Alokito Jogoth

Alokito Jogoth আমার নতুন নতুন বিষয়ে জানতে ভালো লাগে। তাই নিজে অধিক পরিমাণে জানার এবং অন্যকেও জানানোর চেষ্টা করি।

🛑🇧🇩 বাংলাদেশের মাটিতে তুরস্কের বিশ্বখ্যাত সামরিক ড্রো'ন তৈরির কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব— অথচ নানা অজুহাতে সেই সম্ভাবনাকে...
07/06/2026

🛑🇧🇩 বাংলাদেশের মাটিতে তুরস্কের বিশ্বখ্যাত সামরিক ড্রো'ন তৈরির কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব— অথচ নানা অজুহাতে সেই সম্ভাবনাকে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে!

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সফল ও আলোচিত সামরিক ড্রো'ন বায়রাক্তার TB2-এর যৌথ উৎপাদন কারখানা বাংলাদেশে গড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

সম্ভাব্য সুফলগুলো হলো—

✅ ড্রো'ন রপ্তানির মাধ্যমে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয়
✅ বিদেশি আমদানি ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া
✅ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশীয় প্রকৌশলী ও তরুণদের আধুনিক ড্রো'ন প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা
✅ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া

কিন্তু প্রশ্ন হলো— এমন একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প বাস্তবায়নে এত ধীরগতি কেন?

সমালোচকদের মতে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং ভূ-রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণেই বিষয়টি এগোচ্ছে না। অন্যদিকে অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের উচিত একক কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল না থেকে বিভিন্ন উৎস থেকে উন্নত প্রযুক্তি অর্জনের সুযোগ কাজে লাগানো।

বাংলাদেশ কি শুধু অ'স্ত্র ও প্রযুক্তির আমদানিকারক হয়েই থাকবে, নাকি ভবিষ্যতে নিজস্ব উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা গড়ে তুলবে— সেই সিদ্ধান্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত কী? বাংলাদেশের কি তুরস্কের মতো উন্নত প্রযুক্তি অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এগিয়ে যাওয়া উচিত?🤔 আপনার মতামত জানান কমেন্ট বক্সে 👇

রাতের অন্ধকারে বর্ডার পার হওয়ার দিন চিরতরে শেষ! বাংলাদেশ সীমান্তে বসছে অদৃশ্য লেজার ওয়াল, বাঁচবে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা...
07/06/2026

রাতের অন্ধকারে বর্ডার পার হওয়ার দিন চিরতরে শেষ! বাংলাদেশ সীমান্তে বসছে অদৃশ্য লেজার ওয়াল, বাঁচবে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা! ⚡🤖🇧🇩

রাতের অন্ধকার, ঘন কুয়াশা কিংবা দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে দালালরা প্রতিদিন আমাদের বর্ডার দিয়ে রোহিঙ্গা ঢোকাচ্ছে। ভারত থেকে পুশ-ইন করা হচ্ছে মানুষ। আর সোনা, মাদক ও গরুর চোরাচালানে বছরে দেশের ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা!

কিন্তু বর্ডার সিন্ডিকেটের দিন শেষ!
বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে এখন বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক ইনফ্রারেড লেজার ও থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম। যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায় না (যেমন নাফ নদী বা পাহাড়), সেখানে কাজ করবে এই অদৃশ্য লেজার দেয়াল!

কীভাবে কাজ করবে এই জাদুকরী প্রযুক্তি?
✅ ৫ কিমি দূর থেকে স্ক্যানিং: থার্মাল ক্যামেরা ঘুটঘুটে অন্ধকারে বা কুয়াশার মধ্যেও মানুষের শরীরের তাপমাত্রা চিনে ৫ কিলোমিটার দূর থেকে পরিষ্কার ছবি স্ক্রিনে ভাসিয়ে তুলবে!
✅ স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট: মাটির নিচে ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং ওপরে লেজার রশ্মি থাকবে। কোনো দালাল বা পাচারকারী এই অদৃশ্য রেখা পার হলেই জিপিএস (GPS) লোকেশনসহ স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট চলে যাবে বিজিবির (BGB) কন্ট্রোল রুমে!
✅ এআই (AI) ড্রোন: দুর্গম পাহাড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রোন। পাচারকারী দেখলেই লাইভ ভিডিও পাঠাবে ক্যাম্পে।

