য এই নাম্বারটা কতটা হিউজ অনেকের সেটা ধারণার বাইরে।

যাইহোক অনেকেই হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি লাইভ দেখতে পারলো, ব্যাপারটা ভালো।

-Jiraiyarko

বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ইতিহাসে ট্রিপল সেঞ্চুরি মোট দুইটা ছিল।২০০৭ এ রকিবুল হাসানের ৩১৩* এবং ২০২০ এ তামিম ইকবাল খানের ৩...
02/09/2026

বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ইতিহাসে ট্রিপল সেঞ্চুরি মোট দুইটা ছিল।

২০০৭ এ রকিবুল হাসানের ৩১৩* এবং ২০২০ এ তামিম ইকবাল খানের ৩৩৪*।

আজকে হৃদয়ের ইনিংসটা বাংলাদেশি কারো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তৃতীয় ট্রিপল সেঞ্চুরি। এবং এটার বিশেষত্ব হলো বাকিগুলার মতো এটা ঘরের মাঠে নয়, এওয়ে কন্ডিশনে।

হিসাবে ৭৫ ওভার ব্যাট করেছে হৃদয়। মনে হয়েছিল উইকেট পড়ে যাওয়ায় নাও হতে পারে ৩০০ রানের ম্যাজিক্যাল নাম্বারটা। কিন্তু রেজাউর রহমান রাজার যোগ্য সঙ্গে হৃদয় পারলেন।

এরসাথে প্রমাণ করলেন রেড বলেও তিনি বিলং করেন। এই ইনিংসটা হৃদয়ের তিন ফর্মাটেই নিজেকে স্থায়ী করার মেসেজটা খুব ভালো করে দেয়।

এখন জাস্ট চাওয়া একটাই, ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট হৃদয় নিয়মিত খেলুক বেশি বেশি। মিডল অর্ডারে মুশফিকের রিপ্লেসমেন্ট আমরা পেতে চলেছি।

২৫ চার, ৬ ছক্কা এককথা অনবদ্য...

অভিনন্দন তৌহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এখনো একটা ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ান মিসিং, আশা রাখি এটাও দ্রুতই হয়ে যাবে 🙃।

-Jiraiyarko

**প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশের মাটিতে ফার্স্ট ক্লাসে ট্রিপল সেঞ্চুরি।**তামিম ইকবাল ও রকিবুল হাসানের পর মাত...
02/09/2026

**প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদেশের মাটিতে ফার্স্ট ক্লাসে ট্রিপল সেঞ্চুরি।
**তামিম ইকবাল ও রকিবুল হাসানের পর মাত্র তৃতীয় বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসাবে ফার্স ক্লাসে ট্রিপল সেঞ্চুরি।
**সাউথ আফ্রিকার মাটিতে সফরকারী দলের ব্যাটারের ২য় সর্বোচ্চ ফার্স্ট ক্লাস স্কোর!

৪৫০ বলের এক ম্যারাথন! ধৈর্য্য, স্কিল, একাগ্রতা, জেদের নতুন উদাহরণ...

ফেসবুকের ট্রলগুলো আর ট্রল থাকলো না! ফেসবুকে কবিতা লিখতে লিখতে ক্রিকেট মাঠে মহাকাব্যই লিখে ফেলেছেন আপনাদের "কবি হৃদয়"! 😅

অভিনন্দন! অভিনন্দন! অভিনন্দন! 🇧🇩❤️

সেই সাথে রেজাউর রহমান রাজাকেও শাবাসি! টেইলএন্ডার হিসেবে হৃদয়কে এতোক্ষণ ধরে সাপোর্ট দেওয়া হাততালি পাওয়ার যোগ্য!

- হাতুড়ি সিংহ

সহজেই বলা যায় যে "আরে পিচ ফ্ল্যাট..."।হ্যা পিচ ফ্ল্যাট বটে, কিন্তু পাটা হাইওয়ের মতো পিচ হলেও সেখানে ৪০০ বল আর প্রায় দেড়দ...
02/09/2026

সহজেই বলা যায় যে "আরে পিচ ফ্ল্যাট..."।

হ্যা পিচ ফ্ল্যাট বটে, কিন্তু পাটা হাইওয়ের মতো পিচ হলেও সেখানে ৪০০ বল আর প্রায় দেড়দিন টিকে থাকা চাট্টিখানি কথা নয়।

রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে বলের পর বল মনোযোগ ধরে রেখে, একাধিক পার্টনারের সাথে পার্টনারশিপ মেইন্টেইন করে ধৈর্যের সাথে ব্যাট করার ফলাফল এই ২৫০।

এবং এটা হৃদয় করেছেও বেশ পজিটিভ এপ্রোচে, ৬৫ এর স্ট্রাইকরেটে। ফ্ল্যাট পিচের কাউন্টার এট্যাকও জোরেশোরে করেছে।
ট্রিপল সেঞ্চুরিটা হয়তো নাও হতে পারে পার্টনারের অভাবে (তবে আশা হারাচ্ছিনা)।

গতম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশ এ দল ২৫০ করতে পারেনি, আজ হৃদয় একাই সেটা ছুয়ে ফেললো।

হৃদয় থেকে আরও বেশি বেশি এমন ইনিংস আমাদের দরকার। কারণ তাকে তো আমরা শুধু এ দলের ম্যাচ নয়, বাংলাদেশের টেস্ট দলের মিডল অর্ডারেও চাই।

-Jiraiyarko

সব দেশের একটা এমন ট্যালেন্ট পাওয়ার জন্য হাহাকার চলে। অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অবসরের পর খাবি খাচ্ছে, বাংলাদেশের ক...
02/09/2026

সব দেশের একটা এমন ট্যালেন্ট পাওয়ার জন্য হাহাকার চলে। অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অবসরের পর খাবি খাচ্ছে, বাংলাদেশের কেউ নেই, শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান শূন্য, নিউজিল্যান্ডেরও ইয়াং এবসুলুট ডেস্ট্রয়ার তেমন কেউ নেই।

ঐদিকে সাউথ আফ্রিকা দুইটা নিয়ে বসে আছে, একজনের বয়স ২০ আরেকজনের ২৩। অর্থাৎ মিনিমাম ১০ বছর সার্ভিস দিতে পারবে দুজনেই। এরা হলো লুহান ডি প্রেটোরিয়াস এবং বেবি এবি ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।

একদিকে লুহান বাহাতি টপ অর্ডার ব্যাটার। আমি আমার লাইফে এই পরিমাণ ফ্লেক্সিবল কবজি এবং পাওয়ার জেনারেট করার এবিলিটি আর কারো দেখেছি বলে মনে পড়েনা।
লো ব্যাটসুইংয়ে শুধু কব্জির মোচড়ে অসাধারণ রিয়াকশন আর পাওয়ারে হিটিং করে।
আবার দরকার পড়লে ক্রিজে টিকে থেকে লং ইনিংসও খেলতে পারে।

অন্যদিকে ব্রেভিস আন্ডার নাইন্টিনে হাটু গেড়ে স্ট্রেইটে ছয় মারার পরেই সবার নজরে চলে আসে। নাম দেয়া হয় বেবি এবি। লুহান যেখানে কব্জির মোচড় ব্যাবহার করে, সেখানে ব্রেভিস করে তার লং লেভার। পুরো বডি ব্যালান্স রেখে ফাস্ট ফুল ব্যাট সুইং। পৃথিবীর যেকোনো বাউন্ডারি ক্লিয়ার করার এবিলিটি রাখে ব্রেভিস।

এবং দুইজনেরই কমন সক্ষমতা স্পিন পেলে রীতিমতো ছ্যাড়াব্যাড়া করে দিতে পারে।

দুজনেই হাই স্ট্রাইকরেট, এগ্রেসিভ এবং তিন ফর্মাটের জন্য রেডি। নমিবিয়ার সিরিজে ব্যাকাপ টিম যাওয়ায় দুহজনেই তাদের সক্ষমতা পিচে ভালো করেই দেখাচ্ছে। দুজনেই ইতিমধ্যে আইপিএলেও সাইন্ড হয়ে আছে।

২০১৪ তে মার্টিন ক্রো ফ্যাব ফোর নামটা দেয়ার পর আমাদের অবসেশন হয়ে গেছে নেক্সট ফ্যাব ফোর খুজে বের করার। অবস্থা এমন চারজনের দুজনেই আসবে সাউথ আফ্রিকা থেকে।

ট্যালেন্ট প্রোডাকশনের ক্ষেত্রে সাউথ আফ্রিকা এখন অন্য সব ট্রেডিশনাল দেশ থেকে যেন অন্য লেবেলে আছে। পরবর্তী দশকে সবাই সাবধান....

-Jiraiyarko

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FloodLight - Where every game shines posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share