ইকরা

ইকরা Touch Your Dreams...

02/12/2025

🌹🌺 হযরত আইয়ুব (আঃ)-এর ঘর পুড়ে গেল, খামার নষ্ট হলো, সন্তান হারালেন, স্ত্রী চলে গেলেন, নিজেও অসুস্থ হলেন।
এত কষ্ট, এত বিপদ। কিন্তু তিনি ভরসা হারালেন না।
দেহ দুর্বল হলো, কিন্তু আল্লাহর স্মরণ দুর্বল হলো না।
আর তখনই আল্লাহ বললেন-
“আমি তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছি। সে কত উত্তম বান্দা। নিশ্চয়ই সে ছিল আমার দিকে ফিরে আসা বান্দা।”

🌺🌷🌹 অন্যদিকে হযরত সুলাইমান (আঃ) ছিলেন রাজা, নবী, ক্ষমতা ও প্রাচুর্যের অধিকারী। আল্লাহ তাঁকে এমন নিয়ামত দিলেন যা আর কাউকে দেওয়া হয়নি। বাতাস তাঁর বশে।জিন তাঁর অধীনে। রাজত্ব তাঁর হাতে। কিন্তু এত ক্ষমতা, সম্পদ, সম্মান। একটুও তাকে আল্লাহ থেকে দূরে টেনে নিতে পারেনি। তিনি প্রতিটি নিয়ামতের পেছনে আল্লাহকে দেখতেন। শোকর করতেন। বিনয় হারাতেন না।
তার বর্ণনায়ও আল্লাহ একই ঘোষণা দিলেন-
“আমি দাউদকে সুলাইমান দান করেছি। সে কত উত্তম বান্দা!নিশ্চয়ই সে ছিল আল্লাহমুখী, বারবার আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।”

👉 একজন সব হারিয়ে উত্তম বান্দা।
👉 আরেকজন সব পেয়ে উত্তম বান্দা।
দুজনের পরীক্ষা আলাদা, পথ আলাদা। কিন্তু আল্লাহর দৃষ্টিতে দু’জনই সমান সম্মানিত।

👉 আল্লাহ কখনো কষ্ট দিয়ে কাছে টানেন।
👉 কখনো আবার প্রাচুর্য দিয়ে পরীক্ষা করেন।

🌱 যে কষ্টে ধৈর্য ধরে, সে আল্লাহর প্রিয়।
🌳 যে প্রাচুর্যে শোকর করে, সেও আল্লাহর প্রিয়।

এই পৃথিবী পরীক্ষারই জায়গা।
তাই ভরসা রাখি শুধুমাত্র আল্লাহর উপর।
আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর। আমীন।

25/11/2025

গভীর সমুদ্রের অন্ধকার তলদেশ, যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না এবং খাদ্যের জোগান অত্যন্ত সীমিত, সেখানেও জীবনের এক বিস্ময়কর চক্র বিদ্যমান। এই চক্রের অন্যতম এক আশ্চর্যের নাম "হোয়েল ফল" বা তিমির পতন। যখন একটি বিশালাকার তিমি মারা যায়, তখন তার কয়েক টন ওজনের মৃতদেহটি ধীরে ধীরে সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যেতে থাকে এবং একসময় তলদেশে থিতু হয়। এই একটি ঘটনাই সেই অন্ধকার জগতে এক নতুন বাস্তুতন্ত্রের জন্ম দেয়, যা দশকব্যাপী স্থায়ী হতে পারে।
সাধারণত, সমুদ্রের উপরিভাগের প্রাণীর মৃত্যুর পর তার দেহ দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়। কিন্তু তিমির বিশাল আকার এবং তার হাড়ের মধ্যে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ লিপিড বা চর্বি এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে। একটি 'হোয়েল ফল' ঘটনাকে বিজ্ঞানীরা মূলত তিনটি প্রধান পর্যায়ে বিভক্ত করেন।