টেকনাফ, উখিয়া, বান্দরবান এবং যশোরের মতো হটস্পটগুলোতে এই প্রযুক্তি কাজ শুরু করলে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকার ডলার সাশ্রয় হবে এবং হুন্ডি সিন্ডিকেট ধ্বংস হবে।

আপনার মতে, স্থানীয় অসাধু কর্মকর্তাদের হাত থেকে এই প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত রাখতে এর সিসিটিভি ও লেজারের নিয়ন্ত্রণ কি সরাসরি ঢাকার কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর থেকে মনিটর করা উচিত?

Summary:
Bangladesh has officially entered the era of Smart Borders by installing invisible Infrared Laser Walls, Thermal Imaging Systems, and AI Drones along the India and Myanmar borders! This high-tech shield can detect human body heat from 5km away, even in pitch-black night or thick fog. Any illegal crossing will trigger an instant GPS alert to BGB control rooms. This strategic move aims to stop forceful push-ins from India, halt Rohingya infiltration by brokers, and crush a massive smuggling syndicate that costs the nation 12,000 crore BDT ($1 Billion) annually in drugs, gold, and cattle via Hundi. The days of border mafias are over!

#নিউজ

বাংলাদেশের একজন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিডেন্ট এবং উচ্চ পর্যায়ে ওঠা বসা করে এটা ভারত কখনোই মেনে নিতে পারেনি। কারণ তাতে ...
07/06/2026

বাংলাদেশের একজন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিডেন্ট এবং উচ্চ পর্যায়ে ওঠা বসা করে এটা ভারত কখনোই মেনে নিতে পারেনি। কারণ তাতে করে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে সহজে পরিচিত পেয়ে যাবে। ফলে ক্রিমিয়ার মত ভারতের বাংলাদেশে দখলের পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে।

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ভারত অনেক আগেই সুকৌশলে প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো ক্ষুদ্র ঋণের প্রতিষ্ঠান থাকলেও সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয় গ্রামীণ ব্যাংকের। যে ব্যক্তি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋন নিচ্ছে সে সব শর্ত মেনেই নিচ্ছে। পরবর্তীতে সে যখন টাকা দিতে ব্যর্থ হয়, তাকে তো প্রেসার দিতেই হবে। কিস্তি সংগ্রহ না করতে পারলে তো কোন প্রতিষ্ঠান ঠিকবে না। যেকোনো ব্যাংক এটাই করে। ক্রেডিট কার্ডের এক টাকাও কি কোন ব্যাংক মাফ করে দেয় ?

অনলাইনে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ভারতীয় দালালদের মাঠে নামানো হয়েছে। তাদের একমাত্র লক্ষ্য প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস। সাথে যোগ দিয়েছে বিএনপি সরকার। মার্কিন চুক্তি এবং হামের টিকা ইস্যু নিয়ে বিএনপির মিথ্যাচার তার প্রমাণ।

যে ক্ষমতা থেকে চলে যাবে তার চুক্তি করে লাভ কি ? যে ক্ষমতায় আসবে তার চুক্তি করে লাভ আছে। ক্ষমতায় বিএনপি এসেছে। মার্কিন চুক্তির বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। তারেক রহমান প্রথমে ভারতের সাথে চুক্তি করে দেশে এসেছেন, তারপর আমেরিকার সাথে চুক্তি করে ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু সব দোষ প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছেন।

একমাত্র ভারতের সাপোর্টাররাই ডক্টর ইউনুসের বিরুদ্ধে কথা বলে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে বিডিআর হত্যা, সীমান্ত হত্যার সাথে জড়িত ভারতকে তারা কিভাবে সাপোর্ট করছে ?

