14/08/2026
মানুষের সবচেয়ে কঠিন লড়াই অনেক সময় বাইরের কোনো শত্রুর সঙ্গে নয়—বরং নিজের নফসের সঙ্গে। নফস যখন প্রবৃত্তির অনুসরণে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন সে গুনাহকে সুন্দর করে দেখায়, অন্যায়কে যুক্তিসঙ্গত মনে করায় এবং ইবাদতকে কঠিন ও ভারী করে তোলে। কখনো সে বলে, ‘এটা করলে তো কেউ জানবে না’; কখনো বলে, ‘সবাই তো এমন করে’; আবার কখনো মনে করিয়ে দেয়, ‘আমি তো খারাপ মানুষ নই!’
এভাবেই মানুষ ধীরে ধীরে গুনাহের প্রতি সংবেদনশীলতা হারাতে থাকে। অথচ মুমিনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো— নিজের অন্তরের অবস্থা নিয়মিত যাচাই করা এবং নফসকে আল্লাহর আনুগত্যে পরিচালিত করা। আল্লাহ তাআলা বলেন—
إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلَّا مَا رَحِمَ رَبِّي ۚ إِنَّ رَبِّي غَفُورٌ رَّحِيمٌ
‘নিশ্চয়ই নফস মন্দ কাজের প্রতি অত্যন্ত প্ররোচনাদানকারী— তবে আমার রব যার প্রতি দয়া করেন সে ছাড়া। নিশ্চয়ই আমার রব পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা ইউসুফ: আয়াত ৫৩)
অতএব, নফসের প্রবণতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া আত্মশুদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।