প্রথম পর্যায়ে, তিমির মৃতদেহটি তলদেশে পৌঁছানোর সাথে সাথে হ্যাগফিশ, স্লিপার শার্ক এবং বিভিন্ন প্রজাতির বড় কাঁকড়ার মতো মৃতদেহ ভক্ষণকারী প্রাণীরা আকৃষ্ট হয়। তারা তিমির নরম মাংসল অংশগুলো দ্রুত খেয়ে ফেলে। এই পর্যায়টি কয়েক মাস থেকে এক বা দু'বছর পর্যন্ত চলতে পারে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে, যখন শুধু কঙ্কাল এবং কিছু শক্ত টিস্যু অবশিষ্ট থাকে, তখন ক্ষুদ্রাকৃতির প্রাণী যেমন বিশেষ ধরনের সামুদ্রিক কীট, শামুক এবং অ্যাম্পিপডরা (crustaceans) এসে ভিড় জমায়। তারা অবশিষ্ট জৈব পদার্থ এবং হাড়ের চারপাশে সমৃদ্ধ হওয়া পলিমাটি থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে।
তৃতীয় এবং সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী পর্যায়টি হলো সালফিউফিলিক পর্যায়। এই পর্যায়ে, Osedax (ওসেড্যাক্স) নামক এক বিশেষ প্রজাতির 'জোম্বি ওয়ার্ম' বা হাড়-খাদক কীট সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই কীটগুলো তিমির কঙ্কালের ভেতরে থাকা চর্বিকে ভেঙে পুষ্টি গ্রহণ করে। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট সালফার যৌগ অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়, যা আবার ভিন্ন ধরনের প্রাণীর খাদ্যচক্র সচল রাখে। এই পর্যায়টি ৫০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে, যা একটি মৃত তিমির দেহকে গভীর সমুদ্রের এক দীর্ঘস্থায়ী 'জীবনের মরূদ্যান'-এ পরিণত করে।

💊 সমুদ্র উপকূলে মৃত তিমি ভেসে আসা একটি সাধারণ ঘটনা, এবং এটি পরিবেশগত ও বৈজ্ঞানিক উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। মৃত তিমির দেহাবশেষ নানা কারণে বিপজ্জনক হতে পারে, যেমন পচন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি।
মৃত্যুর কারণসমূহ
তিমি বিভিন্ন কারণে মারা যেতে পারে। এর মধ্যে প্রধান কারণগুলো হলো:
👉বার্ধক্য: তিমিরা কয়েক দশক থেকে শুরু করে ২০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে, তাই স্বাভাবিক বার্ধক্যজনিত মৃত্যু একটি কারণ।
👉মানুষের হস্তক্ষেপ: মাছ ধরার জালে আটকে পড়া, বড় জাহাজের আঘাতে জখম হওয়া বা শব্দ দূষণের কারণে তিমিরা সৈকতের দিকে চলে আসতে পারে, যা তাদের মৃত্যুর কারণ হয়।
👉পরিবেশ দূষণ: প্লাস্টিক বর্জ্য বা বিষাক্ত কিছু খাওয়ার ফলেও তিমির মৃত্যু হতে পারে।
👉অসুস্থতা ও সামাজিক আচরণ: অসুস্থতার কারণে শ্বাস নিতে না পারা বা দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াও মৃত্যুর কারণ হতে পারে। অনেক সময় একটি অসুস্থ তিমির প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সুস্থ তিমিও সেটিকে অনুসরণ করে সৈকতের দিকে আসে ও মারা যায়।
👉প্রাকৃতিক কারণ: রোগবালাই বা প্রাকৃতিক দুর্যোগও মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
❌❌মৃত তিমির গুরুত্ব ও প্রভাব
☠️বিস্ফোরণের ঝুঁকি: মৃত তিমির শরীরে পচন প্রক্রিয়ায় মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইডসহ বিভিন্ন গ্যাস তৈরি হয়, যা পেটের ভেতর জমা হতে থাকে। এই গ্যাসগুলো প্রচণ্ড চাপে থাকে এবং দেহাবশেষ যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে।
পরিবেশগত প্রভাব (Whale Fall): যখন একটি তিমি স্বাভাবিকভাবে মারা যায়, তখন এর মৃতদেহ সমুদ্রের তলদেশে চলে যায়। সেখানে এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য খাদ্য এবং পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে। এটি সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া।
📢কার্বন সংরক্ষণ: তিমি তার জীবদ্দশায় প্রচুর পরিমাণে কার্বন নিজের দেহে সঞ্চয় করে রাখে। মৃত্যুর পর যখন এটি সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যায়, তখন সেই কার্বনও সমুদ্রের গভীরে জমা থাকে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসে সাহায্য করে।
📢গবেষণা: সৈকতে ভেসে আসা মৃত তিমি গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে, যা তিমির প্রজাতি, মৃত্যুর কারণ এবং সামুদ্রিক পরিবেশের অবস্থা বুঝতে সাহায্য করে।
মৃত তিমির দেহাবশেষের সংস্পর্শে আসা বা নাড়াচাড়া করা বিপজ্জনক হতে পারে, তাই স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা যথাযথভাবে এর নিষ্পত্তি করা উচিত।
C