এক বিঘা জমি চাষে ৪২০০ টাকার ইউরিয়া দরকার হয়। ৯০ টাকা প্রতি বস্তা দরে তা বিদেশ থেকে আমদানি করে সরকার। সেখানে ন্যানো ইউরিয়...
03/06/2026

এক বিঘা জমি চাষে ৪২০০ টাকার ইউরিয়া দরকার হয়। ৯০ টাকা প্রতি বস্তা দরে তা বিদেশ থেকে আমদানি করে সরকার। সেখানে ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। তৈরি হবে দেশেই।

কোনো বস্তুকে ক্ষুদ্র আকারে তৈরি করাকে বলে ন্যানো প্রযুক্তি। ইউরিয়া সারের অণুগুলোকে অতি ক্ষুদ্র আকারে তৈরি করলে সেটি হয় ন্যানো ইউরিয়া। গাছের পাতার ছোট ছোট ছিদ্রকে বলে স্টোমাটা। এই ছিদ্র দিয়ে ন্যানো ইউরিয়া দ্রুত ঢুকতে পারে। পরিমাণ কম, কাজ বেশি।

সাধারণ ইউরিয়ার ৩০–৭০% বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। বাষ্পীভূত হয়েও ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়। কিন্তু ন্যানো ইউরিয়ায় এই সমস্যাটি নেই। গাছে দ্রুত নাইট্রোজেন সরবরাহেও ন্যানো ইউরিয়া এগিয়ে।

ন্যানো ইউরিয়া নিয়ে এর আগেও বহু কাজ হয়েছে। কিন্তু তেমন প্রচলিত হয়নি। সম্প্রতি বাংলাদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে বসেই ন্যানো ইউরিয়া তৈরি করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান। সাত বছর গবেষণার ফল এই সার। উল্লেখ্য, তিনি ন্যানো ইউরিয়ার উদ্ভাবক নন।

ইতোমধ্যেই ড. জাভেদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জৈব সার কোম্পানি। একসাথে কাজ করতে চান তারা। ‘কোলা বায়ো’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও স্বাক্ষর করেছেন ড. জাভেদ। আগামী পাঁচ বছর যৌথভাবে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (R&D) চালাবেন তাঁরা।

ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।

#ন্যানো_ইউরিয়া
#ন্যানো_প্রযুক্তি
#কৃষি_প্রযুক্তি
#বাংলাদেশ
াভেদ_হোসেন_খান
#যশোর_বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্তি_বিশ্ববিদ্যালয়
#কৃষি
#ইউরিয়া
#বাংলাদেশি_উদ্ভাবন
#বিজ্ঞানপ্রিয়
#স্মার্ট_কৃষি
#কৃষি_গবেষণা
#দেশীয়_প্রযুক্তি
#সার_প্রযুক্তি

আরে ভাই! ভাই! ভাই! বিষয়টা একবার কল্পনা করেন!😁 জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিং কিংব...
03/06/2026

আরে ভাই! ভাই! ভাই! বিষয়টা একবার কল্পনা করেন!😁

জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নরেন্দ্র মোদি, ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিং কিংবা সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান... এরা সবাই যখন জাতিসংঘের ডায়াসে এসে ভাষণ দেবেন, তখন আমাদের বাংলাদেশের ড. খলিলুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলবেন, "Mr. President...! Mr. President...!" তখন ব্যাপারটা দেখতে কেমন লাগবে?? 😁

জ্বি! জ্বি!..... সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পরবর্তী মেয়াদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

জাতিসংঘের ইতিহাসে সাধারণ পরিষদকে বলা হয় "বিশ্বের সংসদ" । আর সেই সংসদের প্রধান বা স্পিকারের আসনে বসতে যাচ্ছেন একজন বাংলাদেশি। এর মানে হলো,
বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় মঞ্চটা এবার নিয়ন্ত্রণ করবেন একজন বাংলাদেশি।
বিশ্বনেতারা যখন বিশ্বমঞ্চে কথা বলবেন, তখন টাইম মেইনটেইন করা থেকে শুরু করে পুরো সেশন পরিচালনার রিমোট কন্ট্রোল থাকবে ওনার হাতে!

ব্যাপারটা ভাবতেই তো কত্ত ভাল্লাগতাসে। হ্যাটস অফ, বাংলাদেশ! 🫡

রাগ করলা?
03/06/2026

রাগ করলা?

