11/07/2026
আমি আমার স্কুল জীবনে বন্ধুবিশ্বাসে ঠকেছি।আমি আমার বান্ধবীকে খুবই ভালোবাসতাম। বিয়ের পর দেখা করে ফেরার পথে চোখ দিয়ে অঝোরে পানিও এসেছে কয়েকবার। ওর জন্য কত মায়া হতো। মন খারাপ হতো এই ভেবে আর কখনো একসাথে থাকা হবেনা। আমরা একসাথে ১২ ঘণ্টা ও পর করেছি কখনো বোর হতাম না অনেক বিশ্বাস করতাম তাকে। স্কুল জীবনের সেই সেরা বন্ধুত্বে আমার দিক থেকে কোনো অসততা ছিলো না। এরপরও যখন নিজের কানে শুনেছি তার বিশ্বাসঘাতকতার গল্প আমর সাথে করা বেইমানী গল্প আমাকে আমার গোপন কথা বানিয়ে মানুষের কাছে বলার গল্প তখন নিজেকে আরও সামলাতে পারি নেই আমার চোখের পানিতে টলমল করে উঠেছিলো। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো, গভীর রাতে প্রায়ই মনে হতো এভাবে ঠকলাম!
এর অনেকবছর পর সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে আমার আরো একটি বন্ধুত্ব হয়েছিলো। আমি তাকে ভালোবাসতাম। তার সাথে ও সুখের দুঃখের কথা বলতাম তাকেও অনেক ভালোবাসতাম যখন ফোন দিত কথা বলতাম আমি যতই ব্যস্ত থাকতাম না কেনো । তবে সে আমাকে আমার মতো করে ভালোবাসেনি। সে শুধু আমার সাথে তার কথা বলে হালকা হওয়ার জন্য ফোন দিত আমার কথা গুরুত্ব দিত না সময়ের সাথে সাথে অনেক পরিবর্তন হয়ে গেলো সে কেন আমার মতন করে আমাকে ভালোবাসেনি সেটা একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে এবার ঠকে গিয়ে চোখে আর পানি আসেনি। একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়েছি এবং এরপর প্রচন্ডভাবে ঘৃণা এসেছে মনে। জীবনে আর সেদিকে ফিরে দেখিনি। পি
এই দুজন মানুষকে ভালোবাসতাম, প্রচন্ডভাবে ভালোবাসতাম-একইভাবে আমার মনে তাদের জন্য প্রচন্ডরকমের তিক্ততা।ঘৃণা করতেও যে একটা বিশেষ যোগ্যতা লাগে,বোধ করি তাদের সেটাও নেই।
কিছু মানুষকে ক্ষমা করা যায় কিনা সেটাও দীর্ঘ আলোচনার বিষয়। জীবনে কেউ যদি বিশ্বাস নিয়ে ভঙ্গ করে, বন্ধুত্বের অপব্যবহার করে তবে ভুলে যাবেন না।