অক্টোপাস ।মা অক্টোপাস বংশ রক্ষার জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ উৎসর্গ করে। প্রজননের পর তার শরীর স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে ধাবিত...
22/11/2025

অক্টোপাস ।
মা অক্টোপাস বংশ রক্ষার জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ উৎসর্গ করে। প্রজননের পর তার শরীর স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয় এবং ডিম ফোটার পরপরই তার মৃত্যু ঘটে।

১) দীর্ঘ উপবাস
ডিম ফোটানো পর্যন্ত মা অক্টোপাস এক ফোঁটা খাবারও খায় না।

মাসের পর মাস টানা উপবাসে:

শক্তি ফুরিয়ে যায়,

দেহ কোষ ক্ষয় হয়,

রোগ প্রতিরোধ কমে যায়।

২) অতিরিক্ত পরিশ্রম

ডিম পাহারা দেওয়া, পরিষ্কার রাখা ও পানি ছোঁড়ার ধারাবাহিক কাজ তাকে সম্পূর্ণ ক্লান্ত করে।

শরীর ব্যবহার করতে করতে সে দুর্বল হয়ে যায়।

৩) প্রজনন-পরবর্তী অঙ্গ ভাঙন

ডিম ফোটার সময় তার শরীরের টিস্যু ভাঙতে থাকে (self-destruction process)।

এটি হরমোনের নিয়ন্ত্রিত স্বাভাবিক জৈবিক ঘটনা।

৪) সন্তানকে সুরক্ষিত রাখা

সে শিকারিদের থেকে ডিম বাঁচাতে বাসা ছেড়ে বের হয় না—ফলে খাবার না পাওয়া + পরিশ্রম =মৃত্যু!!!

29/09/2025

সন্তানাদির বর্তমানে স্বামীর উত্তরাধিকার।

৬২৮৩। মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (প্রথমে) মাল ছিল সন্তানাদির আর ওসিয়ত ছিল পিতামাতার জন্য। কিন্তু পরে আল্লাহ তা রহিত করে দিয়ে এর চেয়ে উত্তমটি প্রবর্তন করেছেন। পূরুষের জন্য নারীদের দু’জনের সমতুল্য অংশ নির্ধারণ করেছেন। আর পিতা মাতার প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন। স্ত্রীর জন্য নির্ধারণ করেছেন (সন্তান থাকা অবস্থায়) এক অষ্টমাংশ এবং (সন্তান না থাকলে) এক চতুর্থাংশ। আর স্বামীর জন্য (সন্তান না থাকলে) অর্ধেক আর (সন্তান থাকলে) এক চতুর্থাংশ।
باب مِيرَاثِ الزَّوْجِ مَعَ الْوَلَدِ وَغَيْرِهِ
6739 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ وَرْقَاءَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «كَانَ المَالُ لِلْوَلَدِ، وَكَانَتِ الوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ، فَنَسَخَ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ مَا أَحَبَّ، فَجَعَلَ لِلذَّكَرِ مِثْلَ حَظِّ الأُنْثَيَيْنِ، وَجَعَلَ لِلْأَبَوَيْنِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ، وَجَعَلَ لِلْمَرْأَةِ الثُّمُنَ وَالرُّبُعَ، وَلِلزَّوْجِ الشَّطْرَ وَالرُّبُعَ»