মাটির ১৮ হাজার ফুট গভীরে বিশাল গ্যাসের খনি! বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার শুরু হলো ডিপ ড্রিলিং। এলএনজি আমদানি কমিয়ে হাজার ...
03/06/2026

মাটির ১৮ হাজার ফুট গভীরে বিশাল গ্যাসের খনি! বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার শুরু হলো ডিপ ড্রিলিং। এলএনজি আমদানি কমিয়ে হাজার কোটি ডলার বাঁচানোর পথে বাংলাদেশ! 🚀🇧🇩

দেশে গ্যাসের তীব্র সঙ্কট! চাহিদা ৫০০ কোটি ঘনফুট, আর আমরা দিতে পারছি মাত্র ২৬০ কোটি। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে এলএনজি (LNG) আমদানি করছে।

কিন্তু সমাধান তো আমাদের পায়ের নিচেই!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস-৩১ কূপে শুরু হয়েছে এক যুগান্তকারী কর্মযজ্ঞ। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রায় ৫,৬০০ মিটার (১৮,৩৭২ ফুট) গভীরে কূপ খনন বা ডিপ ড্রিলিং করছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।

এই কূপ কেন বাংলাদেশের জন্য গেম চেঞ্জার?
✅ বিশাল মজুত: সবকিছু ঠিক থাকলে তিতাস ও বাখরাবাদ থেকে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (TCF) গ্যাস পাওয়া যাবে!
✅ ডলার সাশ্রয়: এই গ্যাস পাওয়া গেলে বিদেশ থেকে চড়া দামে এলএনজি কিনতে হবে না। দেশের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে।
✅ শিল্প ও বিদ্যুতে বিপ্লব: কারখানায় উৎপাদন বাড়বে, লোডশেডিং কমবে এবং বাসাবাড়িতে গ্যাসের হাহাকার দূর হবে।

ঝুঁকি ও প্রযুক্তি:
এত গভীরে গ্যাসের প্রচুর চাপ থাকে। তাই প্রথমবারের মতো দেশে ১৫ হাজার পিএসআই সক্ষমতার অত্যাধুনিক ব্লো-আউট প্রিভেন্টার (BOP) ব্যবহার করা হচ্ছে। চীনের সিডিসি কোম্পানির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দিনরাত কাজ করছেন আমাদের দেশীয় প্রকৌশলীরা।

আপনার মতে, এলএনজি আমদানিকারক সিন্ডিকেটকে রুখে দিয়ে, দেশীয় গ্যাসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সরকারের কি এখনই এমন ডিপ ড্রিলিং প্রকল্পে আরও মেগা বাজেট দেওয়া উচিত?

Summary:
A historic milestone for Bangladesh! To combat the severe gas crisis and reduce expensive LNG imports, Bangladesh Gas Fields Company Limited (BGFCL) has initiated the country's first-ever 'Deep Drilling' at the Titas-31 well in Brahmanbaria. Drilling up to 5,600 meters (18,372 feet) deep, experts hope to find 2 Trillion Cubic Feet (TCF) of gas. Using highly advanced 15,000 PSI Blow-Out Preventers to manage extreme underground pressure, local engineers are working alongside a Chinese firm. If successful, this 594 crore BDT project will act as a Game Changer by saving billions of dollars in foreign exchange, ensuring energy security, and

আজকে যে কাঠের খাটিয়া ব্যবহার করেছেন তা রেখে দেনশেষ কবে তেঁতুল গাছ দেখেছেন ?আমরা প্রতি বছর কুরবানির জন্য তেঁতুল কাঠের খাট...
03/06/2026

আজকে যে কাঠের খাটিয়া ব্যবহার করেছেন তা রেখে দেন

শেষ কবে তেঁতুল গাছ দেখেছেন ?

আমরা প্রতি বছর কুরবানির জন্য তেঁতুল কাঠের খাটিয়া কিনি, মাত্র একদিন ব্যবহার করি, তারপর ফেলে দিই।

অথচ একটা পূর্ণ বয়স্ক তেঁতুল গাছ হতে লাগে প্রায় ১৫–২০ বছর!