19/09/2025

‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ঈলমান নাফিআ,
ওয়া রিযকান ত্বইয়্যিবা, ওয়া আমালান মুতা_ক্বব্বিলা।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান প্রার্থনা করছি, উত্তম-পবিত্র রিজিক কামনা করছি এবং কবুল হওয়ার মতো কর্ম তৎপরতা কামনা করছি।

07/09/2025

সুস্থতা চাইলে জানুন লিপিড প্রোফাইল কি?
*******************
কল্পনা করুন যে আমাদের শরীর একটি ছোট শহর। এই শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টিকারী হল *"কোলেস্টেরল"*। তার কিছু সঙ্গীও আছে। অপরাধে তার প্রধান অংশীদার হল- *ট্রাইগ্লিসারাইড*। তাদের কাজ হল শরীরের রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং রাস্তা অবরোধ করা।
*"হৃদপিণ্ড"* এই শহরের প্রধান কেন্দ্রস্থল। শহরের সমস্ত রাস্তা গুলো হৃদপিণ্ডের দিকে যায়। যখন এই সমস্যা সৃষ্টিকারী *ট্রাইগ্লিসারাইড* বাড়তে শুরু করে, তখন আপনি কল্পনা করতে পারেন কী ঘটে? তারা হৃদয়ের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমাদের দেহ-শহরেও একটি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা আছে -*HDL* হলো তার নাম।সেই ভালো পুলিশ এই সমস্যা সৃষ্টিকারীদের ধরে জেলে *(লিভার)* ঢুকিয়ে দেয়। তারপর লিভার তাদের শরীর থেকে বের করে দেয় - আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে।
কিন্তু একজন খারাপ পুলিশও আছে - *LDL* -যে ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত।
LDL এই দুষ্কৃতীকারীদের জেল থেকে বের করে আবার রাস্তায় ফিরিয়ে আনে কুকর্ম চালিয়ে যাওয়ার জন‍্য। যখন ভালো পুলিশ *HDL* কমে যায়, খারাপ পুলিশ LDL এর কারনে তখন পুরো শহরটা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায়।
এমন শহরে কে থাকতে চাইবে? আপনি কি এই দুষ্কৃতীদের কমাতে এবং ভালো পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে চান? তাহলে আজই হাঁটা শুরু করুন!
⭐প্রতি পদক্ষেপে আপনার *HDL* বৃদ্ধি পাবে, এবং কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড* এবং *LDL* এর মতো দুষ্কৃতকারীদের সংখ‍্যা কমবে।
⭐আপনার শরীর (শহর) আবার প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
⭐আপনার হৃদয় - শহরের কেন্দ্র - দুষ্কৃতীদের ব্লকেজ *(হার্ট ব্লক)* করা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
⭐এবং যখন হৃদয় সুস্থ থাকবে, তখন আপনিও সুস্থ থাকবেন।
⭐তাই, যখনই সুযোগ পাবেন - বন্ধুদের মতো নিয়মিতভাবে হাঁটুন।
"সুস্থ থাকুন" আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
🟣 এই প্রবন্ধটি আপনাকে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধি এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করার সর্বোত্তম উপায়, অর্থাৎ হাঁটার উপায় সম্পর্কে বলবে। প্রতিটি পদক্ষেপ HDL বৃদ্ধি করে।
তাই – আসুন, এগিয়ে যান এবং এগিয়ে যেতে থাকুন।
🟣 এই জিনিসগুলি কমিয়ে দিন:
১. লবণ ২. চিনি ৩. ব্লিচ করা পরিশোধিত আটা
৪. দুগ্ধজাত 'দ্রব্য' ৫. প্রক্রিয়াজাত খাবার
🟣 প্রতিদিন এই জিনিসগুলি খান:
১. শাকসবজি ২. ডাল ৩. মটরশুটি ৪. বাদাম/বিভিন্ন প্রকারের
উপকারি Nuts ৫. ডিম ৬. ঠান্ডা চাপযুক্ত তেল।
🟣 তিনটি জিনিস ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন:*
১. আপনার বয়স ২. আপনার অতীত ৩. আপনার অভিযোগ
🟣 চারটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. আপনার পরিবার ২. আপনার বন্ধুবান্ধব ৩. ইতিবাচক চিন্তাভাবনা
৪. পরিষ্কার এবং স্বাগতপূর্ণ বাড়ি
🟣 তিনটি মৌলিক জিনিস গ্রহণ করুন:*
১. সর্বদা হাসুন।
২. আপনার নিজস্ব গতিতে নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ করুন।
৩. আপনার ওজন পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণ করুন।
🟣 ছয়টি প্রয়োজনীয় জীবনযাত্রার অভ্যাস আপনার গ্রহণ করা উচিত:*
১. পানি পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
২. ⁠বিশ্রামের জন্য ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
৩. নিয়মিত চেক-আপ করার ব‍্যপারে অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা
করবেন না।
৪. আল্লাহর উপর আস্থা রাখুন।
৫. নিজের উপর কখনও বিশ্বাস হারাবেন না।
৬. নেতিবাচক নয়, সর্বদা ইতিবাচক থাকুন এবং সবসময় একটি ভালো আগামীর জন্য আশা করুন।

09/08/2025

মৃত্যুর পর মানুষের আফসোস সমূহ:-

১. "হায় আফসোস! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।"
( সূরা-নাবা, ৪০)

২. "হায় আফসোস! যদি পরকালের জন্য কিছু অগ্রীম পাঠাতাম।"। ( সূরা- ফজর, ২৪)

৩. "হায় আফসোস! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো। "(সূরা-হাক্কাহ্, ২৫)

৪. " হায় আমার দূর্ভাগ্য! আমি যদি অমুক ব্যক্তিকে (শয়তানকে)
বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।"। (সূরা-ফুরকান, ২৮)

৫. "হায় আফসোস! আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও আল্লাহর রাসূল (স.) এর কথাকে মানতাম। (সূরা-আহযাব, ৬৬)

৬. "হায় আফসোস! আমি যদি রাসূল (স.) এর সৎপথ অবলম্বন
করতাম।"। (সূরা-ফুরকান, ২৭)

৭. "হায় আফসোস! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তাহলে মহান সাফল্য লাভ করতে পারতাম। "(সূরা-আন নিসা, ৭৩)

৮. "হায় আফসোস! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" ( সূরা-কাহাফ, ৪২)

৯. "হায় আফসোস! এমন যদি কোনো সুরত হতো -- আমাদের কে আবার দুনিয়াতে ফেরত পাঠানো হতো, তবে আমরা আমাদের পালনকর্তার নিদর্শন সমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম না, আর আমরা ঈমানদারদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
"(সূরা-আনআম, ২৭)

বড়শীতে আটকানোর আগে যদি মাছটিকে বুঝানো হতো উপরে মানুষ আছে। মানুষের কাছে দা, বটি, ছাই, হলুদ, মরিচ, লবন, কড়াই, গরম তেল, আগু...
31/07/2025

বড়শীতে আটকানোর আগে যদি মাছটিকে বুঝানো হতো উপরে মানুষ আছে। মানুষের কাছে দা, বটি, ছাই, হলুদ, মরিচ, লবন, কড়াই, গরম তেল, আগুন আছে, যাতে তাকে ফ্রাই করা হবে
মাছটি কখনোই তা বিশ্বাস করতো না--- করলে এই বড়শির ধারের কাছে আসতো না।

তেমনি আমাদেরকেও বার বার সর্তক করা হচ্ছে, মৃত্যুর পর কবরের আজাব,হাশরের মাঠ পুলসিরাত,জান্নাত -জাহান্নাম আছে আমরা বিশ্বাস করি না, যদি করতাম-তাহলে আমাদের চরিত্র কখনও এতটা কুৎসিত হতো না। আমরা হতাম পবিত্র মানুষ। আমরা ঘুষ, সুদ, হারাম আয় থেকে দূরে থাকতাম।
অবৈধ প্রেম,ভালোবাসা, পরকীয়া, শিরক ও বিদআত থেকে দুরে থাকতাম।

এই মাছটির মতো আমাদের ও একদিন সত্যের মুখোমুখি হতে হবে নিশ্চিত।।

বাদশাহ হারুনুর রশীদের কাছে এক লোক একটি চাতক পাখি বিক্রি করার জন্য নিয়ে এলো । তিনি দাম জিজ্ঞেস করলে সে বাজারমূল্যের চেয়েও...
29/07/2025