এ দেশে লাখো কোটি মুসলিম প্রতি বছর কুরবানি দেন। ফলে প্রতি বছর কাটা পড়ছে অসংখ্য তেঁতুল গাছ, এই একদিনের ব্যবহারের জন্য। তাই গ্রাম বাংলায় আজ পুরোনো বড় তেঁতুল গাছের দেখা পাওয়াটা বিরল।

আমরা যদি এ বছরের খাটিয়া ঠিকভাবে সংরক্ষণ করে অন্তত ৫ বছর ব্যবহার করি, তাহলে এ গাছ নিধনের হার ৮০% কমে যাবে।

সেই সঙ্গে লাখ টাকার কোরবানির পাশাপাশি আরও ৫০–১০০ টাকা যোগ করে অন্তত একটি তেঁতুল বা অন্য কোনো গাছ রোপণ করি।

- মুনাদি ইসলাম

Collected

উত্তর দিয়েন,কি উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছেন?
26/02/2026

উত্তর দিয়েন,
কি উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছেন?

প্রশ্নটা অনেকেই করেন—রমজান মাসে যদি শয়তানকে শিকলবন্দি করা হয়, তাহলে রমজানেও চুরি, সুদ, ঘুষ, মদ, অন্যায়–অবিচার কীভাবে চলত...
26/02/2026

প্রশ্নটা অনেকেই করেন—
রমজান মাসে যদি শয়তানকে শিকলবন্দি করা হয়, তাহলে রমজানেও চুরি, সুদ, ঘুষ, মদ, অন্যায়–অবিচার কীভাবে চলতে থাকে?
এটার উত্তর দুই দিক থেকে বোঝা যায়—একটা যুক্তির মাধ্যমে, আরেকটা আকীদা ও তত্ত্বের আলোকে।
🔹 যুক্তিগত ব্যাখ্যা
ধরুন, একটি লোহার পাত্র দীর্ঘ সময় আগুনে গরম করা হলো। আগুন সরিয়ে নেওয়ার পরও কি সঙ্গে সঙ্গে তা ঠান্ডা হয়ে যায়? না, কিছু সময় তাপ রয়ে যায়।
ঠিক তেমনি, বছরের পর বছর কেউ যদি শয়তানের প্ররোচনায় চলতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তাহলে রমজানে শয়তান বন্দি হলেও সেই অভ্যাসের প্রভাব কিছুদিন চলতেই পারে। কারণ, প্রবৃত্তির আগুন আগে থেকেই জ্বালানো।
🔹 তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা
ইসলামী শিক্ষায় মানুষের “নফস” বা অন্তরাত্মার তিনটি স্তর উল্লেখ করা হয়েছে—
১. নফসে আম্মারা
এটি সেই নফস, যা মানুষকে খারাপ কাজের দিকে ঠেলে দেয়।
কুরআনে বলা হয়েছে:
“নিশ্চয়ই নফস মন্দের প্রতি প্ররোচিত করে, যদি না আমার রব দয়া করেন।” (সূরা ইউসুফ: ৫৩)
এটা হলো নফসের নিম্ন স্তর।
২️. নফসে লাওয়ামাহ
এ নফস ভুল করলে অনুতপ্ত হয়, নিজেকে দোষ দেয়, লজ্জিত হয়।সূরা আল-কিয়ামাহ (২) এ এ নফসের শপথ করা হয়েছে।এটি সচেতন মুমিনের সাধারণ অবস্থা।
৩️.নফসে মুতমাইন্নাহ
এ নফস প্রশান্ত, আল্লাহর স্মরণে তৃপ্ত ও স্থির।
সূরা আল-ফাজর (২৭–২৮)-এ বলা হয়েছে:
“হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার রবের দিকে ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।”
এটি নফসের সর্বোচ্চ স্তর।
রমজানে যখন শয়তান শিকলবন্দি হয়, তখন যাদের নফস লাওয়ামাহ বা মুতমাইন্নাহ—তাদের ইবাদত আরও বেড়ে যায়, গুনাহ কমে যায়।
কিন্তু যাদের নফস আম্মারার দাস হয়ে গেছে, তাদেরকে প্ররোচিত করতে শয়তানের উপস্থিতিও সবসময় প্রয়োজন হয় না। তাদের ভেতরের প্রবৃত্তিই যথেষ্ট।

সুতরাং, সমস্যাটা শুধু শয়তান নয়—মানুষের নিজের নফসও একটি বড় পরীক্ষা।আল্লাহ আমাদের নফসকে পরিশুদ্ধ করার তাওফিক দান করুন। 🤲

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokito Jogoth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share