বাদশাহ হারুনুর রশীদের কাছে এক লোক একটি চাতক পাখি বিক্রি করার জন্য নিয়ে এলো । তিনি দাম জিজ্ঞেস করলে সে বাজারমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি দাম চাইলো। বাদশাহ জানতে চাইলেন পাখিটির এত দাম কেন? অথচ তার একটি পা নেই!
লোকটি বললো মার্জনা করবেন জাহাপানা। দেখতে সাধারন হলেও এটি আসলে একটি বিশেষ ধরনের পাখি। এর বিশেষত্ব হলো - আমি যখন শিকারে যাই,তখন এই চাতক পাখিটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাই। আমার পাতানো ফাদের সাথে এই পাখিটিকেও বেধে রাখি। এই পাখিটি তখন অত্যাশ্চর্য এক আওয়াজে অন্য পাখিদের মনোযোগ আকর্ষন করে।
তার এই আওয়াজ শুনে ঝাকে ঝাকে পাখিরা এসে জড়ো হয়। তখন আমি একসাথে সব পাখিকে শিকার করি। বলা যায় এই পাখিটি আমার শিকারের প্রধান ফাদ ।
বাদশাহ তার কথা শুনে পাখিটিকে শিকারীর চাহিদা অনুযায়ী চড়া দামেই কিনলেন। এবং সাথে সাথে জবাই করে ফেললেন। শিকারী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, জাহাপনা! আপনি অনেক দামে কেনা পাখিটি এভাবে জবাই করে দিলেন?
তখন বাদশাহ হারুনুর রশিদ তাকে একটা মহামূল্যবান কথা বললেন, যা ইতিহাসে আজ্ও অমর হয়ে আছে। তিনি বললেন, “যে অন্য জাতির দালালি করার জন্য তার স্বজাতির সাথে অনায়াসে এমন গাদ্দারি করতে পারে,তার এই পরিনতিই হওয়া উচিত”।

ডান কাত হয়ে ঘুমানোর বৈজ্ঞানিক মু’জিযা, আপনার সময়ের মাত্র ৬০ সেকেন্ড নিন !💐 ১. কেউ কেউ পেটের উপর ভর করে ঘুমান।💐 ২. কেউ ...
19/07/2025

ডান কাত হয়ে ঘুমানোর বৈজ্ঞানিক মু’জিযা, আপনার সময়ের মাত্র ৬০ সেকেন্ড নিন !
💐 ১. কেউ কেউ পেটের উপর ভর করে ঘুমান।
💐 ২. কেউ কেউ পিঠের উপর শুয়ে ঘুমান।
💐 ৩. কেউ কেউ বাম কাত হয়ে ঘুমান।
💐 ৪. কেউ কেউ ডান কাত হয়ে ঘুমান।
১. পেটের উপর ঘুমানো:
এই অবস্থায় ঘুমালে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কারণ দেহের ওজন এবং হাড়ের কাঠামো ফুসফুসের উপর চাপ ফেলে।
👈 তাই, পেটের উপর ঘুমানো স্বাস্থ্যসম্মত নয়।
৩. বাম কাত হয়ে ঘুমানো:
সাধারণভাবে খাবার হজম হতে ২ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগে।
কিন্তু বাম কাত হয়ে ঘুমালে হজম হতে লাগে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা, কারণ ডান ফুসফুস বড় হওয়ায় তা হৃদয় এবং যকৃৎকে চাপ দেয়।
ফলে যকৃৎ, যা শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ, সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না এবং অস্বস্তি তৈরি হয়।
👈 অতএব, বাম কাত হয়ে ঘুমানোও স্বাস্থ্যসম্মত নয়।
৪. ডান কাত হয়ে ঘুমানো:
ডান কাত হলে, বাম ফুসফুস যেহেতু ছোট ও হালকা, তাই চাপ কম পড়ে।
আর যকৃৎ শরীরের নিচে স্থির হয়ে থাকে, ফলে হজম দ্রুত হয়।
💐 তাই, এটাই ঘুমানোর সবচেয়ে উত্তম উপায়—স্বস্তিদায়ক এবং উপকারী।
হাদীস দ্বারা প্রমাণ:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যখন তুমি শোবার যাবে, তখন নামাযের ওযু করো, তারপর ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়ো এবং বলো:
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ...”
📖 সহীহ বুখারী ও মুসলিম (মত:আলাইহি)
প্রাচীন বাণী:
পিঠের উপর ঘুমানো: রাজাদের ঘুম
পেটের উপর ঘুমানো: শয়তানের ঘুম
বাম কাত হয়ে ঘুমানো: ধনীদের ঘুম (অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে)
ডান কাত হয়ে ঘুমানো: পরহেযগার ও আলেমদের ঘুম
🌟 আর এটি-ই ছিল রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর ঘুমানোর ভঙ্গি।
🕋🤲 আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ‘আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মদ !

15/07/2025

ইসলামে গালি দেওয়ার বিধান
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার (কোনো মুসলিম) ভাইয়ের সম্মান নষ্ট করেছে অথবা কোনো বিষয়ে জুলুম করেছে, সে যেন আজই (দুনিয়াতে) তার কাছে (ক্ষমা চেয়ে) হালাল করে নেয়— ওইদিন আসার আগে, যেদিন দিনার ও দিরহাম কিছুই থাকবে না। তার যদি কোনো নেক আমল থাকে, তবে তার জুলুমের পরিমাণ অনুযায়ী তা থেকে নিয়ে নেওয়া হবে। আর যদি তার কোনো নেকি না থেকে, তবে তার সঙ্গীর পাপরাশি তার (জালেমের) ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। ’ (বুখারি, হাদিস : ২৪৪৯, ৬৫৩৪; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ৯৩৩২)
গালি দেওয়া ও অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলা— কোনো মুমিনের কাজ হতে পারে না। ভদ্র ও সভ্য মানুষরা ক্রোধে অগ্নিশর্মা হলেও মার্জিত শব্দ ব্যবহার করেন। প্রয়োজনে সংযতভাবে শোকজ করেন। তবুও কাউকে আশ্রাব্য ভাষায় আক্রমণ করেন না।বিপরীতে কিছু মানুষ রাগের অতিশয্যে হুঁশ-জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অশ্লীল ও শ্রুতিকটূ বাক্যবাণে অন্যকে নাজেহাল করে। গাল-মন্দ করে সম্মান নষ্ট করে। এতে সে পাশবিক ও অমানবিক আনন্দানুভব করে.
গালি দেওয়া সম্পূর্ণ হারাম
বৈধ কিংবা অবৈধ— যেকোনো কারণেই হোক, কাউকে গালি দেওয়ার অনুমতি ইসলামে নেই। এমনকি হাসি-কৌতুক ও ঠাট্টাচ্ছলেও অন্যকে গালি দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে অশোভনীয় ও নিন্দনীয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,..
‘যারা বিনা অপরাধে ঈমানদার পুরুষ ও নারীদের কষ্ট দেয়, তারা অবশ্যই মিথ্যা অপবাদ এবং স্পষ্ট অপরাধের বোঝা
বহন করে।’ (সুরা আহজাব, আয়াত : ৫৮)
গালি দেওয়া মুনাফিকের অভ্যাস
চারটি অভ্যাস যদি কারও ভেতর থাকে, হাদিসে তাকে মুনাফিক বলা হয়েছে। এমনকি এগুলোর কোনো একটি পাওয়া গেলেও সে মুনাফিক হিসেবে পরিগণিত হবে। হাদিসের আলোকে সেগুলো হলো,
‘যখন তাকে বিশ্বাস করা হয়, সে বিশ্বাস ভঙ্গ করে।
কথা বললে, মিথ্যা বলে। অঙ্গিকার করলে ভঙ্গ করে এবং
বিবাদ-বিতর্কে উপনীত হলে অন্যায় পথ অবলম্বন করে। (বুখারি, হাদিস : ৩৪; মুসলিম, হাদিস : ১০৬)
 আরেক হাদিসে আছে, ‘মুমিন ব্যক্তি কারো সম্মানে আঘাত করে না। কাউকে অভিশাপ দেয় না। অশ্লীল কাজ করে না। মন্দ কথা বলে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২১০৫)
 আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকি [আল্লাহর অবাধ্যাচরণ] এবং তার সঙ্গে লড়াই ঝগড়া করা কুফরি।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০৪৫, ৭০৭৬; তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৩)
 রাসুল (সা.) আরো বলেছেন, ‘পরষ্পর গাল-মন্দকারী উভয়ে দুইটি শয়তান। তারা পরষ্পরের নিন্দা করে এবং মিথ্যা কথা বলে।’ (মুসনাদু আহমদ, হাদিস : ১৬৮৩৬)
গালি-গালাজ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ
 ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি তোমাকে তোমার সে বিষয় নিয়ে গালি দেয়— যা সে জানে, তখন তুমি সেই ব্যক্তিকে সেই বিষয় ধরে গালি দিয়ো না— যা ওর মধ্যে আছে আর তুমি তা জানো। এতে তোমার পুণ্য লাভ হবে এবং ওর ওপর হবে পাপের বোঝা। (সহিহুল জামে, হাদিস : ৫৯৪)
 জাবের বিন সুলাইম হুজাইমি (রা.) বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, ‘...যদি কোনো ব্যক্তি তোমাকে গালি দেয় এবং যে ত্রুটি তোমার মধ্যে নেই— তা নিয়ে তোমাকে লজ্জা দেয়, তাহলে তুমি তাকে সেই ত্রুটি নিয়ে ওকে লজ্জা দিয়ো না, যা ওর মধ্যে আছে। ওকে উপেক্ষা করে চল। ওর পাপ ওর উপর এবং তোমার পুণ্য তোমার জন্য। আর অবশ্যই কাউকে গালি দিয়ো না। (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৫২১, ত্বায়ালিসি : ১২০৮, সহিহুল জামে, হাদিস : ৯৮)
গালি দেওয়া কবিরা গুনাহ
 অন্য এক হাদিসে আছে, ‘কবিরা গুনাহগুলোর একটি হলো নিজের বাবা-মা’কে অভিশাপ করা।’ জিজ্ঞেস করা হলো, আল্লাহর রাসুল! মানুষ নিজের বাবা-মাকে কীভাবে অভিশাপ করে?’ তিনি বললেন, ‘যখন সে অন্যের বাবাকে গালি-গালাজ করে, তখন সে নিজের বাবাকেও গালি-গালাজ করে থাকে। আর সে অন্যের মাকে গালি দেয়, বিনিময়ে সে তার মাকেও গালি দেয়।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৯৭৩; তিরমিজি, হাদিস : ১৯০২)
 রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকি [আল্লাহর অবাধ্য আচরণ] এবং তার সঙ্গে লড়াই ঝগড়া করা কুফরি।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০৪৫, ৭০৭৬; তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৩)।
 তিনি আরও বলেছেন, ‘কাউকে গালি দেবে না এবং ভাল কাজে কার্পণ্য করবে না— যদিও তা কারো সাথে হাসিমুখে সাক্ষাতের বিষয় হয়।’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস : ২১১৭৮)
গালির বদলে গালি দেওয়াও নিষেধ
 আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার (কোনো মুসলিম) ভাইয়ের সম্মান নষ্ট করেছে অথবা কোনো বিষয়ে জুলুম করেছে, সে যেন আজই (দুনিয়াতে) তার কাছে (ক্ষমা চেয়ে) হালাল করে নেয়— ওইদিন আসার আগে, যেদিন দিনার ও দিরহাম কিছুই থাকবে না। তার যদি কোনো নেক আমল থাকে, তবে তার জুলুমের পরিমাণ অনুযায়ী তা থেকে নিয়ে নেওয়া হবে। আর যদি তার কোনো নেকি না থেকে, তবে তার সঙ্গীর পাপরাশি তার (জালেমের) ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। ’ (বুখারি, হাদিস : ২৪৪৯, ৬৫৩৪; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ৯৩৩২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মার্জিত ভাষা ও শ্রুতিমধুর শব্দ ব্যবহারের তাওফিক দান করুন। গালমন্দ ও অশ্লীল বাক-বিনিময় থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

20/04/2025

৫০টি ফ্রি AI
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

Address

Dhaka
1204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইকরা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ইকরা:

Share